ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা, সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষিতে


বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা, সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষিতে

জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ানো এবং অর্থনৈতিক চাপের বিরুদ্ধে প্রাই দুই মাস ধরে চলা বিক্ষোভের ফলে বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো পাজ দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। তিনি স্থানীয় সময় শনিবার (২০ জুন) এই জরুরি অবস্থার ঘোষণা দেন।

সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারবিরোধী বিক্ষোভটিতে শ্রমিক ইউনিয়ন ও কৃষক সংগঠনের সমর্থন নিয়েছে সাবেক বামপন্থি প্রেসিডেন্ট ইভো মোরালেস। বিক্ষোভকারীরা প্রেসিডেন্ট পাজের পদত্যাগের দাবি করেছেন। টানা সড়ক অবরোধের কারণে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে খাদ্য, জ্বালানি ও চিকিৎসা সরঞ্জামের সংকট দেখা দিয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, গত প্রায় ৫০ দিনে এই অবরোধ দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে কার্যত স্থবির করে দিয়েছে।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট পাজ জানান, দেশের সড়কপথ মুক্ত করার জন্য তিনি জরুরি অবস্থার কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছেন। বলিভিয়ার জনগণ এভাবে অবরোধের জিম্মি থাকতে পারে না। তিনি বলেন, "এটা তাদের কাজ, পড়াশোনা, চিকিৎসাসেবা গ্রহণ, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহ এবং পরিবারের জন্য জীবিকা নিশ্চিত করতে বাধাগ্রস্ত করছে।"

জরুরি অবস্থার ঘোষণা দেওয়ার ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনা মোতায়েনের পথ উন্মুক্ত হয়েছে। সরকার আশা করছে যে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে স্বাভাবিক জনজীবন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ফিরে আসবে।

তবে বিরোধী দল ও আন্দোলনকারীরা সরকারের এই পদক্ষেপের সমালোচনা করে আসছেন। তাদের বক্তব্য, অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় সরকারের ব্যর্থতার কারণেই জনগণ রাস্তায় নেমেছে এবং সমস্যার রাজনৈতিক সমাধান ছাড়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে না।

আরও পড়ুন: কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার শঙ্কা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কঙ্গোর বিপক্ষে ব্যর্থ হলেও গুলিস্তানে কাঁপাচ্ছেন রোনালদো-ভিতিনহারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৩১ পি.এম


কঙ্গোর বিপক্ষে ব্যর্থ হলেও গুলিস্তানে কাঁপাচ্ছেন রোনালদো-ভিতিনহারা

বিশ্বকাপে ফুটবল বলতে লাতিন আমেরিকা ও ইউরোপের দলের কর্তৃত্বের কথা মনে পড়ে। তবে দক্ষিণ এশিয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হয় ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, জার্মানি ও পর্তুগাল নিয়ে। বাংলাদেশেও এর ব্যতিক্রম কিছু নয়, বিশ্বকাপ আসলে এই চার দেশের পতাকা সর্বাধিক উড়তে দেখা যায়।

ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সবচেয়ে বেশি আলোচিত হলেও ২০২৬ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে ইউরোপের দেশ পর্তুগাল। গত আসরের ফাইনালের মঞ্চে তারা না পৌঁছালেও এবার আশা বর্ণনা করছে ভক্তরা।

এদিকে, জার্সি ও পতাকার বাজারেও রোনালদো-ভিতিনহারা সম্প্রতি আলো ছড়াচ্ছেন। হাউসস্টোনে নিজেদের প্রথম ম্যাচে দুর্বল ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ড্র করলেও বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার ব্যস্ততম গুলিস্তান মার্কেটের পর্তুগালের জার্সি ও পতাকার চাহিদা চরমে রয়েছে।

গতকাল শুক্রবার (১৯ জুন) ছুটির দিনে গুলিস্তান মার্কেটের দৃশ্য পরিদর্শন করে এ চিত্র দেখা গেছে।

মার্কেটে জার্সির পাশাপাশি পতাকাও বিক্রির জন্য খুবই চাহিদাসম্পন্ন। পর্তুগালের ৫ ফুট দৈর্ঘ্যের চায়না প্রিন্টের পতাকা বিক্রি হচ্ছে ২৫০-২০০ টাকায় এবং দেশীয় পতাকা ১৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। অন্য দেশের পতাকায় ছাড় থাকলেও পর্তুগালের ক্ষেত্রে বিক্রেতারা কিছুতেই দাম কমাতে প্রস্তুত নন।

সাব্বির আহমেদ নামের এক রোনালদো ভক্ত আরটিভি'কে জানান, ‘ছুটির দিনে একটি পতাকা কেনার জন্য গুলিস্তানে এসেছিলাম। তবে দোকানদাররা দাম কমাচ্ছে না। ২০০ টাকার নিচে নামছে না, একদরে বিক্রি করছে।’

পতাকা ব্যবসায়ী গফুর আহমেদ বলেন, আগে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার চাহিদা ছিল বেশি। কিন্তু বর্তমানে পর্তুগালের পতাকা বেশি বিক্রি হচ্ছে। চায়না প্রিন্টের ৫ ফুটের পতাকা ২০০ টাকায় (ফিক্সড) এবং এর চেয়ে বড়টি ৮০০ টাকায় বিক্রি করছি। এর থেকে কম রাখার সুযোগ নেই।

অন্যদিকে ফুটপাতেও জার্সির বাজার দৃশ্যমান। বিভিন্ন দেশের জার্সির বেশ কিছুর এডিশন পাওয়া যাচ্ছে। ক্রেতারা নিজেদের চাহিদা অনুযায়ী দামের উপর ভিত্তি করে জার্সি কিনছেন নিজের এবং প্রিয়জনের জন্য। কোয়ালিটির ওপর ভিত্তি করে ১৫০-৭০০ টাকায় জার্সি বিক্রি হচ্ছে। উন্নত মানের বা প্লেয়ার এডিশন কিনতে মার্কেটের দোকানে ভিড় করছেন ফুটবল প্রেমীরা।

কয়েকটি দোকানে পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, একদরের দোকানে প্লেয়ার এডিশন জার্সি ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে দামদরের সুবিধা থাকলে ১৬০০-১৮০০ টাকা চাওয়া হচ্ছে। কিন্তু এখানেও চাহিদার শীর্ষে রয়েছে পর্তুগালের জার্সি।

ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, জার্মানি, স্পেন, ইংল্যান্ড, মরক্কোসহ অন্যান্য আলোচিত দলগুলোর জার্সি দোকানে থাকলেও পর্তুগালের জার্সি কয়েকটি দোকানে নেই। তরুণ ব্যবসায়ী রবিন জানান, আমাদের এখানে পর্তুগালের জার্সি সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে, তাই স্টক শেষ হয়ে গেছে। প্লেয়ার এডিশন জার্সিগুলো বিদেশ থেকে আসে এবং আমরা আবার নতুন অর্ডার করেছি, কাল-পরশু পাওয়া যাবে।

সুতরাং বোঝা যাচ্ছে, পর্তুগাল নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের আত্মবিশ্বাস এখনও দৃঢ় রয়েছে। প্রথম ম্যাচের হার সত্ত্বেও ভক্তরা আশা করছেন পরবর্তী দুই ম্যাচে রোনালদোরা ঘুরে দাঁড়াবে।

বিশ্লেষকদের মতে, এবারের বিশ্বকাপে পর্তুগাল যোগ্য দাবিদার। বিশ্বসেরা মিডফিল্ড ও রোনালদোর মতো কিংবদন্তি ফরোয়ার্ডকে নিয়ে স্কোয়াড প্রতিপক্ষকে চাপ দেবে। কিন্তু কঙ্গোর বিপক্ষে বাজে শুরুর পর কিছুটা তা এলোমেলো হয়েছে। বাকি দুই ম্যাচে প্রত্যাশা করা যায় কেমন হবে।

ফুটবল বিশ্বকাপে পর্তুগালের সর্বোচ্চ সাফল্য হলো তৃতীয় স্থান অর্জন করা। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, লুইস ফিগো অথবা ইউসেবিওয়ের মতো কিংবদন্তি ফুটবলার উপহার দিয়েও পর্তুগাল কখনো বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছাতে পারেনি।

ইতিহাসে তারা মাত্র দুইবার সেমিফাইনালে যেতে পেরেছে। নিচে পর্তুগালের বিশ্বকাপের সেরা দুটি পারফরম্যান্সের বিবরণ দেওয়া হলো—

পর্তুগালের ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সাফল্য আসে তাদের প্রথম বিশ্বকাপ অংশগ্রহণে। কিংবদন্তি স্ট্রাইকার ইউসেবিও সেই সময় সবাইকে চমকে দিয়েছিল।

কোয়ার্টার ফাইনাল: উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে ৩–০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়া পর্তুগাল ইউসেবিওর অবিশ্বাস্য ৪ গোলের ওপর ভর করে ৫–৩ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে। এটি বিশ্বকাপের ইতিহাসের অন্যতম সেরা কামব্যাক।

সেমিফাইনাল: স্বাগতিক ও সেবারের চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডের কাছে ২–১ ব্যবধানে হেরে বিদায় নিতে হয়।

তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ: সোভিয়েত ইউনিয়নকে ২–১ ব্যবধানে হারিয়ে টুর্নামেন্টে তৃতীয় স্থান অর্জন

করেছিল। ইউসেবিও ওইবার ৯ গোল করে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা (গোল্ডেন বুট) হন।

পর্তুগালের সোনালী প্রজন্মের লুইস ফিগো, ডেকো এবং তরুণ ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর উপর ভর করে ৪০ বছর পর তারা আবার সেমিফাইনালে উঠেছিল।

নকআউট পর্বে রাউন্ড অব ১৬-এ নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বিখ্যাত 'ব্যাটল অব নুরেমবার্গ' (যেখানে রেকর্ড সংখ্যক কার্ড দেখানো হয়েছিল) ম্যাচটি ১–০ গোলে জিতে। পরে কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডকে টাইব্রেকারে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠে।

সেমিফাইনালে জিনেদিন জিদানের ফ্রান্সের কাছে ১–০ গোলে হেরে যায়।

তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে স্বাগতিক জার্মানির কাছে ৩–১ ব্যবধানে হেরে চতুর্থ স্থানে টুর্নামেন্ট শেষ করে।

সংক্ষেপে, পর্তুগালের বিশ্বকাপ ইতিহাস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পেনশনে বড় সুখবর, বাড়বে আর্থিক সুবিধা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৩২ পি.এম


পেনশনে বড় সুখবর, বাড়বে আর্থিক সুবিধা

সরকারি চাকরিজীবীদের অবসরকালীন আর্থিক নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ২০১৫ সালে সরকার পেনশন ব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কার আনে।

পেনশন প্রাপ্তির জন্য ন্যূনতম চাকরিকাল কমানো, সর্বোচ্চ পেনশনের হার বৃদ্ধি, গ্র্যাচুইটির নতুন কাঠামো, পারিবারিক পেনশনে শর্ত শিথিল করার পাশাপাশি ছুটি নগদায়নের সুবিধা বাড়ানোর ফলে অবসরপ্রাপ্ত ও চাকরিজীবীদের জন্য বাড়তি স্বস্তির সৃষ্টি হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পেনশন পাওয়ার জন্য ন্যূনতম চাকরিকাল ১০ বছর থেকে কমিয়ে ৫ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ পেনশনের হার শেষ অর্জিত মূল বেতনের ৮০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৯০ শতাংশ করা হয়। এর ফলে দীর্ঘদিন চাকরি করা কর্মচারীরা অবসরের পর তুলনামূলকভাবে বেশি আর্থিক সুবিধা প্রাপ্তির সুযোগ পাচ্ছেন।

প্রজ্ঞাপনে ৫ থেকে ২৫ বছর অথবা তার বেশি চাকরিকালের জন্য একাধিক ধাপে নতুন পেনশন হার নির্ধারণ করা হয়। এতে ৫ বছর চাকরিকালে ২১ শতাংশ থেকে শুরু করে ২৫ বছর বা তদূর্ধ্ব চাকরিতে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত পেনশন পাওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।

তবে ৫ থেকে ২৪ বছর চাকরিকালের এই সুবিধা সাধারণত নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। যেমন— চাকরিরত অবস্থায় মৃত্যু, মেডিকেল বোর্ড কর্তৃক স্থায়ী অক্ষমতা অথবা পদ বিলুপ্তির কারণে চাকরি হারানো।

প্রজ্ঞাপনের আওতায়, ২০১৫-১৬ অর্থবছর থেকে অবসরপ্রাপ্তদের পেনশনও বৃদ্ধি করা হয়েছে। ৬৫ বছরের কম বয়সীদের ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ এবং ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সীদের জন্য ৫০ শতাংশ পেনশন বৃদ্ধি করা হয়। একই সঙ্গে মাসিক ন্যূনতম পেনশন ৩ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

চাকরিকাল কমানোর ফলে আনুতোষিক বা গ্র্যাচুইটির ক্ষেত্রেও নতুন কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে। ৫ থেকে ৯ বছর চাকরিকালের ক্ষেত্রে প্রতি ১ টাকা পেনশনের বিপরীতে ২৬৫ টাকা আনুতোষিক নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া চাকরির মেয়াদ ৫ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে কোনো কর্মচারী মৃত্যুবরণ অথবা স্থায়ী অক্ষম হয়ে গেলে তার পরিবারের জন্য বিশেষ আর্থিক সহায়তার বিধান রাখা হয়েছে। প্রতিটি পূর্ণ বছরের জন্য শেষ তিন মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ এককালীন সহায়তা হিসেবে প্রদান করা হবে।

পারিবারিক পেনশন ব্যবস্থায়ও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। বিধবা স্ত্রীদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট বয়সের পর পুনর্বিবাহ না করার অঙ্গীকারনামার শর্ত শিথিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রয়োজন হলে মৃত নারী কর্মচারীর স্বামীও পারিবারিক পেনশন পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করবেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অবসর সুবিধার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের একটি হলো ছুটি নগদায়নের সুযোগ বৃদ্ধি। আগে যেখানে সর্বোচ্চ ১২ মাসের ছুটি নগদায়ন করা যেত, সেখানে তা বাড়িয়ে ১৮ মাস করা হয়েছে। ফলে অবসরের সময় কর্মচারীরা আরও বেশি আর্থিক সুবিধা পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

এখন এই প্রজ্ঞাপনটি ২০১৫ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর বলে ধরা হয়েছে এবং ওই সময় পিআরএলে থাকা কর্মচারীরাও নতুন সুবিধার আওতায় আসছেন।

উল্লেখ্য যে, গত ১১ জুন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনের সময় আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আনুষ্ঠানিকভাবে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৩৫ পি.এম


ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি

শুক্রবার ইসরাইল ও হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। এই যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পূর্বে লেবাননে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তার বরাতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এদিকে, মাত্র দুই দিন আগে স্বাক্ষরিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিকে কেন্দ্র করে গঠিত শান্তি প্রক্রিয়ায় আবারও চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

এএফপি’র খবর অনুযায়ী, লেবাননের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, ইসরাইলি বিমান হামলায় ৪৭ জন নিহত হয়েছেন।

অন্যদিকে, ইসরাইল দাবি করেছে যে, তাদের চার সেনা নিহত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চুক্তির পর, এটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় যৌথ প্রাণহানির ঘটনা।

শান্তি চুক্তিটিকে আরও এগিয়ে নিতে এবং এর একটি স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নির্ধারিত আলোচনা স্থগিত করা হয়েছে। বৈঠকের নতুন কোনো তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।

তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন টেলিফোনে আলোচনা করেছেন।

লেবাননের প্রেসিডেন্ট দপ্তর জানিয়েছে যে, আউন যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার জন্য রুবিওকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, ‘লেবাননের ভূখণ্ডে ইসরাইলি হামলা বন্ধ করতে হবে এবং একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে হবে।’

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের বরাতে জানানো হয়েছে যে, এ সময় রুবিও লেবাননের হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার প্রচেষ্টাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন।

এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, তারা পরবর্তী দফার আলোচনার বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন। বৈঠকটি ২৩ থেকে ২৫ জুন ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত হওয়ার আশা করা হচ্ছে, যেখানে দুইটি সার্বভৌম সরকার দীর্ঘস্থায়ী শান্তির দিকে অগ্রগতি অর্জনের চেষ্টা করবে।

তিনি আরও জানান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আবারও জোর দিয়েছেন যে, হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র ও পুরো লেবাননের ভূখণ্ডে সরকারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরাইলের রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লাইটার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে জোর দিয়ে বলেছেন যে, ইসরাইল লেবাননে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির পক্ষে। তবে এজন্য হিজবুল্লাহকে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী হামলা বন্ধ করতে হবে।

এ সপ্তাহে স্বাক্ষরিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের মধ্যে হয়।

এই চুক্তির লক্ষ্য ছিল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুদ্ধের অবসান ঘটানো।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা করা হয়। এই চুক্তির আরেকটি উদ্দেশ্য ছিল লেবাননের যুদ্ধ বন্ধ করা। ইরান সব সময় জোর দিয়ে বলে এসেছে যে, এই সংঘাতকে যে কোনো চুক্তির আওতাভুক্ত করতে হবে।

সেখানে ইসরাইলের চলমান অভিযান ওয়াশিংটনের জন্য জটিল ও অস্বস্তিকর হয়ে উঠেছে।

ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, শুক্রবার তারা লেবাননে হিজবুল্লাহর ৮০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে এবং সংগঠনটির বহু সদস্যকে হত্যা করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেক্সিকোতে উদ্ধার হওয়া মৃতদেহ দুটি নিখোঁজ মার্কিন দম্পতির বলে ধারণা করা হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৩৬ পি.এম


মেক্সিকোতে উদ্ধার হওয়া মৃতদেহ দুটি নিখোঁজ মার্কিন দম্পতির বলে ধারণা করা হচ্ছে

মেক্সিকো সিটির কাছে মাটি খুঁড়ে পাওয়া মৃতদেহগুলো গত মাসে নিখোঁজ দুই মার্কিন নাগরিকের কি না, সে সম্পর্কে মেক্সিকোর কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে দেখছে। শুক্রবার, দেশটির এক বিচার বিভাগীয় সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

মেক্সিকো সিটির বাইরে একটি বনাঞ্চলের মধ্যে অবস্থিত গোপন কবর থেকে দেহাবশেষগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এগুলো জাফার পাদামসি মাওয়ানি এবং গুইয়েলমো জাফেট হিডালগোর দেহ হতে পারে। তাঁরা শিকাগো থেকে মেক্সিকোতে আসার পর সর্বশেষ গত ২০ মে তাদের দেখা গিয়েছিল।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

পরিবারের সদস্যরা মার্কিন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ওই দম্পতিকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মাওয়ানি এবং হিডালগো ছিলেন দ্বৈত মার্কিন-মেক্সিকান নাগরিক।

হিডালগোর ভাগ্নি ফেসবুকে লিখেছেন, ‘তারা এত নির্মমভাবে প্রাণ হারিয়েছে জেনে আমার হৃদয় ভেঙে যাচ্ছে।’ তিনি নিখোঁজ হওয়ার পর বেশ কয়েক দিন তাদের ছবি শেয়ার করেছিলেন।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, নিখোঁজ হওয়ার পরের কয়েক দিনে পরিবারের সদস্যরা তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অস্বাভাবিক লেনদেন হয়েছে বলে জানতে পারেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%