শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:১৯ এম
ব্রিটিশ অভিনেতা স্যার প্যাট্রিক স্টুয়ার্ট মারা গেছেন। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৮৬ বছর।
যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে বুধবার (২৮ অক্টোবর) তার নিজ বাড়িতে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) প্যাট্রিক স্টুয়ার্টের এক্স হ্যান্ডলের পরিবারের পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি বিবৃতির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
তিনি ‘স্টার ট্রেক : দ্য নেক্সট জেনারেশন’ সিরিজে ক্যাপ্টেন জ্যাঁ-লুক পিকার্ড এবং ‘এক্স-মেন’ চলচ্চিত্র সিরিজে প্রফেসর চার্লস জেভিয়ার চরিত্রে অভিনয়ের জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচিত ছিলেন।
পরিবারের দেওয়া বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আলঝেইমার রোগ ও লিউই বডি ডিমেনশিয়ায় ভুগছিলেন তিনি, যা তার মৃত্যুর কারণ। মৃত্যুর সময় তার স্ত্রী সানি এবং অন্যান্য পরিবারের সদস্যরা তার পাশে ছিলেন।
তিনি পরিবার ও বন্ধুদের সান্নিধ্যে, সংগীত, প্রার্থনা, কান্না এবং হাসির মাধ্যমে জীবনের শেষ সময় কাটিয়েছেন।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, তার শান্ত ও প্রশান্ত মুখচ্ছবি পরিবারের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
প্যাট্রিক স্টুয়ার্টের অভিনয়জীবন ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে বিস্তৃত। মঞ্চ, চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশনে কাজ করে তিনি একটি স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেন। বিশেষ করে বিজ্ঞান কল্পকাহিনিনির্ভর ‘স্টার ট্রেক: দ্য নেক্সট জেনারেশন’ সিরিজে ক্যাপ্টেন জ্যাঁ-লুক পিকার্ড চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।
পরে ‘এক্স-মেন’ চলচ্চিত্র সিরিজে প্রফেসর চার্লস জেভিয়ার চরিত্রে অভিনয় করে নতুন প্রজন্মের দর্শকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। দীর্ঘ সময় ধরে চরিত্রটিতে অভিনয় করার ফলে তিনি মার্ভেলের অন্যতম পরিচিত মুখে পরিণত হন।
২০১০ সালে নাট্যশিল্পে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে ব্রিটিশ রাজপরিবার ‘নাইট’ উপাধিতে ভূষিত করে। তার মৃত্যুতে চলচ্চিত্র ও বিনোদনজগতের অনুরাগীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো সৌদি প্রফেশনাল লিগে আল-খুলুদের বিরুদ্ধে একটি হ্যাটট্রিক সম্পন্ন করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে অনুষ্ঠিত ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে তিনি ৬৬, ৭২ ও ৮১ মিনিটে গোল করেন। এই অসাধারণ নৈপুণ্যে আল-নাসর ৫-৩ গোলে জয়লাভ করেছে।
রোনালদোর এই হ্যাটট্রিকের ফলে তাঁর ক্যারিয়ার গোলসংখ্যা ৯৮৫-এ পৌঁছেছে। এটি রোনালদোর জন্য ৬৮তম হ্যাটট্রিক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
রিয়াল মাদ্রিদ, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এবং ইউভেন্টাসের প্রাক্তন এই ফরোয়ার্ড পেশাদার ফুটবলে এমন এক উচ্চতায় পৌঁছানোর পথে রয়েছেন, যা আধুনিক ফুটবলের অফিসিয়াল রেকর্ডে নজিরবিহীন।
এদিকে, রোনালদোর এই অসাধারণ পারফরম্যান্সের ফলে আল-খুলুদকে পরাজিত করে আল-নাসর সৌদি প্রফেশনাল লিগের পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। তারা ২৮ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের এক নম্বরে অবস্থান করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী আগামী রবিবারের ‘দিল্লি চলো’ পদযাত্রায় যোগ দেওয়ার জন্য সব ছাত্রসংগঠনকে আহ্বান জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ছাত্রসংগঠনগুলোকে এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানান, যা কথিত ভোট চুরি ও ভোটগ্রহণে অনিয়মের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত হবে।
বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ দেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে এই ‘দিল্লি চলো’ পদযাত্রার আয়োজন করেছে। তারা দিল্লির রামলীলা ময়দানে সমাবেশ করার পরিকল্পনা করেছে। রাহুলের কর্মসূচিকে ইতোমধ্যে ‘ককরোচরা’ সমর্থন জানিয়েছে। তিনি সবাইকে পুলিশ বা লাঠিপেটার ভয় না পেয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। রাহুল বলেন, ‘বিজেপির আর ওসব করার সাহস হবে না।’
‘ইন্ডিয়া’ দিল্লিতে ধারাবাহিক বিক্ষোভ-প্রতিবাদ চালিয়ে যাচ্ছে জ্ঞানেশের পদত্যাগের দাবিতে। একই দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টিরও সমান্তরাল কর্মসূচি চলছে। সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা, দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ একই দিনে একক নাটকে অভিষেক ঘটছে এবং প্রথম ধারাবাহিক ‘পরম্পরা’ শেষ হচ্ছে। নিশ্চয়ই দোটানায় আছেন?
একদিকে আনন্দ অনুভব করা হচ্ছে, অন্যদিকে কষ্টও অনুভব হচ্ছে। ‘পরম্পরা’র স্মৃতি আজীবন মনে থাকবে। প্রথম দিন যখন ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলাম, তখন প্রচণ্ড নার্ভাস অনুভব করছিলাম। চারপাশে ভারী লাইট, বড় ক্যামেরা, এবং প্রোডাকশনে শত শত মানুষ ছিল। এক্সপ্রেশন কী দেব, সংলাপ কিভাবে বলব, কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। আমার বেশিরভাগ দৃশ্যগুলো ছিল ডলি জহুর ও সুষমা সরকারের সঙ্গে। তাঁরা দুজনই আমাকে হাতে ধরে শিখিয়েছেন। তাঁদের প্রতি ঋণ কখনো শোধ করতে পারব না। তাছাড়া ইউনিটের সবাই অনেক সাহায্য করেছেন। এখনো সবাই আমাকে সাহস দেন এবং সহযোগিতা করেন। এ কারণেই আমার পথচলাটা সহজ হচ্ছে। অন্যদিকে আজ এনটিভিতে আমার অভিনীত প্রথম একক নাটক ‘আয়না’ প্রচারিত হবে। এতে আমার সঙ্গে অভিনয় করেছেন আবু হুরায়রা তানভীর। পরিচালনা করেছেন মুরাদ পারভেজ ভাই। আমি অপেক্ষা করছি একক নাটকে দর্শক আমাকে কতটা গ্রহণ করে সেটা দেখার জন্য।
মুরাদ পারভেজের পরিচালনায় আরো কয়েকটি নাটক করেছি।
হ্যাঁ, ‘চাঁদের কপালে চাঁদ’ এবং ‘চেনা গল্প’ নামের দুটি নাটক আমি এর মধ্যে করেছি। এই নাটক দুটিতেও তানভীর আমার সহশিল্পী। এ দুটিও এনটিভিতে প্রচারিত হবে। তাছাড়া আগামী মাসে সাতটা নাটক নিয়ে শ্রীমঙ্গল যাচ্ছি আমরা। সেখানে মুরাদ পারভেজ ভাইয়ের পরিচালনা থাকবে। আরো দুজন পরিচালক আছেন এই প্রজেক্টগুলোতে, তাঁরা হলেন রুদ্র বিপ্লব ও ধ্রুব আহমেদ।
পড়াশোনার পাশাপাশি এত নাটকে কাজ করছেন। সব সামলাতে পারছেন কি?
একটু কষ্ট তো হচ্ছে। আমি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দশম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী। বুঝতেই পারছেন পড়ার চাপ কত বেশি! তবুও আমি চেষ্টা করছি অভিনয় এবং পড়াশোনা সমান তালে এগিয়ে নিতে।
‘দীপ্ত স্টার হান্ট’ থেকে এসেছেন। সেই পথচলাটা কেমন ছিল?
কাকতালীয়ভাবে আমি এই রিয়ালিটিতে যুক্ত হয়েছিলাম। একদিন আমার এক বন্ধু ফেসবুকে স্টার হান্টের বিজ্ঞাপন দেখে। সে আমাকে ফোর্স করে অংশ নেওয়ার জন্য। আমি ভাবলাম, এক দিনের ব্যাপার। যাব, অডিশন দেব এবং বাদ পড়ে যাব। নির্ধারিত দিনে গেলাম। প্রতিযোগী দেখলাম ছয়-সাত শ হবে। তিনটা অডিশন হলো। প্রথমটা দেওয়ার পর দ্বিতীয়টায় ডাক পড়ল। অবাক হলাম, একি! টিকে গেলাম? দ্বিতীয়টা দেওয়ার পর আবার তৃতীয়টায় ডাক পড়ল। সেটায়ও টিকে গেলাম। এবার কী করব? বাসায় ভয়ে ভয়ে ঘটনাটা বললাম। পরিবার মনে করল তিনটা অডিশনে টিকেছে তো কী হয়েছে! এবার বাদ পড়ে যাবে। আমিও পরে বাদ পড়ার প্রস্তুতি নিয়ে গেলাম। হায় হায়! দেখি সেরা ৪০ থেকে সেরা ২০-এ টিকে গেলাম। এবার একটু সিরিয়াস হলাম। পরে সেরা ৫-এ গিয়ে বাদ পড়লাম। তখন মন খারাপ হয়েছিল খানিকটা।
আপনি তো ঢাকা পদাতিকেও ছিলেন...
মাত্র ছয় মাস দলটির সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। তখন কিছু ওয়ার্কশপও করেছিলাম। সৈয়দ জামিল স্যারের একটা ওয়ার্কশপ খুব কাজে লেগেছে। পরে পড়াশোনার চাপে আর নিয়মিত হতে পারিনি।
ভবিষ্যতে নিজেকে কোথায় দেখতে চান?
অবশ্যই আমি শীর্ষস্থানে যেতে চাই। আমি যখন কোনো কাজ সিরিয়াসভাবে নেই, সেটি করে দেখাই। এখন চ্যালেঞ্জ হচ্ছে কত দিনে অভিনেত্রী হিসেবে শীর্ষস্থানে যেতে পারব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে ‘হালিম বয়াতি স্মরণোৎসব-২০২৬’ আয়োজন করা হয়েছে, যা গানের সম্রাট ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম বয়াতির ৯৭তম জন্মবর্ষ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
আজ বিকেল ৩টায় টিএসসির পায়রা চত্বরে এই আয়োজনটি সাংস্কৃতিক সংগঠন হারিকেনের উদ্যোগে সম্পন্ন হবে। স্মরণোৎসবে আবদুল হালিম বয়াতির জীবন, সংগীতসাধনা ও সাংস্কৃতিক অবদান নিয়ে আলোচনা করবেন আলোকচিত্রী ও গবেষক নাসির আলী মামুন, লেখক ও গবেষক শফিকুর রহমান চৌধুরী, ড. তপন বাগচী এবং ড. সাইমন জাকারিয়া।
এছাড়া, হালিম বয়াতির স্মৃতিচারণা করবেন তাঁর শিষ্য লাল মিয়া বয়াতি ও নজরুল বয়াতি এবং তাঁর পুত্র নিশানে হালিম।
স্মরণোৎসবে সংগীত পরিবেশন করবেন আলেয়া বেগম, ফকির আবুল সরকার, লতা দেওয়ান, রুমা সরকার, মুক্তা সরকার, সৈয়দ আশিকুর রহমান, বিমান চন্দ্র বিশ্বাস, বগা তালেব, আকাশ গায়েন, শাহ মোহাম্মদ শিপন, মারুফ মৃণ্ময়, খোকন চিশতি, সোহাগ প্রামাণিক, জয়িতা অপা, সানজিদা প্রমি, ইমরান হোসাইন, অভিবাদন দাস, নবীন কিশোর গোস্বামী, নাজমূল সরকার নিহাত, রহমান জনি, মনিরুজ্জামান খান ও মাহাবুব খালাসী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ