মোঃ শরীফ উদ্দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
০৫:২৬ পি.এম
চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বন্যাকবলিত মানুষের জন্য শুধুমাত্র খাদ্য সহায়তাই নয়, ভেঙে যাওয়া বসতঘর পুনর্নির্মাণ এবং পুনর্বাসন কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দাওয়াতে ঈমানী মানবিক কাফেলা।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) তাঁর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানান দাওয়াতে ঈমানী বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরি।
ফেসবুক পোস্টে তিনি জানিয়েছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে সংগঠনটির মানবিক কার্যক্রম চলমান থাকবে এবং জরুরি খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি যেসব পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে, তাদের পুনর্বাসনের উদ্যোগও নেওয়া হবে।
মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরি বলেন, দেশে এবং বিদেশের বিত্তবান ব্যক্তি, প্রবাসী এবং মানবিক সংগঠনগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, "বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সবার দায়িত্ব। আসুন, যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ঘর পুনর্নির্মাণে সহযোগিতা করি।"
তিনি আরও জানান, দাওয়াতে ঈমানী মানবিক কাফেলা পর্যায়ক্রমে বাঁশখালীর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি পুনর্বাসন কার্যক্রমও পরিচালনা করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন আজ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহেরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এই সৌজন্য সাক্ষাৎ আজ বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে আলোচনা করা হয় দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা নিয়ে। এছাড়া বাংলাদেশের আবাসন খাত, জাতীয় বিল্ডিং কোড, নগর উন্নয়ন, সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী আবাসন ব্যবস্থা এবং পাবলিক প্লেস ও পার্কের উন্নয়নসহ দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত জানান, তার দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের হাউজিং সেক্টরের উন্নয়নে কাজ করতে আগ্রহী। মন্ত্রী বাংলাদেশে ভূমিকম্পজনিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা জোরদারের লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশ আর্থকোয়েক সেফটি অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ প্রতিষ্ঠায় যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা কামনা করেন। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত এ বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনে সাহায্যের কথাও জানান। বৈঠকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল মতিন, যুগ্ম সচিব আবুল বাকের মো. তৌহিদ এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। মার্কিন প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে পলিটিক্যাল কাউন্সিলর এরিক গিলান, পলিটিক্যাল অফিসার জশ পোপ এবং যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পাবলিক ডিপ্লোমেসি সেকশনের কর্মকর্তাবৃন্দ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি বিক্ষোভকারী গোষ্ঠীর সমর্থকদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর নতুন দফার সংঘর্ষে নয় জন নিহত হয়েছে ও আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। বুধবার ওই বিষয়ে এক কর্মকর্তা তথ্য জানিয়েছেন। অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক সংস্কারের জন্য আন্দোলনরত জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির (জেএএসি) সমর্থকেরা সরকারি সতর্কতা অমান্য করে এ সপ্তাহে আঞ্চলিক রাজধানী মুজাফফরাবাদের দিকে পদযাত্রার ঘোষণা দেন। পাকিস্তানের মুজাফফরাবাদ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ ব্যাপারে খবর জানিয়েছে। বিক্ষোভের কেন্দ্রস্থল পুনছ জেলার শীর্ষ বেসামরিক কর্মকর্তা সরদার ওয়াহিদ বলেন, ‘মঙ্গলবার ছড়িয়ে পড়া সহিংসতায় সাত জন বেসামরিক ব্যক্তি, এক আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য এবং এক পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিক্ষোভকারীরা রাজধানীর দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে কর্তৃপক্ষ তাদের পদযাত্রা থামিয়ে দেবে।’ গত জুনে স্থানীয় সরকার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় জেএএসিকে নিষিদ্ধ ঘোষণার পর থেকেই এই অস্থিরতা শুরু হয়। এরপর পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে ২২ জন নিহত হন। সরকারি তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এএফপি এ সংখ্যা নির্ধারণ করেছে। গোষ্ঠীটির সমর্থকেরা ‘সন্ত্রাসী’ তকমা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তারা এ আন্দোলনকে ‘নিপীড়নের’ পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছেন এবং দাবি করেছেন, তাদের আন্দোলনের লক্ষ্য হলো বৈধ অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অধিকার আদায়। এক মাসের বেশি সময় ধরে অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভকারীদের অবস্থান কর্মসূচি চলছে। কর্তৃপক্ষ জেএএসির প্রধান কার্যালয় সিলগালা করেছে এবং সংগঠনটির কয়েক শত সমর্থককে গ্রেফতার করেছে। বিক্ষোভকারীরা সড়ক অবরোধ অব্যাহত রাখায় পুনছ জেলাজুড়ে অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। গণপরিবহনও বন্ধ রয়েছে। গত বছরের সেপ্টেম্বরেও হিমালয় অঞ্চলের এ এলাকায় কয়েক দিন ধরে বিক্ষোভ হয়েছিল। সে সময় সংঘর্ষে নয় জন নিহত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-কেডিএ’র চেয়ারম্যান এ্যাড. এস. এম শফিকুল আলম মনা বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, কেডিএ সে অভিযানের সহযাত্রী। কেডিএ’র আওতাধীন এলাকায় ১ লাখ ২০ হাজার বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ করা হবে।
আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় কেডিএ চত্বরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, একটি পরিকল্পিত নগরী শুধু বহুতল ভবন আর কংক্রিটের জঙ্গল নয়, বরং সেখানে বুক ভরে শ্বাস নেয়ার মতো পর্যাপ্ত সবুজ ও খোলা বাতাস থাকা আবশ্যক। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। যার বিরূপ প্রভাব আমাদের এই অঞ্চলেও দৃশ্যমান। সুন্দরবনের কোলঘেঁষা আমাদের এই খুলনাকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা করতে এবং একটি বাসযোগ্য, সবুজ নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে গাছ লাগানোর কোনো বিকল্প নেই।
শফিকুল আলম আরও জানান, কেডিএ শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নই করে না বরং পরিবেশবান্ধব টেকসই নগর পরিকল্পনায় বিশ্বাসী। এবারের কর্মসূচিতে আমরা কেবল গাছ লাগিয়েই ক্ষান্ত হবো না বরং প্রতিটি চারার সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচর্যা নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। আমরা ফলদ, বনজ এবং ওষুধিসহ বিভিন্ন ধরনের গাছের চারা রোপণের ওপর জোর দিচ্ছি, যা আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি পুষ্টি ও অর্থনৈতিক চাহিদাও পূরণ করবে।
অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ-কেএমপি কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ শুধু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা আর অপরাধ দমনেই কাজ করে না। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে শুরু করে দেশ ও জনগণের কল্যাণে যেকোনো সংকটে সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।
তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের এই যুগে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা এখন আমাদের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। খুলনা অঞ্চল ভৌগোলিকভাবেই ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হয়। কেএমপি’র পক্ষ থেকে এরইমধ্যে ১২ হাজার ৫শ’ বৃক্ষরোপণ করছি; একই সাথে কয়েকটি স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করেছি।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেডিএ’র সদস্য মো. ইকবাল হোসেন, এম এম মাহমুদুর রহমান, রুহুল আমিন কুতুবুদ্দিন আহমাদ, কেএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এ্যাডমিন এন্ড ফিন্যান্স) মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ খালেদ, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. শফিকুল ইসলাম, উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মো. রেজাউর রহমান, সহকারী পুলিশ কমিশনার (স্টাফ অফিসার) মো. গোলাম মোর্শেদ, কেডিএ’র প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. সাবিরুল আলম, পরিচালক (এষ্টেট) জাকিয়া সুলতানা, অথরাইজড অফিসার জিএম মাসুদুর রহমান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (চ. দ.) মো. মজিবুর রহমানসহ কেডিএ’র উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের আবাসন খাত, জাতীয় বিল্ডিং কোড, নগর উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা চেয়েছেন গণপূর্তমন্ত্রী গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের।
বুধবার (১৫ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রীর দফতরে বাংলাদেশের নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে এই সহযোগিতা চান গণপূর্তমন্ত্রী।
সাক্ষাৎকালে দু'দেশের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি বাংলাদেশের আবাসন খাত, জাতীয় বিল্ডিং কোড, নগর উন্নয়ন, সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী আবাসন ব্যবস্থা এবং পাবলিক প্লেস ও পার্কের উন্নয়নসহ দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সৌজন্য সাক্ষাৎকালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত জানান, তার দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের হাউজিং সেক্টরের উন্নয়নে কাজ করতে আগ্রহী। এ সময় গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী বাংলাদেশে ভূমিকম্পজনিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা জোরদারের লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশ আর্থকোয়েক সেফটি অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট (BESRI)’ প্রতিষ্ঠায় যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা চান। জবাবে রাষ্ট্রদূত এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল মতিন, যুগ্ম সচিব আবুল বাকের মো. তৌহিদ এবং গণপূর্ত অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী।
মার্কিন প্রতিনিধিদলের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন পলিটিক্যাল কাউন্সিলর এরিক গিলান, পলিটিক্যাল অফিসার জশ পোপ এবং যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পাবলিক ডিপ্লোমেসি সেকশনের কর্মকর্তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ