বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:২১ পি.এম
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সাধারণ ভবিষ্য তহবিল (জিপিএফ) থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে ঋণ দেখিয়ে প্রায় ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে শিক্ষা অফিস, হিসাবরক্ষণ অফিস ও শিক্ষকদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি চক্র। এই ঘটনায় বিপাকে পড়েছেন প্রায় দেড় হাজার শিক্ষক। একই সাথে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে উপজেলার অন্যান্য দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেও। আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি দল এ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। বাগেরহাট জেলা দুদকের সহকারী পরিচালক আবুল কাইয়ুম হাওলাদারের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি মোরেলগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিস, হিসাবরক্ষণ অফিস ও সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে এবং বিভিন্ন নথিপত্র যাচাই-বাছাই করে।
দুদক কর্মকর্তা আবুল কাইয়ুম হাওলাদার বিকেল ৫টার দিকে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, "জালিয়াতির আশ্রয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জিপিএফ ফান্ড থেকে টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। টাকাগুলো ঋণ হিসেবে বিল-ভাউচারের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংক থেকে তোলা হয়েছে। এসব লেনদেনের বিষয়ে শিক্ষা অফিস কোনো সঠিক নথি বা রেকর্ড দেখাতে পারেনি।" হিসাবরক্ষণ অফিসের বিষয়ে তিনি বলেন, "শিক্ষকদের জিপিএফ থেকে টাকা তোলা হলেও লেজার ও অনলাইন হিসাবের মধ্যে ব্যাপক অসংগতি পাওয়া গেছে। এমনকি অনেক প্রয়োজনীয় নথিপত্রও তারা উপস্থাপন করতে পারেনি।"
সোনালী ব্যাংকের ভূমিকা সম্পর্কে তিনি জানান, "জালিয়াতির মাধ্যমে সোনালী ব্যাংক থেকে সরাসরি নগদ টাকা তোলা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী এই টাকা সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তা করা হয়নি। তবে এ ক্ষেত্রে শিক্ষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না, পরোক্ষভাবে রাষ্ট্র ক্ষতিগ্রস্ত হবে।" এ ঘটনায় সরকারি কোষাগার থেকে মোট কত টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে এবং কোন দপ্তরের কতজন সদস্য এতে জড়িত, তা পুরোপুরি নিশ্চিত হতে আরও সময় লাগবে বলে জানান এই কর্মকর্তা। এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শেফাইনূর আরেফিন বলেন, "শিক্ষকদের জিপিএফ ফান্ড থেকে টাকা তোলা হলেও তারা সে বিষয়ে কিছুই জানেন না। এখন পর্যন্ত কতজন শিক্ষকের ফান্ড থেকে টাকা সরানো হয়েছে, তার সঠিক হিসাব পাওয়া যায়নি। দিন দিন ভুক্তভোগী শিক্ষকের সংখ্যা বাড়ছে। বিষয়টি বর্তমানে দুদক তদন্ত করছে।" সোনালী ব্যাংক মোরেলগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, "হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে অনুমোদিত বিল-ভাউচারের মাধ্যমে শিক্ষকদের জিপিএফ ফান্ড থেকে ঋণ হিসেবে টাকা তোলা হয়েছে। এখান থেকে বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে জমা এবং সরাসরি নগদ টাকাও তুলে নেওয়া হয়েছে। সকল লেনদেন হিসাবরক্ষণ অফিসের আনুষ্ঠানিক ‘এমবসড’ (ঊসনড়ংংবফ) সিলের মাধ্যমেই সম্পন্ন করা হয়েছে।"
জিপিএফ ফান্ড থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে টাকা তোলার বিষয়ে উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৪ জন শিক্ষক ইতিমধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), জেলা প্রশাসক ও দুদক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। প্রাথমিক ওই অভিযোগে প্রায় ১ কোটি টাকা বেহাত হওয়ার কথা উল্লেখ করা হলেও শিক্ষকদের দাবি-কমপক্ষে ৭০ জন শিক্ষকের জিপিএফ থেকে ঋণ দেখিয়ে চক্রটি প্রায় ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে, যার কিছুই সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা জানতেন না। উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা তন্ময় গোস্বামী বলেন, "ঘটনার তদন্ত চলছে। এ জালিয়াতির সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে এ অফিসের কয়েকজন সাবেক কর্মকর্তাকে ইতিমধ্যে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।" আত্মসাৎকৃত টাকার পরিমাণ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, এখন পর্যন্ত প্রায় ৭ কোটি টাকার গরমিল পাওয়া গেছে। তবে সুনির্দিষ্ট কারণ না জানিয়ে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিতে অপরাগতা প্রকাশ করেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, শিক্ষা অফিস ও হিসাবরক্ষণ অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী শিক্ষকদের ভুয়া স্বাক্ষর জাল করে ঋণের আবেদন জমা দেন এবং ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নেন। এই প্রতারক চক্রের সাথে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক-শিক্ষিকাও সরাসরি জড়িত রয়েছেন বলে জোর গুঞ্জন উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কৃষি উন্নয়ন ও খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারকরণের উদ্দেশ্যে ‘ব্রি অঙ্গ (পার্টনার প্রকল্প) গোপালগঞ্জ’-এর আওতায় ২৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে চলতি আমন মৌসুমে নতুন ও উচ্চফলনশীল জাতের মেগা ভ্যারাইটি ‘ব্রি ধান-১০৩’ চাষে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে প্রদর্শনীভুক্ত ২০ জন কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। নির্বাচিত প্রতিটি কৃষককে উপকরণ সহায়তা হিসেবে ১০ কেজি করে ব্রি ধান-১০৩ এর বীজ এবং প্রয়োজনীয় ইউরিয়া, ডিএপি, এমওপি, জৈব, জিপসাম ও জিংক সার প্রদান করা হয়।
উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে আয়োজিত এই উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, প্রচলিত অন্য যেকোনো আমন ধানের জাতের তুলনায় ব্রি ধান-১০৩ এর উৎপাদন ক্ষমতা ও ফলন অনেক বেশি। এজন্য এটিকে একটি সম্ভাবনাময় ‘মেগা ভ্যারাইটি’ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই প্রদর্শনী বাস্তবায়নের মাধ্যমে এলাকায় এ জাতের বিস্তার ঘটবে এবং স্থানীয় কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন। অনুষ্ঠানে উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, প্রদর্শনীভুক্ত কৃষকবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদক সেবনের অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। পুলিশের সাথে তাদের পরিবারের মধ্যে বাদানুবাদ ঘটে। গ্রেফতারকৃতদের পরিবারের দাবি, তারা মাদকসেবী নন এবং তাদের ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে। অপরদিকে, পুলিশের বক্তব্য হলো, তারা মাদকসেবী। এই পরিস্থিতি নিরসনের জন্য এক পর্যায়ে সিদ্ধান্ত হয় ডোপ টেস্ট করার। সেই অনুযায়ী ডোপ টেস্টের মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে, তারা গাজা, ইয়াবা এবং ঘুমের বড়ি সেবনকারী। পজিটিভ ফলাফল আসায় পরে আদালতের মাধ্যমে সিরাজুল ইসলাম রাব্বী ও সাদ্দাম হোসেন নামে দুই মাদকসেবীকে কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। ঘটনাটি ঘটেছে, মঙ্গলবার ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানায়।
পুলিশ জানায়, বিশেষ মাদক বিরোধী অভিযানে সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে কালীগঞ্জ শহরের কলেজপাড়ার আজগর আলীর পুত্র সিরাজুল ইসলাম রাব্বী (৩০) এবং ঢাকালে পাড়ার সিরাজুল ইসলামের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (৩২) নামে দুই মাদকসেবীকে গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার সকালে পরিবারের সদস্যরা থানায় এসে গ্রেফতারকৃতদের মাদকসেবন না করার অভিযোগে পুলিশের সাথে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে সিদ্ধান্ত হয়, মাদক সেবনের প্রমাণ হিসেবে ডোপ টেস্ট করানো হবে। সেই অনুযায়ী দুপুরে ওই দুইজনকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে ডোপ টেস্ট সম্পন্ন হলে পজিটিভ ফলাফল আসায় তাদেরকে বিকালে আদালতে নেওয়া হয়। ঝিনাইদহ আদালতের সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেট সব্যসাচী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) ধারার ১৬ অনুযায়ী সিরাজুল ইসলাম রাব্বীকে ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। অপরদিকে, সাদ্দাম হোসেনকে চার মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০০ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ১০ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কালীগঞ্জ থানার ওসি জুলফিকার আলী জানান, দুইজন মাদকসেবীকে থানায় নিয়ে আসার পর তাদের পরিবারের সদস্যদের সাথে বাকবিতণ্ডা হয়। বিষয়টি সমাধানের জন্য তিনি ডোপ টেস্টের ব্যবস্থা করেছিলেন। টেস্টের পজিটিভ ফলাফল আসায় আদালত তাদেরকে কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তিনি আরও জানান, মাদক নিয়ন্ত্রণে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উপকুলিয় উপজেলা দাকোপের অভ্যন্তরীণ খালগুলো বর্তমানে দখল এবং দূষণের শিকার। অবৈধ জাল নেটপাটা ব্যবহার করে দেশীয় মাছের প্রজনন ধ্বংস করা হচ্ছে। প্রশাসনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে, অভিযান শেষ হওয়ার পরও বেআইনী কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
উপজেলার আয়তন ৮৯৫.৬৬ হেক্টর, যেখানে অন্তত ১১৭টি নদী ও খাল রয়েছে। এই নদী ও খালগুলো কৃষি উৎপাদনে সেচ এবং পানি নিষ্কাশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পাশাপাশি, দেশীয় মাছের উৎপাদন ও প্রজননের জন্যও এগুলো বিশেষ স্থান। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যক্তি ও গোষ্ঠী নিজেদের স্বার্থে নদী ও খালে বাঁধ দিয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করছে। সরকারী নদী-খালের পাড় অবৈধভাবে দখল করে গড়ে তোলা হচ্ছে বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
দেশীয় মাছের প্রজনন ধ্বংস করতে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল, চায়না দুয়ারী, নেটপাটা, বেড় জাল, চট জাল, ঠেলা জাল, মশারী জাল, ধর্ম জাল, ক্ষুদ্র ফাঁসের জালসহ বিভিন্ন অবৈধ জাল ব্যবহার করা হচ্ছে। এর ফলে দেশীয় মাছের সংখ্যা আশংকাজনক হারে কমে যাচ্ছে। জনদাবীর মুখে, মৎস্য দপ্তরের সহায়তায় উপজেলা প্রশাসন মাঝে মাঝে খাল দখল, দূষণ এবং নিষিদ্ধ নেটপাটার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে। তারা ব্যবহৃত জাল নেটপাটা জব্দ করে পুড়িয়ে দেয়।
তবে বেআইনী কাজের সাথে জড়িতরা এতটাই বেপরোয়া যে, অভিযান শেষ হতেই তারা একই স্থানে আট ঘাট বেঁধে ফের নিষিদ্ধ জাল নেটপাটা ব্যবহার করতে থাকে। শুধু তাই নয়, প্রশাসনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে অবৈধ বাঁধ নির্মাণ ও দখলের মাত্রা বেড়ে যায়। সচেতন মহলের মতে, প্রশাসন মাঝে মাঝে অভিযান পরিচালনা করলেও সেখানে আইনের কঠোর প্রয়োগ নেই। কেবল জাল নেটপাটা জব্দ করে এই সমস্যার সমাধান হবে না। আইনের কঠোর প্রয়োগ প্রয়োজন। অপরাধীদের মোবাইল কোর্টের আওতায় এনে তাৎক্ষণিক জেল ও জরিমানা করতে হবে।
বর্তমানে উপজেলার কামারখোলা কংস মাড়ি খাল, বাজুয়া চড়া নদী, গুনারী খাল, নলিয়ান চমন মন্দির খাল, জয়নগর নদী, লাউডোপ খাল, চুনকুড়ি নলবুনিয়ার গেটখালসহ চালনা পৌরসভা এবং ৯টি ইউনিয়নের অধিকাংশ নদী ও খালে বেআইনী দখল, দূষণ এবং নিষিদ্ধ জাল নেটপাটা ব্যবহার হচ্ছে। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, "নানা প্রতিবন্ধকতা ও সীমাবদ্ধতার মাঝেও আমরা অভিযান করছি।" উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ সেবগাতুল্ল্যাহ জানান, "দখল, দূষণ এবং বেআইনী নেটপাটার বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া, এটি চলমান থাকবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মোল্লাহাটে, বাগেরহাট জেলার উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা পরিষদের মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভাটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমনা আইরিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে উপজেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও মতবিনিময় করা হয়। সভায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বর্তমান পরিস্থিতি, অপরাধ প্রতিরোধ, মাদক ও অন্যান্য অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিভিন্ন বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে।
এছাড়া, সভায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার, অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন মোল্লাহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শাহাদাৎ হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শেখ সাহেদ আলী, প্রেসক্লাব মোল্লাহাটের সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ ফারুকসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ