ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলন বুধবার


প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলন বুধবার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের পাশাপাশি অধিবেশনের বিভিন্ন কার্যক্রম, বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক এবং নিউইয়র্ক সফরের সার্বিক বিষয় তুলে ধরার জন্য সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

এই সংবাদ সম্মেলন আগামীকাল বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘করবী হলে’ অনুষ্ঠিত হবে।

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব হাসান শিপলু এই তথ্য জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: কর্ণফুলী টানেলের আর্থিক লোকসান তদন্তে সংসদীয় কমিটি

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র সালেহ শিবলী এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি স্কুলে ভর্তিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৫ শতাংশ হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৫ পি.এম


সরকারি স্কুলে ভর্তিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৫ শতাংশ হবে

দেশের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির নিয়ম-কানুন পরিবর্তিত হতে যাচ্ছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) সম্প্রতি ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি নতুন খসড়া নীতিমালা তৈরি করেছে। এই নীতিমালা বর্তমানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে।

খসড়া নীতিমালার আওতায়, সরকারি স্কুলগুলোতে ছয়টি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে মোট ১৪ শতাংশ কোটা সংরক্ষণের প্রস্তাব করা হয়েছে। অন্যদিকে, বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে কোটার পরিধি কিছুটা বাড়িয়ে একটি ক্যাটাগরি বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ কোটা রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

যদি সবকিছু ঠিকঠাক হয়, তবে আগামী ৫ অক্টোবরের মধ্যে এ নতুন কোটা নীতি চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করতে পারে।

মাউশি মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল মন্তব্য করেছেন, "খসড়া নীতিমালা অনুমোদন দেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় চাইলে নীতিমালায় একাধিক পরিবর্তন আনতে পারে।"

খসড়া নীতিমালার তথ্য অনুযায়ী, সরকারি স্কুলে মুক্তিযোদ্ধা অথবা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ আসন কোটা থাকবে। মুক্তিযোদ্ধা আসন নির্ধারণের জন্য আবেদনপত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্রের সত্যায়িত কপি সংযুক্ত করতে হবে এবং ভর্তির সময় মূল কপি প্রদর্শন করতে হবে। এই ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মুক্তিযোদ্ধা সনদ যথাযথভাবে যাচাই করে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। মুক্তিযোদ্ধা অথবা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যা পাওয়া না গেলে সাধারণ কোটা থেকে ওই আসনে ভর্তি করতে হবে।

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মূল ধারায় সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে ন্যূনতম যোগ্যতা থাকার শর্তে ভর্তির ক্ষেত্রে ২ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। তবে ভর্তির সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়ন দাখিল করতে হবে। ওই আসনে কোন শিক্ষার্থী পাওয়া না গেলে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে শূন্য আসন পূরণ করতে হবে।

নীতিমালায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তান ভর্তির জন্য ১ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে এবং তফশিল-ক এ বর্ণিত অধীনস্থ দপ্তর/সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। তবে, মন্ত্রণালয়ের জন্য সংরক্ষিত ১ শতাংশ আসনে ভর্তিযোগ্য সন্তান না পাওয়া গেলে তা তফশিল-ক এ বর্ণিত অধীনস্থ দপ্তর/সংস্থায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তান কোটা থেকে পূর্ণ করা যাবে। একইভাবে, তফশিল-ক এ বর্ণিত অধীনস্থ দপ্তর/সংস্থায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানের জন্য সংরক্ষিত ১ শতাংশ আসনে যোগ্য সন্তান না পাওয়া গেলে তা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগ্য সন্তান কোটা থেকে পূর্ণ করতে হবে। কর্মকর্তা-কর্মচারীর সন্তান ভর্তির আবেদনের সময় সংশ্লিষ্ট অফিস প্রধানের প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হবে।

যদি কোন প্রতিষ্ঠানে আবেদনকারী শিক্ষার্থীর যমজ ভাই-বোন পূর্ব থেকে অধ্যয়নরত থাকে অথবা নতুন আবেদনকারী যমজ ভাই-বোনদের জন্য ২ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। তবে, এ সুবিধা কোনো দম্পতির মোট তিন সন্তান পর্যন্ত প্রযোজ্য হবে। যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে যমজ ভাই-বোনের আবেদন পাওয়া না যায়, তবে ওই ২ শতাংশ আসন সহোদর-সহোদরার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

অন্যদিকে, আবেদনকারী শিক্ষার্থীর সহোদর-সহোদরা যদি পূর্ব থেকে অধ্যয়নরত থাকে অথবা নতুন আবেদনকারী সহোদর-সহোদরাদের জন্য ৩ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। তবে এ সুবিধা কোনো দম্পতির মোট তিন সন্তান পর্যন্ত প্রযোজ্য হবে। যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে সহোদর-সহোদরার আবেদন পাওয়া না যায়, তবে ওই ৩ শতাংশ আসন যমজ ভাই-বোনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

খসড়া নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, সহোদর-সহোদরার জন্য নির্ধারিত কোনো আসন শূন্য থাকলে যমজ সন্তানদের ভর্তির মাধ্যমে আসন পূরণ করতে হবে। অনুরূপভাবে যমজ ভাই-বোনের জন্য নির্ধারিত কোনো আসন শূন্য থাকলে সহোদর-সহোদরা দ্বারা পূরণ করা যাবে। কোনো অবস্থায় আসন শূন্য রাখা যাবে না। কোটাভুক্ত আসন পূরণ না হলে সাধারণ কোটা থেকে উক্ত আসনে ভর্তি করতে হবে।

বেসরকারি স্কুলে এই ১৪ শতাংশের বাইরে আরও এক শতাংশ কোটা থাকবে। লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের শিশুদের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে তাদের জন্য এই কোটা রাখবে প্রতিষ্ঠানগুলো। নিকটস্থ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে তারা।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকা মহানগরীর সরকারি বিদ্যালয় সংলগ্ন ক্যাচমেন্ট এরিয়ার শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করতে হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর ঢাকা মহানগরীর সব সরকারি বিদ্যালয়ের আওতাধীন ক্যাচমেন্ট এরিয়া নির্ধারণ করে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবহিত করবে।

৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির মোট আসনের ১০ শতাংশ আসন স্বতন্ত্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন রেজিস্ট্রেশনধারী শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়ে অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিক্ষা বোর্ডকে অবহিত করবেন। এ ক্ষেত্রে শিক্ষা বোর্ড নতুন ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত তথ্যাদি হালনাগাদ করবে।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এক কর্মস্থল থেকে অন্য কর্মস্থলে বদলি হলে তাদের সন্তানদের জন্য সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত শর্ত সাপেক্ষে আবেদন করা যাবে। (ক) ভর্তির জন্য প্রমাণকসহ ভর্তি কমিটির সভাপতি বরাবর বদলির আদেশের তারিখ থেকে ১০ (দশ) মাসের মধ্যে আবেদন করতে হবে; সব মহানগরী/সিটি করপোরেশন/বিভাগীয় শহরের মধ্যে বদলিকৃত কর্মস্থল ১০ (দশ) কিলোমিটারের (google map অনুযায়ী) অধিক হলে তার সন্তান কর্মস্থলের নিকটতম সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

জেলা/উপজেলা/থানার ক্ষেত্রে বদলিকৃত কর্মস্থলের নিকটতম সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে তার সন্তান ভর্তির সুযোগ পাবে। (ঘ) বদলিজনিত কারণে সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারীর সন্তানদের ভর্তির জন্য প্রতি শ্রেণি শাখায় মোট আসনের ৫ শতাংশ অতিরিক্ত আসন সংরক্ষিত থাকবে; সরকারি বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী অগ্রাধিকার পাবে; সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারীরা তার পূর্বতন কর্মস্থলে পুনরায় বদলি হয়ে আসলে তাদের সন্তানদের পূর্বতন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পুনরায় ভর্তির সুযোগ পাবে।

সংশ্লিষ্ট ভর্তি কমিটির আওতাধীন কোনো শিক্ষার্থীকে একই শ্রেণিতে উভয় বিদ্যালয়ের সম্মতির ভিত্তিতে পারস্পরিক বদলিভিত্তিক ভর্তি করা যাবে। এজন্য শিক্ষার্থী/অভিভাবককে সংশ্লিষ্ট ভর্তি কমিটির সভাপতির নিকট আবেদন করতে হবে এবং এ নীতিমালার আলোকে ওই কমিটি ভর্তির বিষয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের ভর্তির উপযুক্ত সন্তান সংখ্যার সমসংখ্যক অতিরিক্ত আসন স্ব স্ব বিদ্যালয়ে সংরক্ষিত থাকবে। তবে শিক্ষক-কর্মচারী মাধ্যমিক বালক বিদ্যালয়ে কর্মরত থাকলে এবং তার ভর্তি উপযুক্ত সন্তান বালিকা হলে নিকটতম সরকারি বালিকা-সহশিক্ষা বিদ্যালয়ে অতিরিক্ত আসন সংরক্ষিত রাখতে হবে। শিক্ষক-কর্মচারী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে কর্মরত থাকলে এবং তার ভর্তি উপযুক্ত সন্তান বালক হলে নিকটতম সরকারি বালক/সহশিক্ষা বিদ্যালয়ে অতিরিক্ত আসন সংরক্ষিত রাখতে হবে। একইভাবে শিক্ষক-কর্মচারী যদি সহশিক্ষা বিদ্যালয়ে কর্মরত থাকে তাহলে তার ভর্তি উপযুক্ত সন্তানের ভর্তির জন্য কর্মরত বিদ্যালয়েই অতিরিক্ত আসন সংরক্ষিত রাখতে হবে। তবে কর্মরত বিদ্যালয়ে ভর্তির উপযুক্ত কাঙ্ক্ষিত শ্রেণি না থাকলে নিকটতম বালক/বালিকা/সহশিক্ষা বিদ্যালয়ে (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) অতিরিক্ত আসন সংরক্ষিত রাখতে হবে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে ভর্তি কমিটিকে অবহিত করবেন। তবে শিক্ষক-কর্মচারীদের ভর্তিচ্ছু প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে অবহিত করতে হবে এবং অনলাইনে ভর্তির আবেদন করতে হবে।

খসড়া নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, যদি কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন, তবে তার সন্তান যে এলাকায় স্থায়ী হবে সে এলাকার সরকারি স্কুলে ভর্তির সুযোগ পাবে। সংশ্লিষ্ট ভর্তি কমিটি এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এছাড়া, কোনো সরকারি বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী যার পিতা-মাতা নেই, এমন শিক্ষার্থী যদি কোনো কারণে বাসস্থান পরিবর্তন করে, তবে পরিবর্তিত এলাকার সরকারি স্কুলে সে সমশ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে। সংশ্লিষ্ট ভর্তি কমিটি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা নিয়ে সুশীল সমাজের প্রস্তাব আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৬ পি.এম


তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা নিয়ে সুশীল সমাজের প্রস্তাব আহ্বান

তত্ত্বাবধায়ক সরকার কিভাবে এবং কাদের নিয়ে গঠিত হবে, এ বিষয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি বলে জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে বিশেষ কমিটির চতুর্থ বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য জানান।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি, গঠনপ্রক্রিয়া ও রূপরেখা নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা প্রয়োজন। এ বিষয়ে সুশীল সমাজসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের কাছ থেকে লিখিত প্রস্তাব ও গঠনমূলক পরামর্শ চাওয়া হচ্ছে। প্রাপ্ত প্রস্তাবগুলোর মধ্যে জাতির জন্য সবচেয়ে উপযুক্তটিকে বিবেচনায় নিয়ে জাতীয় সংসদে পর্যালোচনার পর আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া ও ধাপ নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসা সম্ভব হয়নি। জুলাই জাতীয় সনদে এ বিষয়ে কিছু স্পষ্ট প্রস্তাবের পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বা ভিন্নমতও রয়েছে। প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় কিংবা চতুর্থ—কোন ধাপে কীভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার কাঠামো রূপ পাবে, সে বিষয়ে একাধিক বিকল্প উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

সংসদ ও সংসদের বাইরে সর্বজনীন আলোচনার মাধ্যমে এ বিষয়ে একটি সর্বসম্মত কাঠামোয় পৌঁছানো সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

গণমাধ্যমের মতামত নিয়েছে কমিটি

বিশেষ কমিটির চতুর্থ বৈঠকে গণমাধ্যম খাতের বিস্তৃত প্রতিনিধি দলের মতামত নেওয়া হয়েছে বলে জানান সালাহউদ্দিন আহমদ। এতে ইলেকট্রনিক মিডিয়া, টেলিভিশন চ্যানেল, অনলাইন নিউজ পোর্টাল, সংবাদ সংস্থা ও বার্তা ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা অংশ নেন।

এর আগে রোববার সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের মতামত নেওয়া হয়। দীর্ঘ আলোচনার সুযোগ দিতে গণমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময়ের আয়োজন দুই ধাপে করা হয়েছে। অংশগ্রহণকারী গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের কাছ থেকে ইতোমধ্যে বেশ কিছু পরামর্শ পাওয়া গেছে। অন্যদেরও দ্রুত লিখিত প্রস্তাব জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

তবে সংবিধান সংশোধনের আলোচনা শুধুমাত্র গণমাধ্যমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না বলে জানান কমিটির সভাপতি। পর্যায়ক্রমে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়ের পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, বিশিষ্টজন, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, আইনজীবী, শিক্ষাবিদ, সাবেক ও বর্তমান বিচারক এবং গত ১৭ বছরে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে বঞ্চনা ও নিপীড়নের শিকার পরিবারগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা হবে। একই সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তরুণ অংশীদার ও শহীদ পরিবারের প্রতিনিধিদের কাছ থেকেও সরাসরি মতামত নেওয়া হবে। সবশেষে দেশের শীর্ষ সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বিস্তারিত পর্যালোচনা করে কমিটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করবে।

দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ নিয়েও আলোচনা

সংবাদ সম্মেলনে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদের প্রাসঙ্গিকতার বিষয়টিও উঠে আসে। বাংলাদেশের মতো এককেন্দ্রিক রাষ্ট্রে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠনের যৌক্তিকতা নিয়ে মতভেদ থাকলেও জুলাই জাতীয় সনদের ঐকমত্যকে গুরুত্ব দিয়ে এ পথেই এগিয়ে যেতে চায় বিশেষ কমিটি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আইনসভা বা সরকারি দলের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে ভিন্ন কোনো উপযুক্ত সংশোধনী প্রস্তাব এলে সংসদীয় প্রক্রিয়ায় সেটিও বিবেচনার সুযোগ থাকবে।

বৈঠকে বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ এবং বিচারব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ প্রভাবমুক্ত রাখার বিষয়গুলোও গুরুত্ব পায়।

বিরোধী দলকে আলোচনায় আসার আহ্বান

সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়ায় কোনো রাজনৈতিক পক্ষকে বাদ দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ কারণে বিরোধী দলসহ সব পক্ষকে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধন কমিটিতে নাম অন্তর্ভুক্ত করে সব পক্ষ যাতে সক্রিয় সংলাপে অংশ নেয়, সে বিষয়ে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। একটি পূর্ণাঙ্গ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সংশোধন আইন প্রণয়নই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

বিএনপির পক্ষ থেকে উত্থাপিত ‘একক ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছর বা দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী পদে থাকতে পারবেন না’—সংক্রান্ত নীতিগত প্রস্তাবের বিষয়েও নিজের অবস্থান তুলে ধরেন সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেন, ব্যক্তিকেন্দ্রিক শাসন রোধে তাদের অবস্থান অনড়। তবে সংসদে সব রাজনৈতিক পক্ষের বিকল্প প্রস্তাব আলোচনার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘বোরকা পরে যারা নারায়ণগঞ্জ থেকে পা‌লি‌য়ে‌ছে, তারা আর দেশে আস‌তে পার‌বে না’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ পি.এম


‘বোরকা পরে যারা নারায়ণগঞ্জ থেকে পা‌লি‌য়ে‌ছে, তারা আর দেশে আস‌তে পার‌বে না’

নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খায়রুল ইসলাম সজিব মন্তব্য করেছেন, যারা বোরকা পরে নারায়ণগঞ্জ থেকে পালিয়ে গেছেন, তারা আর কখনোই দেশে ফিরে আসতে পারবেন না। যুবদলসহ অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা নিজেদের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে রেখে দেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন এবং ভবিষ্যতে যেকোনো ধরনের অরাজকতা মোকাবিলায় সম্মুখ যোদ্ধা হিসেবে কাজ করবেন।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কাঁচপুর এলাকায় সারাদেশে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ও চক্রান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে আয়োজিত এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

বক্তব্যের সময় খায়রুল ইসলাম সজিব বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের অবস্থানকে কঠোরভাবে তুলে ধরেন এবং বলেন, আমাদের নেতা তারেক রহমান অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এই দেশকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুনভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ এবং দেশের কিছু চক্রান্তকারী এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি এবং আমাদের নেতাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে জানাতে চাই যে, যদি বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের ধৈর্যের সীমা ভেঙে যায় এবং তারা মাত্র এক ঘণ্টার জন্য রাজপথে নামেন, তাহলে চক্রান্তকারীদের অস্তিত্ব নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।

বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন কাঁচপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোমেন খান, সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ ভূঁইয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক নুরে ইয়াসিন নোবেল, যুগ্ম আহ্বায়ক কাউসার আহমেদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রুবেল হুসাইন, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হযরত আলী রানা, পিয়ার হোসেন নয়ন, সোহেল রানা, রাকিব হাসান এবং আবু সালেহ মুসা প্রমুখ।

সমাবেশের শেষে একটি গণমিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাঁচপুর ব্রিজ প্রদক্ষিণ করে কাঁচপুর বাস টার্মিনালে গিয়ে শেষ হয়.

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে কাঠালিয়ায় প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ফাতিমা আক্তার মিম ​কাঠালিয়া সংবাদদাতা

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫২ পি.এম


দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে কাঠালিয়ায় প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজাকে ঘিরে ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার মৃৎশিল্পীদের ব্যস্ততা এখন তুঙ্গে। উপজেলার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে দিনরাত সমান তালে চলছে দেবী দুর্গাসহ অন্যান্য দেব-দেবীর প্রতিমা গড়ার কাজ।
উপজেলার মাঝি বাড়ি মন্দিরসংলগ্ন কর্মশালায় গিয়ে দেখা যায়, কাঁচা মাটি দিয়ে দেবী দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক ও গণেশের মূর্তি গড়ার কাজ প্রায় শেষের পথে। নিপুণ হাতে কাঠামোগুলোতে মাটির প্রলেপ দিয়ে দেব-দেবীর রূপ ফুটিয়ে তুলছেন শিল্পীরা।
মৃৎশিল্পীরা জানান, মাটির কাজ সম্পূর্ণ শুকানোর পর শিগগিরই শুরু হবে রং ও প্রতিমা সাজসজ্জার কাজ। পূজার দিন ঘনিয়ে আসায় সময়মতো মণ্ডপে মণ্ডপে প্রতিমা পৌঁছে দিতে এখন দম ফেলার সুযোগ নেই তাদের। উৎসবের আগেই যেন সব প্রস্তুতি নিখুঁতভাবে শেষ হয়, সে লক্ষ্যে শিল্পীরা কাজের গতি বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%