শাহানুর আলম, বিশ্বম্বরপুর প্রতিনিধি:
বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:০৭ এম
সৌদি আরবের মদিনায় ওমরাহ পালন করতে গিয়ে মসজিদে নববী এলাকা থেকে ফরিদা খাতুন (৫০) নামের এক বাংলাদেশি নারী নিখোঁজ হয়েছেন। গত ২২ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) সৌদি সময় রাত ১২:৩০ মিনিটের পর থেকে তাঁর আর কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। নিখোঁজ নারীর পরিবার তাঁর সন্ধানে মদিনায় অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশি ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের জরুরি সহায়তা চেয়েছেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২২ সেপ্টেম্বর পরিবারের সাথে ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যান ফরিদা খাতুন। ঐ দিন রাত আনুমানিক ১২টার দিকে তিনি কাফেলার লোকজনের সঙ্গে মদিনার মসজিদে নববীতে জিয়ারত করতে যান। পরবর্তীতে রাত ১২:৩০ মিনিটের পর থেকে তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। নিখোঁজ হওয়ার সময় তাঁর পরনে সংযুক্ত ছবিতে প্রদর্শিত হিজাবটি ছিল।
নিখোঁজ নারীর পরিচয়:
নাম: ফরিদা খাতুন
স্বামীর নাম: রমজান আলী
ঠিকানা: গ্রাম: উত্তর মাঝাইর, ডাকঘর: মেরুয়াখলা, থানা: বিশ্বম্ভরপুর, জেলা: সুনামগঞ্জ, সিলেট, বাংলাদেশ।
যদি কোনো হৃদয়বান ব্যক্তি বা প্রবাসী বাংলাদেশি উক্ত নারীর সন্ধান পেয়ে থাকেন বা দেখে থাকেন, তবে অনুগ্রহ করে নিচের নম্বরগুলোতে দ্রুত যোগাযোগ করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানানো হচ্ছে:
সৌদি আরব মোবাইল নম্বর: 0572423031
WhatsApp / imo নম্বর: +8801776570230, +8801782556238
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি দেশের সব কলেজকে জরুরি নির্দেশনা প্রদান করেছে, যাতে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনে নিশ্চায়ন করা শিক্ষার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা যায়। নির্ধারিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টার মধ্যে এ ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামান স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। চিঠিটি দেশের সব কলেজের অধ্যক্ষদের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে কলেজের ইআইআইএন ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করতে হবে। এরপর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
এ সময় এফকিউ, ইকিউ-১, ইকিউ-২ ও এসকিউ কোটার প্রমাণকসহ ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাগজপত্র যথাযথভাবে যাচাই করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো কলেজ ভর্তিযোগ্য শিক্ষার্থীদের অনলাইনে ‘অ্যাডমিট’ করতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের ওই কলেজে ভর্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
চিঠিতে সতর্ক করা হয়েছে যে, পরবর্তী সময়ে এ ভর্তি নিয়ে কোনো জটিলতা তৈরি হলে এর দায় বোর্ড কর্তৃপক্ষ নেবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার ১১ নং গোহালাকান্দা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার কথা জানিয়েছেন আবু তাহের তাং (এলএলবি)। তিনি ময়মনসিংহ জজ কোর্টের আইনজীবী ও গোহালাকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি।
আবু তাহের তাং গোহালাকান্দা ইউনিয়নের ইসুবপুর গ্রামের মৃত ইসমাইল হোসেন তালুকদারের দ্বিতীয় সন্তান। ইউনিয়নের উন্নয়ন ও মানুষের সেবার লক্ষ্যেই চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন বলে জানান তিনি।
আবু তাহের বলেন, গোহালাকান্দা একটি ঐতিহ্যবাহী ও স্বনামধন্য ইউনিয়ন। নির্বাচিত হলে অতীতের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে শিক্ষা, রাস্তা-ঘাট ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রমে গুরুত্ব দিতে চান।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষার পরিবেশ উন্নত করা, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা এবং তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা ও সামাজিক কর্মকাণ্ড বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি ইউনিয়নের প্রয়োজনীয় সড়ক সংস্কার ও উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের মানুষের সমস্যা শুনে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের চেষ্টা করবেন বলেও জানান আবু তাহের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য মো. সিদ্দিকুর রহমান ও তার স্ত্রী লিপি বেগম হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় সিদ্দিকুর রহমান বাদী হয়ে গোলাম কুদ্দুসসহ ১২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে আলফাডাঙ্গা থানায় এজাহার দিয়েছেন।
সিদ্দিকুর রহমান জানান, জমি দখলের উদ্দেশ্যে তার চাচাতো ভাই গোলাম কুদ্দুসের নেতৃত্বে পরিবারের অন্যান্য সদস্যসহ অন্তত ১৫ জন লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তার দখলীয় জমিতে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা টিনের বেড়া ও দোকানঘর ভাঙচুর শুরু করলে তিনি বাধা দেন। এতে তাকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে হামলাকারীরা তাদের বসতবাড়িতেও প্রবেশ করে ভাঙচুর করেন। এ সময় স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকাসহ কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন সিদ্দিকুর রহমান।
সিদ্দিকুর রহমানের স্ত্রী লিপি বেগম বলেন, স্বামীকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে হামলাকারীরা আমাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে।
পরে প্রতিবেশীরা আহত স্বামী-স্ত্রীকে উদ্ধার করে আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত গোলাম কুদ্দুসের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল সরোয়ার বলেন, ঘটনার বিষয়ে একটি এজাহার পেয়েছি। অভিযোগগুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তরের (এনএসআই) সামরিক ও অসামরিক কর্মচারীদের বিশেষ ভাতা ২০ শতাংশ বাড়িয়েছে সরকার। জাতীয় বেতনস্কেলের আওতাভুক্ত এনএসআইয়ের সব স্তরের কর্মচারী এ সুবিধার আওতায় থাকবেন।
এ সংক্রান্ত গেজেট জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের প্রবিধি অনুবিভাগের প্রবিধি-৪ শাখা। ১৭ সেপ্টেম্বর জারি করা গেজেটটি বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) প্রকাশ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এতে স্বাক্ষর করেছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের যুগ্মসচিব ড. মো. ফেরদৌস আলম।
গেজেটে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ৩০ জুন এনএসআইয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মচারীরা বিশেষ ভাতা হিসেবে যে পরিমাণ অর্থ পেতেন, তার সঙ্গে ২০ শতাংশ যোগ করে নতুন ভাতার পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে। তবে বর্ধিত হারে এ ভাতা কার্যকর হবে ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে।
ফলে ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এনএসআই কর্মচারীরা আগের নিয়মেই বিশেষ ভাতা পাবেন। এ সময় অর্থ বিভাগের ২০১৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর জারি করা স্মারক অনুযায়ী তাদের ভাতা দেওয়া হবে।
গেজেটে আরও বলা হয়েছে, জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬ অনুযায়ী মূল বেতনের নির্দিষ্ট শতাংশ হিসেবে এনএসআই কর্মীদের বিশেষ ভাতা নির্ধারণ করা হবে না। অর্থাৎ নতুন পে-স্কেলে মূল বেতন বাড়লেও তার কোনো নির্দিষ্ট শতাংশ ধরে এ ভাতা নির্ধারণ করা হবে না।
প্রেষণে নিয়োজিত কর্মচারীদের জন্যও বিশেষ শর্ত রাখা হয়েছে। কোনো কর্মচারী প্রেষণে থেকে এনএসআইয়ের বিশেষ ভাতা গ্রহণ করলে তিনি নিজ নিজ বাহিনীর জন্য নির্ধারিত ঝুঁকি ভাতা, বিশেষ ভাতা অথবা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রতিরক্ষা সার্ভিস ভাতা পাবেন না।
গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬ সালের ৩০ জুন প্রচলিত বিশেষ ভাতার পরিমাণকে ভিত্তি ধরেই ২০ শতাংশ বৃদ্ধি নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন বর্ধিত হারে ভাতা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ