ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চাঁদপুরে মা ইলিশ রক্ষায় নৌবাহিনী ৭ কোটি টাকার অবৈধ জাল জব্দ


চাঁদপুরে মা ইলিশ রক্ষায় নৌবাহিনী ৭ কোটি টাকার অবৈধ জাল জব্দ

চাঁদপুরে মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন ও বংশবিস্তার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এর অংশ হিসেবে, বিশেষ অভিযানে ৭ লাখ ১৪ হাজার ৮৭০ মিটার অবৈধ জাল এবং অন্যান্য ২২টি জাল জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা এসব জালের আনুমানিক বাজারমূল্য ৬ কোটি ৯৯ লাখ ৮৬ হাজার ৯০০ টাকা।

রোববার জেলার বিভিন্ন নদ-নদীতে পরিচালিত অভিযানে এসব জাল জব্দ করা হয়।

নৌবাহিনী জানায়, চাঁদপুরের আনন্দবাজার, দাশাদি খাল, শহর মালি, লালপুর, ৩ নম্বর কয়লাঘাট, চাঁদপুর মোহনা, গাজীর টেক, মিয়ার বাজার, কানুদি ও আমিরাবাদসহ বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে, স্থানীয় প্রশাসন ও মৎস্য কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে জব্দ করা এসব অবৈধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

আরও পড়ুন: মহাসপ্তমীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন বিএমপি কমিশনার

চাঁদপুর নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কমান্ডার ফায়িজ কাফী জানান, ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন নিশ্চিত করা, অবৈধভাবে মাছ আহরণ প্রতিরোধ এবং দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে নৌবাহিনীর অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত রয়েছে। প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় সমুদ্র, উপকূলীয় অঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ নদ-নদীতে নৌবাহিনীর সদস্যরা তৎপর রয়েছেন।

তিনি আরও জানান, মা ইলিশ সংরক্ষণে সরকারি নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন এবং মৎস্যসম্পদ রক্ষায় নৌবাহিনী প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। নির্ধারিত এই প্রজনন সময়ে নৌবাহিনীর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, মা ইলিশ সংরক্ষণে গত ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই নিষেধাজ্ঞা চলবে আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত। এ সময়ে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছে নৌবাহিনী।

আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন এম পি কামরুজ্জামান কামরুল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হালিশহরে ‘কাটা বাবুল’ গ্যাংয়ের তাণ্ডব: ব্যবসায়ীকে অপহরণ, ছিনতাই ও হত্যার চেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৩২ পি.এম


হালিশহরে ‘কাটা বাবুল’ গ্যাংয়ের তাণ্ডব: ব্যবসায়ীকে অপহরণ, ছিনতাই ও হত্যার চেষ্টা

চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর থানা এলাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে কিশোরগ্যাং ‘কাটা বাবুল’ বাহিনী। চাঁদাবাজি, অপহরণ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সম্প্রতি চাঁদা না দেওয়ায় আলী মর্তুজা অভি নামে এক স্থানীয় ব্যবসায়ীকে অপহরণ, বর্বর নির্যাতন ও টাকা-পয়সা ছিনতাইয়ের চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীর দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, হালিশহরের বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার (৮ নম্বর রোড, চৌধুরী ভবন) বাসিন্দা মো. আলী আকবরের ছেলে ব্যবসায়ী আলী মর্তুজা অভির কাছে দীর্ঘদিন ধরে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করে আসছিল 'কাটা বাবুল' গ্যাংয়ের সদস্যরা। অভি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সন্ত্রাসীরা তাকে তুলে নিয়ে একটি পরিত্যক্ত গুদামে আটকে রেখে জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী অভি হালিশহর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। থানায় অভিযোগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে আসামিরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর (২০২৬) রাত আনুমানিক ১১:৩০ মিনিটে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ৮ নম্বর রোডের ‘শাহজাহান স্টোর’-এ সন্তানের জন্য দুধ কিনতে যান অভি। এসময় ২টি সিএনজি অটোরিকশা ও ১টি ব্যাটারিচালিত রিকশায় এসে ১০-১২ জনের একটি সশস্ত্র দল তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা অভির মুখে চেতনানাশক স্প্রে ছিটিয়ে বেধড়ক মারধর শুরু করে এবং অপহরণের চেষ্টা চালায়। এসময় তার সাথে থাকা নগদ ৩২ হাজার টাকা, ভোটার আইডি কার্ড, ব্যাংকের ডেবিট কার্ড ও ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেয় সন্ত্রাসীরা।
ঘটনার আকস্মিকতায় সাকিব নামে এক স্থানীয় যুবক ও কয়েকজন পথচারী এগিয়ে এসে অভিকে উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে এ ঘটনায় হালিশহর থানায় দ্বিতীয়বারের মতো অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী।
দায়ের করা অভিযোগে আসামি করা হয়েছে—
১. মো. কুদ্দুস,
২. শাহেদ (২৫) (৭ নং মেয়র রোড),
৩. মো. রানা (৩৫) (ফইল্যাতলী বাজার),
৪. মো. নাদিম (২৭) (হাজারদিঘীর পাড়, ধোপাপাড়া),
৫. মো. রাজিব (২৪) (গোপাল খাঁ চৌধুরী বাড়ি, ধোপাপাড়া),
৬. রাকিব (২৩) (হাজারদিঘীর পাড়),
৭. আজাদ (৪০) (চীনা বাড়ি, ধোপাপাড়া) এবং
৮. মো. মামুন (৩৫) (কাজী মসজিদ এলাকা, সাগরিকা, পাহাড়তলী)।
এছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।
হামলার নৃশংসতার বিবরণ দিয়ে আহত অভি জানান, ২ নম্বর আসামি তার হাতে এবং ৩ নম্বর আসামি লাঠি দিয়ে নাকে সজোরে আঘাত করে। ৪, ৫ ও ৬ নম্বর আসামি লাঠি দিয়ে তার হাত, পা ও শরীরে অনবরত পেটাতে থাকে। ৭ ও ২ নম্বর আসামি তার পা ধরে উল্টো করে ঝুলিয়ে রাখে এবং ৮ নম্বর আসামি সজোরে কানে আঘাত করে। একপর্যায়ে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরবর্তীতে স্বজনরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে 'চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে' ভর্তি করান (পেশেন্ট আইডি: PT261011858)।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী আলী মর্তুজা অভি জানান, সন্ত্রাসীরা তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা, অপহরণ ও ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে পরপর দুইবার হামলা চালিয়েছে। তিনি ও তার পরিবার বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ বিষয়ে পুলিশি পদক্ষেপ এবং সন্ত্রাসী ‘কাটা বাবুল’ গ্যাংয়ের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদারীপুরে শিশুকে যৌন নিপীড়নচেষ্টার অভিযোগ' মেয়ের বিচার চাইতে গিয়ে উল্টো মামলার মুখে মা-বাবা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধিঃমোঃআসাদুজ্জামান

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৩ পি.এম


মাদারীপুরে শিশুকে যৌন নিপীড়নচেষ্টার অভিযোগ

মাদারীপুরে পাঁচ বছরের শিশুকন্যার প্রতি যৌন নিপীড়নচেষ্টার অভিযোগের বিচার পাওয়ার আকুতি, অন্যদিকে পাল্টা মামলার চাপ ও নিরাপত্তাহীনতার শঙ্কা। সন্তানের জন্য ন্যায়বিচার চাইতে গিয়ে উল্টো আইনি জটিলতায় পড়ার অভিযোগ তুলেছেন মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার সাহেবরামপুর এলাকার এক দম্পতি। তাঁদের অভিযোগ, চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে ঘরে নিয়ে নিপীড়নের চেষ্টা করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় এজাহার দেওয়ার পর তাঁদের বিরুদ্ধে জমিসংক্রান্ত মামলা করা হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

শিশুটির পরিবারের অভিযোগ, একই এলাকার হাবিবুর রহমান সিকদার ওরফে হাবুল সিকদার এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত। গত ৬ অক্টোবর শিশুটির মা কালকিনি থানায় লিখিত এজাহার দেন। তবে এখনো অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা যায়নি বলে অভিযোগ করেছে পরিবারটি।
চকলেটের প্রলোভনে ঘরে নেওয়ার অভিযোগ
শিশুটির মায়ের দেওয়া এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২ অক্টোবর সকাল ১১টার দিকে কালকিনি উপজেলার মধ্য সাহেবরামপুর এলাকায় বাড়ির সামনের পাকা রাস্তা থেকে চকলেট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে অভিযুক্তের বসতঘরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ঘরের সামনের কক্ষে একটি খাটের ওপর শিশুটিকে যৌন নিপীড়নচেষ্টার অভিযোগ করা হয়েছে।
মেয়েকে খুঁজতে খুঁজতে অভিযুক্তের বাড়ির কাছে গিয়ে ঘরের ভেতর থেকে কান্নার শব্দ শুনতে পান শিশুটির মা। পরে ঘরের বেড়ার ফাঁক দিয়ে তাকিয়ে শিশুটিকে অভিযুক্তের সঙ্গে দেখতে পান। তাঁর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত সেখান থেকে চলে যান। ঘটনার পর পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে প্রতিকার চান। সেখানে সমাধান না পেয়ে শেষ পর্যন্ত থানায় অভিযোগ করেন শিশুটির মা।
বিচার চাইতে গিয়ে পাল্টা মামলার অভিযোগ
শিশুটির পরিবারের দাবি, যৌন নিপীড়নচেষ্টার অভিযোগে এজাহার দেওয়ার পর তাঁদের বিরুদ্ধে জমিসংক্রান্ত মামলা করা হয়েছে। আগে ওই জমি নিয়ে অভিযুক্ত পক্ষের সঙ্গে তাঁদের কোনো বিরোধ ছিল না বলেও দাবি তাঁদের। বিভিন্ন ব্যক্তির মাধ্যমে মামলা তুলে নিতে চাপ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে পরিবারটি।
স্থানীয় বাসিন্দা আকলিমা, সোনিয়া, তানিয়া ও রুমকির অভিযোগ, অভিযুক্ত ব্যক্তি এর আগেও শিশুদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছেন।স্থানীয় বাসিন্দা সালাম হাওলাদার, রুবেল সিকদার, আলমার শিকদার, আলমগীর শিকদার ও বেলায়েত মাতুব্বরসহ কয়েকজনের দাবি, পরিবারটিকে নিরাপত্তা দিতে হবে এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে।
শিশুটির মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার নিষ্পাপ বাচ্চাকে চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে এভাবে খারাপ কাজ করার চেষ্টা করবে, কখনো ভাবতে পারিনি। আমি আমার মেয়ের ঘটনার বিচার চাই। এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো শিশুর সঙ্গে কেউ এমন করার সাহস না পায়।”
শিশুটির বাবা বলেন, “আমরা গরিব মানুষ, দিন এনে দিন খাই। মামলা করার কয়েক দিন পার হয়ে গেলেও পুলিশ আসামিকে ধরতে পারেনি বলে আমাদের অভিযোগ। উল্টো অভিযুক্তের বাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনায় করা মামলায় আমাকেও আসামি করা হয়েছে।”
বিক্ষোভের পর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় অভিযুক্তের বিচারের দাবিতে সাহেবরামপুর ইউনিয়নের মধ্যেরচর সাহেবরামপুর গ্রামে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। এতে প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ অংশ নেন। একপর্যায়ে উত্তেজিত লোকজন অভিযুক্তের বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
অভিযুক্তের স্ত্রী দেলোয়ারা বেগম তাঁদের বিরুদ্ধে পাল্টা জমিসংক্রান্ত মামলা করার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি জানান, শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করার পরিপ্রেক্ষিতে গত ৬ অক্টোবর তাঁরাও বাদীপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।
কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহুরুল আলম বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। মামলার তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
শিশুটির পরিবারের প্রত্যাশা, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন, ন্যায়বিচার এবং তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টঙ্গীতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শুক্কুর আলীকে গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৮ পি.এম


টঙ্গীতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শুক্কুর আলীকে গ্রেপ্তার

গাজীপুরের টঙ্গীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক লীগের টঙ্গী পূর্ব থানা কমিটির স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদক শুক্কুর আলীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ দুপুরে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে। গ্রেপ্তারকৃত শুক্কুর আলী (৪০) টঙ্গীর পূর্ব আরিচপুর নতুন বাজার রেলগেট এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে থাকা একাধিক মামলার মধ্যে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অন্য মামলাগুলোতেও তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে।

এব্যাপারে টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মোহাম্মদ মাকছুদুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ইনকিলাবকে বলেন, "শুক্কুর আলী সদ্য ঘোষিত টঙ্গী পূর্ব থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটির স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদক। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিদ্ধিরগঞ্জে এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীর সঙ্গে রাশেদ খাঁনের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৯ পি.এম


সিদ্ধিরগঞ্জে এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীর সঙ্গে রাশেদ খাঁনের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও আলেম মুফতি ড. সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি, সমসাময়িক রাজনীতি, রাষ্ট্র পরিচালনায় ইসলামী মূল্যবোধের প্রতিফলন এবং সরকার ও দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় আলেমসমাজের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এ সাক্ষাৎ রোববার দুপুর ২টায় সিদ্ধিরগঞ্জের আব্বাসী মঞ্জিলে অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে রাশেদ খাঁন মুফতি ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীর ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা ও অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি সরকারের পরিচালনায় তাঁর সহযোগিতা কামনা করেন।

রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেন, "আধিপত্যবাদ ও আগ্রাসনবিরোধী আন্দোলন এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীসহ আলেম-ওলামাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তাঁদের অবদান ভাষায় বর্ণনা করে শেষ করা যাবে না।"

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সঙ্গে দেশের আলেমসমাজের ঐতিহাসিকভাবে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। বিএনপি ধর্মীয় মূল্যবোধ, ইসলামী আদর্শ ও মানুষের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তিনি উল্লেখ করেন, "পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি ও সহযোগিতার ভিত্তিতে শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিরলসভাবে কাজ করছেন।"

এ সময় রাশেদ খাঁন ‘বিএনপি সরকারের প্রথম ১৮০ দিন’ শীর্ষক একটি বই এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীর হাতে তুলে দেন।

অন্যদিকে, মুফতি ড. সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিভিন্ন ইসলামী ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "তাঁরা আলেম-ওলামা ও ইসলামপন্থী জনগোষ্ঠীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন।" দেশের ধর্মীয় মূল্যবোধ ও ইসলামী ঐতিহ্য সংরক্ষণে তাঁদের ভূমিকার কথাও স্মরণ করেন তিনি।

এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী আশা প্রকাশ করেন, বিএনপি সরকার ইসলামী মূল্যবোধবিরোধী কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে আলেম-ওলামাদের পরামর্শ নেবে। তিনি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্দিষ্ট বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে।

সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন, শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সার্বিক কল্যাণ কামনা করেন এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী।

সাক্ষাৎ শেষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও শহীদ ওসমান হাদির রুহের মাগফিরাত কামনা এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য কামনায় দোয়া করা হয়।

সৌহার্দ্যপূর্ণ এ সাক্ষাতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, উলামায়ে কেরামসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%