ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

কক্সবাজারে পুলিশের দপ্তর পরিদর্শন করলেন ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী


কক্সবাজারে পুলিশের দপ্তর পরিদর্শন করলেন ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী

কক্সবাজারে পুলিশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর ও কার্যালয়ের কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, পিপিএম।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) এই পরিদর্শনে তিনি কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয় (সদর সার্কেল), কক্সবাজার সদর মডেল থানা, জেলা ট্রাফিক অফিস, সদর কোর্ট এবং পুলিশ লাইন্সের বিভিন্ন দপ্তর ঘুরে দেখেন।

ডিআইজি সদর সার্কেলের কার্যালয়, থানা ও ট্রাফিক অফিসের সার্বিক কার্যক্রম, দাপ্তরিক নথিপত্র, বিভিন্ন রেজিস্টার ও ব্যবস্থাপনা খতিয়ে দেখেন। পরিদর্শনের সময় তিনি জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ দমন, মামলা তদন্ত, পুলিশি সেবা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং আদালতকেন্দ্রিক পুলিশি কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় মাটি খুঁড়তে গিয়ে মিলল অবিস্ফোরিত মর্টার শেল

এছাড়া, তিনি পুলিশ লাইন্সের রিজার্ভ অফিস, অস্ত্রাগার, ক্লথিং স্টোর, ডি-স্টোর ও রেশন স্টোর পরিদর্শন করেন। এসব দপ্তরে প্রশাসনিক কার্যক্রম, অস্ত্র ও গোলাবারুদ সংরক্ষণ, সরকারি মালামাল সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনা এবং রেশনসামগ্রীর মজুত ও বিতরণ কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন তিনি।

ডিআইজি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে পেশাদারত্ব, শৃঙ্খলা, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে সরকারি সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং সাধারণ মানুষকে মানসম্মত পুলিশি সেবা প্রদানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ.এন.এম. সাজেদুর রহমান, পিপিএম-সেবাসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: বান্দরবানে গ্রাম পুলিশ সদস্যদের মাসব্যাপী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ শুরু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশিয়ার শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ড্রোন হামলার দাবি, ইউক্রেনের তেল শোধনাগারে আঘাতের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২৬ পি.এম


রাশিয়ার শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ড্রোন হামলার দাবি, ইউক্রেনের তেল শোধনাগারে আঘাতের অভিযোগ

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : রাশিয়ার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মস্কোর পূর্বাঞ্চলে একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে।

রোববার রাশিয়ার পক্ষ থেকে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

এর আগে ইউক্রেন দাবি করেছিল যে, তারা রাশিয়ার একটি বড় তেল শোধনাগারে হামলা চালিয়েছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

রাশিয়ার নিঝনি নভগোরোদ অঞ্চলের গভর্নর গ্লেব নিকিতিন এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ওই অঞ্চলে রাতভর ও রোববার সকালে ব্যাপক ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এ সময় শতাধিক ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে কস্তোভো জেলার একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়েছে।

তবে গভর্নর ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বা এটি কী ধরনের শিল্পকারখানা, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজস্থানে বিষাক্ত মার্বেল বর্জ্যের স্থান এখন পর্যটনকেন্দ্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২৭ পি.এম


রাজস্থানে বিষাক্ত মার্বেল বর্জ্যের স্থান এখন পর্যটনকেন্দ্র

ভারতের রাজস্থানের কিশানগড়ে মার্বেল শিল্পের বর্জ্য ফেলার একটি বিশাল এলাকা বর্তমানে পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। সাদা বর্জ্যের পাহাড় এবং নীল পানির কৃত্রিম জলাশয় দেখতে প্রতিদিন সেখানে শত শত মানুষ ভিড় করছেন। পর্যটকেরা মন্তব্য করছেন যে, জায়গাটি কাশ্মীরের মতো দেখতে। নবদম্পতি ও হবু দম্পতিরা সেখানে ছবি তুলছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাবকেরা সেখানে ভিডিও তৈরি করছেন। এমনকি সিনেমা ও গানের দৃশ্য ধারণের জন্যও জায়গাটি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তবে এই সৌন্দর্যের আড়ালে রয়েছে ভয়াবহ পরিবেশদূষণ। বর্জ্যের ধুলায় আশপাশের গ্রামের মানুষের শ্বাসকষ্ট, ত্বকের সমস্যা ও অন্যান্য রোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাটি ও ভূগর্ভস্থ পানি দূষিত হচ্ছে।

রাজস্থানের আজমের জেলার কিশানগড় শহরে প্রায় ৩০০ একর (১২১ হেক্টর) জায়গায় মার্বেল শিল্পের বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে জায়গাটির নাম ‘স্নো ইয়ার্ড’। এটি এশিয়ার সবচেয়ে বড় মার্বেল বর্জ্য ফেলার স্থান। সাদা বর্জ্যের পাহাড় এবং পানি জমে থাকা গর্তগুলো দূর থেকে বরফে ঢাকা প্রাকৃতিক দৃশ্যের মতো মনে হয়। দর্শনার্থীদের জন্য প্রবেশের ক্ষেত্রে কোনো ফি দিতে হয় না।

নবদম্পতিরা সাদা পাহাড়ের সামনে এবং নীল কৃত্রিম জলাশয়ের পাশে ছবি তুলছেন। হবু দম্পতিরাও বিয়ের আগে ছবি তোলার আয়োজন করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাবকেরা সেখানে গিয়ে ভিডিও তৈরি করছেন। নিয়মিত গানের ভিডিও ও সিনেমার শুটিংও হচ্ছে।

উত্তর প্রদেশের ব্যবসায়ী সেলিম শাহজাদা আলজাজিরাকে বলেন, “আমার পাঁচ বছর বয়সি ভাগনি থেকে শুরু করে মা—সবাই জায়গাটি খুব পছন্দ করেছেন। তাদের প্রথম প্রতিক্রিয়া ছিল, জায়গাটি দেখতে কাশ্মীরের মতো।”

শাহজাদা জানান, তিনি আগেও কয়েকবার সেখানে গিয়েছেন। এবার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এসেছেন। তবে ভাগাড়টির কারণে তৈরি হওয়া স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত সমস্যার বিষয়ে তার ধারণা ছিল না।

তিনি বলেন, “এই জায়গা সম্পর্কে বা এর ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে আমার তেমন কিছু জানা নেই। শুধু জানি, এখানে মার্বেল কাটার বর্জ্য ফেলা হয় এবং পাহাড়টি ওই বর্জ্য দিয়েই তৈরি।”

ভাগাড় থেকে মাত্র ৬ কিলোমিটার দূরে ভোগিয়াওয়াস গ্রাম অবস্থিত। সেখানে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ বসবাস করেন। তাঁদের মধ্যে একজন ৫৩ বছর বয়সি বাগারাম গুর্জর। নিজের ভুট্টাখেতে আগাছা পরিষ্কার করার সময় পাশেই তার স্ত্রীর কাশির শব্দ শুনে তিনি অস্থির হয়ে পড়েন।

গুর্জর বলেন, “মাটির ওপর ধুলা জমলে সবকিছু নষ্ট হয়ে যায়।”

তার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে কাশিতে ভুগছেন। কাশির ফাঁকে তিনি বলেন, “ঈশ্বর যেন সব ঠিক করে দেন। তা না হলে ফসল ফলানো কঠিন হয়ে পড়ে।”

মার্বেল ও গ্রানাইট শিল্পের বড় কেন্দ্র কিশানগড়ে প্রায় ১ হাজার ২০০টি প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা রয়েছে। ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান গ্রানাইট অ্যান্ড স্টোন ইন্ডাস্ট্রির তথ্য অনুযায়ী, এসব কারখানায় প্রতিদিন মোট ১৬ কোটি রুপির (প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ ডলার) বেশি ব্যবসা হয়। এ শিল্পে কাজ করেন প্রায় ২৫ হাজার মানুষ।

প্রতিদিন এসব কারখানা থেকে প্রায় এক হাজার ট্যাংকারে করে মার্বেল বর্জ্যের তরল মিশ্রণ বা স্লারি এনে সরকারি নির্ধারিত ভাগাড়ে ফেলা হয়। সেখানে প্রতিদিন প্রায় ৫ হাজার ৫০০ টন বর্জ্য জমা হয়। আশপাশের বাসিন্দাদের জন্য এই ভাগাড় এখন স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে উঠেছে।

বাগারাম গুর্জরের ভাষ্য, ভাগাড়টির কারণে অন্তত ছয়টি গ্রামের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তিনি বলেন, “কত সমস্যার কথা আর বলব? এক–দুটি সমস্যা হলে হয়তো সামাল দেওয়া যেত। কিন্তু এই ভাগাড়ের কারণে প্রায় সবকিছুতেই সমস্যা হচ্ছে। আমার মতো মানুষ বুকে সংক্রমণ, দাঁতের সমস্যা ও ত্বকের অ্যালার্জিতে ভুগছেন। শিশু হোক বা বৃদ্ধ—কেউই বাদ যাচ্ছেন না।”

গুর্জর জানান, বুকের সংক্রমণ ও ত্বকের সমস্যার কারণে তাকে এবং তার স্ত্রীকে নিয়মিত ওষুধ খেতে হয়।

আজমেরের গঙ্গা নারায়ণ হাসপাতালের সাধারণ চিকিৎসক অদিতি গোয়াল বলেন, কিশানগড়ের বাসিন্দারা বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন। এর মধ্যে শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা ও ত্বকের রোগ প্রধান। মার্বেল প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানার শ্রমিকেরা দীর্ঘ সময় বিষাক্ত ধুলার সংস্পর্শে থাকায় দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে বেশি থাকেন।

অদিতি গোয়াল আলজাজিরাকে বলেন, “গত কয়েক বছরে এই এলাকায় শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার রোগী উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। কারণ, মানুষ ভাগাড় থেকে ছড়িয়ে পড়া ধুলার সংস্পর্শে আসছেন।”

তবে শিল্পবর্জ্যের ধুলাই একমাত্র সমস্যা নয় বলে জানান এই চিকিৎসক। তার ভাষ্য, কিশানগড়ের বেশির ভাগ মানুষ কৃষিকাজ করেন। মাটি থেকে উড়ে আসা ধুলার কারণেও তারা সংক্রমণে আক্রান্ত হন। ধুলা থেকে সুরক্ষায় তিনি বাসিন্দাদের মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন।

ভাগাড়ের ধুলা আশপাশের কৃষিজমিতেও জমছে। এতে মাটি শক্ত হয়ে যাচ্ছে। ফলে জমিতে ফসল ফলানো কঠিন হয়ে পড়ছে।

রাজস্থানের কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক লক্ষ্মীকান্ত শর্মার নেতৃত্বে পরিচালিত এক গবেষণায় কিশানগড়ের মাটিতে সিসা সিলিকেটের উপস্থিতি স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি পাওয়া গেছে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, এটি মাটিতে মারাত্মক দূষণের ইঙ্গিত দেয়।

গবেষণায় আরো বলা হয়, বর্জ্যের কণাগুলোর আকার ৭৫ মাইক্রোমিটারের চেয়ে ছোট। এ কারণে সেগুলো বাতাসে অনেক দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং মাটির উর্বরতা নষ্ট করতে পারে। এ ছাড়া বাতাসে পিএম ২.৫ কণার ঘনত্বও পরিবেশের বায়ুমানের নির্ধারিত সীমা ছাড়িয়ে গেছে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, এলাকার অনেক মানুষ সিলিকোসিসে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আগেই সরকারকে জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে।

ভোগিয়াওয়াস গ্রামের আরেক বাসিন্দা ৬৫ বছর বয়সি উগাম সিংয়ের স্মৃতিতে একসময়কার কিশানগড় ছিল ভিন্ন রকম।

তার ভাষ্য, বছরের পর বছর মার্বেল বর্জ্যের স্লারি ফেলার কারণে ধীরে ধীরে এলাকার পরিবেশ ও মানুষের জীবন বদলে গেছে।

উগাম সিং বলেন, “এখন পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়েছে যে ভূগর্ভস্থ পানিও আর পান করার উপযোগী নেই।”

তার দাবি, পানিতে ফ্লুরাইডের মাত্রা এত বেশি যে পানির স্বাদ নোনতা লাগে। তিনি নিজের দাঁত দেখিয়ে বলেন, দাঁত ক্ষয়ে যাচ্ছে এবং হাড় দুর্বল হয়ে পড়েছে। তার দাঁতগুলো ফ্যাকাশে, ক্ষয়প্রাপ্ত ও এবড়োখেবড়ো দেখাচ্ছিল।

সিং জানান, ভাগাড়ের আশপাশের গ্রামের বাসিন্দারা রাজস্থান রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদসহ (আরএসপিসিবি) বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেছেন। কিন্তু তাদের আবেদনে কোনো সাড়া মেলেনি।

তিনি বলেন, “আমি বুঝতে পেরেছি, ক্ষমতায় যে সরকারই থাকুক না কেন, গরিব মানুষের কথা কেউ শোনে না। ধনীদের আরো ধনী করতে সরকার আমাদের মতো মানুষের স্বার্থ বিসর্জন দেয়। মনে হয়, আমাদের জীবনের কোনো মূল্য নেই।”

সিংয়ের কথায়, “এখনো আমাদের একটাই দাবি—মার্বেল বর্জ্য ফেলা বন্ধ করা হোক। আমরা আবার মুক্তভাবে শ্বাস নিতে চাই। আমাদের জমিগুলো আবার সবুজ ও উর্বর হয়ে উঠুক।”

ভাগাড়ের আশপাশের সব গ্রামের বাসিন্দাদের যথাযথভাবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হলে প্রায় প্রতিটি পরিবারেই হাঁপানির মতো শ্বাসতন্ত্রের রোগে আক্রান্ত কাউকে পাওয়া যাবে বলেও দাবি করেন সিং।

গত বছর স্থানীয় পরিবেশকর্মী দ্রুপদ মালিক কিশানগড়ের ভাগাড়ের স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে জাতীয় পরিবেশ আদালতে (এনজিটি) মামলা করেন। আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, নিয়ন্ত্রণহীনভাবে মার্বেল স্লারি ফেলার কারণে ভূগর্ভস্থ পানি ও বায়ু দূষিত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে রাজস্থান রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদকে নিয়মিত নজরদারি, নমুনা পরীক্ষা এবং পরিবেশবিধি লঙ্ঘনকারী মার্বেল প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানার বিরুদ্ধে জরিমানা আরোপের নির্দেশ দেন আদালত।

এ বিষয়ে কথা বলতে আলজাজিরা কিশানগড়ে রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের আঞ্চলিক কার্যালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। তবে তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।

কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শর্মা মনে করেন, কিশানগড়ের ভাগাড়ের আশপাশের এলাকাগুলো মানুষের বসবাসের অনুপযোগী।

তিনি জানান, তার গবেষণার ফলাফল রাজ্য কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু এলাকার পরিবেশের উন্নয়নে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

শর্মা আলজাজিরাকে বলেন, “মানুষের সংস্পর্শের বাইরে অন্য কোথাও এই ভাগাড় সরিয়ে নেওয়া জরুরি। এলাকাটি অত্যন্ত বিষাক্ত হয়ে উঠেছে। এখানে গুরুতর রোগের ঝুঁকিও অনেক বেশি। আমার অবাক লাগে, মানুষকে মাস্ক ছাড়াই এখানে ঘুরতে এবং এমনকি খাবার খেতেও দেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আরো বলেন, মার্বেল স্লারি ব্যবহার করে টাইলস তৈরি করা যায়। এ জন্য টাইলস তৈরির কারখানা স্থাপনের পরামর্শসহ বেশ কয়েকটি প্রস্তাব তিনি দিয়েছেন।

তার মতে, এতে কিশানগড়ের দূষণ কিছুটা কমানো সম্ভব হতে পারে।

ভোগিয়াওয়াস থেকে গাড়িতে প্রায় ১৫ মিনিটের দূরত্বে তোকারা গ্রাম। সেখানকার বাসিন্দা রাম লালও মার্বেল বর্জ্য ফেলার জন্য বিকল্প জায়গা নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন।

রাম লাল আলজাজিরাকে বলেন, “কিশানগড় এখন স্লারিতে ভরে গেছে। তাই ভাগাড়টি এখান থেকে সরিয়ে এমন কোথাও নেওয়ার সময় এসেছে, যেখানে অন্তত আগামী দুই থেকে তিন দশক কেউ এর কারণে ভুগবে না।”

তিনি আরো বলেন, বছরের পর বছর ধরে বাতাসে উড়ে বেড়ানো এবং ঘরের আশপাশে জমে থাকা সূক্ষ্ম ধুলার কারণে যাদের স্বাস্থ্যের অবনতি হয়েছে, তাদের অবস্থা যাচাই করতে বিনা মূল্যে চিকিৎসাশিবির আয়োজনের দাবি জানাচ্ছেন তারা।

রাম লালের কথায়, “আমাদের গ্রামের কারো পক্ষে এমন কোনো রোগের চিকিৎসার খরচ বহন করা সম্ভব নয়, যাতে হাজার হাজার রুপি ব্যয় হয়।”

এএম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের স্লোগান দেওয়ার পর ৪ সদস্য আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২৮ পি.এম


কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের স্লোগান দেওয়ার পর ৪ সদস্য আটক

কুমিল্লায় দেশীয় অস্ত্র হাতে নিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের স্লোগান দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ‘এসবিএস’ গ্রুপের তিন সদস্য এবং ‘সিটিজি’ গ্রুপের একজন সদস্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টার দিকে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার উনাইসার এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে সদর দক্ষিণ মডেল থানা পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। রবিবার (১ নভেম্বর) সকাল ১১টার দিকে কুমিল্লা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গ্রেপ্তার কিশোর গ্যাং সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন—হবিগঞ্জ সদর উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের লোকমান হোসেনের ছেলে ইয়াছিন আহমেদ আকাশ (১৭), বরুড়া উপজেলার এগারো গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মো. শাওন (১৯), নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার মাছিমপুর গ্রামের কালা মিয়ার ছেলে মো. হাবিব (১৭) এবং কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ফারবাইন মসজিদবাড়ি এলাকার মনির হোসেনের ছেলে মো. হাবিব (১৭)।

গ্রেপ্তার চারজনের মধ্যে ইয়াছিন আহমেদ আকাশ, হাবিব-১ ও হাবিব-২ ‘এসবিএস’ গ্রুপের সদস্য। অপরদিকে শাওন ‘সিটিজি’ গ্রুপের অ্যাডমিন হিসেবে পরিচিত। তারা কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার উনাইসার এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন আগে ১৫ থেকে ২০ জন কিশোর দেশীয় অস্ত্র হাতে নিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের নামে স্লোগান দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটিতে দেখা যায়, এক কিশোর স্লোগান দিচ্ছে ‘অ দেশে কোন গ্যাং আছে রে?’ এরপর অন্য কিশোরেরা দেশীয় অস্ত্র উঁচিয়ে ‘এসবিএস’ নামে স্লোগান দিতে থাকে। ১২ সেকেন্ডের ভিডিওটি মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।

কুমিল্লা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিশোর গ্যাং সদস্যদের একটি ভিডিওটি আমাদের নজরে আসার পর পুলিশের একাধিক টিম অভিযান চালিয়ে দুই কিশোর গ্যাং গ্রুপের চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি যারা তাদেরও আটক করার চেষ্টা চলছে। গ্রেপ্তারদের দুপুরে আদালতে সোপর্দ করার প্রস্তুতি চলছে। এই চার কিশোর গ্যাং সদস্য নিয়মিত অভিযানে আরও ১৯৩ জনকে আটক করা হয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জমে উঠল ফাইনালের লড়াই, বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২৮ পি.এম


জমে উঠল ফাইনালের লড়াই, বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়

আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ডব্লিউটিসি) ২০২৫-২০২৭ চক্রের ফাইনালে এখনও কোনো দল নিজেদের টিকিট নিশ্চিত করতে পারেনি, তবে সম্প্রতি ক্রিকেট মাঠে ঘটে যাওয়া কিছু রোমাঞ্চকর ফলাফল ফাইনালের লড়াইকে দারুণভাবে জমিয়ে তুলেছে। এক দিনের ব্যবধানে অনুষ্ঠিত দুটি বড় ম্যাচের ফলাফল এবং পয়েন্ট টেবিলের পরিবর্তনের কারণে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দলগুলো এখন নতুন সমীকরণের সম্মুখীন হয়েছে।

শনিবার ঘরের মাঠে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়াকে ১৭৬ রানের ব্যবধানে পরাজিত করেছে। এই দারুণ জয়ের ফলে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নেওয়ার পাশাপাশি আইসিসি টেস্ট র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থানও নিজেদের দখলে নিয়েছে প্রোটিয়ারা। বর্তমানে ১২৪ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষে অবস্থান করছে, আর ১২২ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে অস্ট্রেলিয়া দুই নম্বরে নেমে গেছে।

অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকার এই ঐতিহাসিক জয়ের ঠিক আগে ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৮ উইকেটে হেরে বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। একদিনের ব্যবধানে হওয়া এই দুটি টেস্টের ফলের পর বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় এসেছে বড় ধরনের পরিবর্তন। অস্ট্রেলিয়ার হারের সুবাদে নিউজিল্যান্ড পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে এসেছে।

বর্তমানে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ৯টি দলের মধ্যে আর মাত্র ১০টি টেস্ট সিরিজ বাকি রয়েছে। ফলে ফাইনালে ওঠার চূড়ান্ত লড়াইয়ে টিকে থাকতে প্রতিটি দলের জন্য বাকি ম্যাচগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এক নজরে দেখা যাক ডব্লিউটিসি পয়েন্ট টেবিলের বর্তমান পরিস্থিতি ও দলগুলোর ফাইনালে ওঠার সমীকরণ:

১. নিউজিল্যান্ড

বাকি ম্যাচ: ভারত (২ টেস্ট, ঘরের মাঠে), অস্ট্রেলিয়া (৪ টেস্ট, অস্ট্রেলিয়ায়), শ্রীলঙ্কা (২ টেস্ট, ঘরের মাঠে), পাকিস্তান (২ টেস্ট, পাকিস্তানে)।

কেপটাউনে অস্ট্রেলিয়ার হারের পর ৭২.২২ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে এসেছে নিউজিল্যান্ড। এই চক্রে তাদের সামনে বাকি আছে আর ১০টি টেস্ট। যদি তারা ছয়টি ম্যাচ জিততে পারে, তবে তাদের পয়েন্ট দাঁড়াবে ৬৪.৬ শতাংশে, যা ফাইনাল খেলার জন্য যথেষ্ট নাও হতে পারে।

তবে সাতটি জয় ও তিনটিতে হার নিয়ে যদি তারা এই চক্র শেষ করতে পারে, তবে পয়েন্ট হবে ৭০.৮৩ শতাংশ, যা ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনাকে বহুগুণ জোরালো করবে। বিশেষ করে ঘরের মাঠে ভারতের বিপক্ষে দুটি এবং শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুটি টেস্ট সিরিজ তাদের ভাগ্য নির্ধারণে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখবে।

২. দক্ষিণ আফ্রিকা

বাকি ম্যাচ: বাংলাদেশ (২ টেস্ট, ঘরের মাঠে), ইংল্যান্ড (৩ টেস্ট, ঘরের মাঠে), শ্রীলঙ্কা (২ টেস্ট, শ্রীলঙ্কায়)।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত সিরিজ জয়ে ফাইনালের দৌড়ে বেশ শক্ত অবস্থানে উঠে এসেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ৭১.৪২ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুই নম্বরে অবস্থান করছে প্রোটিয়ারা।

দক্ষিণ আফ্রিকার বাকি সাত ম্যাচের পাঁচটিই অনুষ্ঠিত হবে নিজেদের মাটিতে। বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন হোম সিরিজে যদি তারা সব ম্যাচ জিততে পারে, তবে টেম্বা বাভুমার দলের পয়েন্ট ৭১.৪২ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতে পারে। তবে যদি তারা বাকি ম্যাচগুলোর মধ্যে কেবল চারটি জেতে, তবে পয়েন্ট দাঁড়াবে ৬৪.২৮ শতাংশে, যা ফাইনালের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

৩. অস্ট্রেলিয়া

বাকি ম্যাচ: নিউজিল্যান্ড (৪ টেস্ট, ঘরের মাঠে), ভারত (৫ টেস্ট, ভারতে)।

দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাওয়ার আগে ১০ ম্যাচের আটটিতে জয় ও দুটিতে হার নিয়ে ৮০ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার শীর্ষে ছিল অস্ট্রেলিয়া। তবে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে টানা দুই হারে এই চক্রে প্রথমবারের মতো শীর্ষ দুইয়ের বাইরে ছিটকে গেছে তারা।

বর্তমানে ৬৯.২৩ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার তিন নম্বরে নেমে গেছে অস্ট্রেলিয়া। বাকি নয়টি টেস্টের মধ্যে অন্তত ছয়টিতে জয় পেলে তাদের পয়েন্ট ৬৭.২ শতাংশ হবে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে এবং ২০২৭ সালের শুরুতে ভারতের বিপক্ষে ৫ টেস্টের কঠিন সিরিজটি তাদের জন্য বড় পরীক্ষা হতে যাচ্ছে। তবে চারটিতে জয় ও কয়েকটি ড্র নিয়েও তারা ফাইনালে খেলার রেসে টিকে থাকতে পারে।

৪. ভারত

বাকি ম্যাচ: নিউজিল্যান্ড (২ টেস্ট, নিউজিল্যান্ডে), অস্ট্রেলিয়া (৫ টেস্ট, ঘরের মাঠে)।

কলম্বোয় ম্যাচ ড্র করার পর ৫১.৫২ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চতুর্থ স্থানে রয়েছে ভারত। বাকি থাকা সাতটি টেস্টের সবকটিতে জিতলে তাদের পয়েন্ট গিয়ে ঠেকবে ৭০.৩৭ শতাংশে। এমনকি ছয়টিতে জিতলেও তা বেড়ে দাঁড়াবে ৬৫ শতাংশে।

তবে যদি পাঁচটিতে জয় ও একটি ড্র নিয়ে তারা আসর শেষ করে, তবে তাদের তাকিয়ে থাকতে হবে অন্যান্য দলগুলোর ফলাফলের দিকে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তাদের মাঠে যদি ০-২ ব্যবধানে হেরে বসে, তবে টিম ইন্ডিয়ার ওপর চাপ আরও বহুগুণ বেড়ে যাবে। এরপর ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে ৫-০ ব্যবধানে হারালেও ভারতের পয়েন্ট হবে ৫৯.২৬ শতাংশ, যা দিয়ে ফাইনালের পথ বেশ কঠিন হয়ে যেতে পারে।

৫. বাংলাদেশ

বাকি ম্যাচ : ওয়েস্ট ইন্ডিজ (১ টেস্ট, ঘরের মাঠে), দক্ষিণ আফ্রিকা (২ টেস্ট, দক্ষিণ আফ্রিকায়), ইংল্যান্ড (২ টেস্ট, ঘরের মাঠে)।

ঘরের মাঠে দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টে হারের স্বাদ পেলেও ৪৭.৬২ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের পাঁচ নম্বরে রয়েছে বাংলাদেশ। তবে এর অর্থ এই নয় যে বাংলাদেশ ফাইনালের রেস থেকে পুরোপুরি ছিটকে গেছে।

বাকি থাকা পাঁচটি টেস্টের প্রতিটিতে যদি টাইগাররা জয় তুলে নিতে পারে, তবে বাংলাদেশের পয়েন্ট ৬৫ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে। কিন্তু এর মধ্যে আর একটি ম্যাচ হারলেই পয়েন্ট নেমে আসবে ৬১.১১ শতাংশে, যা দিয়ে শীর্ষ দুইয়ে জায়গা করে নেওয়া অত্যন্ত কঠিন হবে।

৬. শ্রীলঙ্কা

বাকি ম্যাচ : পাকিস্তান (২ টেস্ট, পাকিস্তানে), নিউজিল্যান্ড (২ টেস্ট, নিউজিল্যান্ডে), দক্ষিণ আফ্রিকা (২ টেস্ট, ঘরের মাঠে)।

এ পর্যন্ত ছয়টি ম্যাচ খেলে ৩৩.৩৩ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলে বেশ পিছিয়ে রয়েছে শ্রীলঙ্কা। তবে ভারতের বিপক্ষে নিজেদের মাঠে ড্র করার সুবাদে ফাইনালে খেলার ক্ষীণ আশা এখনও বেঁচে আছে তাদের। বাকি থাকা ছয়টি টেস্টের সবকটিতেই যদি তারা জয় তুলে নিতে পারে, তবে তাদের পয়েন্ট বেড়ে ৬৬.৬৭ শতাংশে পৌঁছাবে। সেক্ষেত্রে অন্য দলগুলোর ফলাফল যদি লঙ্কানদের অনুকূলে যায়, তবে ফাইনালে খেলার একটি দারুণ সুযোগ তৈরি হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%