শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:১২ এম
ভূমি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি, মন্তব্য করেছেন যে কর্মক্ষেত্রে নারীদের পূর্ণাঙ্গ সেবা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে তাদের মানসিক প্রশান্তি এবং সন্তানদের নিরাপদ আশ্রয় অত্যন্ত জরুরি।
রাজধানীর ভূমি প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নবনির্মিত আধুনিক ‘ডে কেয়ার সেন্টার ও ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল উল্লেখ করেন, কর্মজীবী নারীরা যদি মানসিকভাবে শান্তিতে থাকতে পারেন, তবে তাদের কাছ থেকে পূর্ণাঙ্গ সেবা পাওয়া সম্ভব হবে। বর্তমানে কর্মক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে, সন্তানদের নিরাপদ আশ্রয়ে রেখে নিশ্চিন্তে দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে সারা দেশে ডে কেয়ার সেন্টারের চাহিদাও তুলনামূলকভাবে বেড়ে চলেছে।
তিনি আরও বলেন, এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে ভূমি প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আধুনিক এই ডে কেয়ার সেন্টারটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এর ফলে নারী প্রশিক্ষণার্থীরা সন্তানদের নিরাপদ হেফাজতে রেখে নিশ্চিন্তে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারবেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, এমপি এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মিজ্ ফারজানা শারমীন, এমপি।
উল্লেখ্য, ভূমি মন্ত্রণালয়ের ১৮০ দিনের অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচির অংশ হিসেবে গণপূর্ত অধিদপ্তরের সহায়তায় এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের অর্থায়ন ও ব্যবস্থাপনায় প্রায় ৭৫০ বর্গফুট জায়গাজুড়ে এই আধুনিক ডে কেয়ার সেন্টার ও ব্রেস্ট ফিডিং কর্নারটি স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে কেন্দ্রে আগত নারী প্রশিক্ষণার্থীরা সন্তানদের নিরাপদ হেফাজতে রেখে নিশ্চিন্তে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারবেন।
সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ও শিশুবান্ধব এই সেন্টারে রয়েছে অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষিত আয়া দ্বারা সার্বক্ষণিক নিবিড় পরিচর্যার ব্যবস্থা। এছাড়া শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশ ও বিনোদনের ব্যবস্থা এবং স্বাস্থ্যসম্মত ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার রয়েছে।
সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ৮টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এই কেন্দ্রটির কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হলো নামাজ। ইমানের পর নামাজই সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আমল। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি ইসলামের বিভিন্ন নফল সালাতেরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
হাদিস অনুযায়ী, নামাজই মুমিন ও অমুসলিমের মধ্যে প্রধান পার্থক্য নির্দেশ করে। এটি মানুষকে সর্বপ্রকার পাপ ও অন্যায় থেকে বিরত রাখে এবং আত্মিকভাবে পরিশুদ্ধ করে। তাই দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার মধ্যেও যথাসময়ে নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলিমের ওপর অপরিহার্য দায়িত্ব।
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সাল, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা, ০৬ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি। ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো-
ঢাকার সময়ের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন জেলার সময়ের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। ঢাকার সময়ের সঙ্গে নিচের সময়গুলো যোগ বা বিয়োগ করে আপনার এলাকার সঠিক সময় জেনে নিতে পারেন।
যোগ করতে হবে
বিয়োগ করতে হবে
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান জানিয়েছেন, নতুন আইনের মাধ্যমে এপিবিএনের জন্য তদন্ত পরিচালনার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
বিশেষ করে রোহিঙ্গা ক্যাম্প এবং পার্বত্য অঞ্চলে ভৌগোলিক ও বাস্তবতার কারণে যেসব অপরাধের তদন্তে জেলা পুলিশের সীমাবদ্ধতা রয়েছে, সেসব ক্ষেত্রে এপিবিএন তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করতে সক্ষম হবে। তিনি উল্লেখ করেন, "আমাদের সশস্ত্র অবস্থানের মধ্য থেকে আমরা সব মামলা তদন্ত করব না। সরকার-আদালত-আইজিপি থেকে যেসব মামলা আমাদের ন্যস্ত করা হয়, আমরা শুধু সেসব মামলার তদন্ত করব।" বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর উত্তরায় এপিবিএন হেডকোয়ার্টার্সে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য জানান।
এপিবিএন ডিআইজি আরও বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিভিন্ন অপরাধের তদন্ত করতে গিয়ে জেলা পুলিশ অনেক ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখীন হয়। এই কারণে সরকারের অনুমতি নিয়ে এপিবিএনের নিরস্ত্র সাব-ইনস্পেক্টরদের তদন্তের কাজে যুক্ত করা হয়েছিল। নতুন আইনে তদন্ত কার্যক্রমের জন্য আইনগত ভিত্তি আরও স্পষ্ট হয়েছে। এছাড়া নতুন আইনে সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আলাদা সেল গঠনের সুযোগও রয়েছে। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা এবং অপরাধ দমনে এপিবিএনের ভূমিকার বিষয়টিও আইন দ্বারা স্পষ্ট করা হয়েছে।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, "রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রায় ১৮ লাখ মানুষের নিরাপত্তায় এপিবিএনের সদস্য সংখ্যা মাত্র ২২শ।" এই পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ক্যাম্প এলাকায় আরও জনবল দেওয়ার পাশাপাশি নতুন একটি ব্যাটালিয়ন স্থাপনের জন্য সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
এপিবিএন জানিয়েছে, এক মাসে বিভিন্ন ইউনিটের অভিযানে প্রায় ১০ কোটি টাকা মূল্যের স্বর্ণ, হাজার হাজার পিস ইয়াবাসহ বিপুল পরিমাণ মাদক ও চোরাচালান পণ্য জব্দ করা হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ৭৮৪টি হারানো মোবাইল ফোন এবং বিকাশ-নগদ প্রতারণার ৭ লাখ ৪৯ হাজার ৭১৮ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এপিবিএনের আগস্ট মাসের কার্যক্রম অনুযায়ী, বিভিন্ন ইউনিটের অভিযানে ৪ হাজার ৯২৯ গ্রাম স্বর্ণের বার ও অলংকার উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য ৯ কোটি ৭৯ লাখ ৮৮ হাজার ৩৮৫ টাকা। এসব ঘটনায় ১৭টি মামলা এবং ২৭ জন গ্রেফতার হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সোলার প্যানেল স্থাপনে সরকারি ঋণসহায়তা চেয়ে এবং রাত ৮টার পরও দোকান খোলা রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর মগবাজারে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান সমিতির মো. হেলাল উদ্দিন। তিনি লিখিত বক্তব্যে আগামী ছয় মাসের মধ্যে সৌর প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলার পাশাপাশি রাত ৮টার মধ্যে দোকান বন্ধের বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহারের দাবি জানান।
এতে উপস্থিত ছিলেন সমিতির মহাসচিব জহিরুল হক ভ‚ঁইয়া, সহসভাপতি আব্দুল কাইয়ুম তালুকদার ও হেজাজুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুজ্জামান, আব্দুল মোতালেব রুবেল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জসীম উদ্দীন আহমেদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাফেজ হারুন, বাংলাদেশ কেমিক্যাল অ্যান্ড পারফিউমারি মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলামসহ রাজধানীর বিভিন্ন মার্কেটের ব্যবসায়ী নেতারা। তারা ১০ দফা দাবি জানান।
সমিতির নেতারা জানান, চলমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে দেশের অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের আর্থিক সংকটে পড়েছেন। লোডশেডিং এবং রাত ৮টায় বন্ধের কারণে দোকান ও প্রতিষ্ঠানে বেচাকেনা অনেক কমে গেছে, ব্যবসায়ের ক্ষতি বাড়ছে।
নেতারা বলেন, মধ্যপ্রাচ্য ও বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে দ্রুততম সময়ে সোলার প্যানেল স্থাপনই সবচেয়ে কার্যকর সমাধান। বিপণিবিতানের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনে ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড (ইডকল) বা বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ২ শতাংশ সুদে বিশেষ ঋণসহায়তা দেওয়ার দাবি জানিয়েছে দোকান মালিক সমিতি। সংগঠনটি বলছে, স্বল্প সুদে এই ঋণসহায়তা পেলে আগামী ছয় মাসের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিপণিবিতানগুলো স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়া সম্ভব।
সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেন, আমরা এই বিদ্যুৎ সংকটে দীর্ঘ সময় আর ভুগতে রাজি না। জেলা, উপজেলা পর্যন্ত আমাদের বিপণিবিতান আছে। এগুলোর ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন করা গেলে এবং ব্যবসায়ীরা সৌর প্যানেলের ঋণ পরিশোধ করে দিতে পারলে অনেক ক্ষেত্রে মার্কেটকে বিদ্যুৎ বিল দিতেই হবে না। উলটো আমরা বন্ধের দিনগুলোতে বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে পারব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পথকুকুরের উৎপাত: প্রতিকার না পেয়ে কর্মকর্তার টেবিলে ছেড়ে দেওয়া হলো কুকুর
মহারাষ্ট্রের নাসিকে অভিনব কায়দায় প্রতিবাদ করেছেন শিবসেনা (ইউবিটি) যুবসেনার নেতাকর্মীরা। নিফাড নগর পঞ্চায়েতের প্রধান কর্মকর্তা ধীরজ ভামরের কার্যালয়ে ঢুকে তার টেবিলের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয় কয়েকটি পথকুকুর।
যুবসেনার নেতাকর্মীদের দাবি, এলাকায় পথকুকুরের সংখ্যা বেড়ে গেলেও এ বিষয়ে কর্মকর্তার পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এর প্রতিবাদেই এমন ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, শিবসেনা (ইউবিটি) যুবসেনার জেলা প্রধান বিক্রম রন্ধাভে একটি বস্তার মুখ খুলে ছোট একটি কুকুর বের করে ধীরজ ভামরের টেবিলের ওপর ছেড়ে দেন।
এ সময় চেয়ারে বসে থাকা কর্মকর্তা চমকে গিয়ে টেবিল থেকে কিছুটা দূরে সরে যান। পরে আবার নিজের আসনে ফিরে আসেন। বস্তার ভেতরে আটকে থাকার কারণে ভীত কুকুরটি ছুটে গিয়ে একটি কোণে আশ্রয় নেয়।
কয়েক সেকেন্ড পর বস্তা থেকে আরও একটি কুকুর বের করা হয়। কুকুরটি টেবিলের ওপর দিয়ে হেঁটে গিয়ে এক পাশে রাখা একটি চেয়ারে বসে পড়ে।
এ সময় দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে থাকা রন্ধাভে নিজের গলায় ২০ রুপির নোট দিয়ে সাজানো একটি মালা পরিয়ে নেন। তিনি ধীরজ ভামরের কাছে যেতে চাইলে কর্মকর্তারা তাকে বাধা দেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়।
প্রতিবাদের সময় গত ছয় মাসে পথকুকুরের সমস্যা নিয়ে ধীরজ ভামরের কাছে কতবার অভিযোগ করা হয়েছে, সেটিও তাকে স্মরণ করিয়ে দেন রন্ধাভে।
এক সাক্ষাৎকারে রন্ধাভে বলেন, প্রতিটি গ্রাম, রাস্তা ও অলিগলিতে পথকুকুরের সংখ্যা বেড়েছে। গত ছয় মাস ধরে আমি নিফাড নগর পঞ্চায়েতের প্রধান কর্মকর্তা ধীরজ ভামরেকে বিষয়টি নিয়ে ব্যবস্থা নিতে বলে আসছি।
তিনি আরও বলেন, একটি ছোট শিশু কুকুরের কামড়ে আহত হয়েছে। অনেক মানুষ ও নারীকে কুকুর তাড়া করেছে। আমি তাকে এলাকার পরিস্থিতি দেখিয়েছি, সেখানকার ছবি পাঠিয়েছি এবং বারবার বিষয়টি সমাধানের কথা বলেছি। কিন্তু যখন দেখলাম কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, তখন প্রতিবাদ হিসেবে তার টেবিলের ওপর চারটি কুকুর ছেড়ে দিয়েছি।
রন্ধাভে অভিযোগ করেন, ধীরজ ভামরে দরপত্রের কাজ নিয়েই বেশি ব্যস্ত। এ কারণেই যুবসেনার কর্মীরা নোট দিয়ে তৈরি মালা নিয়ে গিয়েছিলেন এবং সেগুলোও তার টেবিলের ওপর রাখা হয়।
এ ঘটনাকে শেষ সতর্কবার্তা হিসেবে উল্লেখ করে যুবসেনার এই নেতা বলেন, আট দিনের মধ্যে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া না হলে ধীরজ ভামরের কার্যালয়ে আরও কুকুর ছেড়ে দেওয়া হবে।
রন্ধাভে বলেন, এখন গণেশ উৎসব চলছে। মানুষ আরতির জন্য বাইরে গেলে কুকুর তাদের পেছনে ছুটছে এবং ছোট শিশুদের কামড় দিচ্ছে। পথকুকুর নিয়ে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।
প্রধান কর্মকর্তা বিষয়টির গুরুত্ব বুঝবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ