শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:০৯ এম
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এর সংস্কার ও আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে বিভাগীয় শাস্তির সম্মুখীন হওয়া আরও তিন কর্মকর্তার দণ্ডাদেশ সরকার বাতিল করেছে।
এছাড়া, তাদের বিরুদ্ধে চলমান সকল বিভাগীয় মামলার দায় থেকেও সম্পূর্ণ অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির কাছে করা আবেদনের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) এনবিআর চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরিত পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
দণ্ড মওকুফ করা তিন কর্মকর্তার মধ্যে রয়েছেন, কর অঞ্চল-২ এর উপ কর কমিশনার নুশরাত জাহান শমী, চট্টগ্রামের কর অঞ্চল-৪ এর যুগ্ম কর কমিশনার মেসবাহ উদ্দিন খান এবং কর অঞ্চল-৭ এর অতিরিক্ত কর কমিশনার সেহেলা সিদ্দিকা।
এনবিআর সংস্কার ও আন্দোলনের কারণে এর আগে একই ধরনের অভিযোগে শাস্তি পাওয়া ২১ কর্মকর্তার দণ্ডও পৃথক আদেশের মাধ্যমে বাতিল করা হয়েছিল। নতুন করে তিন কর্মকর্তার শাস্তি বাতিল হওয়ায় মোট ২৪ জন কর্মকর্তা বিভাগীয় দণ্ড থেকে মুক্তি পেলেন।
২০২৫ সালে এনবিআর সংস্কার ও আন্দোলনের প্রেক্ষিতে একাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। আন্দোলনে অংশগ্রহণ, বিভিন্ন কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত থাকা এবং সরকারি চাকরির শৃঙ্খলা ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়। এসব মামলার পর তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, যার ফলে তাদের বেতন স্কেল ২ থেকে ৩ ধাপ কমানো হয়েছিল।
পরে দণ্ডপ্রাপ্ত কয়েকজন কর্মকর্তা রাষ্ট্রপতির কাছে আপিল করেন। আপিলের পর রাষ্ট্রপতি তাদের আবেদন মঞ্জুর করার ফলে সংশ্লিষ্ট দণ্ডাদেশ বাতিল এবং কয়েকজনকে বিভাগীয় মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) পিএস পরিচয় দিয়ে জালিয়াতির চেষ্টা করার সময় এক ব্যক্তিকে আটক করেছেন।
আটককৃতের নাম মাসুদুর রহমান, বয়স ৩৪ বছর। তিনি রাজধানীর মহাখালীতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কার্যালয়ে গত দুই দিন ধরে একটি ফাইলে স্বাক্ষরের জন্য এক প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে চাপ দিয়ে আসছিলেন।
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আনসার সদস্যরা তাকে আটক করেন। বাহিনীটির সহকারী পরিচালক ও গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. নাজমুস সাকিব স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মাসুদুর রহমান ওই কর্মকর্তার পিএসকে ভয়ভীতি দেখিয়ে হুমকি দিয়ে বলেন, “তোমার নামে অনেক রিপোর্ট আছে, তোমাকে দেখে নেব।” বিষয়টি সেখানে দায়িত্ব পালনরত আনসার সদস্যদের নজরে এলে তারা তাৎক্ষণিকভাবে ওই ব্যক্তির মুখোমুখি হন।
তার পরিচয় ও সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে কথাবার্তায় অসঙ্গতি ও প্রতারণার প্রমাণ মেলে। এরপর আনসার সদস্যরা তাকে আটক করে বনানী থানা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে প্রতারককে তাদের নিকট হস্তান্তর করা হয়।
আনসার বাহিনীর পিসি মো. সাহাবউদ্দীনের নেতৃত্বে এ অভিযানে অংশ নেন এপিসি জালাল উদ্দীন, আনসার মনিরুল ইসলাম ও আনসার শ্রী পূর্ণ রায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায় চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে মিঠু নামে এক যুবক প্রাণ হারিয়েছেন। একই দিনে বিমানবন্দর এলাকায় চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে আবু হুরাইবা আজমীর নামের মাদ্রাসা শিক্ষার্থী এক হাত ও পা হারিয়েছেন। নিহত মিঠু বৃহস্পতিবার বিকালে খিলগাঁও রেলগেট এলাকায় চলন্ত ট্রেনের ছাদ থেকে নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে পুলিশ তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে (ওসেক) ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত পৌনে ১০টার দিকে তিনি মারা যান। ঢাকা রেলওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আলী জানান, আশপাশের লোকজনের বরাতে জানা গেছে নিহত যুবক মাদকাসক্ত ছিলেন এবং ছিনতাইয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততা ছিল তার। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে বিমানবন্দর এলাকায় চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী আজমীরের বাম হাত ও বাম পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। আজমীর নরসিংদীর বেলাবোর ওয়ারী গ্রামের আলামিনের ছেলে। তাকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আজমীর জানান, কমলাপুর থেকে চট্টলা এক্সপ্রেসে চড়ে সে বাড়ি ফিরছিল। ট্রেনটি বিমানবন্দর এলাকায় পৌঁছালে ট্রেনের ভেতরে এক যুবক জোরপূর্বক তার মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। সে বাধা দিতে গেলে ওই যুবক তাকে ট্রেন থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। ঢাকা রেলওয়ে থানার বিমানবন্দর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মাহবুব জানান, ছেলেটির সঙ্গে আরও কয়েকজন কিশোর ছিল, যারা ট্রেনের ছাদে ছিল। সে ছাদ থেকে পড়েছে নাকি ভেতর থেকে কেই তাকে ফেলে দিয়েছে সে বিষয়ে আমরা নিশ্চিত নই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আনসার-ভিডিপির সদস্যদের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদভিত্তিক আত্মকর্মসংস্থানে যুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ‘সঞ্জীবন প্রকল্প’ এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ। সাক্ষাৎকালে সঞ্জীবন প্লাটুনের সদস্যদের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
সঞ্জীবন প্রকল্পের মাধ্যমে আনসার-ভিডিপির স্বেচ্ছাসেবক সদস্যদের আত্মকর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা কার্যক্রমে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
২০২৬ সালের শুরু থেকে উপজেলা ও গ্রাম পর্যায়ে ‘সঞ্জীবন প্লাটুন’ গঠনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সদস্যদের দক্ষ, কর্মমুখী ও স্বাবলম্বী করে তোলার লক্ষ্য এই প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য।
আনসার-ভিডিপির সদস্যদের স্থানীয় পর্যায়ে বিস্তৃত উপস্থিতি এবং সংগঠিতভাবে কাজ করার সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে উৎপাদন বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। বিশেষ করে গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি, খাদ্য ও পুষ্টিনিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কারিগরি নির্দেশনা অনুসরণ করে সঞ্জীবন প্লাটুনের উদ্যোক্তারা উন্নত জাতের গাভী, ছাগল, গাড়ল ও ভেড়া পালন এবং বিভিন্ন জাতের মুরগির খামার গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন। দলগতভাবে এসব খামার পরিচালনার পাশাপাশি নিরাপদ মাংস ও দুধ উৎপাদন, স্বাস্থ্যসম্মত খামার ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপদ বাজারজাতকরণে গুরুত্ব দেওয়া যেতে পারে।
এছাড়া মাছ চাষ, সমন্বিত মৎস্য চাষ এবং মৎস্যভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগের মাধ্যমে আনসার-ভিডিপির সদস্যদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে পুকুর, জলাশয় ও পতিত জমির পরিকল্পিত ব্যবহার করে এসব উদ্যোগ সম্প্রসারণের সম্ভাবনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এ জন্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিষয়ে কারিগরি প্রশিক্ষণ, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তার পাশাপাশি আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের মাধ্যমে সহজ শর্তে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণের সুযোগ তৈরির প্রস্তাবও রয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রশিক্ষণ, ঋণ, উৎপাদন উপকরণ, কারিগরি পরামর্শ ও বাজারসংযোগ-এই বিষয়গুলো সমন্বিতভাবে নিশ্চিত করা গেলে আনসার-ভিডিপির সদস্যরা ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন। এতে গ্রামীণ বেকারত্ব কমানোর পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিও শক্তিশালী হতে পারে।
সঞ্জীবন প্রকল্পের আওতায় আনসার-ভিডিপির প্রায় ৬০ লাখ সদস্যের পরিবারকে উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে মৎস্য, ডেইরি, পোল্ট্রি ও প্রাণিসম্পদ খাতের ক্ষুদ্র উদ্যোগ বৃদ্ধি পেলে প্রাণিজ আমিষের উৎপাদন বৃদ্ধি, পুষ্টির চাহিদা পূরণ ও গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, মৎস্য অধিদপ্তর, আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বিত সহযোগিতার মাধ্যমে সঞ্জীবন প্রকল্পকে আরও কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে আনসার-ভিডিপির সদস্যদের আত্মনির্ভরশীল করার পাশাপাশি দেশের খাদ্য ও পুষ্টিনিরাপত্তা এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে তাদের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘সম্পত্তি হস্তান্তর আইন সংশোধন বিল-২০২৬’ পাশের আগে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম-ওলামা ও আইন বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ঈমান-আকিদা সংরক্ষণ কমিটির নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট আলেমরা। তাদের মতে, প্রস্তাবিত সংশোধনীতে কুরআন-সুন্নাহর বিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো বিষয় থাকলে তা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর আইন সংশোধন বিল-২০২৬’ নিয়ে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন। ঈমান-আকিদা সংরক্ষণ কমিটি এ বৈঠকের আয়োজন করে। তারা বলেন, কোনো আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্য ভালো হলেও তাতে শরিয়াহবিরোধী কোনো ধারা থাকলে শুধু ভালো উদ্দেশ্যের কারণে আইনটি শরিয়াসম্মত হয়ে যায় না। তাই বিলটি আবেগ বা রাজনৈতিক বিবেচনায় নয়, কুরআন-সুন্নাহ, ফিকহ ও প্রচলিত আইনের আলোকে গভীরভাবে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। কমিটির সভাপতি মাওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজীর সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব মুফতি সালাহ উদ্দিন ও মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজীর সঞ্চালনায় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকারপ্রধানের নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল কুরআন-সুন্নাহবিরোধী কোনো আইন পাস করা হবে না। জনগণ সেই অঙ্গীকারের প্রতি আস্থা রেখেছে। কিন্তু প্রস্তাবিত সংশোধনীতে এমন কিছু বিষয় রয়েছে, যা ইসলামের উত্তরাধিকার, সম্পত্তি ও পারিবারিক বিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে। তারা আরও বলেন, মুসলিমদের সম্পত্তি ও উত্তরাধিকার বিষয়ে শরিয়াহর সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে। এসব বিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো আইন প্রণীত হলে ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হতে পারে। প্রস্তাবিত সংশোধনীর বাস্তব প্রয়োগেও নানা জটিলতা ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বক্তারা বলেন, বিলটি পাসের আগে দেশের শীর্ষস্থানীয় মুফতি, মুহাদ্দিস, ফকিহ ও আইন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে। কুরআন-সুন্নাহর সুস্পষ্ট বিধান অক্ষুণ্ন রেখে প্রয়োজনীয় সংশোধন করতে হবে এবং মুসলিম নাগরিকদের ধর্মীয় ও পারিবারিক অধিকার সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। বৈঠকে মাওলানা আবদুর হামিদ, মাওলানা আব্দুল আউয়াল, মাওলানা আবদুর রব ইউসুফী, ড. আহমদ আব্দুল কাদের, মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, মাওলানা মহিউদ্দীন রব্বানী, মাওলানা আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ হাসান, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মাওলানা মজিবুর রহমান হামিদী, মুফতি আব্দুল কাইয়ুম কাসেমী, মুফতি আবু বকর সুহাইল, মাওলানা সুলতান মহিউদ্দীন, মুফতি শামসুদ্দীন কাসেমী ও মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী প্রমুখ বক্তব্য দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ