মোঃ শরীফ উদ্দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
০৫:২১ পি.এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে গরু চুরির অভিযোগে কাজল মিয়া (৪৬) নামের একজন ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করেছে স্থানীয় লোকজন। রোববার (১৬ আগস্ট) রাতে উপজেলার সাতমোড়া ইউনিয়নের নলোয়ার পাড়া গ্রামে এ নৃশংস ঘটনা ঘটে।
নিহত কাজল মিয়া কুমিল্লার বাঙ্গরা বাজার থানার হাসনাবাদ পশ্চিমপাড়া গ্রামের ফরিদ মিয়ার সন্তান।
স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, রোববার রাতে নলোয়ার পাড়া গ্রামের পূর্বপাড়ার বাসিন্দা ইউনুস মিয়ার বাড়িতে গরু চুরি করতে ঢোকার অভিযোগ ওঠে কাজল মিয়ার বিরুদ্ধে। এই বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় একটি মসজিদের মাইক থেকে এলাকায় চোর ঢোকার ঘোষণা দেওয়া হয়।
পরে আশপাশের লোকজন এসে ঘটনাস্থলে কাজল মিয়াকে গরুসহ আটক করেন। এর পর উত্তেজিত জনতা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করলে ঘটনার স্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।
খবর পেয়ে নবীনগর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে। ময়নাতদন্তের জন্য আজ সোমবার দুপুরে মরদেহটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঘটনার পর এলাকা নিরাপত্তা বাড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ত্রিশাল ইউনিয়নের সতেরো পাড়া গ্রামে পুকুরে ডুবে দুই চাচাতো ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ হৃদয়বিদারক ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহতরা হলেন উপজেলার ত্রিশাল ইউনিয়নের সতেরো পাড়া গ্রামের বাসিন্দা আশরাফুল ইসলামের ছেলে মাশরাফি (৫) তরিকুল ইসলামের ছেলে ফারহান (৩)স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বাড়ির পাশেই পুকুরে গোসল করতে গিয়ে দুই চাচাতো ভাই পুকুরে নেমে শরীরের কাঁদা ধুতে যায়।
পরিবারের সদস্যরা দুই শিশুকে খুঁজতে থাকলে তাদের মা পুকুরপাড়ে এসে একজনকে পানিতে ভাসতে দেখে চিৎকার শুরু করেন। পরে স্থানীয় লোকজন দ্রুত পুকুরে নেমে দুই চাচাতো ভাইকে উদ্ধার করে ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি আরব সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এই আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফের এইচ. বিন আবিয়াহ।
প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব শাহাদাত হোসেন স্বাধীন এ বিষয়ে তথ্য জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল ধীরাজ শেঠকে নেপালের সেনাবাহিনীর সম্মানসূচক ‘জেনারেল’ পদমর্যাদা প্রদান করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাউডেল।
সোমবার (১৭ আগস্ট) কাঠমান্ডুর শীতল নিবাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভারতীয় সেনাপ্রধানকে এই বিশেষ সম্মানসূচক পদবী দেওয়া হয়। এটি খবর ইন্ডিয়া টুডে’তে প্রকাশ পেয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতীয় সেনাপ্রধানকে এই সম্মাননা প্রদানের ঘটনা ১৯৫০ সাল থেকে চলে আসা একটি ঐতিহাসিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা; যার মাধ্যমে নেপাল এবং ভারত একে অপরের সেনাপ্রধানকে সম্মানসূচক ‘জেনারেল’ পদমর্যাদায় ভূষিত করে আসছে।
জেনারেল ধীরাজ শেঠ বর্তমানে নেপালে রয়েছেন, নেপালের সেনাপ্রধান জেনারেল অশোক রাজ সিগদেলের আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে। দুই সেনাপ্রধানের বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় এবং দ্বিপাক্ষিক সামরিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট পাউডেলের সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ওই অনুষ্ঠানে নেপালের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাম সহায় প্রাসাদ যাদব, পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল, নেপালে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত নবীন শ্রীবাস্তব এবং নেপাল সেনাবাহিনী ও সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। জেনারেল শেঠ এর আগে রবিবার নেপালে পৌঁছান।
নেপালে নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, ভারতীয় সেনাপ্রধানের নেপাল সফর মাধ্যমেই দুই দেশের অভিন্ন মূল্যবোধ, পরস্পর সম্পর্ক ও সুদৃঢ় সামরিক সম্পর্ক নতুনভাবে গড়ে উঠছে। জেনারেল শেঠ ভারতীয় দূতাবাসে রাষ্ট্রদূত শ্রীবাস্তবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন; যেখানে আলোচনা হয় নয়াদিল্লি ও কাঠমান্ডুর সামগ্রিক সম্পর্ককে আরও কীভাবে জোরদার করা যায়।
একই দিনে জেনারেল শেঠ নেপাল সেনাবাহিনীর কাছে সামরিক ও চিকিৎসা সরঞ্জামও হস্তান্তর করেন। নেপাল সেনাবাহিনীর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, তিনি সেনাসদর দপ্তর প্রাঙ্গণে একটি চারা রোপণ করেন এবং তাকে দেওয়া গার্ড অব অনার পরিদর্শন করেন। নেপাল সেনাবাহিনী জানিয়েছে, জেনারেল শেঠের এই সফর নেপাল ও ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করা আশা করা হচ্ছে।
সম্মানসূচক পদমর্যাদা প্রদান অনুষ্ঠান, সামরিক আলোচনা, কূটনৈতিক যোগাযোগ এবং সামরিক সরঞ্জাম হস্তান্তরসহ এই সফর ভারত ও নেপালের চলমান প্রতিরক্ষা সম্পর্কের গুরুত্বকেই তুলে ধরছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গত ৬ আগস্ট ১১ দলীয় ঐক্যের পূর্বঘোষণার পর গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দেশব্যাপী চারটি লংমার্চের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
এই ঘোষণার অংশ হিসেবে আগামী শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা থেকে রংপুর, শনিবার (১০ অক্টোবর) ঢাকা থেকে খুলনা এবং শনিবার (২৪ অক্টোবর) ঢাকা থেকে সিলেটে লংমার্চ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
এগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম, রংপুর ও খুলনার লংমার্চ সড়কপথে হবে এবং সিলেটের লংমার্চ রেলপথে অনুষ্ঠিত হবে। লংমার্চ কর্মসূচি শেষ হলে আগামী ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ আয়োজন করা হবে।
এ উপলক্ষে সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে ১১টায় রাজধানীর মগবাজারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ারের সভাপতিত্বে ‘লংমার্চ’ বাস্তবায়ন কমিটির এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৈঠকে আলোচনা হয় যে, লংমার্চগুলো যাতে শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়, সেজন্য বিভিন্ন কমিটি গঠন ও দায়িত্ব বণ্টন করা হচ্ছে। একই সময় সংশ্লিষ্ট এলাকার সব স্তরের জনশক্তি ও দেশবাসীর প্রতি লংমার্চ কর্মসূচি যাতে সর্বাত্মকভাবে সফল হয়, সেই আহ্বান জানানো হয়।
বৈঠকে সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি, ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ (সাবেক এমপি), মাওলানা আবদুল হালিম ও মাওলানা মুহাম্মাদ শাহজাহান সহ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন এমপি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, কেন্দ্রীয় পরিষদ সদস্য মো. সেলিম উদ্দিন, ড. মো. রেজাউল করিম, খুলনা অঞ্চলের প্রতিনিধি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ এমপি, সিলেট মহানগরী আমীর মো. ফখরুল ইসলাম, বগুড়া অঞ্চলের সহকারী পরিচালক অধ্যাপক মো. নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি এডভোকেট আতিকুর রহমান আতিক, এবং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ