বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৯:২৭ পি.এম
যশোর, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : জেলায় গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিতকরণ ও ফ্যাক্ট-চেকিং বিষয়ে দিনব্যাপী সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার যশোর জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিস ও পিআইডি এই সেমিনারের আয়োজন করে। যশোর জেলা প্রশাসন ও জেলা তথ্য অফিস এতে সহযোগিতা করে।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান।
তিনি বলেন, সঠিক সংবাদ পরিবেশনে ফ্যাক্ট-চেকিংয়ের কোনো বিকল্প নেই। তিনি ফ্যাক্ট-চেকিং ছাড়া কোনো সংবাদ প্রচার না করার জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান এবং গুজব প্রতিরোধে প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপের ওপর গুরুত্ব দেন।
খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার মো. মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক খান মাসুম বিল্লাহ ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুন্না বিশ্বাস। স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা তথ্য অফিসের সিনিয়র তথ্য অফিসার মো. রেজাউল করিম।
সেমিনারে যশোর প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দসহ জেলায় কর্মরত প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার ৩০ জন সাংবাদিক অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে ময়মনসিংহের ত্রিশাল শুকতারা সংঘের আয়োজনে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ক্লাব মিলনায়তনে নজরুল স্মরণসন্ধ্যা ও আলোচনা সভা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
ক্লাবের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মাসুদ শিহাবের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন শুকতারা সংঘের সাবেক সভাপতি ইবনে খালিদ, ত্রিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি খোরশিদুল আলম মজিব, শুকতারা সংঘের সাবেক সভাপতি বেলাল উদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আদিলুজ্জামান, সাবেক নাট্য সম্পাদক আব্দুল বারী খোকন এবং সাহিত্য সম্পাদক মাহবুব মাষ্টার। সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন অবিনাশ চন্দ্র দাম ও ওস্তাদ আলোক কুমার পাল। বক্তারা কবি নজরুলের ৫০ তম প্রয়াণ দিবসে কোভিদ আত্মার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।
এছাড়াও বক্তারা আগামী দিনে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকী জাতীয়ভাবে পালনের জন্য জোর দাবি জানান। আলোচনা সভার পর নজরুল স্মরণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেপাল এবং তিব্বতের সীমান্তে আকস্মিক বন্যার কারণে বন্ধ হয়ে গেছে ছোছেন খোলা এবং পুরেপু সাংপো নদীর গতিপথ। বুধবারের এই আকস্মিক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ফলে সেখানে রাতারাতি বিশাল একটি হ্রদ সৃষ্টি হয়েছে।
চীন সতর্কবার্তা দিয়েছে যে, জমে যাওয়া পানির চাপে বাঁধ ভেঙে গেলে নতুন করে ঢল নামতে পারে। বৃহস্পতিবার চীনের সরকারি সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমসে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
বেইজিংয়ের জারি করা সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, হিমালয়ের বরফগলা পানি দুই নদীর মিলিত স্থলে প্রবাহ গতিরুদ্ধ হওয়ায় আগামী তিন দিনে নতুন তৈরি হওয়া হ্রদে ৩০ লাখ ঘনমিটার পানি জমা হতে পারে। এই বিপুল জলরাশির চাপে পাথর-মাটির বাধা ভেঙে প্রাণঘাতী জলস্রোত সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ছোছেন খোলা ও পুরুপে সাংপোর উৎপত্তি তিব্বতে। নেপালে প্রবেশের ঠিক আগে এই দুটি নদী মিলিত হয়। এরপর তাদের মিলিত প্রবাহ ভোটেকোশী নদীর মাধ্যমে নেপালে প্রবেশ করে। ভোটেকোশী হলো ত্রিশূলী নদীর প্রধান উপনদী।
কলকাতাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম
র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন তৈরি হওয়া ওই হ্রদে বর্তমানে প্রায় ২০ লাখ ঘনমিটার পানি জমা হয়েছে বলে চীনের পানিসম্পদ উন্নয়ন দপ্তর কাঠমাণ্ডুকে জানিয়েছে।
পাহাড়ি ঢাল বেয়ে বিপুল পরিমাণ জলরাশি আছড়ে পড়লে নেপালের তরাই অঞ্চলের পাশাপাশি বিহার ও পূর্ব উত্তর প্রদেশেও তার প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন ভূবিজ্ঞানীদের একাংশ।
প্রসঙ্গত, ভূবিজ্ঞানীদের একাংশ প্রাথমিক পর্যবেক্ষণের পর জানিয়েছেন, বুধবার সকালে তুষারধসের কারণে পাথর ও বরফের স্তূপে অবরুদ্ধ হয়েছিল লেহন্দে নদীর গতিপথ। জমে যাওয়া জলের চাপে হঠাৎ করে সেই স্তূপ ভেঙে যায়, ফলে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়।
কাঠমাণ্ডু বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূবিজ্ঞানের অধ্যাপক রিজন ভক্ত কায়স্থ জানিয়েছেন, লেহন্দে নদীর প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে জমা পানি পাথর সরিয়ে ভোটেকোশীতে পড়তে বিপর্যয় ঘটায়। পাশাপাশি, হিমালয়ের বরফ গলে তৈরি হওয়া কোনো ছোট হ্রদ বা জলাশয়ের পাড় ভেঙে হঠাৎ প্রচুর পানি নেমে এসেছিল বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই সময়েই ভূমিধসের কারণে নেপাল-তিব্বত সীমান্তে নতুন হ্রদটি সৃষ্টি হয়।
বুধবারের বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫৯ জনে দাঁড়িয়েছে। প্রায় ৩০০ ভারতীয়সহ নিখোঁজ প্রায় ৭০০ জন। অন্যদিকে, তিব্বতেও ২শর বেশি মৃত্যুর খবর জানিয়েছে চীন সরকার। তিব্বতে আটকে পড়েছেন প্রায় ২০০ ভারতীয় তীর্থযাত্রী ও পর্যটক। তিব্বতে নিখোঁজ অন্তত ৫৫৮ জন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গ্রেপ্তার এড়াতে বাসার ছাদ থেকে লাফ দিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক উপপ্রচার সম্পাদক ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মিনহাজুল ইসলাম আইয়ুব। তিনি জেলা পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানও ছিলেন। ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ার সময় আহত হন তিনি। পরে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন। এর আগে বুধবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের সন্ন্যাসী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানিয়েছে, আহত অবস্থায় আইয়ুবকে গ্রেপ্তার করে কুড়িগ্রাম ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তার চিকিৎসা চলছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জুলাইয়ের শহীদ আশিক হত্যা মামলাসহ দুটি মামলায় আইয়ুবের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সদর থানা-পুলিশের একটি দল সন্ন্যাসী গ্রামে তার বাড়ি ঘেরাও করে। পুলিশ বাড়িতে উপস্থিত হওয়ার বিষয়টি টের পেয়ে আইয়ুব ছাদ দিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন।
পুলিশ জানায়, ছাদ থেকে নামার সময় টিনের বেড়ার ওপর পড়ে তিনি আহত হন। এতে তার পায়ের আঙুল কেটে যায় এবং হাড় ভেঙে যায়। পরে পুলিশ তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
কুড়িগ্রাম সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল আহমদ বলেন, জুলাইয়ের শহীদ আশিক হত্যা মামলাসহ দুটি মামলায় আইয়ুবের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুল বারিক উপজেলার কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হয়েছেন। সভায় তিনি মাদক, চুরি-ডাকাতি, দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও কিশোর গ্যাংসহ সকল প্রকার অপরাধের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করার পাশাপাশি থানাকে সম্পূর্ণ দালালমুক্ত রাখার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে সোনারগাঁ থানার হলরুমে আয়োজিত এ সভায় উপজেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় নবাগত ওসি সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ। আপনাদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ সমাজকে সচেতন করে এবং অপরাধ দমনে বড় ভূমিকা রাখে। পুলিশ ও সাংবাদিক কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করলে সমাজ থেকে অপরাধ নির্মূল করা সম্ভব।
থানাকে সম্পূর্ণ দালালমুক্ত করার ঘোষণা দিয়ে তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষ যেন কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই সরাসরি থানায় এসে সেবা পান, তা নিশ্চিত করা হবে। সোনারগাঁ থানায় কোনো দালালচক্রের স্থান হবে না। জনগণের আস্থা অর্জনে পুলিশ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে কাজ করবে। অপরাধী যে-ই হোক, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকরা উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক নির্মূল, যানজট নিরসন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির বিষয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন। ওসি মুহাম্মদ আব্দুল বারিক সাংবাদিকদের এসব পরামর্শ গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করেন এবং জনগণের সেবায় আন্তরিকভাবে কাজ করার আশ্বাস দেন।
সভায় উপজেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি সোনারগাঁ থানার বিভিন্ন পুলিশ কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ