বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:১৮ পি.এম
দক্ষিণ ইরানের হরমুজগান প্রদেশের সিরিক কাউন্টির কুহেস্তাক শহরে একটি আবাসিক ভবনে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান ভয়াবহ ট্র্যাজেডিতে পরিণত হয়েছে। মঙ্গলবারের সন্ধ্যায়, সেপ্টেম্বর মাসে সংঘটিত এই হামলায় অন্তত চারজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে একটি চার বছর বয়সী শিশু রয়েছে, এবং ৭০ জনেরও বেশি আহত হয়েছে।
এই ঘটনার পর জাতিসংঘে ইরানের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি গোলামহোসেইন দারজি জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির কাছে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
চিঠিতে ইরান সরকার এই হামলাকে আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং একটি যুদ্ধাপরাধ হিসেবে উল্লেখ করেছে। তেহরানের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া আগ্রাসনের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ধারাবাহিকভাবে ইরানি সাধারণ নাগরিক, স্কুল, হাসপাতাল ও সংযোগ অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে আসছে।
এছাড়াও, চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জাতিসংঘ সনদ অনুযায়ী নিজেদের আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালানো হয়েছে। তেহরান অবিলম্বে মার্কিন হামলা বন্ধ করার, এই যুদ্ধাপরাধের তীব্র নিন্দা জানানো এবং সার্বিক ক্ষয়ক্ষতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার জন্য নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
সূত্র: মেহের নিউজ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ দলটির শীর্ষ সাত নেতার বিরুদ্ধে রায় আগামী সপ্তাহের যে কোনো দিন ঘোষণা করা হবে, এমনটি জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার দুপুরে, সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য জানান নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলন কক্ষে।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, "জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় আগামী সপ্তাহে রায়ের জন্য যেকোনো দিন থাকতে পারে।" তিনি আরো উল্লেখ করেন যে, প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। "আমরা আশা করছি, আগামী সপ্তাহের যেকোনো দিন এটি রায়ের জন্য থাকবে।"
এর আগে, ১৭ আগস্ট যুক্তিতর্ক সম্পন্ন হওয়ার পর ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। উল্লেখ্য, সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছে।
গত ২ আগস্ট এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শেষ হয়। রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২৯ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন, যার মধ্যে তদন্ত কর্মকর্তাও ছিলেন।
চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দেওয়া ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন একই আদালত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ভূমিকম্পের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, ভূমিকম্পের আঘাত হানার পূর্বে প্রস্তুতি গ্রহণ করা জরুরি, যাতে দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো সম্ভব হয়। এই উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশনার আলোকে মন্ত্রণালয় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত করছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরে ‘প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুত ভূমিকম্প বিষয়ক প্রশিক্ষণ’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ একটি দুর্যোগপ্রবণ দেশ। এখানে বিভিন্ন ধরনের দুর্যোগ প্রতিনিয়ত আঘাত হানে। ভূমিকম্প পূর্বাভাস ছাড়াই ঘটে এবং আচমকা ভূমিকে কাঁপিয়ে বিস্তীর্ণ জনপদ ধ্বংস করে দিতে পারে। এসব দুর্যোগের কারণে সৃষ্ট দুর্ভোগ প্রশমনে বর্তমান সরকার নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন বলেন, প্রশিক্ষণ ব্যক্তিকে দক্ষ, পরিণত ও সম্পূর্ণ করে। প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবীরা সুযোগ পেলে আর্তমানবতার সেবায় ঝাঁপিয়ে পড়বেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘ এল নিনো নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উদ্ভূত প্রাকৃতিক দুর্যোগের একটি অংশ। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, যখন বিশ্বজুড়ে জলবায়ু সংকট চরম আকার ধারণ করেছে, তখনই একটি নজিরবিহীন এল নিনো আমাদের সামনে অতিদমনীয় রূপ নিচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, গত এক হাজার বছরের মধ্যে এটি হবে সবচেয়ে শক্তিশালী ও সর্বগ্রাসী এল নিনো।
এই প্রলয়ংকরী পরিস্থিতির সমন্বিত প্রভাবে, ২০২৭ সাল পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে উত্তপ্ত বছর হিসেবে পূর্বের সব রেকর্ড ভেঙে দিতে যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই প্রশান্ত মহাসাগরের উপকণ্ঠ থেকে ইউরোপ, এশিয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকায় এর ভয়াবহ প্রভাব দেখা যাচ্ছে। ইন্দোনেশিয়ার সাম্প্রতিক তীব্র দাবানল, ভারতে মৌসুমি বায়ুর দুর্বলতা, এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মারাত্মক খরা; সবকিছুতেই এই তাপমাত্রা বৃদ্ধির স্পষ্ট প্রভাব রয়েছে। ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম সতর্ক করে জানিয়েছে, এই পরিস্থিতি বিশ্বজুড়ে প্রায় ৫ কোটি মানুষকে তীব্র ক্ষুধার দিকে ঠেলে দিতে পারে।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, এল নিনো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ু চক্র, যেখানে প্রশান্ত মহাসাগরে বাতাসের গতিপথ পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রের পানি অস্বাভাবিকভাবে গরম হয়ে যায় এবং বায়ুমণ্ডলে বিপুল পরিমাণ তাপ সঞ্চারিত হয়। সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, এল নিনোর কেন্দ্রস্থলে সমুদ্রের তাপমাত্রা ৩০ বছরের গড়ের চেয়ে ২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি রেকর্ড করা হয়েছে। জলবায়ু বিশ্লেষক জেকে হাউসফাদার জানিয়েছেন, আগামী নভেম্বরে এর মাত্রা গড়ে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে। প্রবাল, গাছের বলয় ও ঐতিহাসিক নথিপত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত এক হাজার বছরে এতটা শক্তিশালী তাপমাত্রা বৃদ্ধি আর দেখা যায়নি। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষের তৈরি বিশ্ব উষ্ণায়ন এল নিনোকে আরও শক্তিশালী করছে, যা জলবায়ু সংকটকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে বলেছেন, বৈজ্ঞানিক তথ্যে কোনো সন্দেহ নেই; পৃথিবী এখন এক অজানা এবং অতি-বিপজ্জনক আবহাওয়ার অঞ্চলের দিকে ধাবিত হচ্ছে। এখন মূল লড়াই হলো জলবায়ু ঝুঁকি এবং মানুষের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য নেওয়া পদক্ষেপের মধ্যে।
অন্যদিকে, বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার প্রধান সেলেস্তে সাওলো জানিয়েছেন, তাদের ৫০ বছরের ইতিহাসে এবারই প্রথম জাতীয় আবহাওয়া দপ্তরগুলোকে সঙ্গে নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে এতো বড় আকারের জরুরি প্রস্তুতি শুরু করা হয়েছে। এই দুর্যোগের হাত থেকে জীবন ও জীবিকা বাঁচাতে আর এক মুহূর্তও সময় নেই। আন্তর্জাতিক পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা হুশিয়ার করে বলেছেন, এল নিনোর প্রভাবে খাদ্য উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়ে বিশ্বজুড়ে খাদ্যদ্রব্যের দাম আরও বাড়বে, যা দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সবচেয়ে বেশি বিপর্যয়ের মুখে ফেলবে।
সূত্র: গার্ডিয়ান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউডে সু-অভিনেত্রী হিসেবে তাপসী পান্নুর খ্যাতি রয়েছে। তবে সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া সিনেমাগুলো তাকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি, যা তার কথায় প্রতিফলিত হয়েছে।
গত কয়েক মাসে মুক্তি পাওয়া একঘেয়ে ধারার সিনেমার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তাপসী জানান, এই ধরনের চলচ্চিত্রে অভিনয় করার চেয়ে তিনি অভিনয়জীবন থেকে অবসর নেওয়াকেই শ্রেয় মনে করবেন। যদিও তিনি সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট চলচ্চিত্র বা অভিনেতা-অভিনেত্রীর নাম উল্লেখ করেননি। তবে তার বক্তব্য প্রকাশ পাওয়ার পর নেটাগরিকদের একটি বড় অংশ দাবি করছে যে, এই মন্তব্যের মূল নিশানা ছিল সদ্য মুক্তি পাওয়া ‘টক্সিক’ ছবি এবং এর তারকা কিয়ারা আদভানি।
চলচ্চিত্র সাংবাদিক সুচিন মেহরোত্রার সঙ্গে আলাপকালে তাপসী পান্নু তার ক্যারিয়ারের সূচনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, এক দশক আগে যখন তিনি অভিনয়জীবন শুরু করেছিলেন, তখন মূলধারার হিন্দি চলচ্চিত্র ছিল বৈচিত্র্যময় এবং কোনো একক নির্দিষ্ট ধারায় সীমাবদ্ধ ছিল না। সেই প্রেক্ষাপটের জন্য নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করে তাপসী বলেন, যদি এমন এক সময় হতো যেখানে কেবল এই এক ধরনের কনটেন্টই তৈরি হচ্ছে, তবে তার মতো কারও হয়তো এখানে কোনো ক্যারিয়ারই তৈরি হতো না।
গত কয়েক মাসে প্রেক্ষাগৃহে আসা কিছু চলচ্চিত্র দেখার পর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে হওয়া এক কথোপকথনের স্মৃতিচারণ করে তিনি জানান, বর্তমানে যেভাবে নির্দিষ্ট ধাঁচের সিনেমা নির্মিত হচ্ছে, একজন শিল্পী হিসেবে তিনি এর অংশ হতে চান না। এমন ধরনের সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে তাপসী রসিকতা ও ক্ষোভের সুরে যোগ করেন, এগুলো দেখার পর তার মনে হয়েছিল এবার হয়তো তার অবসর নেওয়ার সময় এসেছে।
তাপসী পান্নু অবশ্য স্বীকার করেছেন যে বাজারে এসব চলচ্চিত্রের একটি নির্দিষ্ট দর্শকশ্রেণি বা গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তবে কেবল দর্শকপ্রিয়তার টানে তিনি নিজেকে এমন কাজে সঁপে দিতে পারেন না। নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে এই অভিনেত্রী বলেন, তিনি তার অভিনয় পেশাকে অত্যন্ত ভালোবাসেন, তবে অন্ধভাবে এতটা ভালোবাসেন না যে এই ধরনের চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে হবে। নিজের ক্যারিয়ারের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে তিনি জানান, এমন এক কাজের ঝুলি বা ফিল্মোগ্রাফি তিনি তৈরি করতে চান যা সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবে।
পরিবর্তনশীল সময়ের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, যুগ বা ধারার পরিবর্তন হবে, কিন্তু একজন শিল্পীর কাজের তালিকা অপরিবর্তিত থাকবে। তিনি চান, আজ থেকে ১০ বছর পর যেন পেছনের কাজের দিকে ফিরে তাকিয়ে নিজের পছন্দগুলোর জন্য কোনো লজ্জাবোধ বা সংকোচ না হয়, সেই জন্য তিনি তেমন চলচ্চিত্রেই কাজ করতে চান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাপসী পান্নুর এই বক্তব্যের ভিডিও ক্লিপটি ছড়িয়ে পড়ার পরপরই শুরু হয় জোর চর্চা ও নেটিজেনদের নানা প্রতিক্রিয়া। নেটিজেনদের একাংশ মন্তব্য করেছেন, তাপসী নিজের ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে তো এই ধরনের সিনেমাতেই অভিনয় করেছিলেন, তাই এখন নতুন করে দেওয়ার মতো কিছু না পেয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করছেন এবং কিয়ারা আদভানির উজ্জ্বল ক্যারিয়ারের সঙ্গে তার তুলনা টেনে তাকে কান্না থামানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। অন্য একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন, কিয়ারা অন্তত বড় পর্দায় এসব অভিনয় করেছেন, যেখানে তাপসীর ‘হাসিন দিলরুবা’র মতো ছবি এসেছে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে। একই সঙ্গে বেশ কয়েকজন সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারী প্রশ্ন তোলেন যে, তাপসী যদি নিজের নীতি অনুযায়ী কাজ করতে পারেন তবে অন্য অভিনেত্রীদের ক্ষেত্রেও একই স্বাধীনতা প্রযোজ্য হওয়া উচিত, আর তা না হলে তার সত্যি সত্যিই অভিনয় থেকে অবসর নেওয়া উচিত।
উল্লেখ্য, ‘টক্সিক: আ ফেয়ারি টেল ফর গ্রোন-আপস’ চলচ্চিত্রটি কেভিএন প্রডাকশনস ও মনস্টার মাইন্ড ক্রিয়েশনসের ব্যানারে ভেঙ্কট কে নারায়ণ এবং অভিনেতা যশ যৌথভাবে প্রযোজনা করেছেন। কন্নড় ও ইংরেজি ভাষায় নির্মিত ও চিত্রায়িত এই ছবিটি পরবর্তীতে হিন্দি, তেলেগু, তামিল ও মালায়লাম ভাষায় ডাব করা হয়। গীতু মোহনদাস পরিচালিত এই তারকাবহুল চলচ্চিত্রে নয়নতারা, হুমা কুরেশি, কিয়ারা আদভানি, তারা সুতারিয়া এবং রুকমিণী বসন্ত অভিনয় করেছেন।
বিপুল প্রত্যাশা নিয়ে মুক্তি পেলেও প্রেক্ষাগৃহে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পেয়েছে ছবিটি এবং প্রত্যাশিত ব্যবসায়িক সাফল্য অর্জনেও এটি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ