বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:২৪ পি.এম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তার ব্যক্তিগত কোনো বিরোধ নেই, বরং দেশের সাধারণ মানুষের অধিকার নিয়ে সমস্যা রয়েছে, এমন মন্তব্য করেছেন জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠী। ভোট কারচুপি এবং ভোটার তালিকা থেকে সাধারণ মানুষের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগের প্রতিবাদে আয়োজিত এক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এই কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বেঙ্গালুরুতে ‘পিপলস ট্রাইব্যুনাল’ নামে একটি কর্মসূচিতে ধ্রুব রাঠী যোগদান করেন। তার সঙ্গে ছিলেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দ্বীপ। এই কর্মসূচিটি ভোট চুরি, ভোটার তালিকা থেকে নাগরিকদের নাম বাদ দেওয়ার প্রতিবাদ এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজন করা হয়।
কর্মসূচিতে বক্তব্য দেওয়ার সময় ধ্রুব রাঠী উল্লেখ করেন, নরেন্দ্র মোদি হয়তো মনে করেন তার সঙ্গে রাঠীর ব্যক্তিগত সমস্যা রয়েছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটি শুধু তার একার নয়, বরং ভারতের পুরো জাতির সমস্যা। তিনি আরও জানান, দেশে ফেরার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন আলোচনা ছড়িয়ে পড়ে যে তিনি সরকার পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে ভারতে ফিরেছেন।
রাঠী পরিষ্কারভাবে বলেন, এই আন্দোলন কোনো রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করার জন্য নয়। এটি প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার রক্ষার আন্দোলন। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া মানুষদের তিনি দেশের সবচেয়ে বড় জাতীয়তাবাদী হিসেবে উল্লেখ করেন।
ধ্রুব রাঠী জানান, এটি তার প্রথম আন্দোলন। ভোটার তালিকা থেকে সাধারণ মানুষের নাম বাদ দেওয়ার মতো বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি আন্দোলনের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উত্তর ইথিওপিয়ার তিগ্রাই অঞ্চলের আদিগ্রাত শহরের বাসিন্দারা বিবিসিকে জানিয়েছেন যে, ইরিত্রিয়ার সেনারা ইথিওপিয়ায় প্রবেশ করে এমন একটি অঞ্চলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, যেখানে দেশটির সরকারি বাহিনী এবং আঞ্চলিক বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ চলমান রয়েছে।
ইথিওপিয়ার সরকার এবং তিগ্রাই অঞ্চল নিয়ন্ত্রণকারী তিগ্রাই পিপলস লিবারেশন ফ্রন্টের (টিপিএলএফ) মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে সেখানে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। ২০২২ সালে দুই বছরের গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটাতে যে শান্তিচুক্তি হয়েছিল, উভয় পক্ষই একে অপরকে দায়ি করছে সেই চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য।
ইথিওপিয়া টিপিএলএফকে ইরিত্রিয়ার সমর্থন পাওয়ার অভিযোগ করেছে। যদিও ইরিত্রিয়া এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এর আগে গত সেপ্টেম্বরে টিপিএলএফসহ ইথিওপিয়ার কয়েকটি সশস্ত্র গোষ্ঠী মিলে একটি নতুন জোট গঠন করে। এরপর থেকেই দেশটিতে রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং অস্থিরতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, তারা অফ-হোয়াইট রঙের সামরিক পোশাক পরিহিত ইরিত্রিয়ার সেনাদের চিনতে পেরেছেন। রয়টার্সকে আদিগ্রাতের এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, তিনি ওই সময় শহরে উপস্থিত ছিলেন না, তবে তার পরিবারের সদস্যরা তাকে ফোন করে ইরিত্রিয়ার সেনা দেখার কথা জানিয়েছেন। তবে রয়টার্স এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করতে সক্ষম হয়নি।
ইথিওপিয়ার সরকারি বাহিনীর সঙ্গে লড়াই করা সরকারপন্থী মিলিশিয়া ‘তিগ্রাই পিস ফোর্স’-এর কমান্ডার গেব্রেগজিয়াবহের বেয়েনে জানিয়েছেন, ‘ইরিত্রিয়ার সেনারা সামরিক পোশাক পরে এবং ভারী অস্ত্র নিয়ে তিগ্রাইয়ে প্রবেশ করেছে।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এসব সেনাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হচ্ছে। তার দাবি, ইরিত্রিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে তিগ্রাইয়ে সেনা পাঠাচ্ছে, যাতে যুদ্ধ ইরিত্রিয়ার ভেতরে না ছড়িয়ে তিগ্রাইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। এর আগে ইথিওপিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় আফার অঞ্চলের প্রশাসকও দাবি করেছিলেন যে, সেখানে ইরিত্রিয়ার সেনারা লড়াই করছে। তবে রয়টার্স এই দাবির সত্যতা যাচাই করতে পারেনি।
ইরিত্রিয়ার তথ্যমন্ত্রী ইয়েমানে মেসকেল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে সেনারা সীমান্ত পার হয়েছে কিনা, তা সরাসরি অস্বীকার করেননি। তবে তিনি অভিযোগ করেছেন যে, ইথিওপিয়ার সরকার নিজেদের আগ্রাসী কর্মকাণ্ডকে আড়াল করতে ‘আত্মরক্ষার’ একটি মিথ্যা গল্প ছড়াচ্ছে।
যদি এসব দাবিগুলো সত্য হয়, তবে গত ২৩ সেপ্টেম্বর ইথিওপিয়ার সরকারি বাহিনী এবং টিগ্রাই পিপলস লিবারেশন ফ্রন্টসহ সাতটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর জোটের মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ শুরুর পর ইথিওপিয়ায় ইরিত্রিয়ার সেনার প্রবেশের এটি হবে প্রথম ঘটনা।
ইথিওপিয়া অভিযোগ করেছে যে, দেশটির সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে লড়াই করা একটি সশস্ত্র জোটকে ইরিত্রিয়া, মিসর ও সুদান সমর্থন দিচ্ছে। তবে তিন দেশই এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং সংঘাতে জড়িত থাকার কথা নাকচ করেছে।
ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায় নিজেদের দূতাবাস বন্ধ এবং ১০ জন ইরিত্রীয় কূটনীতিককে বহিষ্কারের ঘোষণার পর ইথিওপিয়া সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছে ইরিত্রিয়া।
বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে ইরিত্রিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ইথিওপিয়ার এই পদক্ষেপের জবাবে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া এবং সব ধরনের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করা ছাড়া তাদের আর কোনো উপায় ছিল না। এর আগে সোমবার ইথিওপিয়ার সরকারি বাহিনী তিগ্রাই অঞ্চলের রাজধানী মেকেলে দখল করে।
এর কয়েক দিন আগে টিগ্রাই পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট (টিপিএলএফ) জানিয়েছিল, তারা মেকেলে থেকে সরে গেছে এবং তাদের আঞ্চলিক প্রশাসন সাময়িকভাবে অন্য জায়গায় সরিয়ে নিয়েছে।
এদিকে ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ নতুন করে আরো পাঁচ বছরের জন্য দায়িত্ব নিয়েছেন। শপথের পর তিনি বলেন, স্থলবেষ্টিত ইথিওপিয়ার লোহিত সাগরে প্রবেশাধিকার থাকা জরুরি। একই দিনে ইরিত্রিয়া, সোমালিয়া, সুদান ও মিসর ইথিওপিয়ার সংঘাতের রাজনৈতিক ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়ে যৌথ বিবৃতি দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন নাগরিক গবেষকদের প্রশিক্ষণ ও গবেষণার সুযোগ বৃদ্ধির জন্য বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত (এসটিইএম) ক্ষেত্রে ১০ কোটি ডলারের বেশি বিনিয়োগের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত একটি সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই উদ্যোগের ঘোষণা দেবেন।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিষয়ে পিএইচডি করতে আগ্রহী মার্কিন নাগরিকদের ফেলোশিপ প্রদান করা হবে, যা উচ্চ প্রশিক্ষিত গবেষকের সংখ্যা বৃদ্ধি করবে। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব বৈজ্ঞানিক গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে।
এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশনের (এনএসএফ) ‘ইয়াং স্কলার্স’ কর্মসূচি পুনরায় চালু করা হচ্ছে। ১৯৯৬ সালে বন্ধ হয়ে যাওয়া এই কর্মসূচির জন্য সরকার ৩ কোটি ডলার বরাদ্দ দেবে। পাশাপাশি, জেন স্ট্রিটসহ বিভিন্ন বেসরকারি উৎস থেকে আরও ৫ কোটি ডলার সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে।
হোয়াইট হাউসের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নীতি কার্যালয়ের পরিচালক মাইকেল ক্র্যাটসিওস মন্তব্য করেছেন, ‘এই বিনিয়োগ বৈশ্বিক বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব ধরে রাখতে সহায়তা করবে।’
এদিকে, বৃহস্পতিবারের সম্মেলনে ইলন মাস্ক, সার্গেই ব্রিন, এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াং এবং অ্যাডভান্সড মাইক্রো ডিভাইসেসের প্রধান নির্বাহী লিসা সুসহ প্রযুক্তি খাতের কয়েকজন নেতাকে পুরস্কৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের এই উদ্যোগটি এমন একটি সময়ে আসছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থী ও গবেষকদের ওপর বিভিন্ন বিধিনিষেধের কারণে বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিষয়ে পিএইচডি কার্যক্রম চাপের সম্মুখীন হয়েছে। চলতি বছরে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় ডক্টরাল প্রোগ্রামে ভর্তি কমিয়েছে বা স্থগিত করেছে। আগের বছরের তুলনায় পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৫ শতাংশ কমেছে। ২০২৪ সালে বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের পিএইচডি শিক্ষার্থীদের প্রায় ৪০ শতাংশই ছিলেন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী।
যুক্তরাষ্ট্রের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টার সঙ্গে এই বিনিয়োগকে যুক্ত করা হচ্ছে। সম্মেলনে ট্রাম্প জ্বালানি বিভাগকে বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ১০ কোটি ডলারের কম্পিউটিং ক্রেডিট ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার ঘোষণা দিতে পারেন।
এদিকে, ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির ফলে দেশটির বৈজ্ঞানিক গবেষণা খাতে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে অর্থ বরাদ্দ কমানো, স্থগিত করা এবং অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে (এমআইটি) চলতি বছর কেন্দ্রীয় গবেষণা তহবিল প্রায় ২০ শতাংশ কমেছে। জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ে কমেছে প্রায় ৪৫ শতাংশ।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসনের প্রথম বছরে এসটিইএম বিষয়ে পিএইচডিধারী ১০ হাজারের বেশি সরকারি কর্মী চাকরি ছেড়েছেন। এর মধ্যে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটস অব হেলথের (এনআইএইচ) প্রায় ১১০০ কর্মী রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কানাডীয় লেখিকা অ্যান কার্সন ২০২৬ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছেন। তার সাহিত্যে সাহসী ও অভিনব ধরনের কাজের জন্য এই পুরস্কার তাকে প্রদান করা হয়েছে।
সুইডেনের রাজধানী স্টকহোম থেকে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টায় সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারজয়ীর নাম ঘোষণা করা হয়।
বিস্তারিত আসছে....
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে একটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ফলে চাঁন মিয়া ও ছমী বেগম নামক এক দিনমজুর দম্পতির ৪টি ষাঁড় গরু পুড়ে সম্পূর্ণরূপে ভস্মীভূত হয়েছে। কৃষকের দাবি অনুযায়ী, এতে প্রায় ৬ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার পিংনা ইউনিয়নের রসপাল কুল ঘাট সংলগ্ন এলাকায় এই মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দিনমজুর চাঁন মিয়া এবং তার স্ত্রী ছমী বেগম অত্যন্ত কষ্টের মধ্যে দিয়ে তাদের সংসার পরিচালনা করছিলেন। চরাঞ্চল থেকে ঘাস কেটে এনে তারা ৪টি ষাঁড়কে পরম মমতায় লালন-পালন করছিলেন। প্রতিদিনের মতো গোয়ালঘরে মশার কয়েল জ্বালানো ছিল, যার পাশেই রান্নার খড়ি রাখা ছিল। ভোরে মশার কয়েল থেকেই আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন গোয়ালঘরে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে স্থানীয়রা এসে আগুন নেভানোর আপ্রাণ চেষ্টা করলেও ৪টি ষাঁড়কে রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।
আগুন নেভাতে গিয়ে ছমী বেগমের হাত অগ্নিদগ্ধ হয়েছে। তবে তার শারীরিক আঘাত ও যন্ত্রণার চেয়ে কষ্টার্জিত সব হারিয়ে তিনি এখন কান্নায় ভেঙে পড়েছেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পিংনা ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া জানান, ‘পরিবারটি অত্যন্ত অসহায় ও দরিদ্র। অন্যের বাড়িতে ও দিনমজুরি করে তারা গরুগুলো বড় করেছিলেন। হঠাৎ এই দুর্ঘটনায় পরিবারটি একেবারেই পথে বসে গেছে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত এই অসহায় পরিবারটিকে আর্থিক ও মানবিক সহায়তা দেওয়া জরুরি।’
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শওকত জামিল কালের কণ্ঠকে জানান, বিষয়টি তিনি জানেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার আবেদন করলে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ওই পরিবারটিকে সহায়তা করা যাবে বলে তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ