০৩:৪০ এম
কক্সবাজার থেকে ঢাকায় পাচারের উদ্দেশ্যে একটি যাত্রীবাহী বাসে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা বহনের তথ্য পুলিশের কাছে আগে থেকেই ছিল। তবে, কোন বাসে মাদকের চালানটি রয়েছে, তা সঠিকভাবে নিশ্চিত ছিল না।
এমন এক পরিস্থিতিতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ এক যাত্রীর ফোনকল আসে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে একটি বাসের গোপন চেম্বার থেকে ৯২ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে।
শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে কক্সবাজার বাস টার্মিনালে কক্সবাজার সদর মডেল থানার একটি বিশেষ অভিযানিক দল এ অভিযানটি পরিচালনা করে। এ সময় বাসটির হেলপারকে আটক করা হয়, কিন্তু চালক পালিয়ে যান।
আরও পড়ুন: বিএমপি কমিশনারের উদ্যোগে পুলিশ লাইন্সের পুকুরে মৎস্যপোনা অবমুক্ত, উৎপাদন বৃদ্ধি ও পুষ্টি চাহিদা পূরণের প্রত্যাশা
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন যে, একটি ঢাকাগামী যাত্রীবাহী বাসে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা হবে। এ তথ্য পাওয়ার পর রাত ৮টা থেকে কক্সবাজার বাস টার্মিনাল এলাকায় বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে নজরদারি জোরদার করা হয়।
তিনি আরও জানান, নজরদারির এক পর্যায়ে ৯৯৯-এ এক যাত্রীর ফোনকলের মাধ্যমে নির্দিষ্ট একটি বাসে ইয়াবা থাকার তথ্য পাওয়া যায়। এরপর পুলিশ দ্রুত সেন্ট মার্টিন ট্রাভেলসের ঢাকাগামী বাসে অভিযান চালায়।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাসটির চালক নাজমুল, যিনি মাদারীপুরের বাসিন্দা, কৌশলে পালিয়ে যান। তবে, ঘটনাস্থল থেকে বাসটির হেলপার রাতুল ইসলাম সিলেটের বাসিন্দাকে আটক করা হয়।
আটক রাতুল ইসলামের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাসটির একটি সিটের নিচে বিশেষভাবে তৈরি গোপন চেম্বারে তল্লাশি চালিয়ে ৯২ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন: ৭নং জগদল ইউনিয়ন বিএনপির কর্মীসভা অনুষ্ঠিত, ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মীদের মূল্যায়নের দাবি
ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, উদ্ধার হওয়া ইয়াবা, জব্দ বাস এবং আটক হেলপারকে থানায় নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে, এ চালানের সঙ্গে একটি সংঘবদ্ধ মাদক পাচারকারী চক্র জড়িত রয়েছে।
উদ্ধার ইয়াবার উৎস, গন্তব্য, অর্থদাতা, রিসিভার এবং পলাতক চালক নাজমুলসহ চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত করতে তদন্ত ও গোয়েন্দা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এদিকে, একই দিনে কক্সবাজার সদর মডেল থানার পৃথক আরেকটি অভিযানে একটি মালবাহী পিকআপ থেকে আরো ৮ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার হয়। এভাবে একদিনে সদর থানার দুটি অভিযানে মোট ১ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। পৃথক এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করা এবং আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
আরও পড়ুন: কুলাউড়ায় জামায়াতের পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস পালিত, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন