বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৯:৪৩ পি.এম
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে দুর্ঘটনার ফলে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মাহমুদুল হাসান মুয়াজ (২২) নামে এক কলেজ শিক্ষার্থী প্রাণ হারিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরের সময়, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বিশ্বরোড এলাকায় এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটে।
মাহমুদুল হাসান মুয়াজ রাজধানীর খিলগাও থানাধীন গোড়ান এলাকার মাসুম আহমদের সন্তান। তিনি নরসিংদী সরকারি কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
নিহতের পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ জুলহাস জানিয়েছেন যে, বৃহস্পতিবার তার পরীক্ষা থাকায় মাহমুদুল হাসান মুয়াজ নিজ বাসা গোড়ান থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে নরসিংদী সরকারি কলেজের উদ্দেশ্যে রওনা হন। রূপগঞ্জের তারাব বিশ্বরোড এলাকায় পৌঁছানোর পর, তিনি একটি চলন্ত ট্রাককে অতিক্রম করার চেষ্টা করেন এবং ট্রাকের ধাক্কায় সড়কে ছিটকে পড়েন, ফলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।
পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং ট্রাকটিকেও আটক করা হয়েছে। এই বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। বিনা ময়নাতদন্তে নিহতের মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই অভ্যুত্থান একটি আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং এটি দীর্ঘ ১৬ বছরের আন্দোলন-সংগ্রাম, নির্যাতন ও আত্মত্যাগের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পটভূমি তৈরি হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. রফিকূল ইসলাম।
ঢাকা মেডিকেল কলেজে (ঢামেক) আয়োজিত ‘জাগ্রত জুলাই’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. রফিকূল ইসলাম বলেন, হাজারো মানুষের রক্তের বিনিময়ে এক ভয়ঙ্কর খুনি ও ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারের পতনের পর জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নতুন এক বাংলাদেশের সূচনা হয়েছে। ছাত্র-জনতার এই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দলমত নির্বিশেষে স্বাধীনচেতা মানুষের দীর্ঘ ১৬ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটেছে।
তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনের সূচনা ২০২৪ সালে নয়; এর শিকড় আরও অনেক গভীরে। ১/১১-এর পর গণতন্ত্র হরণ এবং পরবর্তী সময়ে নির্বাচনব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে আওয়ামী লীগের হাতে দেশকে তুলে দেয়ার মধ্য দিয়েই এই আন্দোলনের সূত্রপাত বলে তিনি দাবি করেন। তার ভাষায়, আন্দোলন শেষ হয়েছে ২০২৪ সালে এসে, কিন্তু তার শুরুটা একযুগেরও বেশি আগের।
বিএনপির নেতাকর্মীদের দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, ২০০৯ সালের পর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে বিএনপির নেতাকর্মীরা স্বৈরাচারী শাসন ও রাষ্ট্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে আন্দোলন করেছেন। এ সময়ে বহু নেতাকর্মী নিহত, গুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং অসংখ্য মামলার কারণে অনেকে ঘরবাড়ি ছেড়ে আত্মগোপনে থাকতে বাধ্য হয়েছেন।
‘তাদের আত্মত্যাগই জুলাই আন্দোলনের প্রেক্ষাপট প্রস্তুত করেছে। সেই ধারাবাহিকতায় আবু সাঈদ, ওয়াসিম ও মুগ্ধদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে আমরা নতুন একটি বাংলাদেশ পেয়েছি’, যোগ করেন তিনি।
এ সময় দীর্ঘ সময় গুমের শিকার বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ইলিয়াস আলী, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য চৌধুরী আলম, ছাত্রনেতা জনিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নাম উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, গুমের শিকার ৬০০-এর বেশি নেতাকর্মীর কথা ভুলে গেলে চলবে না।
মানবাধিকার সংগঠন অধিকার-এর তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ২০২৩ সাল পর্যন্ত দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হয়েছেন ২ হাজার ৬৯৯ জন, গুম হয়েছেন ৬৭৭ জন এবং কারাগারে মৃত্যুবরণ করেছেন ১ হাজার ৪৮ জন। এসব ঘটনার অধিকাংশ ভুক্তভোগী বিএনপির নেতাকর্মী বলে তিনি দাবি করেন।
এ ছাড়া ২০০৯ সালের পর থেকে ২০২৫ সালের ৫ জুলাই পর্যন্ত সারা দেশে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ১ লাখ ৪২ হাজার ৯৮৩টি মামলায় ৫৯ লাখ ২৯ হাজার ৪৯২ জনকে আসামি করা হয়েছে বলেও বক্তব্যে উল্লেখ করেন তিনি। তার দাবি, পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এত ব্যাপক নির্যাতনের নজির বিরল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ : লেবাননের পার্লামেন্ট বুধবার একটি ব্যাপক সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করেছে, যা বহুদিন ধরে অপেক্ষিত ছিল। এই আইনটির ফলে হাজার হাজার কারাবন্দি ও পলাতক ব্যক্তি সুবিধা লাভ করবেন। এটি ১৯৯১ সালের পর পাস হওয়া প্রথম আইন।
বিভিন্ন রাজনৈতিক গোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের দাবী এবং বছরের পর বছরের বিতর্কের বিষয় হিসেবে এই আইনটির মূল উদ্দেশ্য হলো কারাগারে থাকা অতিরিক্ত বন্দির চাপ কমানো। অনেক বন্দি বছরের পর বছর ধরে বিচার পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন।
দেশটির স্পিকারের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, ‘সাধারণ ক্ষমা প্রদান এবং নির্দিষ্ট কিছু সাজা ব্যতিক্রমীভাবে কমানোর লক্ষ্যে একটি খসড়া আইন অনুমোদন করা হয়েছে।’
আইনটির ফলে ঠিক কতজন ব্যক্তি সুবিধা পাবেন, সে ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে কোন তথ্য প্রকাশ করেনি।
বিলটির পক্ষে থাকা আইনপ্রণেতাদের মধ্যে অন্যতম ইমাদ আল-হুতের মতে, নতুন আইনটি মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিতদের সাজা ১৭ বছর করে দিয়েছে। লেবাননে এক বছরের কারাদণ্ডকে নয় মাস হিসেবে গণনা করা হয়। সেই কারণে ১৭ বছর কারাদণ্ড আসলে ১২ বছর ৯ মাসের সমান।
দেশটির জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ২০২৫ সালের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কারাগারে অতিরিক্ত বন্দির হার ৩০০ শতাংশে পৌঁছেছে। কারা কর্তৃপক্ষের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মার্চের শেষে দেশে অন্তত ৬ হাজার ২৬৮ জন বন্দি ছিলেন।
২০২৪ সালে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের পতনের পর সাধারণ ক্ষমার বিষয়টি আবার আলোচনায় আসে। কারণ লেবাননে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের সঙ্গে জড়িত অনেক ইসলামপন্থী বন্দি ছিলেন। তাদের মধ্যে অধিকাংশই উত্তর লেবাননের সুন্নি অধ্যুষিত ত্রিপোলি শহরের বাসিন্দা। তাদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর ওপর হামলা, সংঘর্ষে অংশগ্রহণ ও বোমা হামলার পরিকল্পনার অভিযোগ রয়েছে।
বুধবার রাতে এএফপির এক সংবাদদাতা ত্রিপোলিতে উপস্থিত থাকার সময় দেখেছেন, সেখানে কয়েক ডজন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে এসে জড়ো হয়েছেন সাধারণ ক্ষমা উদযাপন করার জন্য। তাদের মধ্যে কেউ কেউ ইসলামের শাহাদা বা ঈমানের ঘোষণা সংবলিত পতাকা বহন করছিলেন। তারা ‘আল্লাহু আকবার’(আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ) স্লোগান দিচ্ছিলেন এবং আতশবাজি পোড়াচ্ছিলেন।
কারাগারে থাকা ভাইয়ের কথা উল্লেখ করে শাদি আবু ওমর বলেন, ‘এই সাধারণ ক্ষমার জন্য আমরা দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করেছি... আমাদের ওপর থেকে এই অন্যায় দূর করার জন্য।”
ইরান-সমর্থিত শিয়া আন্দোলন হিজবুল্লাহসহ অন্যান্য রাজনৈতিক শক্তিও তাদের সম্প্রদায়ের জন্য সাধারণ ক্ষমা দাবি করে আসছিল। পূর্বাঞ্চলের বালবেক ও হারমেল অঞ্চলের হাজার হাজার পরিবার মুাদক-সম্পর্কিত অপরাধ ও গাড়ি চুরির বিরুদ্ধে সাধারণ ক্ষমা দাবি করে আসছে।
অন্যদিকে, খ্রিষ্টান দলগুলো আইনটি তাদের পরিবারগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য চাইছিল, যারা ২০০০ সালে ইসরায়েল দক্ষিণ লেবানন থেকে সরে যাওয়ার পর ইসরায়েল-সমর্থিত প্রক্সি বাহিনীতে যোগ দিয়েছিল এবং প্রতিশোধের ভয়ে ইসরায়েল পালিয়ে গিয়েছিল।
লেবানন এর আগে ১৯৭৫ থেকে ১৯৯০ সালের গৃহযুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে একটি সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করেছিল। ওই আইনের মাধ্যমে সাবেক যুদ্ধবাজ নেতাদের সংঘাত চলাকালে সংঘটিত অপরাধের জন্য বিচারের মুখোমুখি না হয়ে রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের ভৈরবের উষ্ণ আবহাওয়ার মধ্যে সহপাঠীদের সঙ্গে ফুটবল খেলতে গিয়ে হিটস্ট্রোকের শিকার হয়ে আহসান মিয়া (৭) নামের একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরের দিকে উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের বাঁশগাড়ি এলাকায় এই দুঃখজনক ঘটনা ঘটে। নিহত আহসান মিয়া বাঁশগাড়ি গ্রামের ময়াবাড়ির পাদুকা ব্যবসায়ী নাসির আহমেদের ছেলে।
স্থানীয় ও স্বজনদের কাছ থেকে জানা যায়, দুপুরে শিশু আহসান স্থানীয় একটি মাঠে সহপাঠীদের সাথে ফুটবল খেলতে গিয়েছিল। প্রচণ্ড রোদ ও অতিরিক্ত গরমের কারণে দীর্ঘক্ষণ খেলার পর হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে মাঠে পড়ে যায় সে। এই সময় সহপাঠীদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে শিশুটিকে উদ্ধার করেন।
প্রথমে শিশুটিকে স্থানীয় একটি পল্লিচিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে তার অবস্থা ক্রমশ বেকায়দায় পড়লে তাকে পৌর শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে সরিয়ে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
অহম মিয়ার বাবা বাদল মিয়া সংবাদে বলেন, তার ভাতিজা আহসান প্রচণ্ড রোদে মাঠে ফুটবল খেলতে গিয়েছিল। ফুটবল খেলতে গিয়েও হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে, স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। সেখানেই চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
এ ব্যাপারে স্থানীয় ইসরাত জাহান স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালক ডা. ফরহাদ আহমেদ জানিয়েছেন, শিশুদের মধ্যে হিটস্ট্রোকের ঘটনা সাধারণত কম দেখা যায়। তবে তীব্র রোদ ও অতিরিক্ত গরমের কারণে সব বয়সের মানুষের জন্য হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি থাকে। শিশুটির প্রাথমিক লক্ষণের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, তার হিটস্ট্রোক তীব্র গরমের জন্য ঘটেছিল।
তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে শিশুরা ও বয়স্করা এই সময়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। তিনি তীব্র রোদ ও গরম থেকে সাবধান থাকতে এবং পর্যাপ্ত পানি, ডাবের পানি ও খাবার স্যালাইন গ্রহণের পরামর্শ দেন।
এই ঘটনায় শিশুটির আকস্মিক মৃতুতে পরিবার, আত্মীয় ও সহপাঠীদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের মহানগর ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক এবং বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর শাকিল হোসেন পলাশকে আটক করেছে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ।
কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গতকাল বরিশাল আদালত প্রাঙ্গণে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার পর ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী নগরীতে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১৫ আগস্টকে সামনে রেখে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মাধ্যমে বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা বা প্রস্তুতি রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান জোরদার করা হয়েছে। তারই ফলশ্রুতিতে শাকিল হোসেন পলাশকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, আদালত প্রাঙ্গণে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তবে মামলার তদন্তের স্বার্থে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও সংশ্লিষ্টতার বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বরিশাল নগরীর মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির যে কোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে। তিনি আরও বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো দলের ব্যক্তি বা গোষ্ঠী নগরীতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই।
পুলিশ জানিয়েছে, আদালত প্রাঙ্গণে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত এবং ঘটনার পেছনে কোনো বৃহত্তর পরিকল্পনা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে নিরাপত্তা ও নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।
এদিকে শাকিল হোসেন পলাশকে আটকের ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এ ঘটনায় আরও তথ্য সামনে আসতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ