ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কর্মকৌশলকে নাৎসির সঙ্গে তুলনা করায় রিয়ালের লা লিগা সভাপতির পদত্যাগ দাবি


কর্মকৌশলকে নাৎসির সঙ্গে তুলনা করায় রিয়ালের লা লিগা সভাপতির পদত্যাগ দাবি

রিয়াল মাদ্রিদ লা লিগার সভাপতি হাভিয়ের তেবাসের পদত্যাগের দাবি তুলেছে। ক্লাবটির অভিযোগ, তেবাস তাদের কর্মকৌশলকে নাৎসি জার্মানির শাসনামলের পদ্ধতির সঙ্গে তুলনা করেছেন।

তেবাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি দীর্ঘ পোস্টে রিয়াল মাদ্রিদের প্রতি কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ক্লাবটির নিজস্ব টেলিভিশন চ্যানেলে ম্যাচের রেফারিরা কীভাবে তাদের জয়ের সম্ভাবনা ক্ষতিগ্রস্ত করেন, সে সম্পর্কে প্রচার চালানোর পদ্ধতি সম্পর্কে।

রিয়াল মাদ্রিদ তাদের টেলিভিশন চ্যানেলে নিয়মিতভাবে এমন ভিডিও প্রকাশ করে, যেখানে আসন্ন ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা রেফারিদের সিদ্ধান্তের কথিত গুরুতর ভুলগুলো তুলে ধরা হয়। তেবাস এই কৌশলকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি জার্মানির প্রচারমন্ত্রী জোসেফ গোয়েবলসের প্রচারণাপদ্ধতির সঙ্গে তুলনা করেন।

আরও পড়ুন: ঢাকা ক্রিকেটার্সকে উড়িয়ে বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্সের হ্যাটট্রিক জয়

এক বিবৃতিতে রিয়াল মাদ্রিদ উল্লেখ করেছে, ‘স্প্যানিশ ফুটবলের দুটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা কোনো ব্যক্তি ক্লাবটিকে, এর পরিচালনাকে এবং টেলিভিশন চ্যানেলকে হেয় করার উদ্দেশ্যে তাদের প্রচারপদ্ধতির সঙ্গে নাৎসি শাসনামলের পদ্ধতির তুলনা করবে, এটি রিয়াল মাদ্রিদের কাছে সম্পূর্ণ অসহনীয় এবং অত্যন্ত গুরুতর বিষয়।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘তিনি নাৎসি মতাদর্শকে বোঝাননি, এমন ব্যাখ্যা দিলেও তার বক্তব্যের গভীর অপমানজনক, নৈতিকভাবে ঘৃণ্য এবং প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদার পরিপন্থী চরিত্র কোনোভাবেই কমে না।’

রিয়াল মাদ্রিদের অভিযোগ, নেগ্রেইরা মামলার বিষয়ে ক্লাব ও রিয়াল মাদ্রিদ টেলিভিশনের বৈধ পদক্ষেপগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেও তেবাস এসব মন্তব্য ব্যবহার করছেন।

আরও পড়ুন: বায়ার্নের গোলবন্যায় ৬-১ গোলে ভাসল লাইপজিগ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাত দশক পর আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের সভাপতি হলেন পাকিস্তানের আহাদ খান চিমা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১৫ এম


সাত দশক পর আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের সভাপতি হলেন পাকিস্তানের আহাদ খান চিমা

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) এবং বিশ্বব্যাংকের বোর্ড অব গভর্নরসের (ডব্লিউবিজি) চেয়ারম্যান হিসেবে পাকিস্তান নির্বাচিত হতে যাচ্ছে। ২০২৭ সালের সভাপতি হিসেবে দেশটির নাম সাত দশকেরও বেশি সময় পর ঘোষণা করা হয়েছে।

শুক্রবার পাকিস্তানের অর্থ মন্ত্রণালয় সংবাদমাধ্যম ডনকে জানায় যে, তারা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ব্যাংককে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ বার্ষিক সভার পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী এবং বিশ্বব্যাংকে দেশটির গভর্নর আহাদ খান চিমাকে পরবর্তী সভাপতি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। এ সভায় ১৯১টি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর, অর্থনীতিনীতিনির্ধারক এবং ব্যবসায়ী নেতাসহ ১৫ হাজারের বেশি অংশগ্রহণকারী বিশ্ব অর্থনীতি নিয়ে আলোচনা করতে উপস্থিত ছিলেন।

১৯৫৩ সালের পর প্রথমবারের মতো পাকিস্তান এই দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছে। এটি একটি ‘ঐতিহাসিক মাইলফলক’ হিসেবে উল্লেখ করে পাকিস্তান জানায়, এই দায়িত্ব বৈশ্বিক অর্থনীতি ও উন্নয়নমূলক আলোচনায় দেশটির ভূমিকা বৃদ্ধি করবে এবং সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সংলাপ এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করবে।

পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনের পর আহাদ খান চিমাকে চেয়ারম্যান পদের দায়িত্ব সম্পর্কে অবহিত করে বিশ্বব্যাংকের করপোরেট সচিবালয়। এছাড়া, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও করপোরেট সেক্রেটারি আরাধনা কুমার-কাপুরের সঙ্গে দায়িত্ব পালনকালে প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা ও সমন্বয় নিয়ে আলোচনা করেন তিনি।

এ সময় প্যারাগুয়ের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ও বিদায়ী সভাপতি কার্লোস কারভাল্লো স্পালডিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন চিমা। দায়িত্ব পালন শেষ করায় স্পালডিংকে অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি তাঁর নেতৃত্বের প্রশংসা করেন তিনি। আগামী বছরের অগ্রাধিকার ও সভাপতির দায়িত্ব নিয়েও তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়।

বৈঠকগুলোতে চিমা উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রতিনিধিত্ব জোরদার, উন্নয়ন অর্থায়নে কার্যকারিতা ও পূর্বানুমানযোগ্যতা বৃদ্ধি, বহুপক্ষীয় উন্নয়ন সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির জন্য বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার বিষয়ে পাকিস্তানের অঙ্গীকার তুলে ধরেন।

মন্ত্রণালয় জানায়, পাকিস্তান বিশ্বব্যাংক গ্রুপ, আইএমএফ এবং সদস্যদেশগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে গঠনমূলক সংলাপ এগিয়ে নেওয়া এবং আরও কার্যকর বহুপক্ষীয় উন্নয়ন ও আর্থিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে অবদান রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।

বর্তমানে পাকিস্তান আইএমএফের ৭ বিলিয়ন (৭০০ কোটি) ডলারের বর্ধিত তহবিল সুবিধা (ইএফএফ) এবং ১.৪ বিলিয়ন (১৪০ কোটি) ডলারের স্থিতিস্থাপকতা ও টেকসই তহবিলের (আরএসএফ) কর্মসূচির আওতায় আইএমএফের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শনিবার রাজশাহীর কিছু এলাকায় ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১৬ এম


শনিবার রাজশাহীর কিছু এলাকায় ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজশাহীর বেশ কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না, যা পর্যায়ক্রমে সাড়ে ৫ ঘণ্টা স্থায়ী হবে।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি (নেসকো) রাজশাহীর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা এবং বৈরি আবহাওয়ার কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহের নিরবচ্ছিন্নতা রক্ষার লক্ষ্যে বিদ্যুৎ লাইনের নিকটবর্তী গাছের ডালপালা কর্তন করা হবে। এই কারণে নেসকো রাজশাহীর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২ এর আওতাধীন বেশ কিছু এলাকায় শনিবার বিদ্যুৎ থাকবে না।

শনিবার সকাল পৌনে ৮টা থেকে সকাল পৌনে ১০টা পর্যন্ত মোট ২ ঘণ্টা রাজশাহীর হড়গ্রাম বাজার, ভেড়ীপাড়া মোড়, পর্যটন মোটেল, টেনিস কমপ্লেক্স, মিশন হাসপাতাল এবং রাজপাড়া সুফিয়ানের মোড় এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। একই দিন সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত মোট ১ ঘণ্টা রাজশাহীর পীর সাহেবপাড়া, হড়গ্রাম, মুন্সিপাড়া, পালপাড়া, চার খোটার মোড়, হড়গ্রাম নতুনপাড়া এবং গুড়িপাড়া এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না।

এছাড়া শনিবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর সোয়া ১টা পর্যন্ত রাজশাহীর লক্ষ্মীপুর, লক্ষ্মীপুর কাঁচাবাজার, টিবি হাসপাতাল, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহী জিপিও, কাজিহাটা, সিএন্ডবির মোড়, সার্কিট হাউজ, কালেক্টর মাঠ, শ্রীরামপুর এবং জাজেস কোয়াটার এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

যদি নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ হয়, তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু করা হবে। নেসকো রাজশাহী কর্তৃপক্ষ সাময়িক এই অসুবিধার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রাহকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইবির তিন শিক্ষার্থী আইন ও বিচার বিভাগে ইন্টার্নশিপের সুযোগ পেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১৬ এম


ইবির তিন শিক্ষার্থী আইন ও বিচার বিভাগে ইন্টার্নশিপের সুযোগ পেল

আইন ও বিচার বিভাগের কার্যক্রম সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের উদ্দেশ্যে ১৪ জনকে ইন্টার্ন হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় তাদের তিন মাস মেয়াদে ইন্টার্নশিপ করার সুযোগ প্রদান করেছে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদ থেকে তিন শিক্ষার্থী এই সুযোগ পেয়েছে।

আইন ও বিচার বিভাগের বিচার শাখা-৮ থেকে ‘ইন্টার্নশিপ নীতিমালা, ২০২০’-এর আওতায় একটি অফিস আদেশে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আদেশটি ১৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে জারি করা হয়।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থী হলেন, ল' এন্ড ল্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের ২০-২১ বর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল কাফি, আইন বিভাগের ১৯-২০ বর্ষের শিক্ষার্থী উম্মে খুলছুম বিপাশা এবং আল ফিকহ এন্ড ল বিভাগের ১৮-১৯ বর্ষের মো. রাকিব হাসান।

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, মনোনীত ইন্টার্নদের নিজ নিজ নির্ধারিত কর্ম-এলাকার সংশ্লিষ্ট জেলা ও দায়রা জজ/প্রযোজ্য কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে যোগদান করতে হবে। নির্ধারিত তারিখে যোগদান না করলে নিয়োগ বাতিল বলে গণ্য হবে।

ইন্টার্নশিপ শুরুর পূর্বে মনোনীতদের আইন ও বিচার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করতে হবে। এছাড়া যোগদানের সময় শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, সর্বশেষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়নপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র, অভিভাবকের সনদসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করতে হবে।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, ইন্টার্নশিপের মেয়াদ তিন মাস হবে। ইন্টার্নশিপ শুরু হবে ১৮ অক্টোবর ২০২৬ থেকে এবং শেষ হবে ১৭ জানুয়ারি ২০২৭। ইন্টার্নদের প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা হারে ইন্টার্নশিপ ভাতা প্রদান করা হবে। ভাতা ছাড়া অন্য কোনো ভাতা বা সুবিধা প্রদান করা হবে না।

এছাড়া ‘ইন্টার্নশিপ নীতিমালা, ২০২০’-এর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী ইন্টার্নদের নির্ধারিত ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করে দাখিল করতে হবে। অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকলে যোগদানের সময় সংশ্লিষ্ট নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনাপত্তি সনদ বা এনওসি দাখিলের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

অফিস আদেশে মোট ১৪ জন মনোনীত ইন্টার্নের নাম, পিতার নাম, নিজ জেলা এবং কর্ম-এলাকা উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের দেশের বিভিন্ন জেলা ও সংশ্লিষ্ট আইন ও বিচার-সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে ইন্টার্নশিপের জন্য সংযুক্ত করা হয়েছে।

ইবি শিক্ষার্থী রাকিব মন্তব্য করেন, "আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগে ইন্টার্ন হিসেবে যুক্ত হতে পেরে আমি আনন্দিত। এখানে সরাসরি বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি সরকারি আইনি ব্যবস্থাপনা কাছ থেকে শেখার এক দারুণ সুযোগ পাবো। আমাদের কার্যপরিধির মধ্যে রয়েছে দেওয়ানী ও ফৌজদারি মামলা দায়ের থেকে নিষ্পত্তি পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়সহ আদালতের দৈনন্দিন প্রশাসনিক কার্যক্রম।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৬ সদস্য নিয়ে অনলাইনে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১৭ এম


৬ সদস্য নিয়ে অনলাইনে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভা

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) চলমান অচলাবস্থার মধ্যে নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম মাত্র ছয়জন সদস্য নিয়ে অনলাইনে সিন্ডিকেট সভা আয়োজন করেছেন।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এই সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিস্থিতি, শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার উদ্যোগ এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে যোগাযোগের ঘাটতি দূর করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। তবে, অংশগ্রহণকারী এক সিন্ডিকেট সদস্য জানিয়েছেন যে সভা থেকে বড় কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।

এক সিন্ডিকেট সদস্য মন্তব্য করেছেন যে, সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সদস্যরা মতামত দিয়েছেন যে, কোথাও ভুল-বোঝাবুঝি বা যোগাযোগের ঘাটতি থাকলে তা দূর করার প্রয়োজন রয়েছে। তবে, বড় কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি এবং এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে উপাচার্য জানাবেন।

সভায় অংশ নেওয়া আরেক সিন্ডিকেট সদস্য ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জাহিদুর রহমান বলেছেন, "উপাচার্য ছাড়া চুয়েটের অন্য কোনো শিক্ষক সদস্য সভায় উপস্থিত ছিলেন না। সভার বিষয়ে উপাচার্য নিজেই বিস্তারিত জানাবেন বলে তিনি মন্তব্য করতে চাননি।"

চুয়েটের সিন্ডিকেটে মোট সদস্য সংখ্যা ১৭ জন। তবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্যের পদটি বর্তমানে শূন্য রয়েছে। সভায় অনুপস্থিত কয়েকজন সদস্য জানিয়েছেন, ছুটি, পরিবারের সদস্যের অসুস্থতা এবং ব্যক্তিগত ব্যস্ততার কারণে তারা সভায় যোগ দিতে পারেননি।

এদিকে, সিন্ডিকেটের সচিবের দায়িত্বে থাকা রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক শেখ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির দাবি করেছেন যে, তিনি আগেই রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছেন। ফলে, সিন্ডিকেটের সচিব হিসেবেও তিনি আর দায়িত্ব পালন করছেন না।

প্রায় ৩০ ঘণ্টা উপাচার্য ভবনে অবরুদ্ধ থাকার পর, গত মঙ্গলবার ক্যাম্পাস ছাড়েন অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। জেলা প্রশাসন ও পুলিশ তাকে ভবন থেকে বের করে নিয়ে যায়। হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর, বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে ফিরে তিনি সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করেন। সভার সিদ্ধান্ত জানতে উপাচার্যের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

গত ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ২২ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষার্থীরা সর্বাত্মক শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছেন। একই দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের একাংশও কর্মবিরতি ও অসহযোগ কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। এর ফলে, ক্লাস-পরীক্ষাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার বিষয়টি আলোচনায় এলেও, কবে নাগাদ ক্লাস-পরীক্ষা শুরু হবে, সে বিষয়ে কোনো নিশ্চিত ঘোষণা পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%