ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাজশাহীর সিমান্তে বিপুল পরিমাণ ট্যাপেন্টাডল জব্দ, পালিয়েছে যুবক


রাজশাহীর সিমান্তে বিপুল পরিমাণ  ট্যাপেন্টাডল জব্দ, পালিয়েছে যুবক

 রাজশাহীর সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮০০ পিস ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় এক যুবক ব্যাগ ফেলে পালিয়ে গেলেও তাকে শনাক্ত করেছে বিজিবি।

রবিবার (৪ অক্টোবর) রাত পৌনে ৮টার দিকে রাজশাহী নগরীর কাটাখালী থানার ১০ নম্বর পদ্মার চর এলাকা থেকে এসব মাদক জব্দ করে খিদিরপুর বিওপির একটি আভিযানিক দল। 

বিজিবির দাবি, পালিয়ে যাওয়া যুবক মোঃ রাব্বিল মিয়াকে (২৫), তিনি পবা উপজেলার ১০ নম্বর খিদিরপুর মিডিলচর গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে।

আরও পড়ুন: অনিয়ম দুর্নীতিতে জর্জরিত বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশলঃ দুদকে অভিযোগ

সোমবার দুপুর ১২টায় ১ বিজিবি, সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। 

এ ঘটনায় রাব্বিল মিয়ার বিরুদ্ধে কাটাখালী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি জব্দকৃত ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।#

 

 

আরও পড়ুন: শ্যামগঞ্জ পুলিশ তদন্তকেন্দ্রকে নতুন গাড়ি হস্তান্তর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পার্বত্য চুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক তিন জাতীয় কমিটি বাতিলের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৩ পি.এম


পার্বত্য চুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক তিন জাতীয় কমিটি বাতিলের দাবি

নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা দাবি করেছেন যে, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক তিনটি জাতীয় কমিটি বাতিল করতে হবে এবং ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। তাদের মতে, পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যার স্থায়ী সমাধান নিরাপত্তার দৃষ্টিভঙ্গিতে সম্ভব নয়। এই সংকটের সমাধান রাজনৈতিক সংলাপের মাধ্যমে করতে হবে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর শাহবাগে অনুষ্ঠিত নাগরিক সমাবেশে বক্তারা এসব মন্তব্য করেন, যা ‘সাম্প্রতিক চুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে তিনটি আলাদা জাতীয় কমিটি গঠন করার প্রতিবাদে’ আয়োজন করা হয়।

সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলনের যুগ্ম সমন্বয়কারী জাকির হোসেন। বক্তৃতা প্রদান করেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আবু সাইদ খান, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা, বাংলাদেশ জাসদের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশিদ ফিরোজ এবং ভারত প্রত্যাগত উপজাতীয় শরণার্থী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক সন্তোষিত চাকমা বকুল। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সদস্য দীপায়ন খীসা।

সভাপতির বক্তব্যে জাকির হোসেন উল্লেখ করেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা মূলত জাতীয় ও রাজনৈতিক সমস্যা। এর সমাধানও রাজনৈতিকভাবে করতে হবে। তিনি জানান, সরকার গত ১০ সেপ্টেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে জাতীয়, নির্বাহী ও পরামর্শক—এই তিনটি কমিটি গঠন করেছে। এসব কমিটির কার্যপরিধিতে উন্নয়ন, নিরাপত্তা, সন্ত্রাস দমন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও আইন সংস্কারের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে, দুটি কমিটির জনবল ও অবকাঠামো ডিজিএফআই থেকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আবু সাইদ খান বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের জন্য ‘অনেক কিছু দেওয়া হয়েছে’—এমন ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘকাল ধরে কোনো জনগোষ্ঠী বঞ্চিত ও উপেক্ষিত থাকলে রাষ্ট্রের চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ শুধু বাঙালি বা মুসলমানের রাষ্ট্র নয়। পাহাড় অশান্ত থাকলে পুরো বাংলাদেশও শান্তিতে থাকতে পারবে না। তাই পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যাকে জাতীয় সমস্যা হিসেবে দেখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, পাহাড়ের মানুষ অস্ত্র ছেড়েছে বলে তাদের সঙ্গে যা ইচ্ছা করা যাবে—এমন ধারণা ভুল। তিনি দাবি করেন, তিনটি কমিটি বাতিল করে চুক্তির অন্যতম স্বাক্ষরকারী পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সঙ্গে আলোচনায় বসতে হবে।

রুহিন হোসেন প্রিন্স মন্তব্য করেন, ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নয়, রাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত হয়েছে। তাই রাষ্ট্রের ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে এ চুক্তি বাস্তবায়ন করতে হবে। তিনি সতর্ক করেন যে, পাহাড়ের অন্যতম প্রধান সমস্যা ভূমি বিরোধের কার্যকর সমাধান না হলে নতুন সংকট সৃষ্টি হতে পারে।

শামসুল হুদা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা সমাধানের একমাত্র পথ ১৯৯৭ সালের চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন। তিনি উল্লেখ করেন, সম্প্রতি গঠিত তিনটি কমিটি আমলা ও গোয়েন্দা-নির্ভর হওয়ায় তা কাম্য নয়। তিনি দাবি করেন, আঞ্চলিক পরিষদ, জেলা পরিষদ ও সার্কেল চিফসহ পাহাড়ের বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে অর্থবহ সংলাপ করতে হবে।

নাজমুল হক প্রধান বলেন, সরকার পরিবর্তন হলেও আদিবাসী ও সংখ্যালঘু জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন হচ্ছে না। তিনি বলেন, রাষ্ট্র যে চুক্তি করেছে, তা বাস্তবায়নের দায়িত্বও রাষ্ট্রের। তিনি তিনটি কমিটি বাতিল করে পাহাড়ের মানুষের সঙ্গে আলোচনা করার দাবি জানান।

সন্তোষিত চাকমা বকুল বলেন, চুক্তি স্বাক্ষরের ২৯ বছর পরও এর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন হয়নি। তিনি সতর্ক করেন যে, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে পাহাড়ের জনগণ গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে।

সমাবেশ থেকে তিনটি জাতীয় কমিটি বাতিলের পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ কমিটি গঠন, অ-পাহাড়ি প্রতিমন্ত্রী প্রত্যাহার, চুক্তি অনুযায়ী উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন, সময়সূচিভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ এবং পার্বত্য ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন কার্যকর করার দাবি জানানো হয়।

এছাড়া পার্বত্য আঞ্চলিক পরিষদের সঙ্গে সংলাপ এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর অংশগ্রহণে বহুপক্ষীয় অর্থবহ সংলাপ শুরুর দাবি জানান বক্তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করতে হবে: হুমায়ুন কবির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৩ পি.এম


জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করতে হবে: হুমায়ুন কবির

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি, যা দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে তৈরি হবে, তা অবশ্যই নীতিনিষ্ঠ, বাস্তবমুখী এবং জাতীয় স্বার্থকেন্দ্রিক হতে হবে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং পারস্পরিক সম্মান ও সুবিধার ভিত্তিতে অংশীদারি সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

তিনি সোমবার (৫ অক্টোবর) মিরপুরে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে (এনডিসি) একটি কোর্সের অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য প্রদানকালে এ কথা বলেন।

হুমায়ুন কবির উল্লেখ করেন, তীব্র ভূ-রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা, পরিবর্তনশীল নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ, অর্থনৈতিক দুর্বলতা, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং আন্তদেশীয় হুমকি মোকাবেলায় বাংলাদেশের জন্য একটি দূরদর্শী পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, এর অর্থ বিচ্ছিন্ন থাকা নয়। বরং দেশের স্বার্থকে কূটনীতির কেন্দ্রে স্থাপন করা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা এবং পারস্পরিক সম্মান ও সুবিধার ভিত্তিতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে অংশীদারি সম্প্রসারণ করাই এই নীতির মূল লক্ষ্য।

তিনি আঞ্চলিক যোগাযোগব্যবস্থা জোরদার, অর্থনৈতিক সংহতি বৃদ্ধি এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন।

চীন, ভারত, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির বলেন, এসব গুরুত্বপূর্ণ শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক পরিচালনার ক্ষেত্রে ভারসাম্য ও স্পষ্ট অবস্থান বজায় রাখা আবশ্যক। একই সঙ্গে প্রতিটি পক্ষের সঙ্গে সম্পর্কের স্বতন্ত্র সুযোগ ও চ্যালেঞ্জগুলোকে বিবেচনায় নিতে হবে।

বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের অধিকার, মর্যাদা এবং কল্যাণ সুরক্ষার বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি এমন হতে হবে, যা সংঘাত সৃষ্টি না করে আত্মবিশ্বাসী, নির্ভরশীল না হয়ে উন্মুক্ত এবং জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে আপস না করে বাস্তবমুখী।’

তিনি আরও বলেন, পরিবর্তিত বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অংশীদারি সম্প্রসারণে বাংলাদেশকে বাস্তবমুখী ও ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক অবস্থান বজায় রাখতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাজী জাফর উল্লাহ পরিবারের ১৫৫ কোটি টাকার ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৬ পি.এম


কাজী জাফর উল্লাহ পরিবারের ১৫৫ কোটি টাকার ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ এবং তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আদালতের এই আদেশে ১৭১টি ব্যাংক হিসাব ও এফডিআরে মোট ১৫৫ কোটি ১ লাখ ৪২ হাজার ৭০৮ টাকা রয়েছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির এই আদেশ দেন। দুদকের আইনজীবী তরিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। দুদকের সহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা মো. সাইদুর রহমান এই আবেদন করেছেন।

যাদের ব্যাংক হিসাব ও লকার অবরুদ্ধ করার জন্য আবেদন করা হয়েছে, তাদের মধ্যে কাজী জাফর উল্লাহ, তাঁর স্ত্রী নীলুফার জাফরউল্লাহ, বড় ছেলে কাজী ওমর জাফর, মেজো ছেলে কাজী রায়হান জাফর এবং মেয়ে আনুস্কা মেহরীন জাফর অন্তর্ভুক্ত।

দুদকের আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, পরিবারের সদস্যদের নামে মেঘনা ব্যাংক পিএলসি, মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি ও প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসির গুলশান ও বনানী শাখায় বিপুল পরিমাণ এফডিআর, সঞ্চয়ী হিসাব, চলতি হিসাব ও লকার রয়েছে।

নথি পর্যালোচনার মাধ্যমে দেখা যায়, কাজী জাফর উল্লাহর নামে ৪৪টি ব্যাংক ও এফডিআর হিসাবের মধ্যে মেঘনা ব্যাংকে ২৪ কোটি ৬৪ লাখ ৯১ হাজার ৩৭৩ টাকা, মিডল্যান্ড ব্যাংকে ১৮ কোটি ৬ লাখ ৪২ হাজার ৫১৭ টাকা এবং প্রিমিয়ার ব্যাংকে ৭ কোটি ৫ লাখ ২৮ হাজার ৪০৫ টাকা রয়েছে।

তার স্ত্রী নীলুফার জাফরউল্লাহর নামে ২৪টি ব্যাংক ও এফডিআর হিসাব রয়েছে, যার মধ্যে মিডল্যান্ড ব্যাংকে ১৮ কোটি ৬ লাখ ৪২ হাজার ৫১৭ টাকা এবং প্রিমিয়ার ব্যাংকে ৮ কোটি ১৯ লাখ ৩৪ হাজার ৫৭৮ টাকা রয়েছে। মিডল্যান্ড ব্যাংকের হিসাবের মধ্যে ডাবল লকার সুবিধাও রয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বড় ছেলে কাজী ওমর জাফরের নামে ৩৩টি ব্যাংক ও এফডিআর হিসাব রয়েছে, যার মধ্যে মেঘনা ব্যাংকে ৭১ লাখ ২২ হাজার ৯০৯ টাকা, মিডল্যান্ড ব্যাংকে ৯ কোটি ৬১ লাখ ৫ হাজার ১১১ টাকা এবং প্রিমিয়ার ব্যাংকে ১৩ কোটি ৫২ লাখ ৬৬ হাজার ৯৪৪ টাকা রয়েছে। মিডল্যান্ড ব্যাংকের হিসাবেও লকার সুবিধা রয়েছে।

মেজো ছেলে কাজী রায়হান জাফরের নামে ২৮টি ব্যাংক ও এফডিআর হিসাব রয়েছে, যার মধ্যে মেঘনা ব্যাংকে ১২ কোটি ৪২ লাখ ১৯ হাজার ৪৩৪ টাকা ও ১৬ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার এবং প্রিমিয়ার ব্যাংকে ১০ কোটি ৯৫ লাখ ৭ হাজার ৪১৫ টাকা রয়েছে। মিডল্যান্ড ব্যাংকের হিসাবেও লকার সুবিধা রয়েছে বলে দুদকের আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মেয়ে আনুস্কা মেহরীন জাফরের নামে ৪২টি ব্যাংক ও এফডিআর হিসাব রয়েছে, যার মধ্যে মেঘনা ব্যাংকে ১ কোটি ৮৪ লাখ ৪৯ হাজার ৯৩০ টাকা, মিডল্যান্ড ব্যাংকে ৮ কোটি ৯৯ লাখ ৩৭ হাজার ২৭৩ টাকা এবং প্রিমিয়ার ব্যাংকে ২০ কোটি ৯২ লাখ ৯৪ হাজার ৩০২ টাকা রয়েছে।

দুদকের আবেদনে আরও বলা হয়েছে, অনুসন্ধানে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এসব অস্থাবর সম্পত্তি অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা রূপান্তরের চেষ্টা করার তথ্য পাওয়া গেছে। এসব সম্পত্তি মামলা বা অভিযোগ নিষ্পত্তির আগে হাতবদল হয়ে গেলে অনুসন্ধান কার্যক্রম ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এই কারণে এসব সম্পত্তি অবিলম্বে অবরুদ্ধ করার প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হুতিদের রিয়াদ ও খুরাইশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি, সৌদি জোট অস্বীকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৭ পি.এম


হুতিদের রিয়াদ ও খুরাইশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি, সৌদি জোট অস্বীকার

ইয়েমেনে হুতি এবং সৌদি-সমর্থিত বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ ঘটেছে। হুতিরা রিয়াদ ও খুরাইশ অঞ্চলে রাষ্ট্রীয় তেল স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে, যা সৌদির অব্যাহত আগ্রাসনের প্রতিক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এএনআইয়ের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত রবিবার হামলার দায় স্বীকার করে টেলিগ্রামে একটি বিবৃতি দিয়েছেন হুতি মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, সৌদি আরবের বিরুদ্ধে চলমান আগ্রাসনের জবাবে এই হামলা সংঘটিত হয়েছে। সারি অভিযোগ করেছেন যে সৌদি আরব তাদের ওপর অন্যায়ভাবে আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, গত ১২ ঘণ্টায় রাজধানী সানা, আল-জাওফ, তাইজ, আমরান, হাজ্জাহ এবং সা'দাহ এলাকায় প্রায় ৫০টি বিমান ও মিসাইল হামলা হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, সাম্প্রতিক উত্তেজনা শুরু হওয়ার পর থেকে সৌদি আরব মোট ১ হাজার ৪৬০ বারেরও বেশি বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

হুতি মুখপাত্র সারি জানান, তাদের বাহিনী সৌদি আরবের আরামকো তেল স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে দুইবার সামরিক আক্রমণ করেছে। এই হামলায় তারা শক্তিশালী ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ব্যবহার করেছে।

তিনি আরও দাবি করেন যে, তারা সৌদি আরবের আরামকো তেল কোম্পানিকে লক্ষ্য করে দুটি বড় ধরনের সামরিক হামলা চালিয়েছে। প্রথম হামলাটি রিয়াদে অবস্থিত আরামকোর স্থাপনায় এবং দ্বিতীয়টি খুরাইশ এলাকার আরামকো স্থাপনায় হয়েছে। উভয় অভিযানেই তারা বেশ কিছু শক্তিশালী মিসাইল ও ড্রোন ব্যবহার করেছে।

সারি দাবি করেছেন যে, হামলাগুলো ‘নির্ভুল ও সরাসরি’ স্থাপনায় আঘাত হেনেছিল।

অন্যদিকে, সৌদি আরবের গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে ইয়েমেনের সরকারকে সমর্থনকারী সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র তুরকি আল মালিকি জানিয়েছেন, রিয়াদ ও খুরাইশে হামলার বিষয়ে হুতিদের দাবি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%