১০:২৩ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ন্যায়বিচার চাওয়ার কঠিন ঘোষণা দিল ইরান।
প্রিয় নেতার মৃত্যুতে কাঁদছে পুরো দেশ। সারা তেহরান এখন লাখো মানুষের ঢল। হাতে প্রতিশোধের লাল নিশান নিয়ে তাঁরা হাজির। সবার মুখে একটাই কথা— ‘প্রতিশোধ’ সূচিত। ঠিক এমন আবেগঘন পরিবেশে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ন্যায়বিচার চাইবেই। এটি তাদের একটি দীর্ঘস্থায়ী লক্ষ্য হিসেবে থাকবে। মন্ত্রণালয়টি উল্লেখ করে আরও জানাচ্ছে, সর্বোচ্চ নেতার বিদায় অনুষ্ঠানে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আওয়াজ তুলেছেন বড় বড় নেতারা।
এটি স্পষ্টত: প্রমাণ করে খামেনি কত বড় মাপের নেতা ছিলেন এবং ইরানের মানুষ কতটা মহান। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত হন ৮৬ বছর বয়সী আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। শনিবার তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় তাঁর জানাজা শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন: ব্রাজিলে আমাজনের বন উজাড় রেকর্ড পরিমাণে কমেছে
পতাকায় মোড়ানো খামেনির কফিনের ওপর রাখা রয়েছে তার কালো পাগড়ি। সেখানে পাশেই রাখা হয়েছে হামলায় নিহত তার ১৪ মাস বয়সী নাতনিসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ছোট-বড় কফিন। মানবিক মানুষের হৈ-হল্লা ‘যুক্তরাষ্ট্র ধ্বংস হোক’ এবং ‘প্রতিশোধ’ স্লোগান দিচ্ছেন।
প্রিয় নেতাকে বিদায় জানাতে এসে স্পিকার গালিবাফসহ অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। এক যুবক হতাশ হয়ে বলেন, ‘এই ট্র্যাজেডি দেখার আগে আমার মৃত্যু হলে ভালো হতো!’ ধারণা করা হচ্ছে, আগামী তিন দিনে তেহরানে প্রায় দেড় থেকে দুই কোটি মানুষ জড়ো হবেন।
খামেনির মৃত্যুতে ইরানে মূলত একটি যুগের অবসান হয়েছে। ১৯৮৯ সালে তিনি ক্ষমতায় আসেন। তার সময়ে সামরিক বাহিনী এবং মিসাইল কর্মসূচি অনেক শক্তিশালী হয়। তার মৃত্যু জাতিকে দুর্বল না করে বরং আরও এক করেছে। ছয় দিনের এই বিদায় অনুষ্ঠান ইরান এবং ইরাকের বিভিন্ন শহরে চলবে। আগামী শুক্রবার খামেনির জন্মশহর মাশহাদে তার দাফন সম্পন্ন হবে।
আরও পড়ুন: হরমুজে পুঁতে রাখা মাইনে সুপারট্যাংকারে বিস্ফোরণ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন