বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৮:৪৭ এম
সম্প্রতি স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে মিসরও যোগ দেওয়ার ব্যাপারে আশা প্রকাশ করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। তিনি জানিয়েছেন, কায়রোর সংগঠনটিতে যোগ দেওয়ার পথে কিছু কারিগরি বিষয় (টেকনিক্যাল ইস্যুজ) এখনো সমাধান হয়নি।
হাকান ফিদান এই বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) এবং শুক্রবারে মিসরের রাজধানী কায়রো সফর করছেন। তবে, মিসরের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
হাকান ফিদানের বক্তব্যের পর তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানও এই জোটের আরো সম্প্রসারণের বিষয়টি ইঙ্গিত করেছেন। গতকাল বুধবার লন্ডনভিত্তিক দৈনিক আশার্ক আল-আওসাতকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই উদ্যোগকে কেবল তিনটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চায় না তুরস্ক।
এরদোয়ান বলেন, ‘আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি কেবল এই তিন দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বরং আমরা চাই এর পরিধি আরও প্রসারিত হোক। হয়তো একদিন এমন উপযুক্ত পরিস্থিতি তৈরি হবে, যখন এই অঞ্চলের প্রতিটি দেশ একই ছাতার নিচে একত্রিত হতে পারবে।’
তুরস্ক, সৌদি আরব এবং পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ন্যাটোর মতো পারস্পরিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এটি উল্লেখ করা হয়েছে যে, জোটের কোনো একটি দেশের ওপর হামলা হলে সেটিকে বাকি সদস্যদের ওপরও হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে এরদোয়ান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধের ফলে তৈরি হওয়া নতুন বাস্তবতা থেকেই এ ধরনের একটি চুক্তির প্রয়োজনীয়তা তৈরি হয়েছে। তিনি আরো বলেছেন, এখন আঞ্চলিক দেশগুলোকে নিজেদের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার বিষয়বস্তু নিজেদেরই নিতে হবে।
তবে, মিসরের যোগদানের পথে ফিদান যে ‘টেকনিক্যাল ইস্যুজ’ বা ‘কয়েকটি কারিগরি বিষয়’ উল্লেখ করেছেন, সেগুলোর বিষয়ে তিনি বিস্তারিত জানাননি। ধারণা করা হচ্ছে, এর মধ্যে চুক্তির কাঠামো এবং সদস্যপদ সংক্রান্ত শর্তাবলির বিষয় রয়েছে। বিষয়টির পেছনে গভীর রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশও থাকতে পারে। মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জোটে মিসরকে যুক্ত করার ব্যাপারে সৌদি আরবের আপত্তি রয়েছে। অন্যদিকে, ন্যাটোর মতো যৌথ সুরক্ষার বাধ্যবাধকতা মেনে কায়রোও চূড়ান্ত কোন সিদ্ধান্ত জানায়নি।
এভাবে, ফিদানের ভাষায় ‘কারিগরি বিষয়’ হওয়া সত্ত্বেও এর সঙ্গে সদস্য দেশগুলোর নিরাপত্তা-স্বার্থ, পারস্পরিক প্রতিশ্রুতির পরিমাণ এবং আঞ্চলিক রাজনৈতিক সমীকরণের মতো বিষয়গুলো জড়িত থাকতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডেজিরে দুয়ের গোলে ২-১ ব্যবধানে অ্যাস্টন ভিলাকে হারিয়ে পিএসজি টানা দ্বিতীয়বারের মতো উয়েফা সুপার কাপ জিতেছে।
এই ম্যাচটির মাধ্যমে দলটি প্রথম ইউরোপীয় ট্রফি জয়ের মধ্যে দিয়ে ২০২৬-২০২৭ মৌসুমটি দুর্দান্তভাবে শুরু করলো।
অস্ট্রিয়ার সালজবার্গের রেড বুল অ্যারেনায় অনুষ্ঠিত এই ম্যাচের ২০ মিনিটে গোল করেন খভিচা কোভারাতসখেলিয়া।
তবে, প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে ৪৫ মিনিটে সমতায় ফেরে স্টন ভিলা, যেখানে জন ম্যাকগিনের সহায়তায় গোল করেন তরুণ স্ট্রাইকার ব্রায়ান মাদজো।
এই গোলের মাধ্যমে উয়েফা সুপার কাপের ফাইনালে শুরুর একাদশে থেকে গোল করা সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে রেকর্ড গড়েন এই ফুটবলার।
দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান দ্বিগুণ করতে আক্রমণ চালায় পিএসজি।
এরপর, ৬১ মিনিটে উসমান দেম্বেলের পাসে গোল করেন ফরাসি তারকা ফুটবলার ডেজিরে দুয়ে।
যদিও শুরুতে অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল করা হয়, তবে ভিডিও পর্যালোচনার পর তা বৈধ ঘোষণা করা হয়।
এতে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় দলটি।
গোল আদায়ে শেষ পর্যন্ত অ্যাস্টন ভিলা আক্রমণ চালালেও গোলের দেখা পায়নি।
উয়েফা সুপার কাপের এই ম্যাচের রেফারি ছিলেন সোমালিয়ার ওমর আরতান, যিনি বিশ্বকাপে নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছিলেন।
তিনি ইউরোপের বাইরে প্রথম রেফারি হিসেবে সুপার কাপ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছেন।
ম্যাচে তিনি মোট তিনটি হলুদ কার্ড দেখান, যার সবগুলোই ছিল ভিলার খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে।
উল্লেখ্য, সুপার কাপ হলো মৌসুমের শুরুতে অনুষ্ঠিত একটি বার্ষিক ম্যাচ, যেখানে চ্যাম্পিয়নস লিগে এবং ইউরোপা লিগের সর্বশেষ বিজয়ীরা একে অপরের মুখোমুখি হয়।
এর আগের বছর ইতালির উদিনেতে পিএসজি ইংল্যান্ডের টটেনহ্যামের মুখোমুখি হয়েছিল।
সেই ম্যাচের নির্ধারিত সময় ২-২ সমতায় শেষ হওয়ার পর পেনাল্টি শুটআউটে প্যারিসের দলটি ৪-৩ ব্যবধানে জয়লাভ করেছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের অবদান রাখার মাধ্যমে আফগানিস্তান ব্যাটার ইব্রাহিম জাদরান তার ক্যারিয়ারে আরও একটি বড় রেকর্ড গড়লেন।
এই ফরম্যাটে দ্রুততম আফগান ব্যাটার হিসেবে তিনি দু হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন।
বেলফাস্টে চতুর্থ ওয়ানডেতে সেদিকুল্লাহ আতালের ক্যারিয়ার সেরা ১৪৩ এবং ইব্রাহিম জাদরানের ১০৭ রানের সুবাদে আইরিশদের ৪২ রানে হারিয়েছে আফগানিস্তান।
এই ফলে, এক ম্যাচ বাকি থাকতেই ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ নিশ্চিত করেছে সফরকারী দল আফগানিস্তান।
এই ম্যাচে রেকর্ড গড়েন ইব্রাহিম জাদরান।
মাত্র ৪৫ ইনিংসে এই মাইলফলকে পৌঁছানোর ফলে, দ্রুততম সময়ে ২,০০০ ওয়ানডে রান করা ব্যাটারদের তালিকায় তিনি যৌথভাবে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছেন।
এই তালিকায় তার সঙ্গী হলেন পাকিস্তানের বাবর আজম ও জহির আব্বাস, ইংল্যান্ডের কেভিন পিটারসেন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার রাসি ফন ডার ডুসেন।
গিল ৩৮ ইনিংসে এবং আমলা ৪০ ইনিংসে এই মাইলফলকে পৌঁছেছিলেন।
জাদরান আরও চারজন বিখ্যাত ক্রিকেটারের সঙ্গে যৌথভাবে তৃতীয় স্থানটি ভাগ করে নিয়েছেন।
পাকিস্তানের সাবেক ব্যাটার জহির আব্বাস, ইংল্যান্ডের কেভিন পিটারসেন, পাকিস্তানের বাবর আজম এবং দক্ষিণ আফ্রিকার রাসি ফন ডার ডুসেনও ৪৫ ইনিংসে দুই হাজার ওয়ানডে রান করেছিলেন।
এই রেকর্ডটি জাদরানকে এই ফরম্যাটের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়দের কাতারে নিয়ে এসেছে।
ওয়ানডেতে অভিষেকের পর থেকেই এই আফগান ওপেনার নিয়মিতভাবে রান করে আসছেন।
মাত্র ২৪ ইনিংসেই তিনি ১ হাজার রানের গণ্ডি পেরিয়েছিলেন। এরপর ধারাবাহিকভাবে নিজের রানের সংখ্যা বাড়িয়ে চলছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুদ্ধবিরতির সময়ে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর আগ্রাসন থেমে নেই। সরাসরি সংঘাত এড়ালেও ড্রোনের মাধ্যমে বোমাবর্ষণ, ফ্লেয়ার নিক্ষেপ ও ড্রোনের সাহায্যে আগুন লাগানো হচ্ছে বনভূমি, ফসলি জমি এবং শতবর্ষী জলপাই বাগানে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও দমকলকর্মীদের অভিযোগ রয়েছে যে, পরিকল্পিতভাবে এসব আগুন লাগানো হচ্ছে। এর ফলে শত শত বছরের স্মৃতিবিজড়িত বাগান ও সবুজ বনাঞ্চল পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে স্থানীয় পরিবেশ বিপন্ন হয়ে পড়েছে এবং হাজার হাজার মানুষের জীবিকা নষ্ট হচ্ছে।
পরিবেশবাদীদের মতে, এই ক্ষতি শুধু প্রকৃতির ক্ষতি নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মানুষের জীবন, সংস্কৃতি এবং জীবিকা। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে যে জমিতে মানুষ চাষ করেছে, সেই জমি এখন তাদের কাছে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
গত ১৭ জুন যুদ্ধবিরতির পর, প্রায় দুই মাসের মধ্যে দক্ষিণ লেবানের বিভিন্ন এলাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। নাবাতিয়েহ অঞ্চলের বেসামরিক প্রতিরক্ষা প্রধান হুসেইন ফাকিহ জানান, ‘ক্ষতির সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান এখনো আমাদের হাতে নেই, তবে চোখের সামনে বিশাল বনাঞ্চল পুড়ে যাচ্ছে। সীমান্তসংলগ্ন লড়াইয়ের যুদ্ধক্ষেত্রগুলোতে অন্তত ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ভূখণ্ড আগুনে ভস্মীভূত হয়েছে।’
গত মঙ্গলবার খিয়ামের একটি বনাঞ্চলে ফ্লেয়ার নিক্ষেপের পর আগুন ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। দমকলকর্মীরা যখন আগুন নেভাতে যান, তখন তাদের উপর কাছাকাছি ড্রোন হামলা হয়। ফাকিহ বলেন, এতে তাদের পিছু হটতে হয়। তিনি এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বলেন, আগুন নেভানো এখন দমকলকর্মীদের নিয়মিত কাজের একটি বড় অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় ফ্লেয়ার, অগ্নিসংযোগকারী অস্ত্র ও অন্যান্য হামলার কারণে বন ও কৃষিজমিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ছে।
দক্ষিণ লেবাননের মানুষের কাছে জলপাই গাছ শুধুই একটি গাছ নয়। এটি তাদের জীবিকা, ইতিহাস এবং পারিবারিক স্মৃতির অংশ। সীমান্তবর্তী ইয়ারুন গ্রামের অনেক মানুষের সেই স্মৃতিও এখন আগুনে পুড়ছে। গ্রামের মেয়র হাফেজ ঘাশাম বলেন, ৯০০টি বাড়ির মধ্যে মাত্র ২০টি ছাড়া বাকি সবই বুলডোজার দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। প্রাচীন জলপাই বাগানগুলোতে অগ্নিসংযোগ করে পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এই গাছগুলো তাদের দাদা-দাদি এবং বাবা-মায়ের কাছ থেকে প্রাপ্ত। তিনি আরও বলেন, ইসরায়েলিরা তাদের জমিকে বসবাসের অযোগ্য করে তাদের সমগ্র ইতিহাস, সংস্কৃতি ও স্মৃতি মুছে ফেলার চেষ্টা করছে।
আগুন নেভাতে গিয়ে দমকলকর্মীদের জন্য এটি সহজ কাজ নয়। স্থানীয় কর্মকর্তাদের মতে, সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রবেশের আগে লেবানিজ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে একটি ‘ডিকনফ্লিকশন’ বা সংঘাত এড়ানোর সমন্বয় ব্যবস্থার অনুমতি নিতে হয়। তারপরও সব এলাকায় প্রবেশের অনুমতি মেলে না।
পরিবেশবাদীদের মতে, এই আগুনের ক্ষতি তাৎক্ষণিকভাবে শেষ হবে না। দক্ষিণ লেবনের বনাঞ্চলে রয়েছে ওক এবং স্টোন পাইনসহ বহু পুরোনো গাছ। এসব বনগুলি পরিযায়ী পাখি ও অন্যান্য প্রাণীদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল বলে উল্লেখ করা হচ্ছে।
পরিবেশবাদী সংগঠন 'গ্রিন সাউদার্নার্স'-এর প্রতিষ্ঠাতা হিশাম ইউনেস এই ঘটনাকে ‘ইকোসাইড’ বা পরিবেশ ধ্বংসের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তার মতে, এটি কোনো একক আগুনের ঘটনা নয়। ধারাবাহিকভাবে বন ও প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংস হলে একটি বাস্তুতন্ত্রের স্বাভাবিকভাবে টিকে থাকা ও পুনরুদ্ধারের ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী অবশ্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সাম্প্রতিক আগুনের পরিপ্রেক্ষিতে জানতে চাইলে তারা বলেছে, তাদের সামরিক অভিযান বেসামরিক মানুষ ও পরিবেশের ক্ষতি কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় সতর্কতা নিয়েই পরিচালিত হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর দেশের পাঁচটি অঞ্চলে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়ার সাথে বজ্রবৃষ্টির আভাস দিয়েছে। এই সব অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে বজ্রবৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য যে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, সেখানে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য অনুসারে, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সাথে হতে পারে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি। এই কারণে সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, আগামী ৫ দিন দেশের সকল স্থানে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে।
অন্যদিকে, আবহাওয়া অধিদফতর আরও জানায়, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ উপকূলে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটি ঘনীভূত হতে পারে। পাশাপাশি মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিত অংশ ভারতের রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ, লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল এবং বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এছাড়া মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপরে মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।
এই অবস্থায় বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার (১৩-১৫ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে এই তিন দিনে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। বৃহস্পতিবার সারা দেশে দিন-রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমলেও শুক্রবার রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। এছাড়া শনিবারেও সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ