ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নির্বাচনী প্রচারণায় মিথ্যা বিবৃতির জেরে কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট দোষী সাব্যস্ত


নির্বাচনী প্রচারণায় মিথ্যা বিবৃতির জেরে কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট দোষী সাব্যস্ত

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলকে নির্বাচনী প্রচারণার সময় মিথ্যা বিবৃতি দেওয়ার জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। এই অভিযোগ ইউন অস্বীকার করেছেন এবং তার আইনজীবীরা এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার পরিকল্পনা করছেন। তাদের যুক্তি হলো, রায়টি ঘটনার এবং নির্বাচনী আইনের ভুলভাবে ব্যাখ্যা করার ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে। উচ্চ আদালতে এই রায় যদি বহাল থাকে, তবে রক্ষণশীল 'পিপল পাওয়ার পার্টি' বড় ধরনের আর্থিক সংকটে পড়তে পারে।

কারণ, ২০২২ সালে বর্তমান উদারপন্থী প্রেসিডেন্ট লি জে-মিউংয়ের বিরুদ্ধে অল্প ব্যবধানে জয়ের পর, সরকার তাদের নির্বাচনী খরচ (যা প্রায় ৪০ বিলিয়ন ওন বা ২৭ মিলিয়ন ডলার) ফেরত দিয়েছিল এবং তা তাদের আবার সরকারের কোষাগারে জমা দিতে হতে পারে।

দক্ষিণ কোরিয়ার আইন অনুযায়ী, যেসব প্রার্থী মোট ভোটের ১৫ শতাংশের বেশি প্রাপ্ত হন, সরকার তাদের নির্বাচনী খরচের অর্থ ফেরত দেয়। তবে যদি কোনো প্রার্থী নির্বাচনী আইন লঙ্ঘনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়, তার শাস্তি হিসেবে ১০ লাখ ওন (৬৮০ ডলার) বা তার চেয়ে বেশি জরিমানা হতে পারে, সেই অর্থ ফেরত দেওয়া বাধ্যতামূলক।

আরও পড়ুন: গাজীপুরে সেপটিক ট্যাংক বিস্ফোরণে পোশাককর্মী সাকিবের মৃত্যু, আহত ২

সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট ইউনকে ১৮ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে, তবে সেই দণ্ড তিন বছরের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে। আদালত তাদের পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেছেন যে, প্রচারণার সময় ইউনের প্রদত্ত মিথ্যা বিবৃতি প্রার্থীদের বিষয়ে ভোটারদের সুষ্ঠু বিচার-বিবেচনাকে প্রভাবিত করতে পারে।

প্রধান বিচারক যখন রায়টি পড়ে শোনাচ্ছিলেন, তখন ইউন চুপচাপ শুনছিলেন এবং রায়ের পর কোনো মন্তব্য করেননি। 'পিপল পাওয়ার পার্টি'-ও এই রায়ের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানিয়ে যা বলেনি।

আদালত এই রায়ে উল্লেখ করেছেন, ২০২২ সালের জানুয়ারিতে ইউন একটি সাক্ষাৎকারে মিথ্যা বলেছিলেন; সেখানে তিনি একজন ভাগ্যগণনাকারীর সঙ্গে তার সম্পর্ক খাটো করে দেখানোর চেষ্টা করেছিলেন। ওই ব্যক্তি পরবর্তীতে ইউন-এর স্ত্রী কিম কেওন-হি এবং 'ইউনিফিকেশন চার্চ' এর মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করার জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক সুবিধা পাওয়ার বিনিময়ে ওই চার্চ কিম কেওন-হিকে ঘুষ দিয়েছিল।

আদালত পর্যবেক্ষণে আরো বলেছেন, ২০২১ সালের ডিসেম্বরে ইউন এক সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি অস্বীকার করেছিলেন যে, ২০১২ সালে সরকারি কৌঁসুলি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি ঘুষের অভিযোগে তদন্তাধীন সিউলের এক সাবেক কর কর্মকর্তার সঙ্গে একজন প্রতিরক্ষা আইনজীবীর পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন।

আরও পড়ুন: সরকার বিকল্প শ্রমবাজারে দক্ষ কর্মী পাঠাতে অগ্রাধিকার দিচ্ছে

এটি ইউনের বিরুদ্ধে চলমান সাতটি ফৌজদারি মামলার মধ্যে একটি ছিল; বর্তমানে তিনি পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সামরিক আইন জারির কিছু মাস পর ২০২৫ সালের এপ্রিলে তাকে ক্ষমতা থেকে অপসারণ করা হয়। ওই সামরিক আইন জারিকে কেন্দ্র করে দেশটিতে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সংকট তৈরি হয়েছিল।

ক্ষমতা দখলের ব্যর্থ প্রচেষ্টার জেরে আনা বিদ্রোহের মতো গুরুতর অভিযোগসহ বেশ কিছু দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে ইউন আপিল করেছেন; ওই মামলায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেওয়া হয়েছিল। দেশের সর্বোচ্চ আদালতে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়া প্রথম মামলায়, সামরিক আইন জারির আগে মন্ত্রিসভার যথাযথ আলোচনা এড়িয়ে যাওয়া এবং গ্রেফতারের চেষ্টায় বাধা দেওয়ার দায়ে ইউনকে দেওয়া সাত বছরের কারাদণ্ড চলতি মাসের শুরুর দিকে সুপ্রিম কোর্ট বহাল রেখেছে।

২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর গভীর রাতে ইউন আকস্মিকভাবে সামরিক আইন জারি করেছিলেন, যা মাত্র কয়েক ঘণ্টা স্থায়ী ছিল। সিউলের জাতীয় পরিষদে ভারী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত সেনা ও পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে আইনপ্রণেতারা সামরিক আইন বাতিলের পক্ষে ভোট দিলে ইউন-এর মন্ত্রিসভা তা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়েছিল।

আরও পড়ুন: ‘যৌন হয়রানি, ধর্মান্তরের চাপ’: আতঙ্কে পশ্চিমবঙ্গের খ্রিস্টানরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিডফোর্ডে সোহাগ হত্যা : ২১ আসামির সাক্ষ্য গ্রহণ ৩ আগস্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১৯ পি.এম


মিডফোর্ডে সোহাগ হত্যা : ২১ আসামির সাক্ষ্য গ্রহণ ৩ আগস্ট

রাজধানীর পুরান ঢাকায় স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের (মিটফোর্ড হাসপাতাল) সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে মো. সোহাগ (৩৯) হত্যার ঘটনার মামলায় ২১ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ পিছিয়ে আগামী ৩ আগস্ট নির্ধারণ করেছেন আদালত।

সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার ১ম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আলমগীরের আদালত এই তারিখ ঠিক করেন।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘আজকে মামলাটির সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ঠিক করা ছিল। তবে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা এই আদালতের প্রতি অনাস্থা বিষয়ে এক আসামির শুনানি চলমান থাকায় আবেদনের ওপর শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত সকল কার্যক্রম স্থগিত রাখার জন্য আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৩ আগস্ট দিন ঠিক করেন।’

এর আগে, গত ১৯ জুলাই ঢাকার ১ম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আলমগীরের আদালতের প্রতি অনাস্থা জানান মাহমুদুল হাসান মাহিন নামে এক আসামি। এই আসামির পক্ষে আইনজীবী মাশরুর হোসাইন এই আবেদন জমা দেন। তবে ওই আবেদনের ওপর শুনানি এখন নিষ্পত্তি হয়নি।

মামলার আসামিরা হলেন— মাহমুদ হাসান মহিন, আলমগীর, মনির ওরফে লম্বা মনির, নান্নু ওরফে নান্নু কাজী, সজিব ওরফে সজিব বেপারী, টিটন গাজী, তারেক রহমান রবিন, জহিরুল ইসলাম, পারভেজ, সাগর, রিজওয়ান উদ্দিন ওরফে অভিজিৎ বসু ওরফে অভি, রুমান বেপারী, আবির হোসেন, জহির, ইমরান হোসেন, শারাফাত ওরফে শফিউল ইসলাম, হোসেন চৌকিদার, জিয়াউদ্দিন রাজিব, সারোয়ার হোসেন টিটু, মনির ওরফে ছোট মনির ও অপু দাস।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৫ সালের ৯ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার দিকে মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটসংলগ্ন রজনী ঘোষ লেনে পাকা রাস্তার ওপর একদল লোক ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে (৩৯) এলোপাতাড়িভাবে পাথর দিয়ে আঘাত করে এবং কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে। ওই ঘটনার পরের দিন ১০ জুলাই নিহতের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম বাদী হয়ে ১৯ জনের বিরুদ্ধে কোতয়ালী থানায় হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়।

তদন্ত শেষে গত বছরের ৮ ডিসেম্বর এই মামলায় ২১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার (বর্তমানে শাহবাগ) অফিসার্স ইনচার্জ মনিরুজ্জামান। এছাড়াও অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১০ আসামিকে অব্যাহতির সুপারিশ করেন তদন্তকারী এই কর্মকর্তা।

তবে মামলাটিতে তদন্তে ত্রুটি থাকায় পুনরায় তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন আদালত।

চলতি বছরের ১০ মে তদন্ত করে আবারও ২১ জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করেন কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর শাহ মো. ফয়সাল আহমেদ। গত ১২ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন (চার্জ) করে বিচার শুরুর আদেশ দেন একই আদালত।

নিহত সোহাগ কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পূর্ব নামাবাড়ি গ্রামের ইউসুফ আলী হাওলাদারের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন যাবত মিটফোর্ড এলাকার রজনি ঘোষ লেনে ব্যবসা করে আসছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে একদিনে ডিএমপিতে ২১৪৬ মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২০ পি.এম


ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে একদিনে ডিএমপিতে ২১৪৬ মামলা

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ ২১৪৬টি মামলা করেছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) নিয়াজ মেহেদী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ১৪টি বাস, ৩টি কাভার্ডভ্যান, ৭টি সিএনজি ও ২৬টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১০১টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ২২টি বাস, ১২টি ট্রাক, ১টি কাভার্ডভ্যান, ১৭টি সিএনজি ও ১১৩টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৯৮টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ৪২টি বাস, ১টি ট্রাক, ২০টি কাভার্ডভ্যান, ৫৭টি সিএনজি ও ১৪৭টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩২৩টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৪০টি বাস, ২৬টি ট্রাক, ৩৮টি কাভার্ডভ্যান, ৪০টি সিএনজি ও ১১২টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩৪৪টি মামলা হয়েছে।

অন্যদিকে, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ৩৯টি বাস, ৭টি ট্রাক, ১২টি কাভার্ডভ্যান, ৪৮টি সিএনজি ও ১২৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩০২টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ২২টি বাস, ২৮টি ট্রাক, ২৯টি কাভার্ডভ্যান, ২৬টি সিএনজি, ১৮৭টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩৪৫টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৯৩টি বাস, ১টি ট্রাক, ১৩টি কাভার্ডভ্যান, ২৭টি সিএনজি ও ৬৬টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩০৫টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ২২টি বাস, ৯টি কাভার্ডভ্যান, ৩১টি সিএনজি ও ৯৩টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২২৮টি মামলা হয়েছে। এছাড়াও অভিযানকালে মোট ৫০৩টি গাড়ি ডাম্পিং এবং ২২৩টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, রবিবার (২৬ জুলাই) ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব মামলা করা হয়। এর পাশাপাশি, ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তালিকায় নাম থাকলেও কখনো এসকর্ট নেননি ভূমিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২১ পি.এম


তালিকায় নাম থাকলেও কখনো এসকর্ট নেননি ভূমিমন্ত্রী

সম্প্রতি সরকারের ব্যয় সংকোচন, জ্বালানি সাশ্রয় এবং পুলিশের জনবল ও যানবাহনের সংকটের কারণে ১৮ জন মন্ত্রীর জন্য বরাদ্দ বিশেষ পুলিশ এসকর্ট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তালিকায় ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনুর নাম থাকা সত্ত্বেও, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি কখনোই পুলিশ এসকর্ট সুবিধা ব্যবহার করেননি, এ তথ্য নিশ্চিত করেছে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, দায়িত্ব গ্রহণের সূচনা থেকেই ভূমিমন্ত্রী কেবল একজন গানম্যানকে সঙ্গে নিয়ে সরকারি ও ব্যক্তিগত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করছেন। তিনি পুলিশ এসকর্ট বহর, পাইলট গাড়ি বা অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার কোনো সুবিধা গ্রহণ করেননি। অতএব, এসকর্ট প্রত্যাহারের তালিকায় তার নাম থাকা সত্ত্বেও তার চলাচল বা নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিশেষভাবে পরিবর্তিত হয়নি।

এ বিষয়ে কালের কণ্ঠকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, ‘আমি সাদামাটাভাবে চলতে পছন্দ করি। একেবারে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিলেমিশে থাকতে চাই। তাই এ ধরনের (এসকর্ট) বিষয়গুলো কখনো প্রয়োজন মনে করি না।’

তিনি আরও বলেন, ‘লক্ষ্য করলে দেখবেন, আমি যখন রাজশাহীতে যাই, তখন অনেক সময় রিকশায়ও চলাফেরা করি। এসকর্ট ছাড়াই সাধারণ মানুষের সঙ্গে চলতে আমি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।’

মন্ত্রী জানিয়েছেন, দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে জনগণের কাছাকাছি থাকাকেই তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন। তার মতে, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ থাকলে তাদের সমস্যা, প্রত্যাশা ও বাস্তবতার বিষয়ে আরও ভালোভাবে জ্ঞান লাভ করা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এসকর্ট প্রত্যাহারের সরকারি সিদ্ধান্তটি সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার একটি অংশ হলেও, ভূমিমন্ত্রীর ক্ষেত্রে এটি মূলত একটি আনুষ্ঠানিক বিষয়। কারণ তিনি শুরু থেকেই এসকর্টবিহীন চলাফেরার নীতি অনুসরণ করে আসছেন, এবং তার ব্যক্তিগত পছন্দ হচ্ছে অতি সাধারণ জীবনযাপন এবং অপ্রয়োজনীয় প্রটোকল এড়িয়ে চলা।

প্রসঙ্গত, সরকার সম্প্রতি ১৮ জন মন্ত্রীর জন্য বরাদ্দ বিশেষ পুলিশ এসকর্ট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। তবে দায়িত্বের গুরুত্ব বিবেচনায়, কয়েকজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টার জন্য এই সুবিধা বহাল রাখা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেরোবি উপাচার্য কলিমউল্লাহর কারামুক্তিতে বাধা নেই : আইনজীবী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২৩ পি.এম


বেরোবি উপাচার্য কলিমউল্লাহর কারামুক্তিতে বাধা নেই : আইনজীবী

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজের অর্থ আত্মসাতের মামলায় সাবেক উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর জামিননামা দাখিল করা হয়েছে। এক লাখ টাকা মুচলেকায় পাসপোর্ট জমার সত্ত্বে এই জামিননামা দাখিল হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, কলিমউল্লাহর কারামুক্তিতে কোনো বাধা নেই। তার আইনজীবী মহসিন রেজা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সোমবার (২৭ জুলাই) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ শাহজাহান কবিরের কাছে শুনানি শেষে জামিননামা দাখিলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

এদিনের শুনানিতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ও আসামির হাজিরার জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। এজন্য কলিমউল্লূহকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। হাজিরা শেষে আদালত তাকে পুনরায় কারাগারে পাঠান।

একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর দিবস নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর আইনজীবী মহসিন রেজা ও মহিমা বাঁধন সাংবাদিকদের বলেন, গত ১৪ জুন তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছিলেন। এক লাখ টাকা মুচলেকা ও পাসপোর্ট জমার শর্তে জামিননামা দাখিলের অনুমতি আদালত দিয়েছে। আমরা জামিননামা দাখিল করেছি। অন্য কোনো মামলার কারণে তার কারামুক্তিতে আইনগত কোনো বাধা নেই।

এর আগে মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে কলিমউল্লাহকে গত বছর ৭ আগস্ট গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। ওইদিন জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। একই বছরের ২৭ আগস্ট আদালত তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে রেখেছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে কলিমউল্লাহসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গত ১৮ জুন মামলাটি দায়ের করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%