মো : সুমন হাসান বাপ্পি, স্টাফ রিপোর্টার
মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:১৫ পি.এম
দুই যুগ আগে কিশোরগঞ্জে এক দোকানে ডাকাতির পর দুই জনকে হত্যার মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড পাওয়া আসামি নুর মোহাম্মদকে আত্মসমর্পণের পর কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আসামির বয়স ১০৪ বছর বলে দাবি করেছেন তার আইনজীবী।
দুই যুগ আগে কিশোরগঞ্জে এক দোকানে ডাকাতির পর দুই জনকে হত্যার মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড পাওয়া আসামি নুর মোহাম্মদকে আত্মসমর্পণের পর কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আসামির বয়স ১০৪ বছর বলে দাবি করেছেন তার আইনজীবী।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক ফারজানা ইয়াসমিনের আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে আপিলের শর্তে জামিন চান তিনি। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, অসুস্থ বিবেচনায় নিজ খরচে পরিবহনে করে কারাগারে যাওয়ার আবেদন করেন। তবে আদালত সেই আবেদনও নামঞ্জুর করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, কিশোরগঞ্জের বড় বাজার এলাকায় দোকান মালিক মো. ফেরদৌসের দোকানে ২০০০ সালের ৩০ ডিসেম্বর রাতে ডাকাতি করতে গিয়ে মোশাররফ হোসেন ও আ. কবিরকে হত্যা করা হয়। দোকানের সিন্দুক থেকে সাড়ে ১২ লাখ টাকা ও ১১০ ভরি স্বর্ণ লুট করে নিয়ে যায় ডাকাতেরা।
এ ঘটনায় ফেরদৌস কিশোরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০০২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেন কিশোরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন। এরপর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। পরে মামলাটি বিচারের জন্য কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ১৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। ২০০৩ সালের ১৬ নভেম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে হাবিবুর রহমান হাবিব, শাহ আলম, মইন উদ্দিন ওরফে মঈন উদ্দিন, নুর মোহাম্মদ, আলম, দিলু ওরফে দেলোয়ার হোসেন, শুকুর আলী ও আলতু মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
জসিম, সিদ্দিক, আমির চান, কবির ও বজলুর রহমানকে দেওয়া হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক বছরের কারাদণ্ডও দেয়া হয় তাদের। তবে মামলার বিচার চলাকালে হারিছ মিয়া মারা যান। পরে ডেথ রেফারেন্স শুনানি শেষে ২০০৭ সালের ১৯ আগস্ট উচ্চ আদালত আলমের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। অন্যান্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেন। নুর মোহাম্মদের ১০ বছরের সাজা হয়।
আজ বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পন করে আপিলের শর্তে জামিন চান নুর মোহাম্মদ। তারপক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ফয়সাল আহমেদ। শুনানিতে তিনি বলেন, তার বয়স ১০৪ বছর। স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা করতে পারেন না। তাকে নিয়মিত চিকিৎসা ও ওষুধ সেবন করতে হয়। তিনি জটিল রোগে আক্রান্ত। স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছেন। আপিলের শর্তে জামিন প্রার্থনা করছি। শুনানি নিয়ে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এ মামলায় নুর মোহাম্মদ হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। পরে আদালত থেকে জামিন নিয়ে পলাতক হন। রায়ের সময় তিনি পলাতক ছিলেন।..
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় পুলিশের পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৯ পোটলা গাঁজাসহ এক ব্যক্তিকে আটকের অভিযানে নেতৃত্ব দেন কাঠালিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জসিম উদ্দিন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কাঠালিয়া উপজেলার পশ্চিম চেঁচরী গ্রামে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন এসআই জসিম উদ্দিন। তার নেতৃত্বে এএসআই আলতাফ হোসেনসহ সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যরা অভিযান চালিয়ে ৩৯ পোটলা গাঁজাসহ মতিউর রহমান মোল্লাকে আটক করেন।
আটক মতিউর রহমান মোল্লা পশ্চিম চেঁচরী গ্রামের মৃত সুলতান মোল্লার ছেলে।
অপর একটি অভিযানে উপজেলার পশ্চিম আউড়া গ্রাম থেকে ৮ পিস ইয়াবাসহ দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। কাঠালিয়া থানার এসআই মোহনের নেতৃত্বে পরিচালিত ওই অভিযানে এএসআই আলতাফসহ পুলিশের সদস্যরা অংশ নেন।
আটকরা হলেন, পশ্চিম আউড়া গ্রামের হুমায়ুন হাওলাদারের ছেলে অন্তর হাওলাদার এবং রবের ছেলে মো. জাহিদুল ইসলাম।
পুলিশ জানিয়েছে, আটক তিনজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
কাঠালিয়া থানার এসআই জসিম উদ্দিন বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এলাকায় মাদক নির্মূলে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝালকাঠি-১ (কাঠালিয়া-রাজাপুর) আসনের গণমানুষের আস্থাভাজন নেতা ও নিউইয়র্ক মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা অসহায় মানুষের সহায়তায় আবারও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।
সম্প্রতি কাঠালিয়া উপজেলার ৪ নম্বর কাঠালিয়া সদর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডস্থ দক্ষিণ আউরা গ্রামে সাধারণ মানুষের সামাজিক ও মানবিক বিভিন্ন প্রয়োজনে তিনি ধারাবাহিকভাবে আর্থিক ও সামাজিক সাহায্য প্রদান করে যাচ্ছেন। এলাকার প্রান্তিক ও সুবিধাভোগী জনগণের যেকোনো সংকটে পাশে দাঁড়ানোকে তিনি সবসময় নিজের নৈতিক দায়িত্ব বলে মনে করেন।
এ বিষয়ে মুঠোফোনে মো. হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা জানান, "সুদূর প্রবাসে থাকলেও আমার মন-প্রাণ সবসময় কাঠালিয়া-রাজাপুরের খেটে খাওয়া মানুষের পাশেই থাকে। সাধ্যানুযায়ী এলাকার মানুষের যেকোনো দরকারে পাশে থাকতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করি। জনগণের এই প্রীতি ও ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় প্রেরণা।"
তাঁর এই মানবিক ও সহযোগিতামূলক সামাজিক উদ্যোগে কাঠালিয়া ও রাজাপুর উপজেলার সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ গভীর কৃতজ্ঞতা ও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, তাঁর এই নিঃস্বার্থ সহায়তা অনেক অসহায় ও দুস্থ পরিবারকে নতুন করে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন আগামীকাল বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এ মুলতবি ঘোষণা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেছেন, জ্ঞান, সংলাপ ও উচ্চশিক্ষার মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
আজ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে 'হোয়াট ওয়ার্ক্স ইন কাউন্টারিং ভায়োলেন্ট এক্সট্রিমিসম: টুওয়ার্ডস হিউম্যান সেন্ট্রিক অ্যান্ড এভিডেন্স বেসড পলিসিজ' শীর্ষক দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের হিট প্রজেক্টের আওতায় বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি পলিসি ল্যাব এই সম্মেলন আয়োজন করে।
হিট প্রজেক্টের সদস্য ড. ইভা সাদিয়া সা’দ-এর সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ শামসুল হক।
এর আগে সকালে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ প্রধান অতিথি হিসেবে সম্মেলন উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আবু সায়েম।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, সহিংস চরমপন্থা শুধু একটি নিরাপত্তা সমস্যা নয়, বরং এটি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের অন্তরায়। শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান আমাদের সামাজিক বিশ্বাসকে টিকিয়ে রাখে। আমরা তারুণ্যের শক্তি, বিশ্বাস, সংস্কৃতি এবং অসাধারণ বৈচিত্র্যময় বৈশিষ্ট্যপূর্ণ একটি জাতি। অন্যায়, অবিচার ও সহিংসতা প্রতিরোধ এবং প্রত্যেক নাগরিকের জন্য মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে আমাদের এই বৈশিষ্ট্যগুলো রক্ষা করতে হবে।
উপাচার্য বলেন, স্লোগানের পরিবর্তে সতর্ক গবেষণার ওপর ভিত্তি করে সামাজিক প্রতিক্রিয়াগুলো হওয়া উচিত। আমাদের প্রতিক্রিয়া অবশ্যই বিচক্ষণ, মানবিক এবং প্রমাণভিত্তিক হতে হবে। এক্ষেত্রে তরুণ সমাজ, পরিবার, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা, সামাজিক সংগঠন, সাংবাদিক, নীতিনির্ধারক এবং যারা ঝুঁকির সম্মুখীন হয়েছেন, এমন ব্যক্তিদের দৃষ্টিভঙ্গির ওপর জোর দিতে হবে। বিপজ্জনক মতাদর্শগুলোকে আকর্ষণীয় করে তোলে-এমন কারণগুলোকে চিহ্নিত করা অপরিহার্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ