ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস ৪৪২টি কনটেইনার পণ্য ই-নিলামে তুলছে


চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস ৪৪২টি কনটেইনার পণ্য ই-নিলামে তুলছে

ঢাকা, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ : চলতি আগস্ট মাসে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস ৪৪২টি কনটেইনার পণ্য ই-অকশন পদ্ধতিতে বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন। এতে বলা হয়েছে- চট্টগ্রাম বন্দরের কর্ম-উপযোগিতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিদ্যমান কনটেইনার জট নিরসন, ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে অখালাসকৃত ও নিলামযোগ্য বিভিন্ন পণ্য নিয়মিতভাবে নিলামের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। এই প্রদত্ত কারণে এই নিলামের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের জারিকৃত নিলামের স্থায়ী আদেশ নং-৯১/কাস্টমস/২০২৫/১২৩ এবং বিশেষ আদেশ নং-৮২/২০২৫/কাস্টমস অনুযায়ী বিশেষ ই-অকশন নং-১০/২০২৬-এর আওতায় মোট ১০১টি লট রয়েছে, যাতে রয়েছে ২৯০টি কনটেইনার। এসব কনটেইনারে বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল, যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ, প্লাস্টিক ওয়েস্টেজ (স্ক্র্যাপ), চেস্ট ফ্রিজার, পাইপ, বিভিন্ন ধরনের সুতা ও কাপড়, সোলার মডিউল, বিভিন্ন ধরনের লবণ, কাগজ, টাইলস, গৃহস্থালি পণ্য এবং ৮৬টি পুরাতন খালি কনটেইনারসহ আরও বিভিন্ন পণ্য রয়েছে। এসব পণ্যচালানের নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকবে না।

আরও পড়ুন: কোম্পানীগঞ্জে ভাড়া বাসা থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

অন্যদিকে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক জারিকৃত স্থায়ী আদেশ নং-৯১/কাস্টমস/২০২৫/১২৩ অনুসারে ই-অকশন নং-০৯/২০২৬-এর আওতায় ১০৯টি লটে মোট ১৫২টি কনটেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে। এসব কনটেইনারের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, ফেব্রিক্স, পিভিসি ফ্লেক্স ব্যানার, কেমিক্যাল, এসির যন্ত্রাংশ, টাইলস, স্টেইনলেস স্টিল কয়েল, স্ক্যানার, ব্যাডমিন্টন র‌্যাকেট, এলিভেটর এবং লবণসহ অন্যান্য পণ্য।

নিলাম কার্যক্রমের মধ্যে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় এই নিলাম পরিচালিত হবে।

নিলাম কার্যক্রমকে আরো প্রতিযোগিতামূলক করার লক্ষ্যে ই-অকশন নং-০৯/২০২৬-এর পণ্য ৩০ আগস্ট থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত এবং বিশেষ ই-অকশন নং-১০/২০২৬-এর পণ্য ৩০ আগস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত অফিস চলাকালে বিডারদের সরেজমিনে পরিদর্শনের সুযোগ থাকছে। পাশাপাশি অনলাইনে বিড করার ব্যবস্থাও রয়েছে।

অগ্রহী ক্রেতারা ঘরে বসেই কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে এবং ই-অকশন নং-০৯/২০২৬-এর দরপত্র ২৭ আগস্ট থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিকেল ৩টা পর্যন্ত এবং বিশেষ ই-অকশন নং-১০/২০২৬-এর দরপত্র ২৭ আগস্ট থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিকেল ৩টা পর্যন্ত অনলাইনে দাখিল করতে পারবেন।

আরও পড়ুন: লোহাগড়ার নলদী ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী মশিয়ার রহমানের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন

অনলাইন বিডিংয়ের সময় প্রস্তাবিত দরমূল্যের ন্যূনতম ১০ শতাংশ জামানতের স্ক্যান কপি আপলোড করতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট মূল কাগজপত্র দাখিল করতে হবে।

সর্বাধিক দরদাতাদের আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪-এর প্রযোজ্য শর্ত পরিপালন সাপেক্ষে পণ্যসমূহ খালাস গ্রহণ করতে হবে।

আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে ৩টায় ই-অকশন নং-০৯/২০২৬-এর দরপত্র বাক্স খোলা হবে। অন্যদিকে, ২০ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় বিশেষ ই-অকশন নং-১০/২০২৬-এর দরপত্র বাক্স খোলা হবে।

নিলাম সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যের জন্য বিডারদের কাস্টমসের ই-অকশন পোর্টাল পরিদর্শনের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘মায়ের কোলে শিশুরা যেমন নিরাপদ, তেমনি এ সরকারের আমলে সব ধর্মের মানুষ নিরাপদ’ প্রতিমন্ত্রী আহাম্মেদ সোহেল মঞ্জুর এমপি

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড আশা প্রকাশ করেছে যে, চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় সম্পদের কার্যকর ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তিনির্ভর এই নিলাম কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাংস্কৃতিক পর্যটন উন্নয়নে দুই মন্ত্রণালয়ের সমঝোতা স্মারক সইয়ের সিদ্ধান্ত: মিল্লাত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:০৬ পি.এম


সাংস্কৃতিক পর্যটন উন্নয়নে দুই মন্ত্রণালয়ের সমঝোতা স্মারক সইয়ের সিদ্ধান্ত: মিল্লাত

ঢাকা, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ : দেশের ঐতিহাসিক এবং প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যকে পর্যটন উন্নয়নের সঙ্গে একত্রিত করে সাংস্কৃতিক পর্যটন বৃদ্ধি করতে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আজ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

এ সংক্রান্ত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

সভাটি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সভাপতিত্বে হয়। সভায় সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম এবং সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী মিল্লাত বলেন, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর দুই মন্ত্রণালয় যৌথভাবে একটি অভিন্ন ‘স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি)’ নির্মাণের কাজ শুরু করবে। একই সঙ্গে দেশে সাংস্কৃতিক পর্যটনের উন্নয়নে কাজ করতে ‘জয়েন্ট টাস্কফোর্স ফর কালচারাল ট্যুরিজম’ গঠন করা হবে।

তিনি বলেন, ‘পর্যটন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শিল্প এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের পর্যটন খাতকে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করতে চান, এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) পর্যটন খাতের অবদান মাত্র ২ থেকে ৩ শতাংশ। সরকার এই অবদান ৭ থেকে ৮ শতাংশে উন্নীত করতে কাজ করছে।

সভায় সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম দেশের বিমানবন্দরে আগত আন্তর্জাতিক যাত্রীদের কাছে ‘নজরুল বর্ষ’ তুলে ধরার জন্য প্রস্তাব দেন। মন্ত্রী মিল্লাত বলেন, নজরুল বর্ষ উপলক্ষ্যে বিমানবন্দরগুলোতে প্রয়োজনীয় প্রচারমূলক উদ্যোগ নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের ঐতিহ্যের ইতিহাস হাজার বছরের পুরোনো। সরকার এই ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী তুলে ধরার জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, ‘পর্যটনকে গুরুত্ব দিয়ে আমাদের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো উন্নয়ন করা হবে।’

মন্ত্রী আরও জানান, দেশে ৫৫৪টি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা আছে। এসব স্থাপনার উন্নয়ন নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একটি টাস্কফোর্স পর্যায়ক্রমে সেগুলো পরিদর্শন করবে।

সভায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার এবং দুই মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউক্রেনকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির গোপন প্রযুক্তিগত তথ্য দেবে যুক্তরাজ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:১০ পি.এম


ইউক্রেনকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির গোপন প্রযুক্তিগত তথ্য দেবে যুক্তরাজ্য

যুক্তরাজ্য ইউক্রেনকে ব্রিটিশ-ফরাসি নকশার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করার জন্য কিছু গোপন প্রযুক্তির তথ্য দেবে। এর ফলে ইউক্রেন নিজের দেশে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে সক্ষম হবে।

ফ্রান্স ও ইউক্রেন চলতি বছর শেষ নাগাদ ইউক্রেনে স্ক্যাল্প ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করছে। যুক্তরাজ্যে একই ক্ষেপণাস্ত্রটিকে ‘স্টর্ম শ্যাডো’ নামকরণ করা হয়েছে। ব্রিটিশ-নির্মিত বিভিন্ন যন্ত্রাংশের প্রযুক্তিগত তথ্য প্রকাশের সিদ্ধান্তকে এই পরিকল্পনার বাস্তবায়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।

ইউরোপীয় অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এমবিডিএ তৈরি স্ক্যাল্প একটি প্রচলিত ওয়ারহেড বহনকারী দূরপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। ইউক্রেন কিছু সময় আগে রাশিয়ার বিভিন্ন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। ২০২৪ সালের নভেম্বরে প্রথমবারের মতো এটি রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ লক্ষ্যবস্তুর উপর ব্যবহার করা হয়।

সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের তথ্য অনুযায়ী, টার্বোজেট ইঞ্জিনচালিত এই ক্ষেপণাস্ত্রের সর্বোচ্চ পাল্লা প্রায় ৫৫০ কিমি। এতে ৪০০ কেজির উচ্চ-বিস্ফোরক ওয়ারহেড বহন করা সম্ভব।

ক্ষেত্রবিশেষে নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে ক্ষেপণাস্ত্রটি বিভিন্ন নেভিগেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এর মধ্যে ইনর্শিয়াল নেভিগেশন, জিপিএস ও ভূখণ্ডভিত্তিক নেভিগেশন ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া এতে ইনফ্রারেড সেন্সর ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে লক্ষ্য শনাক্ত করার প্রযুক্তিও থাকছে।

স্ক্যাল্প ক্ষেপণাস্ত্র ইউক্রেনের সু-২৪ ও মিরাজ ২০০০ যুদ্ধবিমান থেকে নিক্ষেপ করা সম্ভব। উড্ডয়নের পর, ক্ষেপণাস্ত্রটি ভূখণ্ডের কাছাকাছি দিয়ে উড়ে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়িয়ে লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর চেষ্টা করে। ইউক্রেন এই ক্ষেপণাস্ত্র মূলত ভূগর্ভস্থ সামরিক স্থাপনা, যেমন কমান্ড বাংকারে হামলার কাজে ব্যবহার করতে সক্ষম।

এসব লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর জন্য হালকা ড্রোন ব্যবহার করা তুলনামূলকভাবে কঠিন। ইউক্রেনের ড্রোন সাধারণত তেল শোধনাগার, গুদাম ও অন্যান্য উন্মুক্ত স্থাপনায় হামলায় বেশি ব্যবহৃত হয়। ব্রিটেনের এই ঘোষণায় রাশিয়া তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ অভিযোগ করে বলেছেন, যুক্তরাজ্য যুদ্ধে অংশ নিচ্ছে এবং পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত করছে।

পূর্বে, গত সপ্তাহে লন্ডনে রুশ দূতাবাসও যুক্তরাজ্যকে সতর্ক করেছিল। দূতাবাসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের প্রতি ব্রিটেনের সমর্থন যত বাড়বে, তাদের তত বেশি মূল্য দিতে হবে। ব্রিটেন ও ফ্রান্স এখন পর্যন্ত ইউক্রেনকে কতটি স্ক্যাল্প বা স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করেছে তা প্রকাশ করেনি।

তবে ক্ষেপণাস্ত্রটির নির্মাতা এমবিডিএ ২০২৫ সালে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা উৎপাদন লাইনগুলো আবার চালু করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তৎকালীন ফরাসি প্রতিরক্ষামন্ত্রী সেবাস্তিয়েন লেকোর্নু বলেছিলেন, ইউক্রেনকে সরবরাহ করা ফরাসি-ব্রিটিশ স্ক্যাল্প/স্টরম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র আধুনিক উচ্চ-তীব্রতার যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ পরিস্থিতিতে কার্যকারিতা প্রমাণ করেছে। তবে ব্রিটেনের নতুন ঘোষণার পরেও এই ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম বলেছেন, লন্ডন আগামী দিনের জন্য ইউক্রেনকে সমর্থন অব্যাহত রাখবে।

যুক্তরাজ্য ইউক্রেনকে দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে সহায়তা দেওয়ার জন্য গোপন প্রযুক্তির তথ্য প্রকাশের অনুমতি দিয়েছে। সোমবার ইউক্রেনের স্বাধীনতা দিবসের সময় কিয়েভ সফর করে এ ঘোষণা দেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম।

বার্নহ্যাম বলেন, ইউক্রেনের জনগণের মনে কোনও সন্দেহ থাকা উচিত নয় যে যুক্তরাজ্য আজ এবং যত দিন প্রয়োজন, তাদের পাশে থাকবে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘ইউক্রেনের নিরাপত্তাই আমাদের নিরাপত্তা।’ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি বার্নহ্যামের প্রথম বিদেশ সফর। সোমবার তিনি ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে পৌঁছান এবং দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সাথে বৈঠকের কথা রয়েছে। যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান এমবিডিএকে দীর্ঘপাল্লার স্ক্যাল্প ক্ষেপণাস্ত্রে ব্যবহৃত ব্রিটিশ উপাদান সম্পর্কে গোপন তথ্য প্রকাশের অনুমতি দেবে। এর ফলে ফ্রান্স ও ইউক্রেন দেশটির মাটিতে এই ক্ষেপণাস্ত্রের সংযোজন ও উৎপাদনের ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারবে। স্ক্যাল্প ক্ষেপণাস্ত্রটি ব্রিটিশ স্ট্রম শ্যাডোর ফরাসি সংস্করণ এবং দুটিতেই ব্রিটিশ ও ফরাসি প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে।

কিয়েভ সফরে বার্নহ্যাম ‘কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং’-এর বৈঠকেও সহসভাপতিত্ব করবেন। এই জোটে ইউক্রেনকে সামরিক ও অন্যান্য সহায়তা দিতে গঠিত হয়েছে যা ইউরোপের বিভিন্ন দেশসহ একাধিক মিত্র দেশকে অন্তর্ভুক্ত করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পের কনিষ্ঠ পুত্রের জন্য পুরস্কার ঘোষণা করল ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:১২ পি.এম


ট্রাম্পের কনিষ্ঠ পুত্রের জন্য পুরস্কার ঘোষণা করল ইরান

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ বছর বয়সী কনিষ্ঠ পুত্র ব্যারন ট্রাম্পকে হত্যা করার হুমকি দিয়ে ১ কোটি মার্কিন ডলার (প্রায় ৮.৫ মিলিয়ন ইউরো) পুরস্কারের ঘোষণা সম্বলিত একটি ভিডিও সম্প্রচার করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল ৩।

ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত সংবাদমাধ্যমের তৈরি এই ভিডিওটির শিরোনাম দেওয়া হয়েছে ‘কোথায় এবং কীভাবে আমরা ব্যারন ট্রাম্পকে হত্যা করব?’। সম্প্রতি ইরানের রাষ্ট্রীয় মাধ্যমে সরাসরি প্রচারিত এই ফুটেজে দাবি করা হয়েছে যে ব্যারন ট্রাম্পের বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান, নিরাপত্তা বাহিনীর কনভয় এবং তার সিক্রেট সার্ভিস পাহারাদারদের বিভিন্ন গতিবিধি দেখানো হয়েছে। তেহরান দাবি করেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই কনিষ্ঠ পুত্রের সব ধরনের কর্মকাণ্ড তারা সম্পূর্ণ নজরদারিতে রেখেছে।

তবে ভিডিওটিতে করা এই সব দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। প্রচারিত তথ্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এক অজ্ঞাত তরুণী ব্যারন ট্রাম্পের উচ্চ পর্যায়ের মার্কিন নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে তার একটি ব্যক্তিগত বৈঠকে অংশ নেন এবং সেখান থেকেই তথ্য সংগ্রহ করে ভিডিও নির্মাতাদের কাছে পৌঁছে দেন। এছাড়া সিক্রেট সার্ভিসের নজর এড়িয়ে ব্যারন এক্সবক্স গেমিং প্ল্যাটফর্মের ভয়েস ও টেক্সট মেসেজের মাধ্যমে ব্যক্তিগত যোগাযোগ রক্ষা করেন বলেও দাবি করা হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে তেহরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এ ধরনের সরাসরি হুমকি এবারই প্রথম নয়। এর আগে, আইআরজিসি-সংক্রান্ত বার্তা সংস্থা তাসনিম একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিল, যেখানে মেলানিয়া ট্রাম্পের নিরাপত্তা কাঠামোর ফাঁকফোকর ও তার যাতায়াতের বিবরণ তুলে ধরা হয়েছিল। একইভাবে মে মাসের শেষের দিকে ইভাঙ্কা ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে একটি ষড়যন্ত্র চক্রান্তের খবরও মার্কিন গণমাধ্যমে এসেছে। এমনকি খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্টকে হত্যার সরাসরি হুমকি দিয়ে একাধিক সংবাদ ও তোরণ বিজ্ঞাপন তেহরানের পথে প্রকাশ্যে প্রদর্শিত হয়েছে। তেহরানের বিপ্লব চত্বরে ট্রাম্পের কফিনে থাকা ছবির পাশে ইংরেজিতে সরাসরি লেখা হয়েছিল‌‘আমরা ট্রাম্পকে হত্যা করব।’

মধ্যপ্রাচ্যের এই দীর্ঘমেয়াদী সংঘাতের পেছনে মূলত দুটি ঘটনা অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে। প্রথমত, ২০২০ সালের জানুয়ারিতে মার্কিন ড্রোন হামলায় আইআরজিসি-এর কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলাইমানির হত্যাকাণ্ড। সেই ঘটনার পর থেকেই ইরান কঠোর প্রতিশোধের প্রতিজ্ঞা করে আসছে। দ্বিতীয়ত, চলতি যুদ্ধ পরিস্থিতির শুরুতে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যু তেহরানের উত্তেজনাকে চরম পর্যায়ে নিয়ে যায়। ইরানি গণমাধ্যমের বিশিষ্ট চিন্তাবিদ ও বিশ্লেষকরা ইসলামিক আইনি নীতি কিসাস (প্রতিশোধমূলক বিচার ব্যবস্থা)-র দোহাই দিয়ে ট্রাম্প ও তাঁর পরিবারকে লক্ষ্যবস্তু করাকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের আলোচক মোহাম্মাদ-জাভেদ লারিজানি ও মহসেন গানবারিয়ান স্পষ্টভাবে বলেছেন, সর্বোচ্চ নেতার হত্যাকারীকে শাস্তি না দিলে কিংবা প্রতিশোধ না নিলে দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষা করা সম্ভব নয়।

এদিকে ওয়াশিংটনের তরফ থেকেও এই হুমকির কঠোর জবাব দেওয়া হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন যে, তাঁর জীবনের ওপর কোনো আঘাত আসলে সমগ্র ইরানের অস্তিত্ব মুছে দেওয়া হবে। মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস জানিয়েছে, তারা রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ভিডিও ফুটেজ এবং সিকিউরিটি ব্রিচ সম্পর্কিত সমস্ত দাবি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করে দেখছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সড়কপথে যুক্ত হচ্ছে ভোলা, আশার পালে নতুন হাওয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:১৩ পি.এম


সড়কপথে যুক্ত হচ্ছে ভোলা, আশার পালে নতুন হাওয়া

দ্বীপজেলা ভোলা। ছবি: সংগৃহীত

খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও প্রাকৃতিক গ্যাসসমৃদ্ধ দ্বীপ জেলা ভোলা সকল দিক থেকে পূর্ণতা পেলেও সড়কপথে অপূর্ণতা রয়েছে। জেলার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা নদীপথের উপর নির্ভরশীল হয়ে আছে।

অতএব, উন্নত চিকিৎসা, উচ্চ শিক্ষা, এবং অন্যান্য সুবিধা থেকে এখানকার সাধারণ বাসিন্দাদের বঞ্চিত থাকতে হচ্ছে।

জেলায় রাতের অন্ধকার নেমে এলেই, দেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। গ্যাস, কৃষিসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদ থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র সড়কপথের অভাবে এখানকার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা আসছে না। দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলনের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়ে আসছে এখানকার বাসিন্দারা, কিন্তু সড়কপথে সংযুক্ত হতে তারা পরিধি ভেদ করতে পারেনি।

গত শনিবার (২২ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভোলাকে মহাসড়কে সংযুক্ত করার ঘোষণা দেওয়ার পর দ্বীপবাসী নতুন করে সেই স্বপ্নের বাস্তবায়নের সম্ভাবনা দেখতে শুরু করেছে। তারা উচ্ছ্বাস প্রকাশের পাশাপাশি দ্রুত এই ঘোষণা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, মেঘনা, তেঁতুলিয়া এবং বঙ্গোপসাগর দ্বারা পরিবৃত একমাত্র দ্বীপ জেলা ভোলা। কৃষিপণ্য ও রূপালী ইলিশ উৎপাদনের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে এই জেলা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে।

সূত্র জানাচ্ছে, স্বাধীনতার পর থেকেই ভোলা-বরিশাল সড়ক যোগাযোগের জন্য আন্দোলন করে আসছে দ্বীপের জনগণ। তাদের দাবির ভিত্তিতে ভোলা-বরিশাল রুটে সেতু নির্মাণের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ পূর্ববর্তী সরকার নিয়েছিল। তবে আশ্বাস এবং সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের মধ্যেই সেতুর কার্যক্রম থেমে আছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী ‘বরিশালের রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ-ভোলা’ রুটে মহাসড়ক নির্মাণের মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন দ্বীপকে জাতীয় সড়ক নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন। এই ঘোষণায় স্বপ্ন বাস্তবায়নের নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে।

ভোলা সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ‘রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের জন্য নতুনভাবে সাড়ে ২১ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করতে হবে। জেলার রহমতপুর থেকে মেহেন্দীগঞ্জ পর্যন্ত ১৮ ফুট চওড়া ৩৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়ক রয়েছে, যা ৩৪ ফুট প্রশস্ত করা হবে। নদী পারাপারের জন্য এই সড়কের ভোলার ইলিশা চ্যানেলে এক হাজার ৪০০ মিটার এবং হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জের মাঝকাজি এলাকায় এক হাজার ৩০০ মিটার তিনটি সেতু নির্মাণ করতে হবে।

এভাবে যুক্ত হতে পারলে ভোলা থেকে শরীয়তপুর ও ঘোষের হাট হয়ে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দূরত্ব প্রায় ৯০ কিলোমিটার কমবে। বর্তমানে ভোলা থেকে লাহারহাট হয়ে বরিশালের দূরত্ব ৫৫ কিলোমিটার। আর প্রস্তাবিত ‘রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ-ভোলা’ মহাসড়কের দূরত্ব হবে ৭৫ কিলোমিটার, যার বাস্তবায়ন সময় লাগবে চার থেকে পাঁচ বছর।

ভোলা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা চেম্বার অব কমার্সের চেয়ারম্যান আলহাজ গোলাম নবী আলমগীর জানিয়েছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভোলা ও বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জকে মহাসড়কের আওতায় আনতে চাচ্ছেন, এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের খবর। বহু বছর ধরে আমরা ভোলা-বরিশাল সড়ক যোগাযোগ থেকে বঞ্চিত।’

গোলাম নবী আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণা বাস্তবায়িত হলে অর্থনৈতিক উন্নয়নে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং আমরা অর্থনৈতিকভাবে আরও এগিয়ে যাব। কিন্তু আমরা ভোলার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ভোলা-বরিশাল সেতুর জন্য আন্দোলন করছি। সরকারও ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে। আমার মতে, ভোলা-বরিশাল সেতুর কাজটি আগে হওয়া উচিত, তারপর অন্য সড়ক নিয়ে চিন্তা করা যাবে।’

ভোলা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাইদুল ইসলাম জানান, ভোলা দ্বীপ জেলা হওয়ার কারণে এটি জাতীয় মহাসড়ক নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন। ভোলা জেলাকে মেহেন্দীগঞ্জের সাথে যুক্ত করতে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে চলেছে। হিজলা উপজেলার সঙ্গে বরিশালের রহমতপুরের সড়ক যোগাযোগ বর্তমানে বিদ্যমান।

নির্বাহী প্রকৌশলী আরও বলেন, এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবনা শনিবার প্রধানমন্ত্রীকে পেশ করা হয়েছে। আমরা এ কাজ করতে যাচ্ছি। খুব দ্রুত বিস্তারিত জরিপ এবং অন্যান্য কাজ শুরু করবো। আশা করছি এটি ভোলার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক যোগাযোগ হিসেবে গণ্য হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%