মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:১২ পি.এম
গ্রীষ্মের দলবদল চলাকালীন সময়ে গুজব ছড়িয়েছিল যে, ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি থেকে স্পেনের রিয়াল মাদ্রিদে যাচ্ছেন রদ্রি। তবে সকল জল্পনার অবসান ঘটিয়ে হঠাৎ করেই লিগ প্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনায় যোগ দেন তিনি। কেন স্প্যানিশ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক বার্সেলোনায় যোগ দিলেন, তা নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়। এই তারকা মিডফিল্ডার জানিয়েছেন, বার্সায় যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্তটি সম্পূর্ণ তাঁর ক্যারিয়ার এবং ক্রীড়াসংক্রান্ত বিষয়গুলোর ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।
স্প্যানিশ ক্রীড়া সংবাদমাধ্যম মুন্দো দেপোর্তিভোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ বিষয়ে মন্তব্য করেন। দলবদল নিয়ে চলতে থাকা গুজব সম্পর্কে রদ্রি বলেন, "এটা সত্যি নয় যে, রিয়াল মাদ্রিদ ব্যালন ডি’অর বয়কট করেছিল বলে আমি তাদের প্রত্যাখ্যান করেছিলাম। সেই মুহূর্তে বিষয়টি আমাকে প্রভাবিত করেনি। ওটা ছিল আমার বিশেষ একটি দিন।"
তিনি আরও বলেন, "যারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না, তাদের নিয়ে কথা বলে কোনো লাভ নেই। এটা আমার ও আমার পরিবারের জন্য একটি সুন্দর মুহূর্ত ছিল।"
রদ্রি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের লক্ষ্যেই তিনি বার্সেলোনায় এসেছেন। যদিও ক্লাবটি দীর্ঘ সময় (২০১৫ সালের পর) এই শিরোপা জিততে পারেনি, তবে দলের বর্তমান তরুণ স্কোয়াড নিয়ে তিনি বেশ আশাবাদী।
তবে বাস্তবতাকে গুরুত্ব দিয়ে রদ্রি দলকে সরাসরি টুর্নামেন্টের ‘ফেভারিট’ বলতে রাজি হননি। হান্সি ফ্লিকের অধীনে বার্সেলোনার তরুণদের নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে অবদান রাখাই এখন তার মূল লক্ষ্য বলে জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার নির্বাচন সংক্রান্ত কমিশনের প্রদত্ত সম্ভাব্য সূচি চূড়ান্ত নয় বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, গণমাধ্যমে বিষয়টি কিছুটা ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পর্কিত আইন অনুযায়ী, নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে সরকারের সঙ্গে সার্বিক আলাপ-আলোচনা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ঢাকা শহরের মেগা প্রকল্পের কারণে উদ্ভূত যানজট রোধ সংক্রান্ত এক সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, সাংবিধানিকভাবে নির্বাচন কমিশনের দুটি প্রধান দায়িত্ব রয়েছে—রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ও সংসদ নির্বাচন করা। স্থানীয় সরকার আইন অনুযায়ী স্থানীয় সরকারগুলোর নির্বাচন হবে। এ আইনে কিছু নেই যা বলে যে, সরকারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা ব্যতিরেকে নির্বাচন করা যাবে; এটি সমন্বয়ের বিষয়।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন সম্ভাব্য সূচি দিয়েছে, তবে এটি মিডিয়াতে ভিন্নভাবে এসেছে। সম্ভাব্য তারিখ চূড়ান্ত কিছু নয়।
গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় আরো ৭ আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ‘নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে ১৭ সেপ্টেম্বর আন্ত মন্ত্রণালয় সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা উপস্থিত থাকবেন। ওই সভার সিদ্ধান্তের আলোকে ভবিষ্যতে নির্বাচনের তফসিল সাজাবে কমিশন। সে পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।’
রাজধানীতে চলমান মেগা প্রকল্পের কাজের সমন্বয় নিয়ে তিনি বলেন, সব উন্নয়ন কাজ যেন সমন্বিত হয়, সে জন্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মিটিং হয়েছে। যাতে এক সংস্থা খোঁড়াখুঁড়ির পর অন্য সংস্থা খোঁড়াখুঁড়ি না করে। নগরবাসীর ভোগান্তি যেন না হয়, সেসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে চলমান উন্নয়ন কাজ সমন্বয় করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ১৫ দিন পর আবার সমন্বয় সভা হবে।
এছাড়া বর্ষা মৌসুমে খোঁড়াখুঁড়ি এড়ানো এবং এক সংস্থার পর অন্য সংস্থা খোঁড়াখুঁড়ি যেন না করে, একসঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বরিশাল সেনানিবাস সম্প্রসারণের জন্য ১১৫৩ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগ মাঝে মাঝে কিছু অপতৎপরতা চালায়, যা দৃশ্যমান। এর অংশ হিসেবে ফজরের নামাজের পর অল্প কিছু লোক নিয়ে মিছিল করে ভিডিও করা হয়েছে। গুলশানে যে মিছিল হয়েছে সকাল ১১টায়, সেখানে জুমার নামাজ আদায়ের নাম দিয়ে কিছু লোক জড়ো হয়েছে। এ ক্ষেত্রে পরবর্তীতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
গোয়েন্দা তথ্যের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পুলিশ বাহিনী হয়তো শুক্রবার আন্দাজ করতে সক্ষম হয়নি; ওই সময় জুমার নামাজ পড়তে এসে এ ধরনের কিছু করতে পারে। এটাকে ব্যর্থতা বলার সুযোগ নেই, পরবর্তী সময়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ইতিমধ্যে হাইকোর্টের সামনে ককটেল ফাটানোর সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করা হয়েছে। একটি ককটেল ছোঁড়ার ঘটনা ৭ জনের ফাঁসির রায়ের প্রতিক্রিয়ায় ঘটেছে, এটি এত বড় কিছু নয়।
সব মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য বোর্ডের জরুরি নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। মন্ত্রী আরো বলেন, ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল যে রায় ঘোষণা করেছে, তাতে ভুক্তভোগী দেশবাসী সুবিচার পেয়েছে বলে আমরা মনে করি। আদালতের রায়ের ওপর কোনো মন্তব্য নেই, আদালত স্বাধীন।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার দুধকুমার নদীর মুড়িয়ার ঘাট থেকে বাঁশের তৈরি ভেলায় চড়ে ফরিদপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন খাজা বাবার স্থানীয় ভক্তরা। ইঞ্জিনবিহীন বাঁশের ভেলায় নদীপথে দীর্ঘ যাত্রা ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, খাজা বাবার দরবারে যাওয়ার উদ্দেশ্যে স্থানীয় কয়েকজন ভক্ত বাঁশের তৈরি ভেলায় চড়ে দুধকুমার নদী পাড়ি দিয়ে ফরিদপুরের পথে যাত্রা শুরু করেন। নদীর স্রোতের সঙ্গে ভেসে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার এই ব্যতিক্রমী যাত্রা দেখতে নদীর তীরে ভিড় করেন উৎসুক মানুষ।
ভক্তদের ভেলায় চড়ে নদীপথে যাত্রার দৃশ্য অনেকেই মোবাইল ফোনে ধারণ করেন। ব্যতিক্রমী এ নদীযাত্রা ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রতিবছরই খাজা বাবার ভক্তদের এমন ঐতিহ্যবাহী নদীযাত্রা এলাকায় আলাদা আকর্ষণ তৈরি করে। বাঁশের ভেলায় চড়ে নদী পাড়ি দেওয়ার এ দৃশ্য দেখতে দূর-দূরান্ত থেকেও অনেকে নদীর তীরে আসেন।
তবে ভক্তদের ভেলায় নদী পাড়ি দেওয়ার সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও যাত্রার সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের মুসলিম সমাজে দলীয় আনুগত্য ও পীর-মুরিদকেন্দ্রিক বিভাজন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুফতি মোজাম্মেল হক মাছুমি। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ বিষয়ে নিজের মতামত তুলে ধরেন।
পোস্টে মুফতি মোজাম্মেল হক মাছুমি বলেন, “দল পূজা আর পীর পূজা এদেশের মুসলমানদের মধ্যে এত ঘৃণা তৈরি করেছে, যা অমুসলিমরাও তৈরি করতে পারেনি।”
তিনি আরও বলেন, “ক্ষেত্রবিশেষে এমনও দেখেছি, আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের চেয়েও নেতা ও পীরের হুকুমকে বেশি মান্য করে।”
তার এই মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই তার বক্তব্যকে মুসলিম সমাজের অভ্যন্তরীণ বিভাজন ও অন্ধ আনুগত্যের সমালোচনা হিসেবে দেখছেন। আবার কেউ কেউ বক্তব্যটির বিভিন্ন দিক নিয়ে ভিন্নমতও প্রকাশ করছেন।
তবে মুফতি মোজাম্মেল হক মাছুমির বক্তব্যের পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট ও উদ্দেশ্য তার মূল পোস্টের বিস্তারিত বক্তব্যের ভিত্তিতেই মূল্যায়ন করা উচিত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনা সভা, গ্রাহক সমাবেশ, পুরস্কার বিতরণ ও রিভিউ মিটিংয়ের মধ্য দিয়ে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় বেস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স PLC-এর ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আলফাডাঙ্গা মডেল মসজিদ অডিটোরিয়ামে প্রতিষ্ঠানটির আলফাডাঙ্গা জোনাল অফিসের উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়। র্যালিতে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্টরা অংশ নেন। গ্রাহকদের বীমা সম্পর্কে সচেতন করা, আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন ছিল আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আলফাডাঙ্গা জোনাল অফিসের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার মোহাম্মদ হোসাইন। অনুষ্ঠানে অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়।
গ্রাহক সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বেস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স PLC-এর অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুমনা পারভীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ফরিদপুর বিভাগীয় প্রধান ও অফিস ইনচার্জ মো. সাজিদ মাতুব্বর এবং প্রধান প্রশিক্ষক ও সেন্ট্রাল ট্রেনার জামিল উদ্দিন মিন্টু।
বক্তারা বীমার গুরুত্ব, গ্রাহকের আর্থিক নিরাপত্তা, উন্নত গ্রাহকসেবা এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বীমা খাতের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ পুরস্কার ও সম্মাননা দেওয়া হয়। পরে অনুষ্ঠিত বিশেষ রিভিউ মিটিংয়ে ব্যবসায়িক অগ্রগতি, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা, গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন ও কর্মীদের কার্যক্রম নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা হয়
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ