ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নকলায় মাস সেরা শিক্ষার্থীরা পেল শিক্ষা উপকরণ


নকলায় মাস সেরা শিক্ষার্থীরা পেল শিক্ষা উপকরণ

শেরপুরের নকলায় সেপ্টেম্বর মাসের সব কর্মদিবসে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মাঝে উদ্দীপনা পুরষ্কার হিসেবে বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ প্রদান করা হয়েছে। রবিবার উপজেলার বানেশ্বরদী ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণির যেসব শিক্ষার্থী গত মাসে কোন কার্যদিবসে অনুপস্থিত থাকেনি তাদের মাঝে পুরষ্কার হিসেবে বই ও কলম প্রদান করা হয়। পাঁচ ক্লাসের শ্রেণি শিক্ষকগন নিজ নিজ শ্রেণির মাসসেরা পুরষ্কার বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে শিক্ষা উপকরণ তুলেদেন।

পাঠদান শুরুর আগে মাদ্রাসার সুপার মো. শহিদুল ইসলাম এ পুরষ্কার বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এসময় সহসুপার মো. ফজলুল করিম, সিনিয়র সহকারী শিক্ষক মো. মোশারফ হোসাইন ও মোসাম্মৎ রোকেয়া আক্তার, শওকত আলী, নুসরাত জাহান নিপা, সহকারী মৌলভী হযরত আলী, ফুলেছা খাতুন, সবুজা খাতুন ও সোহাগি বেগম; সহকারী শিক্ষক মাহাদী মাসুদ, জেসমিন আক্তার, মুক্তা খাতুন, আবু রায়হান, তাহেরা সুলতানা, মোজাহিদুল ইসলাম, আয়শা সিদ্দিকা, ইয়াছিন আহাম্মেদ, উজ্জল মিয়া, লাবনী বেগম ও আরিফ হোসেনসহ অন্যান্য শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

সুপার শহিদুল ইসলাম জানান, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের শতভাগ উপস্থিত নিশ্চিত করতে তথা শ্রেণিমুখী করতে কয়েক বছর ধরেই মাসের সব কর্মদিবসে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মাঝে উদ্দীপনা পুরষ্কার প্রদান করা হচ্ছে। এতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার দিন দিন বাড়ছে বলেও তিনি জানান।

আরও পড়ুন: এবার একুশে বইমেলা শুরু ৭ জানুয়ারি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাসিরনগরে জাকের পার্টির দাওয়াতী ইসলামী জলশা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫৭ পি.এম


নাসিরনগরে জাকের পার্টির দাওয়াতী ইসলামী জলশা অনুষ্ঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে জাকের পার্টির দাওয়াতী ইসলামী জলশা অনুষ্ঠিত হয়েছে মহা পবিত্র বিশ্ব উরস শরীফ উপলক্ষে। শনিবার বাদ আছর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত উপজেলার গুনিয়াউক জমিদার বাড়ি মসজিদ মাঠে এই জলসার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জাকের পার্টির সহ-সভাপতি ও নাসিরনগর উপজেলা জাকের পার্টির সভাপতি মো: জাকির হোসেন চৌধুরী বাবু। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জাকের পার্টির সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক এবং বিশ্ব জাকের মঞ্জিল দরবার শরীফের প্রবীণ একনিষ্ঠ খাদেম, খাদেম আলমগীর শাহ।

প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন মাওলানা আমিনুল ইসলাম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাওলানা রায়হানুল ইসলাম গাজীপুরী এবং বনানী পাক দরবার শরীফের খাদেম মাওলানা এমদাদুল ইসলাম মিলন।

জাকের পার্টির প্রতিষ্ঠাতা বিশ্ব ওলি খাজা বাবা হাসমত উল্লাহ ফরিদপুরীর পবিত্র বিশ্ব উরশ শরীফ ২০২৭ উপলক্ষে দাওয়াতী ইসলামী জলসায় ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব, পরমত সহিষ্ণুতা, এবং নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করে বর্তমান বাস্তবতা মোকাবেলা, উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখার গুরুত্ব এবং সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও বহু সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। জলসার শেষে দেশ ও জাতির সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও সংহতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পরে উপস্থিত সকলের মাঝে তাবারক বিতরণ করা হয়। উল্লেখ্য, মহা পবিত্র বিশ্ব উরস শরীফ-২০২৭ উপলক্ষে জাকের পার্টির চেয়ারম্যানের নির্দেশে ১লা অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর '২৬ পর্যন্ত দেশব্যাপী জাকের পার্টির দাওয়াতি ইসলামী জলসা অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এআই ২১৭ বছরের পুরোনো নেপোলিয়নের গোপন সংকেত ৬ ঘণ্টায় উন্মোচন করেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫৭ পি.এম


এআই ২১৭ বছরের পুরোনো নেপোলিয়নের গোপন সংকেত ৬ ঘণ্টায় উন্মোচন করেছে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ২১৭ বছরের পুরোনো একটি সামরিক সংকেতলিপির রহস্য উন্মোচন করেছে, যা নেপোলিয়ন বোনাপার্টের সময়কাল থেকে এসেছে। কোড ভাঙার ক্ষেত্রে কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই কার্টার চার্চ এই সংকেত ভাঙার কাজ শুরু করেন। সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান সেনটিনেলওয়ানের প্রকৌশলী হিসেবে তিনি রহস্যময় নথিটি পাওয়ার পর সেটির বিশ্লেষণের সিদ্ধান্ত নেন। এ জন্য তিনি জিপিটি-৬ অ্যাস্ট্রা ব্যবহার করেন।

প্রায় ছয় ঘণ্টা ধরে এআই মডেলটি চালানোর পর সংকেতটির পাঠোদ্ধার সম্ভব হয়। তবে পুরো কাজটি সম্পন্ন করতে ছয় ঘণ্টা সময় লেগেছে, এমন নয়। চার্চ জানিয়েছেন, তিনি কয়েক সন্ধ্যা ধরে এই প্রকল্পে কাজ করেছেন।

নথিটি ১৮০৯ সালের, যখন নেপোলিয়ন ফ্রান্সের পক্ষ থেকে অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে নতুন করে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। নেপোলিয়নের সৎপুত্র ইউজিন দ্য বোহর্নের সদর দপ্তর থেকে ফরাসি জেনারেল অগুস্ত দ্য মারমোঁর কাছে এটি পাঠানো হয়েছিল। নেপোলিয়নের নির্দেশে তথ্যগুলো সংকেতের মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়।

দুই শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে বার্তাটির পূর্ণ পাঠোদ্ধার প্রকাশিত হয়নি। চার্চ প্রথমে সংকেতযুক্ত নথিটির নিম্নমানের একটি স্ক্যান নিয়ে কাজ শুরু করেন, যেখানে সংখ্যা, অক্ষর ও হাতে আঁকা অস্বাভাবিক প্রতীক মিলিয়ে প্রায় ১ হাজার ৩০০টি সংকেত ছিল।

এআই প্রথমে প্রতীকগুলো শনাক্ত করে এবং নথিটির প্রতিলিপি তৈরি করে। এরপর ক্রিপ্টোলজি ইতিহাসবিদ ড্যানিয়েল ট্যান্টের তৈরি আংশিক সংকেতচাবি খুঁজে বের করে। পরে বাকি প্রতীকগুলো বিশ্লেষণের জন্য একটি কম্পিউটারভিত্তিক সংকেত-ভাঙার ব্যবস্থা তৈরিতে সহায়তা করে এআই। এতে দেখা যায়, কিছু প্রতীক আলাদা অক্ষরের পরিবর্তে পুরো ফরাসি শব্দ নির্দেশ করছিল।

পাঠোদ্ধার করা বার্তাটি আসলে কোনো চমকপ্রদ গোপন তথ্য নয়। এটি মূলত একটি সামরিক প্রতিবেদন, যেখানে ফরাসি ও মিত্রবাহিনীর অবস্থান এবং শক্তির বিবরণ দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি আশপাশে শত্রুসেনা থাকলেও মারমোঁকে আতঙ্কিত না হওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।

পরে ইতিহাসভিত্তিক সংকেতবিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিপটিয়ানার পরিচালনাকারী সাতোশি তোমোকিয়ো নথিটির পাঠোদ্ধার যাচাই করেন। এরপর এতদিন অমীমাংসিত থাকা সংকেতটিকে সমাধান করা হয়েছে বলে চিহ্নিত করা হয়।

সূত্র: জিও নিউজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদপুরে ২৩২ মণ্ডপে দুর্গাপূজা, নিরাপত্তা ও সম্প্রীতি রক্ষায় প্রশাসনের উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫৮ পি.এম


চাঁদপুরে ২৩২ মণ্ডপে দুর্গাপূজা, নিরাপত্তা ও সম্প্রীতি রক্ষায় প্রশাসনের উদ্যোগ

চাঁদপুরে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিচ্ছিন্দ্র নিরাপত্তা পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে একটি প্রাক-প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৪ অক্টোবর, ২০২৬) বেলা ১২টায় চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান। সভায় চাঁদপুরের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, পূজা মন্ডপস্থলে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন নিশ্চিত করা, উচ্চস্বরে ইকো সেট বাজানো পরিহার করা, বিদ্যুৎ সাশ্রয় এবং স্বেচ্ছাসেবক (ভলান্টিয়ার) নিয়োজিত রাখার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ বছর চাঁদপুর জেলায় গতবারের তুলনায় ৮টি বেড়ে মোট ২৩২টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস ও সতর্কবার্তা প্রদান করা হয়। সভায় চাঁদপুর জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকদের ভূমিকা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, “যে কোনো সমস্যা হলে আমাদের ফোন নম্বর আপনাদের কাছে আছে, না থাকলে নিয়ে নেবেন। সরাসরি যোগাযোগ করবেন। আইনশৃঙ্খলার ক্ষেত্রে আমরা সর্বোচ্চ সহযোগিতা করব।”

অন্যদিকে, জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান প্রতিমার অবয়ব, মণ্ডপের পরিবেশ এবং বাঙালি সংস্কৃতির ঐতিহ্য বজায় রাখার বিষয়ে বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, “প্রতিমার আদলের বিষয়ে মনে রাখতে হবে, কোনোভাবেই যেন বিতর্কিত কিছু না থাকে। প্রতিমার মাধ্যমে যাতে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা ধর্মীয় উসকানিমূলক বার্তা না ছড়ায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।” মণ্ডপের সাউন্ড সিস্টেম ও সংস্কৃতির বিষয়ে জেলা প্রশাসক আরও বলেন, “দুর্গাপূজার সাথে বাংলা গানের এক বিশাল ঐতিহ্য রয়েছে। আমরা যদি বাংলা গান বাদ দিয়ে বিদেশি বা অপসংস্কৃতির দিকে চলে যাই, তবে তা দুঃখজনক। মণ্ডপগুলোতে ভক্তিমূলক ও মার্জিত বাংলা গান বাজানোর জন্য সবাইকে অনুরোধ জানাচ্ছি।”

এছাড়া, তিনি মণ্ডপে প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ সুনির্দিষ্ট রাখা এবং যানজট এড়াতে সড়ক ব্যবস্থাপনার ওপর আলোকপাত করেন। সভায় জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা তাঁদের মতামত তুলে ধরেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক ও চাঁদপুর পৌর প্রশাসক দেবাশীষ চৌধুরী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) একরামুল ছিদ্দিক, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উজালা রানী চাকমা, চাঁদপুর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি নরেন্দ্র নারায়ণ চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক তমাল কুমার ঘোষ, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা সোহাগ হোসেন।

উন্মুক্ত আলোচনায় বক্তব্য রাখেন পূজা উদযাপন পরিষদের সহ-সভাপতি পরেশ মালাকার, যুগ্ম সম্পাদক গোপাল চন্দ্র সাহা, চাঁদপুর সদর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি লক্ষণ চন্দ্র সূত্রধর, হাজিগঞ্জ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রুহিদাস বনিক, সাধারণ সম্পাদক সমর লাল দত্ত, শাহারাস্তি পূজা পরিষদের সভাপতি নিখিল চন্দ্র মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক অমৃত মজুমদার টুটন, কচুয়া উপজেলা পূজা পরিষদের সভাপতি ফনি ভূষণ, সাধারণ সম্পাদক বিকাশ, মতলব দক্ষিণ পূজা পরিষদের সভাপতি কিশোর কুমার ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক চন্দন সাহা, মতলব উত্তর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল চন্দ্র দাস, ফরিদগঞ্জ উপজেলা পূজা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রবীর চক্রবর্তী, চাঁদপুর পৌর পূজা পরিষদের সভাপতি নেপাল সাহা, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. সুমন সরকার জয়, হাইমচর উপজেলা পূজা পরিষদের সভাপতি বিবেক লাল মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক অজয় মজুমদার, চাঁদপুর জেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক সরকার, সদর উপজেলা পূজা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মানিক লাল ঘোষ।

সভা শেষে উপস্থিত সংশ্লিষ্ট সকলেই আশা প্রকাশ করেন যে, সরকার সারাদেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনে বদ্ধপরিকর। চাঁদপুর জেলাতেও সবার সম্মিলিত সহযোগিতা ও পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রেখে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন হবে। চাঁদপুর জেলায় এবার ৮টি বেড়ে ২৩২টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হবে। গত বছর পূজা মণ্ডপ ছিল ২২৪টি। এর মধ্যে চাঁদপুর পৌর এলাকায় পূজা হবে ৩৫টি মণ্ডপে। এ পৌরসভার বাহিরে ৬টি পূজা মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাপাহারে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী আব্দুর রহিমের দোয়া কামনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫৮ পি.এম


সাপাহারে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী আব্দুর রহিমের দোয়া কামনা

নওগাঁর সাপাহার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে আব্দুর রহিম, যিনি উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি। রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘ সময় ধরে তিনি নানা প্রতিকূলতা, নির্যাতন ও জেল-জুলুমের মোকাবিলা করে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছেন। আব্দুর রহিম সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন, পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। তাঁর সমর্থকরা তাঁকে একজন জনদরদি, উদার মনের মানুষ এবং দলের দুর্দিনের লড়াকু সৈনিক হিসেবে মূল্যায়ন করেন।

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে আব্দুর রহিম সাপাহারের সর্বস্তরের মানুষের দোয়া ও সমর্থন কামনা করছেন। তাঁর লক্ষ্য হলো, দলকে আরও সুসংগঠিত করা এবং সাপাহারের মানুষের কল্যাণে কাজ করা। তিনি উপজেলাকে একটি শান্তিপূর্ণ, উন্নত ও আধুনিক মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা করেছেন।

আব্দুর রহিম বলেন, “জনগণের ভালোবাসা ও ভোটে নির্বাচিত হলে সাপাহারের উন্নয়ন এবং মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করব। সাপাহারকে একটি আধুনিক ও মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য।” তিনি দল-মত নির্বিশেষে সাপাহারের সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%