শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:২৪ পি.এম
তৃণমূল থেকে উঠে আসা ৩০৬ জন তরুণ ক্রীড়াবিদকে কেন্দ্র করে শুরু হলো নতুন স্বপ্নের যাত্রা। আন্তর্জাতিক মানের অ্যাথলেট তৈরির উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের আয়োজনে ৪০ দিনব্যাপী নিবিড় প্রশিক্ষণ ক্যাম্প শুরু হয়েছে। জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা থেকে নির্বাচিত সেরা ৩০৬ জন উদীয়মান ক্রীড়াবিদ এই ক্যাম্পে অংশগ্রহণ করছেন।
আজ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেএসপির অডিটোরিয়ামে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। অনুষ্ঠানে তরুণ ক্রীড়াবিদদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন তিনি। এ সময় জাতীয় দলের সাবেক খেলোয়াড়, প্রশিক্ষক ও সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল তার দীর্ঘ ক্রীড়া জীবনের স্মৃতিচারণ করেন। বিকেএসপিকে দেশের খেলোয়াড়দের আবেগ ও সাফল্যের ভিত্তিভূমি হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, "একাগ্রতা, কঠোর অনুশীলন ও অদম্য স্বপ্ন থাকলে যেকোনো বাধা পেরিয়ে সাফল্য অর্জন করা সম্ভব।"
নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসা তরুণ ক্রীড়াবিদদের অনুপ্রাণিত করতে তাদের শুধু ভালো খেলোয়াড় নয়, দেশপ্রেমিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবেও গড়ে ওঠার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী আমিনুল। তিনি নিজের রাজনৈতিক লড়াই-সংগ্রামের অভিজ্ঞতা এবং জাতীয় দলে খেলার সময়ের স্মৃতিও তরুণদের সামনে তুলে ধরেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, "প্রতিভাবান এসব ক্রীড়াবিদ ও তাদের পরিবারের পাশে অভিভাবকের মতো থাকবে সরকার। তাদের প্রতিভা বিকাশে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।"
তৃণমূল থেকে উঠে আসা এসব ক্রীড়াবিদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন আমিনুল হক। তিনি জানান, এই আয়োজন কেবল ৪০ দিনের প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। এখান থেকে নির্বাচিত মেধাবী ক্রীড়াবিদদের বিকেএসপি ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় আনা হবে।
নতুন প্রজন্মের এই ৩০৬ ক্রীড়াবিদকে আগামীর ক্রীড়া অগ্রযাত্রার ‘প্রথম সৈনিক’ হিসেবে উল্লেখ করে আমিনুল হক বলেন, "তাদের মধ্য থেকেই আগামী দিনে জাতীয় দলের কাণ্ডারিরা উঠে আসবে। যারা একদিন বিশ্বমঞ্চে লাল-সবুজের পতাকা তুলে ধরে পরিবার ও দেশের মুখ উজ্জ্বল করবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে সফররত চীন নৌবাহিনীর জাহাজ ‘থাং শান’ এবং ‘দা ছিং’ পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. এ. কে. এম. শামছুল ইসলাম এবং নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এই পরিদর্শনের সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং চীনা দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা চীনা নৌবাহিনী জাহাজ দুটির বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন। তিনি জাহাজে ব্যবহৃত আধুনিক প্রযুক্তির নৌ সরঞ্জাম ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়সহ অন্যান্য কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হন।
এ সময় তিনি জাহাজ দুটির কমান্ডিং অফিসার ও কর্মকর্তা-নাবিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। মতবিনিময়কালে বাংলাদেশ ও চীনের নৌবাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, পারস্পরিক আস্থা, পেশাগত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
এছাড়া আঞ্চলিক সামুদ্রিক সহযোগিতা জোরদারের পাশাপাশি সামরিক প্রশিক্ষণ ও নৌ-সহযোগিতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
উল্লেখ্য, গত ১৭ সেপ্টেম্বর চীনা নৌবাহিনীর জাহাজগুলো পাঁচ দিনের শুভেচ্ছা সফরে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়। এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের নৌবাহিনীর মধ্যে পেশাগত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। একইসঙ্গে এ ধরনের সফর ভবিষ্যতে যৌথ প্রশিক্ষণ, নৌ-নিরাপত্তা, সামুদ্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা এবং বিভিন্ন পেশাগত ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়াও চীনা নৌবাহিনী জাহাজ বাংলাদেশের জলসীমা ত্যাগকালে যৌথ মহড়া 'PASSEX'-এ অংশগ্রহণ করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের পৃথক স্থান থেকে পুলিশ এক নববধূসহ দুই নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। শনিবার সকালে মহানগরীর পূবাইলে শয়নকক্ষ থেকে উদ্ধার হওয়া মৃতদেহটি স্থানীয় সাতানীপাড়া এলাকার আফসার উদ্দিনের কন্যা নাদিয়াতুন জান্নাত স্নিগ্ধার (২০)। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে তার স্বামী মারুফ আহমেদ পলাতক রয়েছেন।
অন্যদিকে, শ্রীপুরে উদ্ধার হওয়া মৃতদেহটি বিন্দুবাড়ি গ্রামের আব্দুল আউয়ালের স্ত্রী নিলুফা খাতুনের (৫৫)।
সূত্রে জানা যায়, দুই মাস আগে নাদিয়াতুন জান্নাত স্নিগ্ধার বিয়ে হয় সৌদি ফেরত মারুফ আহমেদের সঙ্গে। বিয়ের পর থেকে মারুফ স্ত্রীকে নিয়ে তালটিয়া এলাকার একটি বাসায় বসবাস করছিলেন। শনিবার সকাল ১০টার দিকে বাড়ির অন্য এক ভাড়াটিয়া শয়নকক্ষে স্নিগ্ধার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে এবং মারুফকে তাড়াহুড়া করে বাসা থেকে বের হতে লক্ষ্য করেন। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।
পূবাইল থানার ওসি আতিকুর রহমান জানিয়েছেন, ধারণা করা হচ্ছে স্নিগ্ধাকে বালিশচাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে গেছে তার স্বামী মারুফ।
অন্যদিকে, শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নিজ বাড়ির অদূরে একটি বরইগাছ থেকে নিলুফা খাতুনের (৫৫) গলায় উড়ানো পেচানো অবস্থায় ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়।
পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম জানিয়েছেন, নিলুফা ও তার স্বামী আব্দুল আউয়াল (৬০) শুক্রবার রাতে খাবার শেষে একসাথে ঘুমিয়ে ছিলেন। ভোরে নামাজ পড়ে স্বামী আবারও বাড়িতে এসে ঘুমিয়ে পড়েন। সকালের প্রতিবেশীরা বরইগাছের ডালে নিলুফাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে পাটলাই নদীতে কয়লা ও চুনাপাথরবাহী বাল্কহেড নৌকা থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগে তালহা আহমেদ অভি (২৫) নামের এক যুবককে আটক করে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশে সোপর্দ করেছেন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের সুলেমানপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
আটক তালহা আহমেদ অভি দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের সুলেমানপুর গ্রামের নুরুজ্জামানের পুত্র।
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তালহা আহমেদ অভির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে পাটলাই নদীতে কয়লা ও চুনাপাথরবাহী বাল্কহেড নৌকা থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। শনিবার দুপুরে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার নৌকা আটকে চাঁদা দাবি করার পর এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে বিকেলে সুলেমানপুর এলাকায় স্থানীয়রা তাকে চাঁদাবাজির সময় হাতেনাতে আটক করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে থানায় নিয়ে যায়।
দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমদ বলেন, "তালহা দীর্ঘদিন ধরে পাটলাই নদীতে চাঁদাবাজি করে আসছে, এমন অভিযোগ আমরা পেয়েছি। তার বিরুদ্ধে আরও বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। আজ এলাকাবাসী তাকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে। বিষয়টি উপজেলা নেতৃবৃন্দকে জানানো হয়েছে।"
তাহিরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাসনাত চৌধুরী জানান, "চাঁদাবাজির অভিযোগে স্থানীয় এলাকাবাসী তালহা আহমেদ অভিকে আটক করে পুলিশে দেয়। পরে তাকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান মন্তব্য করেছেন যে, আইন পেশায় অর্থ উপার্জন একমাত্র উদ্দেশ্য নয়; আইনজীবীদের মানবিক গুণাবলীও গুরুত্বপূর্ণ। মক্কেল যখন বিপদে পড়ে আইনজীবীর কাছে আসেন, তখন তিনি আইনজীবীর প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস রাখেন। সেই আস্থার মর্যাদা দেওয়া আইনজীবীর কর্তব্য।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে (এনএসইউ) অনুষ্ঠিত ‘এনএসইউ ল ফেস্ট সিজন-৩’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা তুলে ধরেন।
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, একজন আইনজীবী মক্কেলের প্রতি দায়বদ্ধতার পাশাপাশি আদালতের একজন কর্মকর্তা। আদালতের সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সহায়তা করা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা আইনজীবীর অন্যতম দায়িত্ব। তাই, আইনজীবীকে মক্কেলের স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি আদালতের প্রতি দায়িত্বশীল হতে হবে।
মো. আসাদুজ্জামান উল্লেখ করেন, আইনজীবীর কাছে আসা প্রতিটি মক্কেল তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মক্কেলের আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনা করে, প্রয়োজনে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। পেশাগত জীবনে অর্থের পাশাপাশি মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগকেও গুরুত্ব দিতে হবে।
আসাদুজ্জামান বলেন, একজন ভালো আইনজীবী হওয়ার জন্য পড়ালেখা ও কঠোর পরিশ্রমের বিকল্প নেই। আইন পেশায় সফল হতে হলে সততা, দক্ষতা, পেশাগত দায়িত্ববোধ ও মানবিক মূল্যবোধের সমন্বয়ে নিজেকে গড়ে তুলতে হবে। আইন পেশায় সফলতার জন্য কোনো শর্টকাট নেই; একজন আইনজীবীকে দীর্ঘদিন অধ্যয়ন, অভিজ্ঞতা অর্জন ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে হয়।
তিনি বলেন, আইনজীবীরা সমাজের ‘সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ার’। সমাজের পরিবর্তন ও বিকাশে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কোনো আইনে অসঙ্গতি থাকলে কিংবা পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে আইনজীবীদের তা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সংস্কারের বিষয়ে মতামত দিতে হবে।
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, একজন আইনজীবী যখন আদালতে দাঁড়ান, তখন তার প্রতিটি শব্দ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আইন সঠিকভাবে উপস্থাপন, মামলার তথ্য-উপাত্ত যথাযথভাবে তুলে ধরা এবং যুক্তির মাধ্যমে আদালতকে সহায়তা করার দক্ষতা অর্জন করা একজন আইনজীবীর জন্য প্রয়োজন।
আইনজীবীদের প্রশিক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, আইন পেশায় প্রবেশের পর যথাযথ প্রশিক্ষণ ও বাস্তবভিত্তিক অভিজ্ঞতার মাধ্যমে নতুন আইনজীবীদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। এ লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে।
আইনমন্ত্রী আইন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সমাজে কোনো আইনগত অসঙ্গতি বা পরিবর্তনের প্রয়োজন দেখতে পেলে তারা নিজেদের চিন্তা ও প্রস্তাব আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে পারেন। এসব প্রস্তাব পর্যালোচনা করে প্রয়োজন অনুযায়ী ভবিষ্যতে আইন সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।
তিনি বলেন, তরুণ আইন শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেদের জ্ঞান ও দক্ষতাকে শানিত করতে হবে।
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, পেশাগত জীবনে বিভিন্ন ধরনের ভালো-মন্দ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হবে। তবে তরুণ প্রজন্মকে সঠিক ও ন্যায়সংগত পথ বেছে নিতে হবে। সততা ও মানবিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারলে তারা সফল আইনজীবী হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন।
নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি ল অ্যান্ড মুটিং সোসাইটির আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুল হান্নান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আজিজ আল কায়সার, বোর্ডের সদস্য এম. এ. কাশেম ও বেনজীর আহমেদ, স্কুল অব হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেসের ডিন অধ্যাপক মো. রিজওয়ানুল ইসলাম এবং আইন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইশতিয়াক আহমেদ।
ল ফেস্টে বিভিন্ন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার ও সনদ বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ