বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৫:৫৩ পি.এম
মহাজাগতিক পূর্ণ সূর্যগ্রহণের পর এবার চলতি মাসেই দেখা মিলতে যাচ্ছে বিরল চন্দ্রগ্রহণ। এই চাঁদের মোট আয়তনের ৯৬ শতাংশ পৃথিবীর ছায়ায় ঢেকে যাবে। চলতি মাসের শেষের দিকে এই মহাজাগতিক বিরল ঘটনার অবতারণা ঘটতে যাচ্ছে।
জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ক ম্যাগাজিন ‘স্কাই অ্যান্ড টেলিস্কোপ’ জানাচ্ছে, আগামী ২৭ ও ২৮ আগস্ট (বৃহস্পতিবার রাতে) আকাশে দেখা মিলবে এক অনন্য আংশিক চন্দ্রগ্রহণের।
যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই ও আলাস্কার কিছু অংশ ব্যতীত পুরো উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ থেকে দর্শকরা এই চন্দ্রগ্রহণ প্রত্যক্ষ করতে পারবেন। এর পাশাপাশি, আফ্রিকা ও ইউরোপ থেকেও ২৮ আগস্ট ভোরের দিকে এই মহাজাগতিক দৃশ্য দেখা যাবে।
মহাকাশবিজ্ঞানীদের মতে, গ্রহণের সর্বোচ্চ মুহূর্তে চাঁদের প্রায় ৯৬ শতাংশ অংশ পৃথিবীর গাঢ় কেন্দ্রীয় ছায়া বা ‘আমব্রা’র গভীরে চলে যাবে। ফলস্বরূপ, চাঁদ পুরোপুরি ঢাকা না পড়লেও এক জ্বলন্ত সূর্যাস্তের মতো রক্তিম ও কমলা রঙের আভায় জ্বলজ্বল করে উঠবে, যা দেখতে অনেকটা ‘ব্লাড মুন’-এর মতো দেখতে হবে।
চন্দ্রপৃষ্ঠের বাকি অংশ পৃথিবীর বাইরের হালকা ছায়া বা ‘পেনামব্রা’র মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় চাঁদের উত্তর প্রান্তে রূপালি আলো বিচ্ছুরিত হবে। আন্তর্জাতিক সময় অনুযায়ী, ২৮ আগস্ট রাত ১২টা ১৩ মিনিটে (ইডিটি) চন্দ্রগ্রহণটি তার সর্বোচ্চ অবস্থায় পৌঁছাবে।
চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল পেরিয়ে আসা আলো প্রতিসরিত হয়ে চাঁদের বুকে পড়ার কারণে যে লালচে রূপ তৈরি হয়ে থাকে, তা অতীতে মানুষকে ভীত করলেও বর্তমানে এটি একটি চমৎকার দৃশ্য।
বিজ্ঞানীরা জানান, গ্রহণের সর্বোচ্চ মুহূর্তে চাঁদের অধিকাংশ অংশ অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ায় রাতের আকাশে নক্ষত্ররাজি ও মিল্কিওয়ে নতুন করে তাদের পূর্ণ রূপ নিয়ে ফুটে উঠবে। আমেরিকা মহাদেশের বাসিন্দাদের জন্য ২০২৯ সালের ২৬ জুনের পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের আগে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ দেখার সুযোগ হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের কোচ সিমন্স। ফাইল ছবি
‘টাইগার’ ছদ্মনামটা বাংলাদেশের। কিন্তু বর্তমানে ‘আহত বাঘ’ অস্ট্রেলিয়া।
ঘরের মাঠে যারা বাংলাদেশ দলের কাছে হেরে গিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য গর্জন করছে। ক্যাঙ্গারু নামে পরিচিত দলকে এমনভাবেই ভাবছেন বাংলাদেশের কোচ ফিল সিমন্স।
সিরিজে পিছিয়ে পড়া অস্ট্রেলিয়া ম্যাকাই টেস্টে ভয়ংকরভাবে ফিরতে পারবে বলেই শিষ্যদের সতর্ক করেছেন সিমন্স। দ্বিতীয় টেস্টের আগে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বাংলাদেশি কোচ বলেন, ‘দলকে আমি শুধু একটাই কথা বলেছি এবং তা যেকোনো জায়গায় আবার বলতে প্রস্তুত আমি।
অস্ট্রেলিয়া আরো শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসবে। তাই আমাদের অবশ্যই পারফরম্যান্সের এই ধারা বজায় রাখতে হবে, নতুবা আমাদের আরো উন্নতি করতে হবে।’
আগামী ২২ আগস্ট থেকে শুরু হতে যাচ্ছে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট। ম্যাকাই টেস্টে উন্নতির বিকল্প কোনো কিছু দেখছেন না সিমন্স।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক ব্যাটার সিমন্স বলেছেন, ‘কিছু কিছু ক্ষেত্রে যদি আমরা মাত্র ১ শতাংশও ভালো করতে পারি, তবে আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যেন সেই উন্নতিটুকু বজায় থাকে। কারণ আমরা জানি, তারা তাদের কৌশলে পরিবর্তন আনবে এবং আমাদের ওপর আরো কঠিন আক্রমণ চালাবে।’
ডারউইন টেস্টে জয়কে কোচিং ক্যারিয়ারের সেরা জয় হিসেবে গণ্য করছেন সিমন্স। ৬৩ বছর বয়সী কোচ বলেছেন, ‘একটি টেস্ট জয়ের পর এক ধরনের আত্মবিশ্বাস অবশ্যই আসে। আমরা ভালো খেলেছি।
দারুণ টেস্ট ম্যাচ জিতেছি। তাই আত্মবিশ্বাস এখন অনেক উচ্চতায়। নিশ্চিতভাবেই এটি আমার কোচিং ক্যারিয়ারের সেরা টেস্ট জয়। অন্যান্য ফরম্যাটে আমার বড় জয় আছে, তবে টেস্ট জয়টিই সেরা।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের ফল আগামী ১০ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হতে পারে, এমন তথ্য দিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের একটি সূত্র।
ওই দিন সংশ্লিষ্ট বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে ফলাফল জানা যাবে। একইসঙ্গে মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে।
এ বছর ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য চার লাখের বেশি পরীক্ষার্থী প্রায় ১৩ লাখ আবেদন করেছে। এর মধ্যে তত্ত্বীয় (লিখিত) বিষয়ে ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫৫টি এবং ব্যবহারিক বিষয়ে ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭১টি আবেদন জমা পড়েছে।
তথ্যের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, একজন শিক্ষার্থী গড়ে তিনটি বিষয়ে পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছে।
বোর্ড-ভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেখা গেছে, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে তত্ত্বীয় বিষয়ে ২ লাখ ৭৭ হাজার ৬৬৫টি এবং ব্যবহারিক বিষয়ে ৫৮ হাজার ১২টি—মোট ৩ লাখ ৩৫ হাজার ৬৭৭টি আবেদন পড়েছে।
এ ছাড়া কুমিল্লা বোর্ডে আবেদন পড়েছে ১ লাখ ১২ হাজার ৬১১টি, রাজশাহী বোর্ডে ১ লাখ ২২ হাজার ২২৮টি, যশোর বোর্ডে ৯১ হাজার ৫৯টি, চট্টগ্রাম বোর্ডে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৬০১টি, বরিশাল বোর্ডে ৬১ হাজার ৮৬টি, সিলেট বোর্ডে ৬০ হাজার ৯৭৪টি, দিনাজপুর বোর্ডে ১ লাখ ১১ হাজার ২৬০টি, ময়মনসিংহ বোর্ডে ৮৭ হাজার ১৫৭টি, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ১৭ হাজার ৫৯টি এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৫১ হাজার ২১৪টি আবেদন জমা পড়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরব নিজেদের স্কুলের পাঠ্যক্রমে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে যাতে ইসরায়েল ও ইহুদি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়কে ইতিবাচকভাবে তুলে ধরা হয়। বলা হচ্ছে, রিয়াদ এই পরিবর্তনগুলো করেছে ইসরায়েলকে ‘খুশি করতে’ এবং পশ্চিমা কূটনৈতিক চাপ সামলানোর জন্য। ইসরায়েলভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ইমপ্যাক্ট-এসই দাবি করছে, সৌদি পাঠ্যবই থেকে ইসরায়েলবিরোধী বার্তা ও অনুচ্ছেদ ছেঁটে ফেলা হয়েছে।
এই নতুন শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যক্রম পর্যালোচনা করে প্রকাশিত প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানায়, আড়ালে থাকা ‘মুসলিমরা কখনোই জেরুজালেম ছাড়বে না’ বাক্যটি পুরোপুরি বাদ দেওয়া হয়েছে। পূর্ববর্তী বাক্যে জেরুজালেমে মুসলিমদের উপস্থিতি যে হুমকির মুখে রয়েছে তা ফুটিয়ে তোলা হতো, যা ইসরায়েলের সঙ্গে মুসলিম বিশ্বের বৈরিতা উসকে দিত।
এসব পরিবর্তন এমন এক সময়ে আনা হয়েছে, যখন ইসরায়েলি রাজনীতিকেরা উন্মুক্তভাবে আল-আকসা মসজিদ ধ্বংস করে ‘ইহুদি মন্দির’ নির্মাণের দাবি তুলছেন। জেরুজালেমের মূল জনমিতি বদলে দেওয়ার জন্য এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে অবৈধ বসতি স্থাপন করা ইসরায়েলি আগ্রাসন অব্যাহত রয়েছে।
ইমপ্যাক্ট-এসইর দাবি অনুযায়ী, পাঠ্যবই থেকে তথাকথিত ‘ইহুদি-বিদ্বেষী’ সকল বিষয় বাদ দেওয়া হয়েছে, যা তারা ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখছে। এছাড়া পাঠ্যবই থেকে পবিত্র কোরআনের কিছু আয়াত, হাদিস এবং মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শিক্ষণীয় ঘটনাও বাদ দেওয়া হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে উল্লেখযোগ্য, অসুস্থ এক ইহুদি বালককে মহানবী (সা.) দেখা করার ফলে ইসলাম গ্রহণের ঘটনাটি ২০২৫ সালের সংস্করণ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
পাঠ্যবইয়ের মানচিত্রে আগে পুরো এলাকা ‘ফিলিস্তিন’ হিসেবে চিত্রিত করা হতো। নতুন ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের বইয়ে সেই ফিলিস্তিন নামটি মুছে ফেলা হয়েছে, যদিও মানচিত্রে ইসরায়েল নামটি এখনও লেখা হয়নি। সমস্ত এলাকায় ‘ফিলিস্তিন’ হিসেবে চিহ্নিত করার নীতি থেকে সৌদি আরব সরে এসেছে। একাদশ শ্রেণির ইতিহাস বইয়ে ‘ইহুদি শত্রু’ শব্দের বদলে ‘ইসরায়েলি দখলদারত্ব’ শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয়েছে।
সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠাতা বাদশাহ আবদুল আজিজকে ইসরায়েলের প্রথম প্রেসিডেন্ট চাইম ওয়াইজম্যান ফিলিস্তিন ইস্যু থেকে সরে আসতে বিপুল অর্থ ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। ঐতিহাসিক নথিতে এর সত্যতা থাকলেও, এই ঐতিহাসিক ঘটনাটি বইয়ে রাখার সমালোচনা করে একে ইহুদিদের বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্রমূলক বর্ণনা’ বলা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের প্রভাব বিস্তার ও স্বীকৃতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় ইসরায়েলি গোষ্ঠীগুলো দীর্ঘদিন ধরে আরব দেশগুলোর ওপর মনস্তাত্ত্বিক ও প্রশাসনিক চাপ দিয়ে আসছে। এই সৌদি পাঠ্যবই পরিবর্তনকে সেই কূটনৈতিক কৌশলের একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখছে ইসরায়েল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, "নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে পেস্টিসাইড ব্যবহারে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।" তিনি উল্লেখ করেন, মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক (পেস্টিসাইড) ব্যবহারের কারণে কৃষকদের মাঝে ক্যান্সারসহ নানা জটিল স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। এ বিষয়ে পেস্টিসাইডের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিশেষ প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ার বিশদ বর্ণনা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত গভর্নিং বডির ষষ্ঠ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, "রাসায়নিকের পরিবর্তে প্রাকৃতিক ও জৈব সার সঠিকভাবে প্রয়োগ করা গেলে মাটি, পরিবেশ, পানি এবং মাছ নিরাপদ থাকবে।" বর্তমানে মাটিতে ভারী ধাতুর উপস্থিতি এবং মাটির পিএইচ মাত্রার অবনতি উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। মMinister বলেন, "মাটির পিএইচ ৪.৫ থেকে ৫-এর মধ্যে রয়েছে, যেখানে ভালো ফলনের জন্য তা ৬.৫-এর ওপরে থাকা প্রয়োজন।" এ প্রসঙ্গে কৃষি মন্ত্রণালয় মাটির উর্বরতা ও অম্লত্ব স্বাভাবিক রেখে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে কাজ করছে।
সভায় কৃষিমন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশ মাংস উৎপাদনে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ। মন্ত্রী জানান, গবেষণা ও উৎপাদন আরো বাড়াতে পারলে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বাজারে বিলিয়ন ডলারের মাংস ও মাংসজাত পণ্য রপ্তানি করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি মিঠাপানির মাছের উৎপাদন ও সংরক্ষণে অভয়াশ্রম স্থাপন সহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে এবং মৎস্য খাতে অবদান রাখা ব্যক্তিদের পুরস্কৃত করা হচ্ছে।
জাতীয় নীতি প্রণয়নে গবেষকদের মেধা ও জ্ঞানকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, "বিএআরসির সিদ্ধান্তগুলোর শতভাগ বাস্তবায়ন নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে।"
সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেন, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের নতুন জাত উদ্ভাবনে সরকারি ও বেসরকারি উভয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানের অবদান প্রশংসনীয়। সেসব উদ্ভাবনকে জাতীয় স্বার্থে সর্বোচ্চ কাজে লাগাতে হবে।
সভায় সংসদ সদস্য আবুল কালাম, সংসদ সদস্য শিরীন সুলতানা, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য মো. মাহমুদুল হোসাইন খান, কৃষিসচিব মো. সেলিম খান, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব মো. দেলওয়ার হোসেন এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়াসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ