১০:৫০ এম
ইরান সমর্থিত হুথিদের বিরুদ্ধে গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৩৬টি সামরিক অভিযান পরিচালিত হয়েছে, এমন তথ্য জানিয়েছে ইয়েমেনের পশ্চিমা সমর্থিত সরকার। এই অভিযানে ৩০৭ জন হুথি যোদ্ধা ও কমান্ডার হতাহত হওয়ার দাবি করা হয়েছে। এ সময় ৬৮টি সামরিক যান ও অস্ত্র ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
শনিবার ইয়েমেন সেনাবাহিনী এই তথ্য প্রকাশ করে। তারা জানায়, ‘ডন অব ইয়েমেন’ অভিযানের আওতায় এসব হামলা চালানো হয়েছে।
পশ্চিমা সমর্থিত সেনাবাহিনীর একটি বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, অভিযানে হুথিদের কমান্ড সেন্টার, সেনা সমাবেশ, অতিরিক্ত সেনা ও রসদ সরবরাহকারী বহর, অস্ত্রের গুদাম এবং সরবরাহপথ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। তবে, ৩০৭ জনের মধ্যে কতজন নিহত এবং কতজন আহত হয়েছেন, সে সম্পর্কে সেনাবাহিনী কোনো স্পষ্টতা দেয়নি। হুথিদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত শেষ হলেও জ্বালানি সংকট অব্যাহত থাকবে: আইইএ প্রধান
ইয়েমেনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় তাইজ প্রদেশে সেনাবাহিনী একটি কমান্ড সেন্টার, ভারী অস্ত্রের অবস্থান এবং একটি পরিত্যক্ত হোটেলে থাকা অস্ত্রের গুদামে হামলা চালানোর কথা জানায়।
সেনাবাহিনীর অভিযোগ, হুথিরা হোটেলটিকে পর্যবেক্ষণকেন্দ্র ও গোলাবর্ষণের স্থান হিসেবে ব্যবহার করছিল। এভাবে আবাসিক এলাকাগুলোকে হুমকির মুখে রাখা এবং তাইজ শহরের ওপর অবরোধ বজায় রাখার চেষ্টা করা হচ্ছিল। সরকারি বাহিনী ওই এলাকা থেকে গোলাবর্ষণ বন্ধ করতে অভিযান পরিচালনা করেছে বলেও জানানো হয়।
তাইজে সংঘর্ষ এখনও অব্যাহত রয়েছে। শহরের কেন্দ্রস্থল সরকারি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে গ্রামীণ ও উপকূলীয় এলাকায় হুথিরা অগ্রগতি অর্জন করেছে।
২০১৪ সালে হুথি বিদ্রোহীরা রাজধানী সানা ও দেশের আরও কয়েকটি প্রদেশ দখল করার পর থেকে ইয়েমেনে সংঘাত চলছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারকে সমর্থন দিতে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট সামরিক হস্তক্ষেপ করে।
আরও পড়ুন: পিরোজপুরে লাশ দাফনে বাধা, নাহিদ ইসলামের নিন্দা ও ইনসাফের আহ্বান
বর্তমানে ইয়েমেনের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা হুথিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অন্যদিকে, সরকারি বাহিনী ও তাদের মিত্ররা দক্ষিণের এডেন এবং পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে।
সূত্র: আনাদোলু
আরএ
আরও পড়ুন: মিসরের পার্লামেন্ট সৌদিকে সামরিক সহায়তা দিতে অনুমোদন করেছে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন