ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কুষ্টিয়ায় ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবি, আশ্বাসে কর্মসূচি প্রত্যাহার


কুষ্টিয়ায় ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবি, আশ্বাসে কর্মসূচি প্রত্যাহার

চলতি জুলাই মাসের মধ্যেই একটি ট্রেনের যাত্রাবিরতি হবে- রেলওয়ের কর্মকর্তাদের এমন আশ্বাসে বৃহস্পতিবার কুষ্টিয়ার কুমারখালী স্টেশনে রেল অবরোধের কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছেন আন্দোলনকারীরা।

মঙ্গলবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে রেলের বিভাগীয় কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক শেষে দুপুরে তারা এ কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন।

বৈঠকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আখতার, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সারওয়ার, পাকশী রেলওয়ের বিভাগীয় ব্যবস্থাপক আবু হেনা মোস্তফা ও বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা হাসিনা খাতুন, কুমারখালী পৌর বিএনপির সভাপতি মনোয়ার হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম জিলাল, জেলা এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়কারী কে এম আর শাহিন, কুমারখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি খন্দকার লিপু আমীর, আন্দোলন পরিচালনাকারী ও কেন্দ্রীয় যুব অধিকার পরিষদের সাবেক জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি শাকিল আহমেদ তিয়াসসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: নাটোরে পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসকের শুভেচ্ছা

আন্দোলনকারীরা জানায়, কুমারখালী রেলস্টেশনে আন্তঃনগর সুন্দরবন ও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রাবিরতির জন্য প্রায় ৮ মাস ধরে আন্দোলন চলছে। সবশেষ গত ১১ মে স্টেশন চত্বরে বিক্ষোভ কর্মসূচি চলার সময়ে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ৩০-৩৫ দিনের মধ্যে ট্রেন থামানোর আশ্বাস দেন। সেই আশ্বাসে আন্দোলন প্রত্যাহার করা হয়। এরপর ৫৭ দিন পার হলেও প্রশাসনের দেওয়া আশ্বাসের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল পায়নি এলাকাবাসী।

আন্দোলন পরিচালনাকারী শাকিল আহমেদ তিয়াস বলেন, এর আগে প্রশাসনের কর্মকর্তারা যাত্রাবিরতির আশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়ন করেননি। সেজন্য বৃহস্পতিবার অবরোধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আজ (মঙ্গলবার) স্বয়ং রেল কর্মকর্তারা বৈঠক করে চলতি মাসের (জুলাই) মধ্যে ট্রেন থামানোর কথা দিয়েছেন। সেজন্য আপাতত কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে জুলাইয়ে ট্রেন না থামলে আগস্টের এক তারিখ থেকে কঠোর আন্দোলন শুরু হবে।

বেনাপোল ও সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চলছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আখতার। তিনি বলেন, বারবার আশ্বাসের পরও প্রশাসনিক কিছু জটিলতায় যাত্রাবিরতি সম্ভব হয়নি। আজ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। আশ্বাস নয়, চলতি মাসের মধ্যেই ট্রেন থামবে।

আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জে সাংবাদিক এম এ মোতালিবের ওপর হামলার ঘটনায় আটক ১

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউক্রেন সংঘাতের ব্যর্থতা ঢাকতে ‘ন্যাটোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ তত্ত্বে জোর রাশিয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩৮ পি.এম


ইউক্রেন সংঘাতের ব্যর্থতা ঢাকতে ‘ন্যাটোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ তত্ত্বে জোর রাশিয়ার

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন একটি অজ্ঞাত স্থানে রাশিয়ার যৌথ বাহিনীর একটি কমান্ড পোস্ট পরিদর্শন করেন।

ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে প্রত্যাশিত অগ্রগতি অর্জনে ব্যর্থতার মধ্যেই যুদ্ধকে ‘ইউক্রেনের বিরুদ্ধে বিশেষ সামরিক অভিযান’ নয়, বরং ‘ন্যাটোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ হিসেবে তুলে ধরার প্রচার জোরদার করেছে রাশিয়া।

বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘায়িত যুদ্ধ, ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক চাপ এবং সামরিক ক্ষয়ক্ষতির ব্যাখ্যা দিতেই ক্রেমলিন নতুন এই বয়ানকে সামনে আনছে।

সম্প্রতি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান জেনারেল ভ্যালেরি গেরাসিমভের এক বৈঠকের ভিডিও প্রকাশ করা হয়। সেখানে গেরাসিমভ দাবি করেন, ইউক্রেন যুদ্ধক্ষেত্রে সফল হতে না পেরে পশ্চিমা মিত্রদের বোঝানোর চেষ্টা করছে যে, তারা রাশিয়ার বিরুদ্ধে উদ্যোগ ফিরে পেয়েছে এবং উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।

জবাবে পুতিন পশ্চিমা দেশগুলোর যুদ্ধ-সংশ্লিষ্ট ভূমিকা বিশ্লেষণ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে এই বিশ্লেষণ কাজে লাগতে পারে।

যুদ্ধক্ষেত্রের বাস্তবতার সঙ্গে রুশ দাবির অসঙ্গতি নিয়ে ভিডিওতে পুতিন দাবি করেন, রুশ বাহিনী পূর্ব ইউক্রেনের কস্তিয়ান্তিনিভকা শহর পুরোপুরি দখল করেছে। তবে ইউক্রেন জানিয়েছে, শহরের একটি অংশ এখনও তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এমনকি পুতিনকে সেখানে সাক্ষাৎ করে কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বানও জানান।

পুতিন আরও দাবি করেন, চলতি বছরে রাশিয়া ইউক্রেনে তিন হাজার বর্গকিলোমিটারের বেশি এলাকা দখল করেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ার-এর তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত রাশিয়ার প্রকৃত অগ্রগতি ছিল মাত্র ৯৭ বর্গকিলোমিটার।

প্রতিষ্ঠানটির বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, যুদ্ধক্ষেত্রের বাস্তব পরিস্থিতির পরিবর্তে রাশিয়া একটি বিকল্প বাস্তবতা তৈরি করার চেষ্টা করছে, যেখানে সামরিক সাফল্যের বর্ণনা নিয়ন্ত্রণ করে জনমত প্রভাবিত করা হচ্ছে।

‘বিশেষ অভিযান’ থেকে ‘ন্যাটোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ শীর্ষক মন্তব্যে ইউক্রেনের সাবেক উপ-চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইহোর রোমানেঙ্কোর মতে, ক্রেমলিনের মূল লক্ষ্য রুশ জনগণকে বোঝানো যে, এটি আর শুধুমাত্র ইউক্রেনের বিরুদ্ধে অভিযান নয়, বরং ন্যাটোর সঙ্গে একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ।

তিনি বলেন, ২০২২ সালে কয়েক মাসের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা বলা ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ এখন পঞ্চম বছরে গড়িয়েছে। এ বাস্তবতা ব্যাখ্যা করতেই রাশিয়া যুদ্ধকে ন্যাটোর বিরুদ্ধে সংঘাত হিসেবে উপস্থাপন করছে।

তার ভাষায়, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার কারণ এবং ভবিষ্যতে আরও সামরিক তৎপরতা বা নতুন সেনা সমাবেশের প্রয়োজনীয়তা জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলতেই এই প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

নতুন সেনা সমাবেশের ইঙ্গিত সম্পর্কিত বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেনের নিয়মিত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে জ্বালানি সংকট এবং অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে ক্রেমলিন আগামী সেপ্টেম্বরে পার্লামেন্ট নির্বাচন শেষে আংশিক সেনা সমাবেশ (মোবিলাইজেশন) ঘোষণা করতে পারে।

রোমানেঙ্কো বলেন, নির্বাচনের পর অন্তত আংশিক সেনা সমাবেশের প্রস্তুতি চলছে এবং সেই লক্ষ্যেই যুদ্ধের বয়ান বদলানো হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে রাশিয়া প্রথম ‘আংশিক মোবিলাইজেশন’ ঘোষণা করেছিল। পরে সরকার বড় অঙ্কের আর্থিক প্রণোদনা দিয়ে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ এবং অভিবাসীদের সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করার নীতি গ্রহণ করে।

‘যুদ্ধ’ শব্দের ব্যবহার পুতিনের বক্তব্যের একদিন পর ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ প্রকাশ্যে ‘যুদ্ধ’ শব্দটি ব্যবহার করেন। অথচ দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়ায় এই সংঘাতকে ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ ছাড়া অন্য কিছু বলা আইনগতভাবে নিষিদ্ধ ছিল এবং ‘যুদ্ধ’ শব্দ ব্যবহারের অভিযোগে হাজারো মানুষকে জরিমানা, গ্রেফতার ও কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

পেসকভ বলেন, “এটি এখন সত্যিকারের যুদ্ধ। কারণ কিয়েভের পেছনে বার্লিন, প্যারিস, দ্য Hague, অসলো এবং দুর্ভাগ্যজনকভাবে ওয়াশিংটনও রয়েছে।”

প্রচারণার উদ্দেশ্য কী? কিয়েভভিত্তিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক ভলোদিমির ফেসেনকোর মতে, রাশিয়া যখনই যুদ্ধক্ষেত্রে সমস্যায় পড়ে, কিংবা নিজ ভূখণ্ডে ইউক্রেনের হামলা বাড়ে, তখনই ক্রেমলিন জনগণের সামনে নতুন ব্যাখ্যা হাজির করে।

তিনি বলেন, “ক্রেমলিন কখনওই স্বীকার করতে চায় না যে, ইউক্রেন সামরিকভাবে শক্তিশালী হয়েছে। বরং তারা দেখাতে চায় যে, পুরো পশ্চিমা বিশ্ব রাশিয়ার বিরুদ্ধে একজোট হয়েছে। এভাবেই চার বছরের বেশি সময় ধরে যুদ্ধ চলার ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে।”

ন্যাটোকে সরাসরি সংঘাতে জড়ানোর অভিযোগ সম্পর্কিত রাশিয়ার অন্যতম প্রচারমূলক অবস্থান হলো- ন্যাটো ধীরে ধীরে ইউক্রেনকে নিজেদের সামরিক কাঠামোর সঙ্গে একীভূত করছে।

মস্কোর দাবি, ন্যাটো উন্নত প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক অস্ত্র সরবরাহ করে ইউক্রেনকে রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটিতে হামলার সক্ষমতা দিচ্ছে। একই সঙ্গে ইউক্রেন ইচ্ছাকৃতভাবে ন্যাটোকে রাশিয়ার সঙ্গে সরাসরি সশস্ত্র সংঘাতে টেনে আনতে চাইছে।

তবে ইউক্রেনীয় সেনাসদস্যরা এসব দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন। তাদের বক্তব্য, যুদ্ধক্ষেত্রে ইউক্রেনের সাফল্যকে খাটো করে দেখাতেই ক্রেমলিন পুরো সংঘাতকে ‘সমষ্টিগত পশ্চিমা বিশ্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ হিসেবে তুলে ধরছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একটি গর্বের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায় সরকার: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৪ পি.এম


একটি গর্বের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায় সরকার: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

মঙ্গলবার পপুলেশন সার্ভিসেস অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (পিএসটিসি)-এর ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ‘জীবনের ইতিবাচক পরিবর্তনের মাধ্যমে একটি সম্ভাবনাময় ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নির্মাণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমীন মন্তব্য করেন।

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমীন বলেছেন, সরকার চায়, দেশের সব নাগরিকের জন্য একটি গর্বের বাংলাদেশ গড়ে উঠুক। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য নানা কার্যক্রম শুরু করতে সরকার উদ্যোগী হয়েছে।

মঙ্গলবার পপুলেশন সার্ভিসেস অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (পিএসটিসি)-এর ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘জীবনের ইতিবাচক পরিবর্তনের মাধ্যমে একটি সম্ভাবনাময় ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নির্মাণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বললেন। অনুষ্ঠানটি পিএসটিসির সম্মেলন কক্ষে আয়োজন করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অতীতে রাষ্ট্র পরিচালনায় কোনো সুশৃঙ্খল নিয়মনীতি অনুসরণ করা হয়নি। বরং অনিয়মকে নিয়মে পরিণত করে রাখা হয়েছিল। এ কারণে রাষ্ট্র পরিচালনার কর্মপদ্ধতি দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের এই ক্রান্তিকালে জনগণের ভোটের মাধ্যমে বর্তমান সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। সরকার ধ্বংসপ্রাপ্ত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাকে পুনরায় স্বাভাবিক ও কার্যকর করতে কাজ শুরু করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।他说, রাষ্ট্র পরিচালনার পদ্ধতি স্বাভাবিক হলে কোনো অনিয়ম আর নিয়মে পরিণত হবে না এবং সবকিছু আইনের শাসন ও নিয়মের অধীন পরিচালিত হবে। সরকারের লক্ষ্য হল দেশের প্রতিটি নাগরিক সমান গুরুত্ব পাবে এবং সবাই যাতে গর্বের সঙ্গে বলতে পারে—‘এ দেশ আমার’।

ফারজানা শারমীন বলেন, অতীতে স্বেচ্ছাচারিতা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিয়েছিল। জবাবদিহিতা কোথাও ছিল না। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয়েছে। জনগণ ভোট দিয়ে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করে সংসদে পাঠিয়েছে। বর্তমান সংসদে সরকারের পাশাপাশি একটি কার্যকর বিরোধী দলও রয়েছে। সংসদে জনগণের কল্যাণে আলোচনা হয় এবং রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি ও পদ্ধতি রূপায়ণ করা হয়। একই সাথে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিবারের সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ নারীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হচ্ছে। কারণ, পুরো পরিবারকে সেবা দেওয়া এই নারী যেন ওষুধ কেনা কিংবা অন্য কোনও প্রয়োজন মেটাতে কারও মুখাপেক্ষী না হন। তিনি যেন পরিবারের অবহেলার শিকার না হন এবং অর্থনৈতিক ও মানসিকভাবে স্বস্তিতে থাকতে পারেন। পরিবার থেকে শুরু করে দেশের সকল মানুষের মনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনাই সরকারের লক্ষ্য।

তিনি আরো বলেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সংখ্যা একসময় ছিল ৭২ হাজার। সক্রিয় না থাকায় তা বর্তমানে ৫৬ হাজারে নেমে এসেছে। ভবিষ্যতে এটি দুই থেকে তিন হাজারে সীমিত হতে পারে। যারা প্রকৃত অর্থে দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে, তারা টিকে থাকবে। সরকার এবং কল্যাণমুখী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর উদ্দেশ্যে মিল রয়েছে। তাই প্রকৃত জনকল্যাণে যুক্ত সংগঠনগুলোকে সরকার ভবিষ্যতেও পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করবে।

তিনি বলেন, গত ৪৮ বছর ধরে দেশের জনস্বাস্থ্য, নারীর ক্ষমতায়ন, লিঙ্গসমতা, কিশোর-কিশোরীদের উন্নয়ন এবং অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে পপুলেশন সার্ভিসেস অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (পিএসটিসি) যে প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখেছে, তাতে তিনি আশা করেছেন যে আগামী দিনগুলোতে এটি আরও বেগবান হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ জাকারিয়া এবং সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহবুব।

পিএসটিসির কোষাধ্যক্ষ মো. বদরুল মুনীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন পিএসটিসির নির্বাহী পরিচালক ড. নূর মোহাম্মদ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৮ পি.এম


রাজশাহীতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় ছাত্রলীগ নেতা মোঃ নোমান (২৫), নামে আরও এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রবিবার (৫ জুলাই) রাত দেড়টায় নগরীর বোয়ালিয়া থানার সপুরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার মোঃ নোমান, তিনি সপুরা এলাকার মৃত সাইদুর রহমানের ছেলে এবং বোয়ালিয়া থানা (পশ্চিম) শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।
সোমবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর), মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানান, গত (২৭ মে) রাত সোয়া ৩টার দিকে নগরীর বোয়ালিয়া থানার সাহেববাজার জামাল সুপার মার্কেটের সামনে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নামে শেখ হাসিনা ও শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সম্মেলিত এবং জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু ও রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকারের নিঃশর্ত মুক্তি চাই, লেখা প্রচারণামূলক পোস্টার সাঁটানো হয়।
এ ঘটনায় রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপের উদ্দেশ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রম পুনরায় সক্রিয় করার চেষ্টা এবং এ-সংক্রান্ত ষড়যন্ত্রের অভিযোগে বোয়ালিয়া থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় একজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৯০ থেকে ১০০ জনকে আসামি করা হয়।
মামলার তদন্ত চলাকালে সাক্ষ্য-প্রমাণ, সাক্ষীদের বক্তব্য এবং গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রবিবার রাত দেড়টায় সপুরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছাত্রলীগ নেতা নোমানকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ ও আইনগত প্রক্রিয়া শেষে সোমবার সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বর্ণাঢ্য আয়োজনে কলেজের অর্থনীতি বিভাগের বিদায় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ নুর হোসাইন, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, নোয়াখালী

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৯ পি.এম


বর্ণাঢ্য আয়োজনে কলেজের অর্থনীতি বিভাগের বিদায় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
 
ঐতিহ্যবাহী বৃহত্তর নোয়াখালীর অন্যতম প্রাচীন ও সুনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নোয়াখালী সরকারি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের ২৫তম ব্যাচ (২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ) এর বিদায় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
 
আজ মঙ্গলবার ( ০৭ জুলাই-২০২৬ খ্রিঃ) সকালে কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল জলিল অডিটোরিয়ামে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। অর্থনীতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর সাইফ উদ্দিন শামীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মনিরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আফসার উদ্দিন জুয়েল। 
 
এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, নোসক সাংবাদিক সমিতির সদস্য সচিব,  বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের প্রতিনিধি ও বিদায়ী শিক্ষার্থীরা বক্তব্য রাখেন।  
 
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর মনিরুল ইসলাম অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার মান, ঘোচানো পরিবেশ এবং শ্রেণীকক্ষে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতির ভূয়সী প্রশংসা করেন। এসময় তিনি বিদায়ী শিক্ষার্থীর উজ্জ্বল ভবিষ্যত ও সফলতা কামনা করেন এবং শিক্ষার্থীদেরকে মাদক, সন্ত্রাস ও অনৈতিকতা থেকে দূরে থেকে আদর্শ ও নৈতিকতা সম্পন্ন মানুষ হিসেবে নিজেদেরকে গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%