০১:১৯ পি.এম
বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের বাগমারা গ্রামে এক গৃহবধূকে নির্যাতন, বসতঘরে ভাঙচুর ও টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে তাঁর শ্বশুর-শাশুড়ি ও ননদদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ চম্পা আক্তার গৌরনদী থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
ভুক্তভোগী চম্পা আক্তারের অভিযোগ, তাঁর ননদ রুমা আক্তার ও ফাহিমা আক্তার, শ্বশুর আলম ফরিয়া এবং শাশুড়ি ফুলমালা বেগম মিলে তাঁকে মারধর ও নির্যাতন করেন। তাঁর দাবি, স্বামী রুবেল ফরিয়া মালয়েশিয়া প্রবাসী। তিনি বিদেশে থেকেই যৌতুকের টাকার জন্য তাঁকে চাপ দিয়ে আসছেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় পরিবারের সদস্যরা তাঁকে নির্যাতন করেন।
চম্পা আক্তার আরও অভিযোগ করেন, তাঁর বসতঘরে ঢুকে আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়েছে। এ সময় শোকেসে রাখা ২০ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়া হয়। ভাঙচুর ও লুটপাটে তাঁর প্রায় ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
আরও পড়ুন: বিএমপি কমিশনারের উদ্যোগে পুলিশ লাইন্সের পুকুরে মৎস্যপোনা অবমুক্ত, উৎপাদন বৃদ্ধি ও পুষ্টি চাহিদা পূরণের প্রত্যাশা
ঘটনার বিষয়ে স্বামী রুবেল ফরিয়াকে মুঠোফোনে জানালে তিনি কোনো সহযোগিতা না করে বলেন, ‘তুমি যদি এগুলো সহ্য করে থাকতে পারো তাহলে থাকবে, না হলে থাকার দরকার নেই’—এমন দাবি করেছেন ভুক্তভোগী।
পরে নির্যাতনের ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর গত ১১ আগস্ট রাতে চম্পা আক্তার তাঁর বাবার বাড়িতে চলে যান।
ভুক্তভোগী ও তাঁর পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিনের নির্যাতনের কারণে চম্পা ওই বাড়িতে আর সংসার করতে পারছেন না। তাঁর পরিবারের সদস্যরা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযুক্তদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা চম্পা আক্তারের আনা অভিযোগ অস্বীকার করেন।
আরও পড়ুন: ৭নং জগদল ইউনিয়ন বিএনপির কর্মীসভা অনুষ্ঠিত, ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মীদের মূল্যায়নের দাবি
এ বিষয়ে গৌরনদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. তারিখ হাসান রাসেল বলেন, ‘আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন