বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৯:৩৫ পি.এম
পটুয়াখালী, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ : সাগরকন্যা কুয়াকাটার পর্যটন ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, সেবার মান বৃদ্ধি এবং সৈকতের পরিবেশ সংরক্ষণে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় কুয়াকাটা পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ও কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী।
সভায় সৈকতের পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্য রক্ষা, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সেবার মানোন্নয়ন, কার্যকর সৈকত ব্যবস্থাপনা, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারসহ পর্যটন খাতের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভায় কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কমিটির সদস্য সচিব মো. আরিফুজ্জামান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক ইয়াসিন সাদেক, মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম আহমেদ, ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের ইনচার্জ নাজমুল হোসেনসহ সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, পর্যটন ব্যবসায়ী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এম এ মোতালেব শরীফ, কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান, সিনিয়র সহসভাপতি আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন বাবলু, কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুষার, মহিপুর ইমাম সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা মাঈনুল ইসলাম মন্নান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মহিপুর থানা শাখার সভাপতি আলহাজ্ব ফজলুল হক খান এবং কুয়াকাটা শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার নিহার রঞ্জন দাসও সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তাগণ বলেন, কুয়াকাটার পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সৈকতের পরিবেশ সংরক্ষণ, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সেবার মান উন্নয়নের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী কুয়াকাটাকে আরো আকর্ষণীয়, পরিবেশবান্ধব এবং পর্যটকবান্ধব করে গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
এর আগে জেলা প্রশাসক কুয়াকাটার সৌন্দর্যবর্ধন ও জ্ঞানচর্চার সুযোগ সম্প্রসারণে কয়েকটি উদ্যোগের উদ্বোধন করেন। এর মধ্যে বিভিন্ন সড়কে কৃষ্ণচূড়া ও সোনালু গাছ রোপণ, পর্যটক ও স্থানীয়দের জন্য একটি লাইব্রেরি চালু, ডিসি লেকের সৌন্দর্যবর্ধন এবং পচনশীল বর্জ্য থেকে জৈব সার উৎপাদনের শেড উদ্বোধন উল্লেখযোগ্য।
জেলা প্রশাসক বলেন, কুয়াকাটার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অক্ষুণ্ন রেখে পর্যটনসেবার মান উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার বাংলাদেশ পুলিশের তিন কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন করেছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তৌছিফ আহমেদের সই করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঝালকাঠির পুলিশ সুপার মেরিন সুলতানাকে ঢাকায় এন্টি টেররিজম ইউনিটের পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছ।
এ ছাড়া সিআইডির পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছানকে রাজশাহীর পুলিশ সুপার করা হয়েছে। রাজশাহীর বর্তমান পুলিশ সুপার মো. মামুন অর রশিদকে ঢাকায় পুলিশ অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে দুর্ঘটনার ফলে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মাহমুদুল হাসান মুয়াজ (২২) নামে এক কলেজ শিক্ষার্থী প্রাণ হারিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরের সময়, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বিশ্বরোড এলাকায় এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটে।
মাহমুদুল হাসান মুয়াজ রাজধানীর খিলগাও থানাধীন গোড়ান এলাকার মাসুম আহমদের সন্তান। তিনি নরসিংদী সরকারি কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
নিহতের পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ জুলহাস জানিয়েছেন যে, বৃহস্পতিবার তার পরীক্ষা থাকায় মাহমুদুল হাসান মুয়াজ নিজ বাসা গোড়ান থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে নরসিংদী সরকারি কলেজের উদ্দেশ্যে রওনা হন। রূপগঞ্জের তারাব বিশ্বরোড এলাকায় পৌঁছানোর পর, তিনি একটি চলন্ত ট্রাককে অতিক্রম করার চেষ্টা করেন এবং ট্রাকের ধাক্কায় সড়কে ছিটকে পড়েন, ফলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।
পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং ট্রাকটিকেও আটক করা হয়েছে। এই বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। বিনা ময়নাতদন্তে নিহতের মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই অভ্যুত্থান একটি আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং এটি দীর্ঘ ১৬ বছরের আন্দোলন-সংগ্রাম, নির্যাতন ও আত্মত্যাগের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পটভূমি তৈরি হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. রফিকূল ইসলাম।
ঢাকা মেডিকেল কলেজে (ঢামেক) আয়োজিত ‘জাগ্রত জুলাই’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. রফিকূল ইসলাম বলেন, হাজারো মানুষের রক্তের বিনিময়ে এক ভয়ঙ্কর খুনি ও ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারের পতনের পর জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নতুন এক বাংলাদেশের সূচনা হয়েছে। ছাত্র-জনতার এই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দলমত নির্বিশেষে স্বাধীনচেতা মানুষের দীর্ঘ ১৬ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটেছে।
তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনের সূচনা ২০২৪ সালে নয়; এর শিকড় আরও অনেক গভীরে। ১/১১-এর পর গণতন্ত্র হরণ এবং পরবর্তী সময়ে নির্বাচনব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে আওয়ামী লীগের হাতে দেশকে তুলে দেয়ার মধ্য দিয়েই এই আন্দোলনের সূত্রপাত বলে তিনি দাবি করেন। তার ভাষায়, আন্দোলন শেষ হয়েছে ২০২৪ সালে এসে, কিন্তু তার শুরুটা একযুগেরও বেশি আগের।
বিএনপির নেতাকর্মীদের দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, ২০০৯ সালের পর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে বিএনপির নেতাকর্মীরা স্বৈরাচারী শাসন ও রাষ্ট্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে আন্দোলন করেছেন। এ সময়ে বহু নেতাকর্মী নিহত, গুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং অসংখ্য মামলার কারণে অনেকে ঘরবাড়ি ছেড়ে আত্মগোপনে থাকতে বাধ্য হয়েছেন।
‘তাদের আত্মত্যাগই জুলাই আন্দোলনের প্রেক্ষাপট প্রস্তুত করেছে। সেই ধারাবাহিকতায় আবু সাঈদ, ওয়াসিম ও মুগ্ধদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে আমরা নতুন একটি বাংলাদেশ পেয়েছি’, যোগ করেন তিনি।
এ সময় দীর্ঘ সময় গুমের শিকার বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ইলিয়াস আলী, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য চৌধুরী আলম, ছাত্রনেতা জনিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নাম উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, গুমের শিকার ৬০০-এর বেশি নেতাকর্মীর কথা ভুলে গেলে চলবে না।
মানবাধিকার সংগঠন অধিকার-এর তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ২০২৩ সাল পর্যন্ত দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হয়েছেন ২ হাজার ৬৯৯ জন, গুম হয়েছেন ৬৭৭ জন এবং কারাগারে মৃত্যুবরণ করেছেন ১ হাজার ৪৮ জন। এসব ঘটনার অধিকাংশ ভুক্তভোগী বিএনপির নেতাকর্মী বলে তিনি দাবি করেন।
এ ছাড়া ২০০৯ সালের পর থেকে ২০২৫ সালের ৫ জুলাই পর্যন্ত সারা দেশে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ১ লাখ ৪২ হাজার ৯৮৩টি মামলায় ৫৯ লাখ ২৯ হাজার ৪৯২ জনকে আসামি করা হয়েছে বলেও বক্তব্যে উল্লেখ করেন তিনি। তার দাবি, পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এত ব্যাপক নির্যাতনের নজির বিরল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ : লেবাননের পার্লামেন্ট বুধবার একটি ব্যাপক সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করেছে, যা বহুদিন ধরে অপেক্ষিত ছিল। এই আইনটির ফলে হাজার হাজার কারাবন্দি ও পলাতক ব্যক্তি সুবিধা লাভ করবেন। এটি ১৯৯১ সালের পর পাস হওয়া প্রথম আইন।
বিভিন্ন রাজনৈতিক গোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের দাবী এবং বছরের পর বছরের বিতর্কের বিষয় হিসেবে এই আইনটির মূল উদ্দেশ্য হলো কারাগারে থাকা অতিরিক্ত বন্দির চাপ কমানো। অনেক বন্দি বছরের পর বছর ধরে বিচার পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন।
দেশটির স্পিকারের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, ‘সাধারণ ক্ষমা প্রদান এবং নির্দিষ্ট কিছু সাজা ব্যতিক্রমীভাবে কমানোর লক্ষ্যে একটি খসড়া আইন অনুমোদন করা হয়েছে।’
আইনটির ফলে ঠিক কতজন ব্যক্তি সুবিধা পাবেন, সে ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে কোন তথ্য প্রকাশ করেনি।
বিলটির পক্ষে থাকা আইনপ্রণেতাদের মধ্যে অন্যতম ইমাদ আল-হুতের মতে, নতুন আইনটি মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিতদের সাজা ১৭ বছর করে দিয়েছে। লেবাননে এক বছরের কারাদণ্ডকে নয় মাস হিসেবে গণনা করা হয়। সেই কারণে ১৭ বছর কারাদণ্ড আসলে ১২ বছর ৯ মাসের সমান।
দেশটির জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ২০২৫ সালের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কারাগারে অতিরিক্ত বন্দির হার ৩০০ শতাংশে পৌঁছেছে। কারা কর্তৃপক্ষের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মার্চের শেষে দেশে অন্তত ৬ হাজার ২৬৮ জন বন্দি ছিলেন।
২০২৪ সালে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের পতনের পর সাধারণ ক্ষমার বিষয়টি আবার আলোচনায় আসে। কারণ লেবাননে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের সঙ্গে জড়িত অনেক ইসলামপন্থী বন্দি ছিলেন। তাদের মধ্যে অধিকাংশই উত্তর লেবাননের সুন্নি অধ্যুষিত ত্রিপোলি শহরের বাসিন্দা। তাদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর ওপর হামলা, সংঘর্ষে অংশগ্রহণ ও বোমা হামলার পরিকল্পনার অভিযোগ রয়েছে।
বুধবার রাতে এএফপির এক সংবাদদাতা ত্রিপোলিতে উপস্থিত থাকার সময় দেখেছেন, সেখানে কয়েক ডজন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে এসে জড়ো হয়েছেন সাধারণ ক্ষমা উদযাপন করার জন্য। তাদের মধ্যে কেউ কেউ ইসলামের শাহাদা বা ঈমানের ঘোষণা সংবলিত পতাকা বহন করছিলেন। তারা ‘আল্লাহু আকবার’(আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ) স্লোগান দিচ্ছিলেন এবং আতশবাজি পোড়াচ্ছিলেন।
কারাগারে থাকা ভাইয়ের কথা উল্লেখ করে শাদি আবু ওমর বলেন, ‘এই সাধারণ ক্ষমার জন্য আমরা দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করেছি... আমাদের ওপর থেকে এই অন্যায় দূর করার জন্য।”
ইরান-সমর্থিত শিয়া আন্দোলন হিজবুল্লাহসহ অন্যান্য রাজনৈতিক শক্তিও তাদের সম্প্রদায়ের জন্য সাধারণ ক্ষমা দাবি করে আসছিল। পূর্বাঞ্চলের বালবেক ও হারমেল অঞ্চলের হাজার হাজার পরিবার মুাদক-সম্পর্কিত অপরাধ ও গাড়ি চুরির বিরুদ্ধে সাধারণ ক্ষমা দাবি করে আসছে।
অন্যদিকে, খ্রিষ্টান দলগুলো আইনটি তাদের পরিবারগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য চাইছিল, যারা ২০০০ সালে ইসরায়েল দক্ষিণ লেবানন থেকে সরে যাওয়ার পর ইসরায়েল-সমর্থিত প্রক্সি বাহিনীতে যোগ দিয়েছিল এবং প্রতিশোধের ভয়ে ইসরায়েল পালিয়ে গিয়েছিল।
লেবানন এর আগে ১৯৭৫ থেকে ১৯৯০ সালের গৃহযুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে একটি সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করেছিল। ওই আইনের মাধ্যমে সাবেক যুদ্ধবাজ নেতাদের সংঘাত চলাকালে সংঘটিত অপরাধের জন্য বিচারের মুখোমুখি না হয়ে রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ