বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:০২ এম
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন ঘিরে এবার আলোচনায় বাংলাদেশের জিয়া পরিবার। এই পরিবারের রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিয়েছেন, তার স্ত্রী খালেদা জিয়াও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে একই মঞ্চে বক্তব্য রেখেছেন। এবার তাদের ছেলে তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতিসংঘের সাধারণ বিতর্কে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন।
তারেক রহমান ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য দেবেন। এটি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতিসংঘে তার প্রথম ভাষণ।
বিশ্বমঞ্চে একই পরিবারের একাধিক প্রজন্মের রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধান হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ার ঘটনা বিরল হলেও একেবারে নজিরবিহীন নয়। এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও আমেরিকার বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক পরিবারে এমন উদাহরণ রয়েছে।
জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালের ২৬ আগস্ট জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একাদশ বিশেষ অধিবেশনে ভাষণ দেন। জাতিসংঘের সরকারি নথিতেও ওই ভাষণের রেকর্ড রয়েছে। সেখানে তাকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
খালেদা জিয়াও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একাধিকবার ভাষণ দিয়েছেন। ১৯৯৫ ও ২০০৫ সালের অধিবেশনের সরকারি নথিতে তার বক্তব্যের রেকর্ড রয়েছে।
স্বাধীন বাংলাদেশের পক্ষে জাতিসংঘে প্রথম ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭৪ সালে তিনি বাংলাদেশের পক্ষে সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দেন। পরে তার মেয়ে শেখ হাসিনাও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে একাধিকবার জাতিসংঘের একই মঞ্চে ভাষণ দিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের বুশ পরিবারেও বাবা ও ছেলে প্রেসিডেন্ট হিসেবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দিয়েছেন। জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ৪১তম প্রেসিডেন্ট। তিনি ১৯৮৯ থেকে ১৯৯২ সালের মধ্যে একাধিকবার জাতিসংঘে বক্তব্য দেন। তার ছেলে জর্জ ডব্লিউ বুশ ছিলেন দেশটির ৪৩তম প্রেসিডেন্ট এবং ২০০১ থেকে ২০০৮ সালের মধ্যে প্রতি বছর সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তব্য দেন।
শ্রীলঙ্কার বন্দরনায়েকে পরিবারেও রয়েছে একই ধরনের নজির। দেশটির প্রধানমন্ত্রী এস ডব্লিউ আর ডি বন্দরনায়েকে ১৯৫৬ সালে জাতিসংঘে ভাষণ দেন। তার স্ত্রী সিরিমাভো বন্দরনায়েকে বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১৯৬০ ও ১৯৭০-এর দশকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে একাধিকবার বক্তব্য রাখেন। পরে তাদের মেয়ে চন্দ্রিকা বন্দরনায়েকে কুমারাতুঙ্গা শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি হিসেবে ১৯৯০ ও ২০০০-এর দশকে জাতিসংঘের মঞ্চে ভাষণ দেন।
পাকিস্তানের ভুট্টো পরিবারেও বাবা ও মেয়ের এমন নজির রয়েছে। জুলফিকার আলী ভুট্টো পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি—দুই পরিচয়েই ১৯৬০ ও ১৯৭০-এর দশকে জাতিসংঘে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। তার মেয়ে বেনজীর ভুট্টো পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১৯৮৯ ও ১৯৯৬ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দেন।
ইন্দোনেশিয়ার সুকর্ন পরিবারেও একই ধরনের উদাহরণ রয়েছে। দেশটির প্রথম প্রেসিডেন্ট আহমদ সুকর্ন ১৯৬০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ১৫তম অধিবেশনে ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। ২০২৩ সালে ইউনেস্কো তার ওই ভাষণকে বিশ্বস্মৃতি কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত করে। পরে তার মেয়ে মেঘবতী সুকর্নপুত্রি ইন্দোনেশিয়ার পঞ্চম রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে ২০০১ থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেন।
ইন্দোনেশিয়ার জোযোহাদিকুসুমো পরিবারেও রয়েছে এমন নজির। অধ্যাপক সুমিত্রো জোযোহাদিকুসুমো দেশটির স্বাধীনতার শুরুর দিকে জাতিসংঘে ইন্দোনেশিয়ার কূটনৈতিক প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন এবং গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন। পরে তার ছেলে প্রাবোও সুবিয়ান্তো ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি হিসেবে ২০২৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৮০তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রথমবার ভাষণ দেন।
থাইল্যান্ডের শিনাওয়াত্রা পরিবারেও ভাই-বোনের জাতিসংঘের মঞ্চে উপস্থিতির নজির রয়েছে। থাকসিন শিনাওয়াত্রা প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বৈঠকে থাইল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেন। তার বোন ইংলাক শিনাওয়াত্রাও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দেন।
মালয়েশিয়ার রাজাক পরিবারেও বাবা ও ছেলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতিসংঘে বক্তব্য দিয়েছেন। তুন আবদুল রাজাক ছিলেন দেশটির দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী। তার ছেলে নাজিব রাজাক ছিলেন ষষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী। মালয়েশিয়ার সরকারি নথিতে নাজিবের ২০১০, ২০১৩ ও ২০১৪ সালের সাধারণ পরিষদের ভাষণের রেকর্ড রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যেও এমন রাজনৈতিক পরিবারের নজির রয়েছে। জর্ডানের হাশেমি রাজপরিবারের বাদশাহ হুসেইন বিন তালাল এবং তার ছেলে বর্তমান বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহ—দুজনই জাতিসংঘের মঞ্চে জর্ডানের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
কাতারের আল থানি পরিবারেও বাবা ও ছেলে আমির হিসেবে জাতিসংঘে বক্তব্য দিয়েছেন। সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানি এবং বর্তমান আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি—দুজনই বিশ্বমঞ্চে কাতারের অবস্থান তুলে ধরেছেন।
সিরিয়ার আসাদ পরিবারেও বাবা ও ছেলের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের নজির রয়েছে। হাফেজ আল-আসাদ ও তার ছেলে বাশার আল-আসাদ—দুজনই রাষ্ট্রপতি হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সিরিয়ার প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
ভারতের নেহরু-গান্ধী পরিবারেও তিন প্রজন্মের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার জাতিসংঘের মঞ্চে দেখা গেছে। ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু ১৯৪৮ ও ১৯৬০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেন। তার মেয়ে ইন্দিরা গান্ধী ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১৯৬৮ ও ১৯৮৫ সালে বক্তব্য রাখেন। পরে ইন্দিরার ছেলে রাজীব গান্ধী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১৯৮৫ ও ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন।
আফ্রিকাতেও এমন কয়েকটি রাজনৈতিক পরিবারের উদাহরণ রয়েছে। গ্যাবনের বংগো পরিবার, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের কাবিলা পরিবার এবং টোগোর নাসিংবে পরিবারে বাবা ও ছেলে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
সব মিলিয়ে, জাতিসংঘের মঞ্চে একই পরিবারের একাধিক প্রজন্মের উপস্থিতি বিশ্ব রাজনীতিতে পারিবারিক রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের একটি উল্লেখযোগ্য দিক। দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে এমন পরিবারের উদাহরণও রয়েছে। এবার জিয়া পরিবারের তৃতীয় প্রজন্ম হিসেবে তারেক রহমানের জাতিসংঘের মঞ্চে ভাষণ দেওয়ার বিষয়টি সেই তালিকায় নতুন একটি অধ্যায় যোগ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৯০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত দুটি মোটরসাইকেল ও মাদক বিক্রির নগদ অর্থ জব্দ করা হয়।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নাগেশ্বরী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বদিজামালপুর (কানিপাড়া) এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন নাগেশ্বরী থানার চামটারপাড় এলাকার মো. হেলাল উদ্দিন (৩৭) ও বিদ্যুৎপাড়া এলাকার মো. রাব্বি মিয়া (২৬)।
পুলিশ জানায়, দুপুরে নাগেশ্বরী পৌরসভার ব্রাক মোড়ে পুলিশ অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, কানিপাড়া এলাকার একটি বাসায় ইয়াবা কেনাবেচা চলছে। পরে সেখানে অভিযান চালিয়ে …
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের মদিনায় ওমরাহ পালন করতে গিয়ে মসজিদে নববী এলাকা থেকে ফরিদা খাতুন (৫০) নামের এক বাংলাদেশি নারী নিখোঁজ হয়েছেন। গত ২২ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) সৌদি সময় রাত ১২:৩০ মিনিটের পর থেকে তাঁর আর কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। নিখোঁজ নারীর পরিবার তাঁর সন্ধানে মদিনায় অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশি ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের জরুরি সহায়তা চেয়েছেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২২ সেপ্টেম্বর পরিবারের সাথে ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যান ফরিদা খাতুন। ঐ দিন রাত আনুমানিক ১২টার দিকে তিনি কাফেলার লোকজনের সঙ্গে মদিনার মসজিদে নববীতে জিয়ারত করতে যান। পরবর্তীতে রাত ১২:৩০ মিনিটের পর থেকে তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। নিখোঁজ হওয়ার সময় তাঁর পরনে সংযুক্ত ছবিতে প্রদর্শিত হিজাবটি ছিল।
নিখোঁজ নারীর পরিচয়:
নাম: ফরিদা খাতুন
স্বামীর নাম: রমজান আলী
ঠিকানা: গ্রাম: উত্তর মাঝাইর, ডাকঘর: মেরুয়াখলা, থানা: বিশ্বম্ভরপুর, জেলা: সুনামগঞ্জ, সিলেট, বাংলাদেশ।
যদি কোনো হৃদয়বান ব্যক্তি বা প্রবাসী বাংলাদেশি উক্ত নারীর সন্ধান পেয়ে থাকেন বা দেখে থাকেন, তবে অনুগ্রহ করে নিচের নম্বরগুলোতে দ্রুত যোগাযোগ করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানানো হচ্ছে:
সৌদি আরব মোবাইল নম্বর: 0572423031
WhatsApp / imo নম্বর: +8801776570230, +8801782556238
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি দেশের সব কলেজকে জরুরি নির্দেশনা প্রদান করেছে, যাতে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনে নিশ্চায়ন করা শিক্ষার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা যায়। নির্ধারিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টার মধ্যে এ ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামান স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। চিঠিটি দেশের সব কলেজের অধ্যক্ষদের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে কলেজের ইআইআইএন ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করতে হবে। এরপর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
এ সময় এফকিউ, ইকিউ-১, ইকিউ-২ ও এসকিউ কোটার প্রমাণকসহ ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাগজপত্র যথাযথভাবে যাচাই করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো কলেজ ভর্তিযোগ্য শিক্ষার্থীদের অনলাইনে ‘অ্যাডমিট’ করতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের ওই কলেজে ভর্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
চিঠিতে সতর্ক করা হয়েছে যে, পরবর্তী সময়ে এ ভর্তি নিয়ে কোনো জটিলতা তৈরি হলে এর দায় বোর্ড কর্তৃপক্ষ নেবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার ১১ নং গোহালাকান্দা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার কথা জানিয়েছেন আবু তাহের তাং (এলএলবি)। তিনি ময়মনসিংহ জজ কোর্টের আইনজীবী ও গোহালাকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি।
আবু তাহের তাং গোহালাকান্দা ইউনিয়নের ইসুবপুর গ্রামের মৃত ইসমাইল হোসেন তালুকদারের দ্বিতীয় সন্তান। ইউনিয়নের উন্নয়ন ও মানুষের সেবার লক্ষ্যেই চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন বলে জানান তিনি।
আবু তাহের বলেন, গোহালাকান্দা একটি ঐতিহ্যবাহী ও স্বনামধন্য ইউনিয়ন। নির্বাচিত হলে অতীতের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে শিক্ষা, রাস্তা-ঘাট ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রমে গুরুত্ব দিতে চান।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষার পরিবেশ উন্নত করা, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা এবং তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা ও সামাজিক কর্মকাণ্ড বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি ইউনিয়নের প্রয়োজনীয় সড়ক সংস্কার ও উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের মানুষের সমস্যা শুনে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের চেষ্টা করবেন বলেও জানান আবু তাহের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ