ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরলেন এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত


মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরলেন এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে তরুণদের খেলাধুলার দিকে আকৃষ্ট করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি উল্লেখ করেন যে, তরুণদের মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে তাদের খেলার মাঠে নিয়ে আসা প্রয়োজন। যদি তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলার সুযোগ বৃদ্ধি করা যায়, তাহলে প্রতিভাবান খেলোয়াড়েরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হবেন।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে শেরপুর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসক (ডিসি) গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ফাইনাল ম্যাচে শেরপুর সদর উপজেলা দলকে ১-০ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে শেরপুর পৌরসভা দল। স্মরণকালের সর্বোচ্চ দর্শকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই খেলায় চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, এমপি মাহমুদুল হক রুবেল, জেলা প্রশাসক মিজ্‌ ফরিদা ইয়াসমিন, পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম প্রমুখ।

আরও পড়ুন: ইশরাক হোসেনকে অস্ত্র হাতে রাস্তায় নামতে হলো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতার জন্য

জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য, সংবিধান সংশোধন কমিটির সদস্য ও শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল এবং পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, "খেলাধুলার প্রসারে এ ধরনের টুর্নামেন্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।" তিনি উল্লেখ করেন যে, স্থানীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হয়। শেরপুরের ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নিতে নিয়মিত ক্রীড়া আয়োজন ও তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, "ফুটবলসহ বিভিন্ন ক্রীড়া কার্যক্রম তরুণদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব ও পারস্পরিক সম্প্রীতি গড়ে তোলে।" তিনি খেলার মাঠ সংরক্ষণ, ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং নিয়মিত প্রতিযোগিতা আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া, মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলনকে জোরদার করে তরুণদের খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম বলেন, "খেলাধুলা তরুণ সমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।"

আরও পড়ুন: বাগাতিপাড়ায় মাদক ও বাল্যবিবাহের কুফল নিয়ে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন টুর্নামেন্ট সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।

অন্যান্য উপস্থিতদের মধ্যে ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক ও পৌর প্রশাসক আরিফা সিদ্দিকা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শাকিল আহমেদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা বিনতে রফিক, শেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কাকন রেজা, বিএনপি নেতা আব্দুল আউয়াল চৌধুরী ও আবু রায়হান রুপন, জামায়াত নেতা আব্দুল বাতেন এবং জেলা ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) আহ্বায়ক মো. কামাল হোসেনসহ জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ।

টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের পাশাপাশি সেরা খেলোয়াড়, ম্যান অব দ্য ম্যাচ ও সর্বোচ্চ গোলদাতাকে পুরস্কৃত করা হয়। দর্শকদের জন্য ফ্রি কুপনের মাধ্যমে ১০ জনকে পুরস্কার দেওয়া হয়, যার প্রথম পুরস্কার ছিল একটি বাইসাইকেল।

আয়োজকদের মতে, দর্শকদের এই উপস্থিতি ছিল স্মরণকালের সর্বোচ্চ।

আরও পড়ুন: অ্যাপল গ্লোবাল টেলরের এমডি-চেয়ারম্যানকে ২২ বছরের কারাদণ্ড, ৯২৬ কোটি টাকা জরিমানা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গাপূজায় ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৫ পি.এম


দুর্গাপূজায় ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর

দুর্গাপূজা উপলক্ষে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার এবং সকল ধর্মের মানুষের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ঐতিহ্য রক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।

মন্ত্রী বলেন, "পৃথিবীতে চিরন্তন দ্বন্দ্ব চলছে সত্য ও মিথ্যা, ন্যায় ও অন্যায়ের মধ্যে। দুর্গাপূজার শিক্ষা হলো মিথ্যাকে অতিক্রম করে সত্য প্রতিষ্ঠা করা, অন্যায়কে পরাজিত করা এবং নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো।" তিনি উল্লেখ করেন, এই শিক্ষা ধারণ করতে পারলে পূজা উদযাপন সার্থক হবে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) নারায়ণগঞ্জের আমলাপাড়া সার্বজনীন পূজা কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত দুর্গাপূজা পরিদর্শনকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আরও বলেন, দেবী দুর্গা অসুরকে দমন করে ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠার প্রতীক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। দুর্গাপূজার এই শিক্ষা ধারণ করে সমাজে ন্যায় প্রতিষ্ঠা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে।

নারায়ণগঞ্জের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, "এ অঞ্চলে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ঐতিহ্য রয়েছে।" তিনি সকলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান যাতে এই সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখা যায়।

মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে পাটশিল্পের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। নারায়ণগঞ্জ ছিল এই শিল্পের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। তিনি বলেন, "এ অঞ্চলের ঐতিহ্য ধরে রাখার পাশাপাশি সব ধর্মের মানুষের মধ্যে শান্তি, শৃঙ্খলা ও সম্প্রীতির পরিবেশ অটুট রাখতে হবে।"

পূজা আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে মন্ত্রী উৎসবের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

এ সময় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মোঃ সাখাওয়াত হোসেন খান, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও পূজা উদযাপন কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপি হাসিনার সস্তা ভার্সন হওয়ার চেষ্টা করছে : সাদিক কায়েম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৬ পি.এম


বিএনপি হাসিনার সস্তা ভার্সন হওয়ার চেষ্টা করছে : সাদিক কায়েম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম মন্তব্য করেছেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য সরকারের বিভিন্ন অপতৎপরতা জনগণের মনে গভীর আশঙ্কার সৃষ্টি করছে। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, বিরোধী দলকে ভোট দেওয়ার কারণে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে, যা ফ্যাসিবাদী আচরণের একটি উদাহরণ। বর্তমান পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে বিএনপি ‘হাসিনার সস্তা ভার্সন’ হওয়ার চেষ্টা করছে।

শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক কড়া বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেছেন। বিবৃতিতে ডাকসু ভিপি উল্লেখ করেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে সরকারের নানামুখী অপতৎপরতা জনগণের মনে নানা আশঙ্কার জন্ম দিচ্ছে। বিএনপির চিফ হুইপ বরগুনায় গিয়ে ভোটারদের প্রকাশ্যে হুমকি দিয়েছেন যে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী নির্বাচিত না হলে ওই ইউনিয়নের মানুষ সরকারি উন্নয়ন বরাদ্দ পাবে না, ‘কপাল পুড়বে’ তাদের।’

সাদিক কায়েম সরকারি বরাদ্দে নজিরবিহীন বৈষম্যের অভিযোগ তুলে বলেন, ‘ইউনিয়ন পর্যায়ে ‘পছন্দমতো প্রকল্প’ বাস্তবায়নের জন্য শুধুমাত্র সরকারি দলের ২০৩ জন সংসদ সদস্যকে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের এলাকা সম্পূর্ণ বাদ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, সারাদেশের পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের অনির্বাচিত প্রশাসকরা সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে নির্বাচনের অনানুষ্ঠানিক প্রচারণা ও স্টান্টবাজিতে লিপ্ত হয়েছেন।’

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এই চিত্র কি একটি সভ্য গণতান্ত্রিক দেশের চিত্র হতে পারে? জনগণের কষ্টার্জিত অর্থ থেকে আদায় করা করের টাকায় দেশের উন্নয়ন হয়, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বিএনপির চাঁদাবাজির টাকায় হয় না। অথচ বিরোধী দলকে ভোট দেওয়ার কারণে জনগণকে উন্নয়ন বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে, এমনকি উন্নয়ন না করার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। এটা স্পষ্ট ফ্যাসিবাদী ও স্বৈরতান্ত্রিক আচরণ।’

নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘সরকারের দায়িত্বশীল পর্যায় থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে প্রভাবিত করার নগ্ন চেষ্টা এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে জনগণের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার অধিকার খর্ব করার অপচেষ্টার পরও এই পুতুলমার্কা নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ নিশ্চুপ ভূমিকা পালন করছে।’

বিবৃতির শেষভাগে সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে ডাকসু ভিপি বলেন, ‘অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, হাসিনার সস্তা ভার্সন হওয়ার ট্রাই করছে বিএনপি। জনগণকে দুর্বল ভেবে ও প্রতিপক্ষ মনে করে দেশ চালাতে গিয়ে ফ্যাসিস্ট হাসিনার কী করুণ পরিণতি হয়েছিল, বিএনপি যদি তা ভুলে যায়—তবে শিগগিরই বাংলাদেশের জনগণ আরো ভয়াবহভাবে সেই পরিণতি তাদের স্মরণ করিয়ে দেবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমরের বাসায় তল্লাশি ও মালামাল জব্দের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৬ পি.এম


মার্কিন কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমরের বাসায় তল্লাশি ও মালামাল জব্দের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্র্যাট সদস্য ইলহান ওমরের ওয়াশিংটন ডিসির বাসায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তল্লাশি ও বিভিন্ন মালামাল জব্দের ঘটনায় তার আইনজীবীরা আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। তারা এ অভিযানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেছেন, এটি ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও প্রতিশোধমূলক’ এবং জব্দ করা পাসপোর্ট, মোবাইল ফোন ও কম্পিউটারসহ অন্যান্য সামগ্রী অবিলম্বে ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ (ডিওজে) তদন্ত করছে যে, ১৯৯৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে আসার সময় ইলহান ওমর অভিবাসনসংক্রান্ত নথিপত্রে নিজের বয়স সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য প্রদান করেছেন কি না। এই তদন্তের অংশ হিসেবে চলতি সপ্তাহের শুরুতে তার ওয়াশিংটনের বাসায় কয়েক ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী কর্মকর্তারা। এ সময় তারা বেশ কিছু নথিপত্র, মুঠোফোন, নোটবুক, ল্যাপটপ ও পাসপোর্ট জব্দ করেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর উদ্ধৃতি দিয়ে ফক্স নিউজ জানায়, ফেডারেল কৌঁসুলিদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে ইলহান ওমরের আইনজীবীরা তল্লাশির আইনি ভিত্তি নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন। চিঠিতে তারা উল্লেখ করেন, ইলহান ওমরের নাগরিকত্ব নিয়ে আইন লঙ্ঘনের কোনো বৈধ ভিত্তি নেই।

আইনজীবীদের অভিযোগ, নির্বাচনের ৬০ দিনের মধ্যে এ ধরনের তল্লাশি না চালানোর দীর্ঘদিনের রেওয়াজ উপেক্ষা করে অভিযানটি পরিচালিত হয়েছে। তাছাড়া, তল্লাশির সময় ইলহান ওমরকে পরোয়ানার কোনো অনুলিপি দেখার সুযোগ দেওয়া হয়নি এবং আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতেও বাধা দেওয়া হয়েছে।

আইনজীবীরা আরো দাবি করেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের অন্যতম শীর্ষ কংগ্রেসীয় সমালোচক ইলহান ওমরের বিরুদ্ধে নেওয়া এ পদক্ষেপ তার সাংবিধানিক অধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তাদের মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ ক্ষমতার ভারসাম্যও ক্ষুণ্ন করে।

অন্যদিকে, অভিযানে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি মার্কওয়েন মুলিন। তিনি দাবি করেন, এটি কেবল দেশের আইন প্রয়োগের অংশ এবং এ পদক্ষেপের পেছনে জোরালো তথ্যপ্রমাণ রয়েছে।

নাগরিকত্বসংক্রান্ত তদন্তের পাশাপাশি, ইলহান ওমরের আর্থিক বিষয়গুলোও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। বিশেষ করে, আর্থিক বিবরণীতে তার স্বামীর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মূল্য সংশোধনের বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।

তবে নাগরিকত্ব ও আর্থিক অনিয়মের সব অভিযোগ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন ইলহান ওমর। এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোনো আনুষ্ঠানিক ফৌজদারি অভিযোগ আনা হয়নি।

সূত্র: ফক্স নিউজ

এআরবি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইবিতে ব্যানার টানানোর ঘটনায় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ককে প্রশাসনের সতর্কতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৭ পি.এম


ইবিতে ব্যানার টানানোর ঘটনায় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ককে প্রশাসনের সতর্কতা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ক্যাম্পাসে ব্যানার টানানোর অভিযোগে শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ককে প্রশাসন শোকজের পর লিখিতভাবে সতর্ক করেছে। প্রশাসন জানায়, ভবিষ্যতে নিয়ম ভঙ্গ করলে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। এর আগে ৫ অক্টোবর প্রক্টর অফিস থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছিল।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

প্রক্টর অফিসের সূত্রে জানা যায়, ৫ অক্টোবর (২০২৬) ক্যাম্পাসের ডায়না চত্বরে গাছের সাথে ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’ নাম সংবলিত ব্যানার টানানো হয়। বিষয়টি নিয়ে প্রক্টর অফিস থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হলে অভিযুক্তের পক্ষ থেকে লিখিত জবাব ও প্রতিবাদলিপি জমা দেওয়া হয়। জবাবে ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসান মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও নির্দিষ্ট বিধি সম্পর্কে জানতে চান।

লিখিত জবাবের পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এই নোটিশের মূল বিষয় নয়; বরং এটি ক্যাম্পাসে প্রচার ও সমাবেশ সংক্রান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধির সাথে সম্পর্কিত। শিক্ষার্থীদের আচরণবিধির ৯ নম্বর ধারা অনুযায়ী, কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া ক্যাম্পাসে কোনো শিক্ষার্থী মুদ্রিত বা প্রচারসামগ্রী বিতরণ বা প্রদর্শন করতে পারেন না।

প্রশাসন জানায়, অভিযুক্তের জবাব সন্তোষজনক না হলেও তার প্রথম অপরাধ বিবেচনায় নিয়ে এবং ভবিষ্যতে বিধি মেনে চলার অঙ্গীকারের ভিত্তিতে কেবল লিখিতভাবে সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে ব্যানার, পোস্টার, লিফলেট, সভা বা যেকোনো কর্মসূচির জন্য প্রক্টরের কার্যালয় থেকে লিখিত পূর্বানুমতি নিতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে জরিমানা ও শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়।

নোটিশ পাওয়ার পর শাখা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসান তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লেখেন, "প্রক্টর অফিসে ডেকে নিয়ে আমাদের বলা হয়েছিল, সরকারের সমালোচনামূলক কোনো ব্যানার ঝুলানো যাবে না। আমাদের প্রশ্ন ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন কোনো বিধি কি আছে, যেখানে বলা আছে সরকারের সমালোচনামূলক ব্যানার ঝুলানো যাবে না, কিন্তু প্রশংসামূলক ব্যানার ঝুলানো যাবে? আমাদের মূল প্রশ্ন এড়িয়ে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার মত করে একটি বিধি দেখানো হলো।"

তিনি আরও লেখেন, "আচ্ছা Code of Conduct for Students—এর ৯ নম্বর ধারাটি নিয়ে যুক্তি তর্কে আসি। এই বিধিটি কি কেবল 'ছাত্রশক্তি'-র জন্যই প্রযোজ্য? বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে ঝালচত্বর পর্যন্ত ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সংগঠনের শতাধিক ব্যানার ঝুলছে। সেই ব্যানারগুলোর প্রত্যেকটির জন্য লিখিত অনুমতিপত্র প্রক্টর অফিস দেখাতে পারবে? যদি লিখিত অনুমতিপত্র দেখাতে না পারে, তবে ব্যানারগুলো ছিড়ে ফেলার সক্ষমতা কি প্রক্টরিয়াল বডির আছে? পূজার ছুটির পর বিএনপি সরকারের ২০০ দিনের ব্যর্থতার ব্যানারটি পুনরায় ঝুলানোর জন্য যদি লিখিত অনুমতি চাওয়া হয়, তবে কি আমাদের তা দেওয়া হবে?"

তিনি সমালোচনা করে লেখেন, "বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ব্যর্থতা, অনিয়ম নিয়ে যদি আমরা ব্যানার প্রদর্শন করি বা লিফলেট বিতরণ করি, তাহলেও তো প্রশাসনের অনুমতি নিতে হবে। কিন্তু আপনারা যদি নিজেদের ব্যর্থতার প্রচার সহ্য করতে না পেরে অনুমতি না দেন, সে ক্ষেত্রে আমাদের করণীয় কী? যেই আইন আপনার পক্ষে গেলে এক রকম আর বিপক্ষে গেলে ভিন্ন রকম। সেই আইন তো আমরা মানতে পারি না।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%