শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধিঃমোঃআসাদুজ্জামান
০৬:৩৩ পি.এম
মাদারীপুরে পাঁচ বছরের শিশুকন্যার প্রতি যৌন নিপীড়নচেষ্টার অভিযোগের বিচার পাওয়ার আকুতি, অন্যদিকে পাল্টা মামলার চাপ ও নিরাপত্তাহীনতার শঙ্কা। সন্তানের জন্য ন্যায়বিচার চাইতে গিয়ে উল্টো আইনি জটিলতায় পড়ার অভিযোগ তুলেছেন মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার সাহেবরামপুর এলাকার এক দম্পতি। তাঁদের অভিযোগ, চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে ঘরে নিয়ে নিপীড়নের চেষ্টা করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় এজাহার দেওয়ার পর তাঁদের বিরুদ্ধে জমিসংক্রান্ত মামলা করা হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।
শিশুটির পরিবারের অভিযোগ, একই এলাকার হাবিবুর রহমান সিকদার ওরফে হাবুল সিকদার এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত। গত ৬ অক্টোবর শিশুটির মা কালকিনি থানায় লিখিত এজাহার দেন। তবে এখনো অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা যায়নি বলে অভিযোগ করেছে পরিবারটি।
চকলেটের প্রলোভনে ঘরে নেওয়ার অভিযোগ
শিশুটির মায়ের দেওয়া এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২ অক্টোবর সকাল ১১টার দিকে কালকিনি উপজেলার মধ্য সাহেবরামপুর এলাকায় বাড়ির সামনের পাকা রাস্তা থেকে চকলেট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে অভিযুক্তের বসতঘরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ঘরের সামনের কক্ষে একটি খাটের ওপর শিশুটিকে যৌন নিপীড়নচেষ্টার অভিযোগ করা হয়েছে।
মেয়েকে খুঁজতে খুঁজতে অভিযুক্তের বাড়ির কাছে গিয়ে ঘরের ভেতর থেকে কান্নার শব্দ শুনতে পান শিশুটির মা। পরে ঘরের বেড়ার ফাঁক দিয়ে তাকিয়ে শিশুটিকে অভিযুক্তের সঙ্গে দেখতে পান। তাঁর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত সেখান থেকে চলে যান। ঘটনার পর পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে প্রতিকার চান। সেখানে সমাধান না পেয়ে শেষ পর্যন্ত থানায় অভিযোগ করেন শিশুটির মা।
বিচার চাইতে গিয়ে পাল্টা মামলার অভিযোগ
শিশুটির পরিবারের দাবি, যৌন নিপীড়নচেষ্টার অভিযোগে এজাহার দেওয়ার পর তাঁদের বিরুদ্ধে জমিসংক্রান্ত মামলা করা হয়েছে। আগে ওই জমি নিয়ে অভিযুক্ত পক্ষের সঙ্গে তাঁদের কোনো বিরোধ ছিল না বলেও দাবি তাঁদের। বিভিন্ন ব্যক্তির মাধ্যমে মামলা তুলে নিতে চাপ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে পরিবারটি।
স্থানীয় বাসিন্দা আকলিমা, সোনিয়া, তানিয়া ও রুমকির অভিযোগ, অভিযুক্ত ব্যক্তি এর আগেও শিশুদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছেন।স্থানীয় বাসিন্দা সালাম হাওলাদার, রুবেল সিকদার, আলমার শিকদার, আলমগীর শিকদার ও বেলায়েত মাতুব্বরসহ কয়েকজনের দাবি, পরিবারটিকে নিরাপত্তা দিতে হবে এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে।
শিশুটির মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার নিষ্পাপ বাচ্চাকে চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে এভাবে খারাপ কাজ করার চেষ্টা করবে, কখনো ভাবতে পারিনি। আমি আমার মেয়ের ঘটনার বিচার চাই। এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো শিশুর সঙ্গে কেউ এমন করার সাহস না পায়।”
শিশুটির বাবা বলেন, “আমরা গরিব মানুষ, দিন এনে দিন খাই। মামলা করার কয়েক দিন পার হয়ে গেলেও পুলিশ আসামিকে ধরতে পারেনি বলে আমাদের অভিযোগ। উল্টো অভিযুক্তের বাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনায় করা মামলায় আমাকেও আসামি করা হয়েছে।”
বিক্ষোভের পর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় অভিযুক্তের বিচারের দাবিতে সাহেবরামপুর ইউনিয়নের মধ্যেরচর সাহেবরামপুর গ্রামে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। এতে প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ অংশ নেন। একপর্যায়ে উত্তেজিত লোকজন অভিযুক্তের বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
অভিযুক্তের স্ত্রী দেলোয়ারা বেগম তাঁদের বিরুদ্ধে পাল্টা জমিসংক্রান্ত মামলা করার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি জানান, শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করার পরিপ্রেক্ষিতে গত ৬ অক্টোবর তাঁরাও বাদীপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।
কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহুরুল আলম বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। মামলার তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
শিশুটির পরিবারের প্রত্যাশা, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন, ন্যায়বিচার এবং তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের টঙ্গীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক লীগের টঙ্গী পূর্ব থানা কমিটির স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদক শুক্কুর আলীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ দুপুরে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে। গ্রেপ্তারকৃত শুক্কুর আলী (৪০) টঙ্গীর পূর্ব আরিচপুর নতুন বাজার রেলগেট এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে থাকা একাধিক মামলার মধ্যে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
অন্য মামলাগুলোতেও তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে।
এব্যাপারে টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মোহাম্মদ মাকছুদুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ইনকিলাবকে বলেন, "শুক্কুর আলী সদ্য ঘোষিত টঙ্গী পূর্ব থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটির স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদক। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও আলেম মুফতি ড. সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি, সমসাময়িক রাজনীতি, রাষ্ট্র পরিচালনায় ইসলামী মূল্যবোধের প্রতিফলন এবং সরকার ও দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় আলেমসমাজের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এ সাক্ষাৎ রোববার দুপুর ২টায় সিদ্ধিরগঞ্জের আব্বাসী মঞ্জিলে অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে রাশেদ খাঁন মুফতি ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীর ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা ও অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি সরকারের পরিচালনায় তাঁর সহযোগিতা কামনা করেন।
রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেন, "আধিপত্যবাদ ও আগ্রাসনবিরোধী আন্দোলন এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীসহ আলেম-ওলামাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তাঁদের অবদান ভাষায় বর্ণনা করে শেষ করা যাবে না।"
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সঙ্গে দেশের আলেমসমাজের ঐতিহাসিকভাবে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। বিএনপি ধর্মীয় মূল্যবোধ, ইসলামী আদর্শ ও মানুষের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তিনি উল্লেখ করেন, "পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি ও সহযোগিতার ভিত্তিতে শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিরলসভাবে কাজ করছেন।"
এ সময় রাশেদ খাঁন ‘বিএনপি সরকারের প্রথম ১৮০ দিন’ শীর্ষক একটি বই এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীর হাতে তুলে দেন।
অন্যদিকে, মুফতি ড. সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিভিন্ন ইসলামী ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "তাঁরা আলেম-ওলামা ও ইসলামপন্থী জনগোষ্ঠীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন।" দেশের ধর্মীয় মূল্যবোধ ও ইসলামী ঐতিহ্য সংরক্ষণে তাঁদের ভূমিকার কথাও স্মরণ করেন তিনি।
এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী আশা প্রকাশ করেন, বিএনপি সরকার ইসলামী মূল্যবোধবিরোধী কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে আলেম-ওলামাদের পরামর্শ নেবে। তিনি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্দিষ্ট বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে।
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন, শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সার্বিক কল্যাণ কামনা করেন এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী।
সাক্ষাৎ শেষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও শহীদ ওসমান হাদির রুহের মাগফিরাত কামনা এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য কামনায় দোয়া করা হয়।
সৌহার্দ্যপূর্ণ এ সাক্ষাতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, উলামায়ে কেরামসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিরিয়ার আলেপ্পো শহরের ঐতিহাসিক উমাইয়া মসজিদ সংস্কার কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর পুনরায় খুলে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার মাধ্যমে যুদ্ধের ক্ষত কাটিয়ে মসজিদটি নতুন একটি অধ্যায়ের সূচনা করেছে।
বার্তা সংস্থা সানা জানায়, গত বৃহস্পতিবার দেশটির মন্ত্রী, সরকারি কর্মকর্তা এবং ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতিতে একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি পুনরায় খুলে দেওয়া হয়।
আলেপ্পোর গভর্নর আজ্জাম আল-গারিব মন্তব্য করেন, উমাইয়া আমল থেকে এই মসজিদটি আলেপ্পোর ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে রয়েছে।
আল-গারিব আরও বলেন, দীর্ঘ সময়ের কঠিন পরিস্থিতি ও ধ্বংসযজ্ঞের পর আমরা আলেপ্পোকে তার ঐতিহাসিক মসজিদটি ফিরিয়ে দিচ্ছি। এই মসজিদটি বিপ্লবীদের আশ্রয়স্থল এবং স্বাধীনতা ও মর্যাদার সংগ্রামের প্রতীক হিসেবেও কাজ করেছে।
তিনি উল্লেখ করেন, মানুষ আলেপ্পো এবং এর ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোকে রক্ষা করতে কাজ করেছে। তারা মসজিদটিকে আরও ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচিয়েছে এবং এটিকে পুনরায় ব্যবহারের উপযোগী করে তুলেছে।
আল-গারিব জানান, সংস্কার কাজের সময় মসজিদটির ঐতিহাসিক বৈশিষ্ট্য ও সুযোগ-সুবিধাগুলো অক্ষুণ্ন রাখা হয়েছে, যাতে এর কক্ষগুলোতে আবারও আজানের ধ্বনি প্রতিধ্বনিত হতে পারে।
সিরিয়ার গ্র্যান্ড মুফতি শেখ ওসামা আল-রিফাই জানান, আলেপ্পোর ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক গুরুত্বের কারণে মুসলিমদের হৃদয়ে শহরটির একটি বিশেষ স্থান রয়েছে। তিনি বলেন, মসজিদটি তার হারানো জৌলুস ফিরে পেয়েছে এবং ধর্মীয় ও জ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রে নতুন একটি অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছে।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী মোহাম্মদ আবু আল-খায়ের শুকরি আলেপ্পোর উমাইয়া মসজিদকে দামেস্কের উমাইয়া মসজিদের সমতুল্য হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, এই মসজিদটি জ্ঞানচর্চা ও সংগ্রামের দীর্ঘ ইতিহাসের ধারক।
শুকরি বলেন, অবকাঠামো পুনর্নির্মাণের চেয়ে মানুষের পুনর্গঠন বা উন্নয়ন বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মানুষই সভ্যতা, অগ্রগতি ও ভবিষ্যতের ভিত্তি। তিনি উল্লেখ করেন, সিরিয়ার জনগণ ধ্বংসপ্রাপ্ত সবকিছু পুনর্নির্মাণের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।
আলেপ্পোর মুফতি ইব্রাহিম শাশো বলেন, মসজিদটি পুনরায় খুলে দেওয়ার অর্থ হলো এই ঐতিহাসিক মসজিদে প্রাণের সঞ্চার হওয়া। এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এর টিকে থাকার ও ঘুরে দাঁড়ানোর ঐতিহ্যকে সমুন্নত রাখবে।
আলেপ্পোর উমাইয়া মসজিদটি শহরের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক নিদর্শন। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এটি শহরের জ্ঞানচর্চা ও সাংস্কৃতিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সংস্কার ও পুনর্বাসন কাজের পর এর পুনরায় খুলে দেওয়া আলেপ্পোর ধর্মীয় ও সামাজিক জীবনে মসজিদটির হারানো অবস্থান পুনরুদ্ধারে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) সরোয়ার আলমগীর মন্তব্য করেছেন যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৩১ দফার ভিত্তিতে দেশ পুনর্গঠনে দিনরাত কাজ করছেন। তিনি উল্লেখ করেন, শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর আওতায় সারা দেশে নতুন স্কুল-কলেজের ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
রবিবার (১১ অক্টোবর) ফটিকছড়ি সরকারি কলেজের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ফ্যামিলি কার্ডের বিষয় নিয়ে সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর জানান, সরকার চার কোটি মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছে। ইতিমধ্যে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহের কাজে তরুণ-তরুণীরা বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় কাজ করছেন। তিনি সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, “সম্প্রতি ইনসাফ পার্টির একজন ব্যক্তি ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভন দেখিয়ে বিয়ে করেছিলেন। ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে যেন কোনো ধরনের অনিয়ম বা বিভ্রান্তি সৃষ্টি না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। এ কর্মসূচিকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য একটি মহল সক্রিয় রয়েছে।”
তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে সরোয়ার আলমগীর বলেন, “আগামীর বাংলাদেশ তরুণদের হাতেই গড়ে উঠবে। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলার বিকাশে প্রতিটি ইউনিয়ন পর্যায়ে খেলার মাঠ নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তরুণেরা যাতে বিপথগামী না হয়, সে লক্ষ্যেই সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।”
কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ইদ্রিস মিয়ার সভাপতিত্বে এবং মিতু বড়ুয়া ও প্রভাষক এন এম রহমত উল্লাহর যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আব্দুল খালেক, উপাধ্যক্ষ মো. মনিরুজ্জামান, অধ্যাপক সৌরভ কুমার সেনগুপ্ত ও অধ্যাপিকা ইছমত আরা বেগম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ