বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:০৯ পি.এম
কুড়িগ্রাম সদরে অভিযান পরিচালনা করে ইয়াবা ও হেরোইনসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকালে ওয়াপদাপাড়া এলাকার অ্যাডভোকেট আলমগীর হোসেনের বাসভবনে অভিযান চালিয়ে এসব মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ওয়াপদাপাড়া (খলিলগঞ্জ) এলাকার বাসিন্দা এবং কুড়িগ্রাম আইনজীবী সমিতির সদস্য মো. আলমগীর হোসেন (৪৫), তার স্ত্রী মোছা. ডলি (৩০) এবং ভূরুঙ্গামারী উপজেলার ব্যাপারীটারী এলাকার মো. শাহেদ মাহমুদ শাকিল (৩০)।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুড়িগ্রাম জেলা কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, অভিযানের সময় আলমগীর হোসেনের কাছ থেকে ১৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি ডলির কাছ থেকে ৫১টি হেরোইনের পুরিয়া এবং শাহেদ মাহমুদ শাকিলের কাছ থেকে পাঁচ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
মোট উদ্ধার হওয়া ইয়াবার সংখ্যা ১৯৫ পিস, যার মোট ওজন ১৯ দশমিক ৫ গ্রাম। অপরদিকে, পলিথিনসহ হেরোইনের মোট ওজন চার গ্রাম। জব্দ করা মাদকদ্রব্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ৯৮ হাজার ৫০০ টাকা।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুড়িগ্রাম জেলার উপ-পরিচালক মো. শাহ-নেওয়াজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে সন্ধ্যায় কুড়িগ্রাম সদর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জয়পুরহাট সদর উপজেলার পুরানাপৈল ইউনিয়নের মিটনাপাড়া গ্রামে আপন বড় চাচার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ১৫ বছর বয়সী পঞ্চম শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রী সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে। অভিযুক্ত চাচা আজিজুল বারীকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে আদালতের নির্দেশে ভুক্তভোগী শিশুটিকে রাজশাহী সেফ হোমে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা প্রায় ১০ বছর আগে মারা যান। দুই কন্যাসন্তানকে রেখে বাবার মৃত্যুর পর তাদের মা অন্যত্র বিয়ে করেন। এরপর থেকে দুই বোন তাদের দাদি আজিদা বিবির (৮০) কাছে থাকত। দাদি কাজের প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে গেলে অভিযুক্ত আজিজুল বারী শিশুটিকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ করতেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, ভুক্তভোগী মাদ্রাসায় নিয়মিত বোরকা পরে যাতায়াত করায় প্রথম দিকে তার শারীরিক পরিবর্তন অনেকের নজরে আসেনি। পরে তার শারীরিক পরিবর্তন দেখে সন্দেহ হলে গত ২৬ অক্টোবর রাতে পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা।
খবর পেয়ে পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে প্রয়োজনীয় শারীরিক পরীক্ষার জন্য পাঠায়। পরীক্ষায় তার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। পরে শিশুটির অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত আজিজুল বারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নূরে আলম সিদ্দিকী জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই ভুক্তভোগী শিশুটিকে উদ্ধার করা হয় এবং অভিযুক্ত আপন চাচাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নেওয়া হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত প্রায় এক বছর ধরে ভাতিজিকে জোরপূর্বক ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন বলে জানান তিনি।
ওসি আরও জানান, ভুক্তভোগী শিশুটির নিজস্ব অভিভাবক ও নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা না থাকায় আদালতের নির্দেশে তাকে রাজশাহী সেফ হোমে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (বিজি ডিসিএল) অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। প্রায় ৩০০ মিটার দীর্ঘ একটি সম্পূর্ণ অবৈধ গ্যাস নেটওয়ার্ক নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে, পাশাপাশি ১৮টি অবৈধ গ্যাস সংযোগের রাইজার উচ্ছেদ করা হয়েছে। এক ব্যক্তিকে অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ ব্যবহার করার জন্য আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) কুমিল্লার প্রধান কার্যালয় থেকে বিজিডিসিএল এই তথ্য প্রকাশ করে।
বাখরাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানায়, দীর্ঘ সময় ধরে একটি চক্র ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সুহিলপুর ইউনিয়নের আলমপাড়া এলাকায় অবৈধভাবে সরকারি গ্যাস চুরির সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ বৃহস্পতিবার সেখানে আকস্মিক অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রিন্স সরকারের নেতৃত্বে অভিযানের সময় ওই এলাকার ১৮টি অবৈধ গ্যাস সংযোগের রাইজার সম্পূর্ণরূপে উচ্ছেদ ও নিষ্ক্রিয় করা হয়। অভিযানের সময় বিপুল পরিমাণ অবৈধ পাইপলাইন ও সরঞ্জাম জব্দ করা হয়, যার মধ্যে রয়েছে ২০০ মিটার দীর্ঘ ৩/৪” পাইপলাইন এবং দুইটি রেগুলেটর।
বিজিডিসিএল কর্মকর্তারা জানান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযানের খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অনেক ব্যবহারকারী নিজেদের উদ্যোগে রেগুলেটর খুলে পালিয়ে যায়। এই উচ্ছেদ অভিযানের ফলে ওই এলাকার প্রায় ৩০০ মিটার দীর্ঘ একটি সম্পূর্ণ অবৈধ গ্যাস নেটওয়ার্ক নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। এদিকে, অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ নিয়ে রাষ্ট্রীয় সম্পদ চুরির অপরাধে ঘটনাস্থলেই ১ জন ব্যক্তিকে দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে বাখরাবাদ গ্যাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন।
বিজিডিসিএল কর্মকর্তারা আরও জানান, রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা এবং অবৈধ গ্যাস সংযোগের কারণে সৃষ্ট অগ্নিদুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে এই ধরনের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে। অবৈধ গ্যাস সংযোগকারী এবং এর পেছনের সিন্ডিকেটকে কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না বলেও কঠোর হুঁশিয়ারি প্রদান করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষে নিরাপত্তাব্যবস্থা শক্তিশালী করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আগামী ২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া র্যালি, কনসার্টসহ অন্যান্য সব আয়োজন সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন রাখতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে কনসার্টে বহিরাগতদের প্রবেশ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. নাছির আহ্মাদসহ সহকারী প্রক্টররা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসি, রোভার স্কাউটস ও রেঞ্জার ইউনিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)-এর নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনের সভাপতি ও আহ্বায়ক এবং সাধারণ সম্পাদক ও সদস্যসচিবরা অংশ নেন। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী কোতোয়ালি, বংশাল ও সূত্রাপুর থানার প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের র্যালি, কনসার্ট ও অন্যান্য অনুষ্ঠান শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে সফলভাবে সম্পন্ন করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। অংশীজনদের মতামত ও পরামর্শের ভিত্তিতে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
এ সময় জকসু ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনের নেতৃবৃন্দ প্রশাসনকে আশ্বাস দেন যে, অনুষ্ঠানগুলো শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে তারা সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবেন।
বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের আয়োজন সুশৃঙ্খল রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি, বিভিন্ন বিভাগের ছাত্র উপদেষ্টা, বিএনসিসি, রোভার স্কাউটস এবং ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনগুলোর প্রতিনিধিরা দায়িত্ব পালন করবেন। বিশেষ করে কনসার্টে বহিরাগতদের প্রবেশ ঠেকাতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের সার্বিক আয়োজন সুষ্ঠু ও সফলভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত সহযোগিতা কামনা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। উল্লেখ্য, আগামী ২ নভেম্বর (সোমবার) বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদ্যাপন করা হবে। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য ‘তারুণ্যে দীপ্তপ্রাণ-ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি লিওনেল মেসির অবসরের পর ১০ নম্বর জার্সি কার গায়ে উঠবে, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। দলের অধিনায়ক হিসেবে ক্রিস্টিয়ান রোমেরোকে বেছে নেওয়ার পর, কোচ লিওনেল স্কালোনি স্পষ্টভাবে জানায়নি যে, জার্সিটি কার গায়ে উঠবে। তবে মেসির জাতীয় দলের সতীর্থদের মধ্যে ১০ নম্বর জার্সি নিয়ে আগ্রহ দেখা দিয়েছে। আর্জেন্টিনার নতুন অধিনায়ক হিসেবে জুলিয়ান আলভারেজকে ১০ নম্বর জার্সির উত্তরসূরি হিসেবে চান রোমেরো।
এই মন্তব্য তিনি সাক্ষাৎকারভিত্তিক টকশো লস এদুলের সঙ্গে আলাপকালে করেছেন। টটেনহ্যামের এই ডিফেন্ডার হিসেবে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক হিসেবে এটি ছিল তাঁর প্রথম সাক্ষাৎকার।
রোমেরো বলেন, "মেসির জায়গা পূরণ করতে অন্য কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার চেয়ে জাতীয় দল থেকে ১০ নম্বর জার্সিটি অবসরে পাঠানোই তাঁর বেশি পছন্দ।"
আর্জেন্টিনা দলের ১০ নম্বর জার্সির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহ্য রয়েছে। আর্জেন্টিনার সর্বকালের সেরা ফুটবলারদের মধ্যে দিয়েগো ম্যারাডোনা ও মারিও কেম্পেসও এই জার্সি পরিধান করেছেন।
রোমেরো আরও বলেন, "সত্যি বলতে, আমি জার্সিটি তুলে রাখতাম, আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনে (এএফএ) একটি ম্যুরাল তৈরি করতাম, ব্যস। তাহলে কাউকে এই দায়িত্ব নিতে হতো না। কিন্তু সেটি করা সম্ভব নয়।"
তবে জার্সিটি ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত থাকলে কাকে দেওয়া উচিত- এমন প্রশ্নে বিশ্বকাপজয়ী রোমেরোর উত্তর ছিল স্পষ্ট, "আমি এটি জুলিকে (আলভারেজ) দিতাম।"
রোমেরো বলেন, "এরপর অবশ্য সবারই নিজস্ব পছন্দ থাকবে। আমি তার মধ্যে বিনয়, পরিবারকেন্দ্রিক মানসিকতা ও ভালো মানুষের বৈশিষ্ট্য দেখতে পাই। তার যোগ্যতাও রয়েছে। আমার মনে হয়, সেইই উপযুক্ত।"
২০২২ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার শিরোপা জয়ে আলভারেজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। এরপর তিনি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফরোয়ার্ড হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। মেসির দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ব্যবহৃত জার্সির উত্তরসূরি হওয়ার ক্ষেত্রে আলভারেজের বিনয়ী ব্যক্তিত্ব ও ফুটবলীয় দক্ষতা তাঁকে শক্ত দাবিদার করে তুলেছে বলে মনে করেন রোমেরো।
জাতীয় দলে আরও অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড় রয়েছে, যারা এই দায়িত্ব নিতে পারেন বলেও স্বীকার করেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। এমনকি আলভারেজকে নিজের শহর কালচিনে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারেও মজা করেন তিনি। রোমেরো জানান, আগে থেকেই আলভারেজকে এ ধারণা গ্রহণে উৎসাহিত করেছিলেন।
স্পেনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ফাইনাল ঘিরে ছড়ানো ষড়যন্ত্রতত্ত্বও উড়িয়ে দিয়েছেন রোমেরো। তাঁর মতে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অপ্রয়োজনীয় জল্পনা-কল্পনা বাড়িয়ে দিয়েছে।
তিনি বলেন, "ফাইনালে কিছুই ঘটেনি।" স্পেন ভালো খেলেছিল। বিশ্বকাপে খেলা সবসময়ই কঠিন। তার ওপর এবার বেশি ম্যাচ খেলার কারণে টুর্নামেন্টজুড়ে শারীরিকভাবে আর্জেন্টিনা কিছুটা ভুগেছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মেসিকে নিয়ে আবেগঘন কথাও বলেন রোমেরো। আর্জেন্টিনা দলে সাবেক অধিনায়ককে ছাড়া এখনো সবকিছু অদ্ভুত লাগে বলে স্বীকার করেন তিনি।
রোমেরো বলেন, "তার ক্যারিয়ার এমন ছিল- এখনো তেমনই, যা কেউ কখনো ছুঁতে পারবে না।"
এই সেন্টার-ব্যাক আরও এক ধাপ এগিয়ে মেসিকে ইতিহাসের সর্বকালের সেরা ফুটবলার হিসেবে আখ্যা দেন। পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালিয়ে যাওয়ার প্রতি মেসির আগ্রহেরও প্রশংসা করেন তিনি।
আধুনিক সময়ের ব্যক্তিগত পুরস্কারগুলোর গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রোমেরো। তাঁর মতে, ফুটবলের বড় পুরস্কারগুলোর লড়াইয়ে কখনো কখনো বিপণন কৌশল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জনপ্রিয়তা প্রভাব ফেলে। এক্ষেত্রে মজা করে তিনি বলেন, "এখন পুরস্কারটা অনেকটা বিপণন কৌশলের অংশ হয়ে গেছে। সম্ভবত যার ইনস্টাগ্রামে অনুসারী সবচেয়ে বেশি, তাকেই দেওয়া হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ