০১:১৫ এম
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অগ্নিবীণার সুরে তিনি শিখিয়েছেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা নত না করার সংকল্প। তার সৃষ্টিতে বিদ্যমান শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, অসাম্প্রদায়িকতা এবং মানবমুক্তির বার্তা।
জাতীয় কবির এই সৃষ্টির আদর্শকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার উদ্দেশ্যে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় সাংস্কৃতিক সংগঠন আর্বতনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় ‘নজরুল বর্ষে আবর্তনের নিবেদন: চিরদিনের নজরুল’ শীর্ষক একটি বিশেষ অনুষ্ঠান।
নজরুলের কালজয়ী সৃষ্টির উপর ভিত্তি করে সাজানো এই অনুষ্ঠানে শিল্পীদের পরিবেশনায় বিদ্রোহী কবির বহুমাত্রিক সৃজনশীলতা প্রকাশ পায়। চার শতাধিক শিল্পীর অংশগ্রহণের মাধ্যমে এটি নজরুলের শিল্প ও আদর্শ উদ্যাপনের একটি সম্মিলিত প্রচেষ্টা হয়ে ওঠে।
আরও পড়ুন: দেশের প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: রাষ্ট্রপতি
সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম মন্তব্য করেন যে, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে নানা উপায়ে অবহেলিত হয়েছেন। তিনি বলেন, নজরুলের সাহিত্য, সংগীত ও দর্শনকে নতুন প্রজন্মের মধ্যে যথাযথভাবে তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তা থেকেই প্রধানমন্ত্রী নজরুল বর্ষ ঘোষণা করেছেন।
নজরুল বর্ষ উদ্যাপনের মাধ্যমে জাতীয় কবির সৃষ্টিকর্মের চর্চা যেমন বৃদ্ধি পাচ্ছে, তেমনি সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। শিল্পীদের সম্মিলিত অংশগ্রহণে এমন অনুষ্ঠান নজরুলের গান, কবিতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ছড়িয়ে দেয়ার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে তাঁর জীবনদর্শনের সঙ্গে পরিচিত করার সুযোগ সৃষ্টি করছে।
বিদ্রোহ, সাম্য এবং মানবতার যে বার্তা নজরুল ছড়িয়ে দিয়েছিলেন, তা যেন প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বেঁচে থাকে। গানে, কবিতায় এবং শিল্পের সম্মিলিত উচ্চারণে নজরুলকে নতুন করে ধারণ করার এই উদ্যোগ কেবল বর্ষ উদ্যাপন নয়, বরং বাঙালির সাংস্কৃতিক চেতনাকে সমৃদ্ধ করার এক সংকল্প।
আরও পড়ুন: ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড দারিদ্র্য নিরসন ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন