ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

তিন দেশে একত্রে বিশ্বকাপ উদ্বোধন, পারফর্ম করবেন যেসব তারকা


তিন দেশে একত্রে বিশ্বকাপ উদ্বোধন, পারফর্ম করবেন যেসব তারকা

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ নতুন এক অধ্যায় যোগ করতে যাচ্ছে, কারণ এই প্রথমবার তিনটি দেশে একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় এই জমকালো উদ্বোধনী পর্বটি পৃথকভাবে আয়োজন করা হবে।

বিশ্বকাপের আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়ামে, যেখানে আয়োজক মেক্সিকো মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকার। ম্যাচ শুরুর প্রায় ৯০ মিনিট আগে, অর্থাৎ স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ১০টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হবে।

অনুষ্ঠানে মেক্সিকোর সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও শিল্পকে ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশনার মাধ্যমে তুলে ধরা হবে। এর মধ্যে থাকবে স্থানীয় সংগীত, নৃত্য এবং বিখ্যাত ‘পাপেল পিকাডো’ শিল্পকলার উপস্থাপন।

আরও পড়ুন: আশুলিয়ায় শ্রম আন্দোলনের নামে হামলায় শ্রমিক মো. সেলিম গুরুতর আহত

এই পর্বের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে বিশ্বখ্যাত পপ তারকা শাকিরা থাকবেন। ২০১০ বিশ্বকাপের ‘ওয়াকা ওয়াকা’র পর তিনি এবার নতুন বিশ্বকাপ থিম সং পরিবেশন করবেন। তাঁর সঙ্গে মঞ্চ মাতাবেন নাইজেরিয়ান সংগীতশিল্পী বার্না, এবং আরও অনেক আন্তর্জাতিক তারকা।

অন্যদিকে, কানাডার টরন্টো স্টেডিয়ামে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচ দিয়ে স্বাগতিক কানাডা শুরু করবে। সেখানে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পারফর্ম করবেন অ্যালানিস মরিসেট, মাইকেল বুবলে, আলেসিয়া ক্যারা এবং বলিউডের তারকা নোরা ফাতেহি সহ আরও অনেক শিল্পী।

তৃতীয় ও শেষ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে। সেখানে কেটি পেরি, অ্যানিত্তা, লিসা ও রেমাসহ একঝাঁক বিশ্ব তারকা পারফর্ম করবেন। যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাচ দিয়ে উদ্বোধনী দিনের আয়োজন শেষ হবে।

আরও পড়ুন: শুক্রবার চট্টগ্রামে যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, মহাসম্মেলনে বক্তব্য দেবেন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছে ববি শিক্ষার্থীর উদ্ভাবনী কৃত্রিম হাত ও মিসাইল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩০ পি.এম


প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছে ববি শিক্ষার্থীর উদ্ভাবনী কৃত্রিম হাত ও মিসাইল

সম্প্রতি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সুজন চন্দ্র পালের দ্বারা নির্মিত একটি কৃত্রিম হাত এবং 'থান্ডারবোল্ট' নামক একটি প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির মডেল গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। তার উদ্ভাবনী প্রযুক্তি প্রকল্পটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের স্বীকৃতি পাওয়ার পথে রয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে সাক্ষাতের সময় উপাচার্য জানালেন, খুব শিগগিরই সুজন চন্দ্র পালকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই উদ্ভাবনের স্বীকৃতি প্রদান করা হবে। পাশাপাশি, তার গবেষণামূলক কাজকে আরো এগিয়ে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় একাডেমিক, প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহযোগিতা প্রদানের বিষয়েও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন উদ্যোগ নেবে।

সীমিত ল্যাব সুবিধা ও অবকাঠামোর মাঝে নিজস্ব আগ্রহ, গবেষণাচিন্তা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার মাধ্যমে সুজন দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করে আসছেন। তার সাম্প্রতিক উদ্ভাবনগুলো গণমাধ্যমে আলোচনায় আসার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নজরে আসে।

এভাবে তাকে উৎসাহিত করতে এবং গবেষণা ও উদ্ভাবনকে স্বীকৃতি দিতে উদ্যোগ নেওয়া হয়।

সুজন চন্দ্র পাল বলেন, 'ছোটবেলা থেকেই নতুন কিছু উদ্ভাবনের প্রতি আমার আগ্রহ ছিল। সীমিত সুযোগের মধ্যেও আমি কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের এই স্বীকৃতি আমাকে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে গবেষণা ও প্রযুক্তি উন্নয়নে অনুপ্রাণিত করবে।'

পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. আরিফ উল ইসলাম বলেন, 'সুজন আমাদের বিভাগের একজন মেধাবী ও পরিশ্রমী শিক্ষার্থী। তার উদ্ভাবনী চিন্তা শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এই উদ্যোগ গবেষণামুখী পরিবেশ তৈরিতে সহায়ক হবে।'

তিনি আরো বলেন, 'এমন সৃজনশীল উদ্যোগ ভবিষ্যতে দেশের প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা গবেষণার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে।'

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদ বলেন, 'সুজন চন্দ্র পালের উদ্ভাবনী কাজ সত্যিই প্রশংসনীয়। বিশ্ববিদ্যালয় তার গবেষণা ও প্রযুক্তি উন্নয়নের কাজে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। প্রয়োজনে দেশি-বিদেশি সংস্থা থেকেও সহযোগিতা নেওয়া হবে, যাতে তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অবদান রাখতে পারেন।'

উপাচার্যের সাথে শিক্ষার্থী সুজন চন্দ্র পালের সাক্ষাৎকালে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ড. রহিমা নাসরিন, সহকারী অধ্যাপক ড. মো. আরিফুল ইসলাম এবং গবেষণা ও সম্প্রসারণ অফিসের পরিচালক ড. সোনিয়া খান সনি উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্ত্রীকে বেঁধে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩১ পি.এম


স্ত্রীকে বেঁধে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

যশোরের চৌগাছায় স্ত্রীকে বেঁধে এক যুবক জুয়েল আহমেদ রানা (৩৫) নামক ব্যক্তিকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার সময়, চৌগাছা উপজেলার পাতিবিলা ইউনিয়নের মুক্তদাহ মোড়ে এই হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

নিহত জুয়েল রানা মুক্তদাহ গ্রামের ওয়াদুদ খন্দকারের ছেলে ছিলেন। জুয়েল রানার স্ত্রী মায়া বেগম জানিয়েছেন, তিনি দিনমজুরি করতেন এবং গ্রামে কসমেটিক্স বিক্রি করে সংসার পরিচালনা করতেন।

স্থানীয় অধিবাসীরা জানিয়েছেন, রাজনৈতিক সমালোচনা নিয়ে কথা কাটাকাটির এক সময় মুক্তদাহ গ্রামের ইউসুফ, কাশেম, বাবু, সুমনসহ ৫/৬ জন দেশীয় ধারালো অস্ত্র এবং লাঠিসোটা নিয়ে জুয়েলের ওপর হামলা চালিয়েছিল। এই হামলায় জুয়েলের দুই পা ভেঙে দেওয়ার পরে তাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করা হয়।

গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা জুয়েলকে উদ্ধার করে প্রথমে চৌগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মোবাশ্বের হোসেন জানিয়েছেন, দুপুর ১২টার দিকে জুয়েল রানাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

মায়া বেগম দাবি করেছেন যে, তার স্বামী কোনো ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। সন্ত্রাসী এবং চাঁদাবাজদের কর্মকাণ্ড দেখে ফেলায় তার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

তিনি আরও জানান, মুক্তাদাহ মোড়ে একটি চায়ের দোকানের কাছে দুর্বৃত্তরা তার স্বামীর ওপর হামলা চালায়। তখন মায়া বেগম তাদের বাধা দিতে গেলে তাকে চায়ের দোকানের পিলারের সাথে বেঁধে রাখা হয় এবং তখনই তার স্বামীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মোবাশ্বের হোসেন বলেছেন, দুপুর ১২টার দিকে জুয়েল আহমেদ রানাকে হাসপাতালে আনা হয়। তার মাথা এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যান্ডেজ করা ছিল। ইসিজি করার পরে নিশ্চিত হয়ে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। তাঁর মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও নিশ্চিত করা যাচ্ছে না, কারণ মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

চৌগাছা থানার ওসি মো. মামুনুর রশিদ বলেছেন, হত্যাকাণ্ডের খবর পাওয়ার পর দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। তিনি জানান যে, তদন্ত ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে এবং হত্যাকারীদের ধরতে অভিযানে নেমেছে পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দখলকৃত এলাকায় উৎপাদিত কৃষিপণ্য ‘ইসরাইলি’ লেবেলে যাচ্ছে ইউরোপে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩২ পি.এম


দখলকৃত এলাকায় উৎপাদিত কৃষিপণ্য ‘ইসরাইলি’ লেবেলে যাচ্ছে ইউরোপে

জবর দখল করা ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড ও সিরিয়ার গোলান মালভূমির অবৈধ ইসরাইলি বসতিগুলোতে উৎপাদিত কৃষিপণ্য বর্তমানে মিথ্যা ‘ইসরাইলি’ লেবেল ব্যবহার করে ইউরোপীয় বাজারে প্রবেশ করতে দেখা যাচ্ছে। নতুন একটি তদন্ত প্রতিবেদন থেকে এমন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ইকো লিটিগেশন সেন্টারের তৈরি ‘ইমপোর্টিং অকুপেশন’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি গত বুধবার (১০ জুন) প্রকাশ হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে যে, বিভিন্ন অবৈধ বসতিতে উৎপাদিত পণ্যগুলোকে ইইউ নীতির বিরুদ্ধে গিয়ে ‘ইসরাইল থেকে আসা’ হিসেবে দেখানো হচ্ছে, যদিও ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিয়ম অনুযায়ী ১৯৬৭ সালের পরে দখলকৃত অঞ্চলের পণ্য আলাদাভাবে চিহ্নিত করার কথা।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, যেসব পণ্যের লেবেলে ‘ওয়েস্ট ব্যাংক’ অথবা ‘গোলান হাইটস’ লেখা থাকা উচিত, সেগুলো অনেক ক্ষেত্রে শুধু ‘মেইড ইন ইসরাইল’ হিসেবে বিক্রি হচ্ছে। এতে ভোক্তাদের ভুল তথ্য প্রদান করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

গবেষকরা ২০১৭ সালের অক্টোবর থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৩০ হাজারের বেশি রফতানি রেকর্ড বিশ্লেষণ করেছেন, যা অন্তর্ভুক্ত ছিল ৬ হাজার ৮২৭টি কৃষিপণ্য চালান।

তাদেরের তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপে পাঠানো কৃষিপণ্যের মধ্যে ১৭ শতাংশেরও বেশি পণ্য এসেছে ইসরাইলি বসতি হতে। আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর জন্য এই হার প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে, এসব পণ্যের আসল উৎস আড়াল করতে বিভিন্ন টেকনিক ব্যবহার করা হয়। যেমন—উৎপাদনস্থলকে ইসরাইলের অভ্যন্তরের এলাকা হিসেবে দেখানো, ইসরাইলের অভ্যন্তরের ঠিকানা ব্যবহার করা, যা আসল উৎপাদনস্থলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, এবং অবৈধ বসতি অঞ্চলের পণ্যকে ইসরাইলের মূল ভূখণ্ডের পণ্যের সঙ্গে মিলিয়ে রফতানি করা।

গবেষকদের মতে, এটি একটি বিচ্ছিন্ন ভুল নয়, বরং একটি পরিকল্পিত ব্যবস্থা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে বসতি এলাকার পণ্য ‘সরকারি কাগজপত্রে’ ইসরাইলের অভ্যন্তরের পণ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। তারা আরও দাবি করেছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের নীতির দুর্বলতার কারণে এসব পণ্য নিয়মিতভাবে ইউরোপের বাজারে আসছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, এই ধরনের ভুল লেবেলিং ইউরোপীয় আইন, বাণিজ্য নীতি, খাদ্য নিরাপত্তা এবং জৈব পণ্যের সার্টিফিকেশন ব্যবস্থাকে সংকটের মুখে ফেলছে। এছাড়া বলা হয়েছে, বসতি অঞ্চলের কৃষি কার্যক্রম এসব বসতিগুলোকে টিকিয়ে রাখতে ভূমি ব্যবহার ও সম্পদ আহরণের মাধ্যমে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

গবেষকরা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) ২০২৪ সালের একটি পরামর্শমূলক মতামতের বিষয়েও উল্লেখ করেছেন, যেখানে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে—রাষ্ট্রগুলোকে ইসরাইল এবং অধিকৃত অঞ্চল আলাদা করে চিহ্নিত করতে হবে এবং এমন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে হবে যা দখলদারিত্বকে টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্যাসিবাদ আমলে সবচেয়ে সংকটাপন্ন খাত ছিল শিক্ষা: সংসদে অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩৪ পি.এম


ফ্যাসিবাদ আমলে সবচেয়ে সংকটাপন্ন খাত ছিল শিক্ষা: সংসদে অর্থমন্ত্রী

অর্থ এবং পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ফ্যাসিবাদের দীর্ঘ সময়ে রাষ্ট্রকাঠামোর সবচেয়ে সংকটাপন্ন খাতগুলোর একটি ছিল শিক্ষা।

তিনি উল্লেখ করেন, দেশের তরুণদের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে যে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে’ দেশ আজ গণতান্ত্রিক পথে ফিরে এসেছে, সেখানে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আমাদের অবশ্যই একটি পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যেখানে শিক্ষার্থীরা সৎ, যোগ্য, দক্ষ এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বক্তৃতায় শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন খাতের বাজেট বরাদ্দ ঘোষণা করার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন।

শিক্ষা খাতকে পুনর্গঠনের ওপর বিশেষ জোর দিয়ে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে তরুণদের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন খাতকে এবারের বাজেটে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার।

এই লক্ষ্যে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা খাতে রেকর্ড ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, প্রস্তাবিত বাজেটে প্রধান অগ্রাধিকারের খাতগুলোর মধ্যে শিক্ষা খাতকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার খাত হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, শিক্ষা খাতে এসব লক্ষ্যে বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের সামগ্রিক শিক্ষা কারিকুলামকে সম্পূর্ণ রূপান্তরের যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। নতুন এই রূপান্তরের মূল উদ্দেশ্য হল— শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিক মূল্যবোধ, সামাজিক দায়িত্ববোধ, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং মানবিক চরিত্রের দৃঢ় বিকাশ ঘটানো।

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী বাজেট বক্তৃতায় জানান, বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ছিল ৮৭ হাজার ২০৬ কোটি টাকা, যা ছিল জিডিপি’র ১ দশমিক ৩৯ শতাংশ। আগামী অর্থবছরের জন্য এই বরাদ্দ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়ে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে, যা জিডিপির ২ শতাংশ। এছাড়া পর্যায়ক্রমে শিক্ষা খাতে সরকারি বিনিয়োগ ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি করে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সূত্র: বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%