ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কক্সবাজারে তিন লাখ ইয়াবাসহ সিএনজি জব্দ, পলাতক দুই কারবারীর বিরুদ্ধে মামলা


কক্সবাজারে তিন লাখ ইয়াবাসহ সিএনজি জব্দ, পলাতক দুই কারবারীর বিরুদ্ধে মামলা

কক্সবাজার সদর উপজেলার দক্ষিণ খুরুলিয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১৫) তিন লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে। এ সময় ইয়াবা পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশাও জব্দ করা হয়েছে।

এসআরবি জানিয়েছে, অভিযানের সময় মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত দুই ব্যক্তি পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। সোমবার (১২ অক্টোবর) এসআরবি-১৫-এর পক্ষ থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এসআরবি-১৫ সদর কোম্পানির একটি আভিযানিক দল দক্ষিণ খুরুলিয়া এলাকায় বিশেষ অভিযান শুরু করে। অভিযানের সময় আভিযানিক দলের উপস্থিতি টের পেয়ে ছলিম উল্লাহ ও তাঁর এক অজ্ঞাতনামা সহযোগী মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত সিএনজি অটোরিকশাটি ফেলে পালিয়ে যান।

আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি

পরে সিএনজি অটোরিকশাটিতে তল্লাশি চালিয়ে কৌশলে লুকিয়ে রাখা তিন লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন এসআরবি সদস্যরা। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত অটোরিকশাটিও জব্দ করা হয়েছে।

এসআরবি-১৫ জানায়, এ ঘটনায় পলাতক ছলিম উল্লাহ ও তাঁর অজ্ঞাতনামা সহযোগীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে কক্সবাজার সদর থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। উদ্ধার করা ইয়াবা ও অন্যান্য আলামত সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

মাদক পাচার ও অপরাধ দমনে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে এসআরবি-১৫-এর অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেন এসআরবি-১৫-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরাজিত শক্তি দেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্টের ষড়যন্ত্র করছে : রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১২ পি.এম


পরাজিত শক্তি দেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্টের ষড়যন্ত্র করছে : রিজভী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেছেন যে, পরাজিত শক্তি এবং তাদের মদদদাতারা দেশের সামাজিক সম্প্রীতি এবং স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, আসন্ন দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের নাশকতা ও ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার জন্য বিএনপির নেতাকর্মীরা ‘ঘুমহীন প্রহরীর’ মতো সজাগ এবং প্রস্তুত রয়েছেন।

সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য ও প্রয়াত ব্রি. জেনারেল অব. আ স ম হান্নান শাহ’র ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে বিপন্ন করার জন্য অতীতের মতো এখনো বিভিন্ন ষড়যন্ত্র সক্রিয় রয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে। গতকাল নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে অবসরপ্রাপ্ত দুই সামরিক কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

দুর্গাপূজা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পূজাকে কেন্দ্র করে পরাজিত শক্তি এবং তাদের দোসররা পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করতে পারে। এ ধরনের অপতৎপরতা ঠেকাতে বিএনপির নেতাকর্মীরা স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে প্রতিটি পূজামণ্ডপে নজরদারি রাখবেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করবেন।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে দেশে লুটপাট, চাঁদাবাজি এবং মানুষের জায়গা-জমি ও সম্পদ দখলের যে অরাজকতা তৈরি হয়েছিল, বিএনপি সেই রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। বিএনপির রাজনীতি শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার রাজনীতি।

তিনি বিএনপির নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, তৃণমূলের প্রতিটি নেতাকর্মী সরকারের অংশ। তাই তাদের আচরণে যেন ফ্যাসিবাদের কোনো ছাপ না থাকে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। দীর্ঘ ১৭ বছরের সংগ্রাম ও ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পদ-পদবির লোভ পরিহার করতে হবে। রাতারাতি বিত্তশালী হওয়া কিংবা ঠিকাদারি ব্যবসার লোভে দলের দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও আদর্শ বিসর্জন দেওয়া যাবে না।

দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের প্রসঙ্গ তুলে রিজভী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এবং বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে ডিজেল আমদানিতে সংকট তৈরি হয়েছিল। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নিষ্ঠার সঙ্গে দিনরাত পরিশ্রম করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে। দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি সচল রাখতেও সরকার কাজ করছে।

সভায় গাজীপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফজলুল হক মিলনের সভাপতিত্বে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইয়েদুল আলম বাবুল, গাজীপুর জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ রিয়াজুল হান্নান এবং জেলা বিএনপির বর্তমান কমিটির সদস্য সচিব চৌধুরী ইশরাক আহমদ সিদ্দিকী বক্তব্য রাখেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তরুণ-তরুণীদের মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সমস্যা বাড়ার কারণ কী?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১৩ পি.এম


তরুণ-তরুণীদের মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সমস্যা বাড়ার কারণ কী?

তরুণদের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সমস্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে অতিরিক্ত রোগ নির্ণয়কে দায়ী করার পরিবর্তে সামাজিক পরিবর্তন, মানসিক চাপ এবং প্রয়োজনীয় সেবার অভাবের দিকে নজর দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। ইংল্যান্ডে মানসিক স্বাস্থ্য, মনোযোগের ঘাটতিজনিত অতিসক্রিয়তা (এডিএইচডি) ও অটিজম নিয়ে প্রকাশিত একটি স্বাধীন পর্যালোচনায় এমন চিত্র উঠে এসেছে।

পর্যালোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ হলো—সাধারণ মানুষের মধ্যে, বিশেষ করে তরুণদের মানসিক সংকট আগের তুলনায় বেড়েছে। অধ্যাপক পিটার ফনাগি বলেছেন, এসব সমস্যার অতিরিক্ত রোগ নির্ণয় হচ্ছে বলে সাবেক ব্রিটিশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং যে মন্তব্য করেছিলেন, তা ভুল ছিল। পরবর্তীতে স্ট্রিটিংও নিজের ভুল স্বীকার করেন।

তবে কিছু ডানপন্থী রাজনীতিক ও ভাষ্যকারের দাবি, স্বাভাবিক মানসিক অবস্থাকেও রোগ হিসেবে চিহ্নিত করার প্রবণতার কারণে তরুণদের চিকিৎসা ও সহায়তা চাওয়ার হার বেড়েছে। স্বাধীন পর্যালোচনার পর্যবেক্ষণ এ ধারণাকে সমর্থন করে না। বরং মানসিক সংকট বৃদ্ধির বাস্তবতা এবং সেবাব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা স্বীকার করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।

চাহিদার তুলনায় পিছিয়ে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা

মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় শারীরিক অসুস্থতার চিকিৎসার সমান গুরুত্ব ও অধিকার নিশ্চিত করার ধারণাটি দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত হলেও বাস্তবে তা এখনও পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। মানসিক স্বাস্থ্যসেবা এবং স্নায়ুবিকাশজনিত সমস্যায় সহায়তা পেতে অনেককে বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অথচ এসব দীর্ঘ অপেক্ষার তালিকা সরকারি পরিসংখ্যানে যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয় না।

এডিএইচডি ও অটিজম নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠানের জন্য অভিন্ন মানদণ্ড ও পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রণের অভাব রয়েছে। দীর্ঘ অপেক্ষার কারণে অনেকেই বেসরকারি সেবার দিকে ঝুঁকছেন। কার্যকর নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা ছাড়াই এ ধরনের সেবা বাজারকে বিস্তৃত হতে দেওয়া উচিত হয়নি।

তবে সমস্যার সমাধান শুধু রোগ নির্ণয়ের পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। প্রয়োজনের ভিত্তিতে সেবা দেওয়ার ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি, যাতে সহায়তা পেতে কাউকে নির্দিষ্ট রোগের সনদ সংগ্রহের ওপর নির্ভর করতে না হয়।

রোগ নির্ণয় কেন সহায়তা পাওয়ার শর্ত হয়ে উঠল

মানসিক স্বাস্থ্য ও বিশেষ শিক্ষাসহায়তার ক্ষেত্রে রোগ নির্ণয়ের সনদ অনেক সময় প্রয়োজনীয় সহায়তা পাওয়ার প্রবেশদ্বার হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সহায়তা পাওয়ার ভিত্তি হওয়া উচিত ব্যক্তির প্রয়োজন, কেবল রোগের নাম নয়।

কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সেবার চাহিদা সক্ষমতার তুলনায় বেশি থাকায় রোগ নির্ণয়ের ভিত্তিতে সহায়তা বণ্টনের প্রবণতা তৈরি হয়েছে। অর্থাৎ, সীমিত সেবা কারা পাবেন, তা নির্ধারণের ক্ষেত্রে রোগ নির্ণয়ের সনদ একধরনের বাছাইপ্রক্রিয়া হিসেবে কাজ করছে।

এই পরিস্থিতি পরিবর্তনে শুধু রোগ নির্ণয়ের নিয়ম সংশোধন যথেষ্ট হবে না। সেবার সক্ষমতা বাড়ানো এবং যাঁদের সহায়তা প্রয়োজন, তাদের কাছে সময়মতো তা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থাও গড়ে তুলতে হবে।

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার পাশাপাশি বাড়াতে হবে বরাদ্দ

স্বাধীন পর্যালোচনায় স্বাস্থ্য ও সমাজসেবা বিভাগের মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত কার্যক্রমে জবাবদিহি বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারের আসন্ন মানসিক স্বাস্থ্য কৌশলে পর্যালোচনার অন্যান্য সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। আগামী ১০ বছরের জন্য একটি পরিকল্পনা তৈরির প্রস্তাবও রয়েছে। এর আওতায় মানসিক স্বাস্থ্যসেবা ও স্নায়ুবিকাশজনিত সমস্যায় সহায়তাকে একটি সমন্বিত সেবাব্যবস্থার অধীনে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা যেতে পারে।

অপেক্ষমাণ তালিকা ব্যবস্থাপনায় কিছু পরিবর্তন হয়তো তুলনামূলক কম ব্যয়ে করা সম্ভব। কিন্তু সামগ্রিক সেবাব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কার আনতে নতুন অর্থায়ন প্রয়োজন হবে। বিনিয়োগের প্রয়োজনীয়তা অনেক। অথচ মোট স্বাস্থ্য ব্যয়ের কত শতাংশ মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় বরাদ্দ করা উচিত, সে বিষয়ে স্পষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়নি। একইভাবে অপেক্ষার সময়সীমা কমাতে নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের সুপারিশও নেই।

তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে ব্রিটিশ সরকারের আরো সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন। সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিংয়ের পর বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইয়ভেট কুপারও বিষয়টি নিয়ে তুলনামূলকভাবে কম কথা বলেছেন। তরুণদের মানসিক সংকট মোকাবিলায় এখন প্রয়োজন সমস্যার বাস্তবতা স্বীকার করা, সেবাব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা দূর করা এবং প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করা। অতিরিক্ত রোগ নির্ণয় নিয়ে বিতর্কে আটকে না থেকে মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসাই হওয়া উচিত সরকারের অগ্রাধিকার।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান ও বিবিসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রোটনের দাফন সম্পন্ন, পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১৩ পি.এম


ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রোটনের দাফন সম্পন্ন, পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার

পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনের দাফন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার সকাল ১১টায় চট্টগ্রামের রাউজানের গহিরায় অবস্থিত তার নিজ বাড়ির উঠানে জানাজার আয়োজন করা হয়। এরপর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বক্স আলী চৌধুরী বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

রোটনের জানাজায় উপস্থিত ছিলেন নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বেশ কিছু নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার কয়েকশ মানুষ।

স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে রোটনের মরদেহবাহী গাড়ি রাউজানের গহিরায় বক্স আলী চৌধুরী বাড়িতে পৌঁছালে পরিবারের সদস্যরা মরদেহ গ্রহণ করেন। গভীর রাত থেকেই রোটনের গ্রাম এবং আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। দাফন সম্পন্ন হওয়ার পরেও যাতে কোনো অপ্রত্যাশিত ঘটনা না ঘটে, সে জন্য পুলিশকে সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়।

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম জানালেন, জানাজায় শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। তিন প্লাটুন পুলিশ এবং এক প্লাটুন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করেন। কোনো অপ্রত্যাশিত ঘটনা ছাড়াই দাফন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তার গ্রেফতারি নিশ্চিত করেছে ডিবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১৫ পি.এম


অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তার গ্রেফতারি নিশ্চিত করেছে ডিবি

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) দেবাশীষ কুমার বড়ুয়া এবং অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কাজী গুলশান আরাকে গ্রেফতার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের কাছে এসব তথ্য উপস্থাপন করেন।

উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে। তিনি বলেন, "বিষয়টি নিয়ে ডিবি কাজ করছে।"

মামলার কোন ধারায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হচ্ছে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে মো. আকতার হোসেন বলেন, "মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শেষ হলে বিস্তারিত জানা যাবে।"

ডিএমপির এই কর্মকর্তা আরও উল্লেখ করেন, "বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে। অল্প সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে অগ্রগতি জানা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।"

এর আগে গতকাল রোববার রাতে রাজধানীর পল্লবীর ডিওএইচএস এলাকা থেকে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা দেবাশীষ কুমার বড়ুয়া এবং অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কাজী গুলশান আরাকে গ্রেফতার করে ডিবি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%