ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মেয়েদের সর্বজনীন উপবৃত্তি চালুর সম্ভাবনা পর্যালোচনার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর


মেয়েদের সর্বজনীন উপবৃত্তি চালুর সম্ভাবনা পর্যালোচনার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক পর্যন্ত মেয়েদের জন্য সর্বজনীন উপবৃত্তি পুনরায় চালুর সম্ভাবনা পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ‘প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট’-এর বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন তিনি।

 

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর জনসভার আগে রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের চলমান কার্যক্রম, এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে আর্থিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে ঝরে পড়া রোধে ট্রাস্টের ভূমিকা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে বিস্তারিতভাবে অবহিত করা হয়। একই সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলে মেয়েদের জন্য চালু হওয়া সর্বজনীন উপবৃত্তি কর্মসূচির প্রভাব ও অর্জন নিয়ে আলোচনা হয়।

 

এ সময় মেয়েদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি ও শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখা এবং বাল্যবিবাহে নিরুৎসাহিত করার ক্ষেত্রে সর্বজনীন উপবৃত্তির ইতিবাচক প্রভাবের বিষয়গুলো উঠে আসে। এই প্রেক্ষাপটে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক পর্যন্ত মেয়েদের জন্য সর্বজনীন উপবৃত্তি পুনরায় চালুর সম্ভাবনা পর্যালোচনার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে সম্ভাব্য ব্যয়, উপকারভোগীর সংখ্যা, বাস্তবায়ন পদ্ধতি এবং প্রত্যাশিত সামাজিক ও শিক্ষাগত প্রভাব বিশ্লেষণ করে একটি সুস্পষ্ট প্রস্তাব প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে ছেলেদের শিক্ষায় উৎসাহিত করতে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে উপবৃত্তি দেওয়ার বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।

 

আরও পড়ুন: চলতি মাসেই সরকারি চাকরিজীবীরা পাচ্ছেন বড় সুখবর

বৈঠকে শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টিকেও শিক্ষার মানোন্নয়নের সঙ্গে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ সময় বিদ্যালয় পর্যায়ে মিড ডে মিল কার্যক্রমের ব্যবস্থাপনা, খাবারের পুষ্টিমান, শিশুদের জন্য নিরাপদ খাদ্য প্রস্তুত ও সরবরাহ নিশ্চিত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের জন্য সরবরাহ করা খাবার যাতে পুষ্টিকর, নিরাপদ ও মানসম্মত হয় এবং কোনোভাবেই খাদ্যের মান নিয়ে আপস না করা হয়, সে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

 

মিড ডে মিল কার্যক্রম বাস্তবায়নে ব্যয়, ব্যবস্থাপনার দক্ষতা, স্থানীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ এবং খাবারের মান নিয়ন্ত্রণের বিষয় বিবেচনায় রেখে দুটি বিকল্প পদ্ধতি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। উভয় পদ্ধতির কার্যকারিতা, বাস্তবায়নযোগ্যতা ও সম্ভাব্য ফলাফল যাচাই করার লক্ষ্যে পৃথক দুটি জেলায় প্রতিটি পদ্ধতির পাইলট প্রকল্প চালুর নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

 

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে ৪টি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষরের সম্ভাবনা

বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদী আমিন, শিক্ষাসচিব আবদুল খালেক, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকায় ছাত্রদলের বড় ধরনের শোডাউন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:০১ পি.এম


ঢাকায় ছাত্রদলের বড় ধরনের শোডাউন

রাজধানী ঢাকায়, শেরে বাংলা নগরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল একটি শোডাউন এবং আনন্দ মিছিল করেছে। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদকে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মনোনীত করায়, সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে, জিয়া উদ্যান সংলগ্ন ক্রিসেন্ট লেক রোডে এই মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

এই মিছিলে ছাত্রদলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। তারা রিজভী আহমেদকে অভিনন্দন জানিয়ে "দুর্দিনের রিজভী ভাই, আমরা তোমায় ভুলি নাই", "ছাত্রদলের রিজভী ভাই, আমরা তোমায় ভুলি নাই", "আমরা সবাই তারেক হব, দেশ গড়ায় অংশ নেব" প্রভৃতি শ্লোগান দেন। এই সময়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে এক উৎসবমুখর পরিবেশও লক্ষ্য করা যায়।

ছাত্রদল নেতাকর্মীরা বলেন, রুহুল কবির রিজভী দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন এবং তিনি দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ও আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন। তাকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব দেওয়ায় দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে।

ছাত্রদল নেতাকর্মীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, রিজভী আহমেদের নেতৃত্বে বিএনপি এবং ছাত্রদল আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী হবে এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চারিত হবে।

এর আগে, সোমবার সকাল থেকেই ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে রাজধানীর শেরে-ই বাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে উপস্থিত হন।

পরবর্তীতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে বিএনপির সহযোগী ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এ সময় প্রিয় দুই নেতার রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতও করা হয়।

পুনরায় উল্লেখ্য যে, BNP-এর ৪৮ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক কোনো নেতা দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। তিনি ছাত্রদলের প্যানেল থেকে নির্বাচিত রাকসুর সভাপতিও। তার এই দায়িত্ব পাওয়ায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘জুলাইয়ে বিপ্লব নয়, ব্যবস্থা সংস্কারের জন্য গণঅভ্যুত্থান হয়েছে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:০৩ পি.এম


‘জুলাইয়ে বিপ্লব নয়, ব্যবস্থা সংস্কারের জন্য গণঅভ্যুত্থান হয়েছে’

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন জানিয়েছেন, জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানকে কোনো বিপ্লব হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এটি ছিল প্রচলিত রাষ্ট্রব্যবস্থা সংস্কার এবং মেরামতের উদ্দেশ্যে সংঘটিত একটি গণঅভ্যুত্থান। বাংলাদেশের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে সেইভাবে কোন বাস্তবতা ছিল না।

সোমবার রাজধানী ঢাকা শহরের সিরডাপ মিলনায়তনে ‘নির্বাচন-পরবর্তী বাংলাদেশ : রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা’ নামে একটি আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ বিষয়গুলি বলেন। সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস) এর উদ্যোগে এই আলোচনা সভাটি আয়োজন করা হয়।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, যদি কোনো পূর্ণাঙ্গ বিপ্লব ঘটে, তাহলে তার পেছনে একটি নির্দিষ্ট দর্শন, বিপ্লবী আদর্শ এবং সেই আদর্শ ধারণকারী একটি রাজনৈতিক শক্তির নেতৃত্ব থাকতে হয়। সেই প্রেক্ষিতে বিপ্লবী পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন সরকার ও রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে ওঠে।

তিনি উল্লেখ করেন যে, আমাদের দল এবং সরকার স্পষ্টভাবে মনে করে, গণঅভ্যুত্থান ঘটেছে প্রচলিত ব্যবস্থাকে সংস্কার এবং মেরামত করার জন্য। সিদ্ধি অনুযায়ী এখানে কোনো বিপ্লব সম্পন্ন হয়নি।

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা আরও বলেন, বিপ্লব এবং সংস্কার প্রক্রিয়ার মধ্যে পার্থক্য নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে এখনও এক ধরনের চিন্তাগত অস্পষ্টতা বিরাজমান রয়েছে। জুলাই মাসের ঘটনাপ্রবাহের দিকে কে কিভাবে দেখছেন, সেটি সম্পর্কে স্পষ্টতার অভাব থাকলে রাষ্ট্র সংস্কারের প্রক্রিয়ায় ঐকমত্য গড়ে তোলা খুবই কঠিন হয়ে পড়বে।

তিনি বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারের মতো জটিল কর্মসূচিকে সুপ-লব্ধভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে রাজনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যে সমান্তরাল দৃষ্টিভঙ্গি ও ন্যূনতম ঐকমত্যের প্রয়োজন। সকলকে মিলে নির্ধারণ করতে হবে কোনটি সঠিক, কোনটি বেঠিক এবং বাহির করতে হবে কোনগুলোকে গ্রহণ এবং স্থগিত রাখব, সেই সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হলে একটি সুস্থ এবং টেকসই প্রক্রিয়ার প্রয়োজন।

জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, জুলাই সনদসহ চলমান রাজনৈতিক ও সংস্কার প্রক্রিয়া বিষয়ে মতভেদ থাকলেও, আলোচনা ও সম্পৃক্ততার মাধ্যমে ঐকমত্য গড়ে তুলতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য জোরদারে স্থলবন্দর ও সীমান্ত হাট চালুর উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:০৩ পি.এম


ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য জোরদারে স্থলবন্দর ও সীমান্ত হাট চালুর উদ্যোগ

ঢাক, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ : বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে বন্ধ থাকা সীমান্ত হাট পুনরায় চালুর বিষয়টিতে আলোচনা হয়েছে। এর পাশাপাশি স্থলবন্দরগুলোকে পূর্ণ সক্ষমতায় কার্যকর করা এবং স্থলপথে সুতা আমদানির ওপর বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়গুলোও আলোচনায় এসেছে।

সোমবার সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও ব্যবসায়িক প্রতিবন্ধকতা দূর করার বিভিন্ন বিষয় উঠে এসেছে।

বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বর্তমানে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সম্পর্ক বিদ্যমান। তবে গত দেড় বছরের মধ্যে কিছু প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হওয়ায় বাণিজ্যিক কার্যক্রম কিছুটা ধীরগতির হয়েছে। এসব সমস্যা চিহ্নিত করে আগামীতে দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ককে কীভাবে আরও সহজ ও কার্যকর করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, চীনের পর ভারত বাংলাদেশ-এর দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে কাজ করছে। দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। বৈঠকে স্থলবন্দরগুলোকে পুরোপুরি কার্যকর করা, বন্ধ থাকা সীমান্ত হাট পুনরায় চালু করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাওয়ার পাশাপাশি স্থলপথে সুতা আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের গুরুত্বও আলোচনায় এসেছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও জানান, দুই দেশের ব্যবসায়ীদের সহযোগিতাকে বৃদ্ধি করতে একটি যৌথ টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব এসেছে। ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয়টিও তাৎপর্যপূর্ণ। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের প্রচেষ্টা চলছে, যা বাণিজ্যে গতি আনতে সাহায্য করবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, ভারতীয় হাইকমিশনারের উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা নতুন মাত্রা লাভ করবে।

বৈঠকে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী মন্তব্য করেন যে, দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ে কিছু মতপার্থক্য থাকলেও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা উন্নয়ন ও অগ্রগতি। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ জন্য দুই দেশকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত দুটোই স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ। এখানে কেউ বড় বা ছোট নয়, সবাই সমান। এই সমতার ভিত্তিতে দুই দেশকে কাজ করে যেতে হবে সংক্রান্ত মন্তব্যও করেন।

তিনি আরও বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সহযোগিতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অর্থনৈতিক সম্পর্ক শক্তিশালী হলে অন্যান্য ক্ষেত্রেও সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ভারতীয় হাইকমিশনার যোগ করেন যে, যৌথ বিনিয়োগ ও উৎপাদনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অত্যন্ত সফলতা পেয়েছে। ভারত জিপার, মেশিনারি, বোতামসহ বিভিন্ন উপকরণ সরবরাহের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা করতে পারে। এতে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক নির্ভরতা বাড়বে।

তিনি জানান, ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লেখা পোশাক আন্তর্জাতিক বাজারে দেখে গর্ব অনুভব করেন। বাংলাদেশের গার্মেন্টস খাত দুই দেশের যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে আরও বৃহত্তর পরিসরে এগিয়ে যেতে সক্ষম হবে।

উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি, নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্র তৈরির মাধ্যমে এবং সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আগামী দিনে আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস ৪৪২টি কনটেইনার পণ্য ই-নিলামে তুলছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:০৪ পি.এম


চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস ৪৪২টি কনটেইনার পণ্য ই-নিলামে তুলছে

ঢাকা, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ : চলতি আগস্ট মাসে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস ৪৪২টি কনটেইনার পণ্য ই-অকশন পদ্ধতিতে বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন। এতে বলা হয়েছে- চট্টগ্রাম বন্দরের কর্ম-উপযোগিতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিদ্যমান কনটেইনার জট নিরসন, ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে অখালাসকৃত ও নিলামযোগ্য বিভিন্ন পণ্য নিয়মিতভাবে নিলামের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। এই প্রদত্ত কারণে এই নিলামের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের জারিকৃত নিলামের স্থায়ী আদেশ নং-৯১/কাস্টমস/২০২৫/১২৩ এবং বিশেষ আদেশ নং-৮২/২০২৫/কাস্টমস অনুযায়ী বিশেষ ই-অকশন নং-১০/২০২৬-এর আওতায় মোট ১০১টি লট রয়েছে, যাতে রয়েছে ২৯০টি কনটেইনার। এসব কনটেইনারে বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল, যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ, প্লাস্টিক ওয়েস্টেজ (স্ক্র্যাপ), চেস্ট ফ্রিজার, পাইপ, বিভিন্ন ধরনের সুতা ও কাপড়, সোলার মডিউল, বিভিন্ন ধরনের লবণ, কাগজ, টাইলস, গৃহস্থালি পণ্য এবং ৮৬টি পুরাতন খালি কনটেইনারসহ আরও বিভিন্ন পণ্য রয়েছে। এসব পণ্যচালানের নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকবে না।

অন্যদিকে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক জারিকৃত স্থায়ী আদেশ নং-৯১/কাস্টমস/২০২৫/১২৩ অনুসারে ই-অকশন নং-০৯/২০২৬-এর আওতায় ১০৯টি লটে মোট ১৫২টি কনটেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে। এসব কনটেইনারের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, ফেব্রিক্স, পিভিসি ফ্লেক্স ব্যানার, কেমিক্যাল, এসির যন্ত্রাংশ, টাইলস, স্টেইনলেস স্টিল কয়েল, স্ক্যানার, ব্যাডমিন্টন র‌্যাকেট, এলিভেটর এবং লবণসহ অন্যান্য পণ্য।

নিলাম কার্যক্রমের মধ্যে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় এই নিলাম পরিচালিত হবে।

নিলাম কার্যক্রমকে আরো প্রতিযোগিতামূলক করার লক্ষ্যে ই-অকশন নং-০৯/২০২৬-এর পণ্য ৩০ আগস্ট থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত এবং বিশেষ ই-অকশন নং-১০/২০২৬-এর পণ্য ৩০ আগস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত অফিস চলাকালে বিডারদের সরেজমিনে পরিদর্শনের সুযোগ থাকছে। পাশাপাশি অনলাইনে বিড করার ব্যবস্থাও রয়েছে।

অগ্রহী ক্রেতারা ঘরে বসেই কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে এবং ই-অকশন নং-০৯/২০২৬-এর দরপত্র ২৭ আগস্ট থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিকেল ৩টা পর্যন্ত এবং বিশেষ ই-অকশন নং-১০/২০২৬-এর দরপত্র ২৭ আগস্ট থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিকেল ৩টা পর্যন্ত অনলাইনে দাখিল করতে পারবেন।

অনলাইন বিডিংয়ের সময় প্রস্তাবিত দরমূল্যের ন্যূনতম ১০ শতাংশ জামানতের স্ক্যান কপি আপলোড করতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট মূল কাগজপত্র দাখিল করতে হবে।

সর্বাধিক দরদাতাদের আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪-এর প্রযোজ্য শর্ত পরিপালন সাপেক্ষে পণ্যসমূহ খালাস গ্রহণ করতে হবে।

আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে ৩টায় ই-অকশন নং-০৯/২০২৬-এর দরপত্র বাক্স খোলা হবে। অন্যদিকে, ২০ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় বিশেষ ই-অকশন নং-১০/২০২৬-এর দরপত্র বাক্স খোলা হবে।

নিলাম সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যের জন্য বিডারদের কাস্টমসের ই-অকশন পোর্টাল পরিদর্শনের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড আশা প্রকাশ করেছে যে, চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় সম্পদের কার্যকর ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তিনির্ভর এই নিলাম কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%