০৪:০৩ পি.এম
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে চন্ডিবের গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ১৩ পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ, ঢেউটিন ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে শহরের চন্ডিবের গ্রামে গিয়ে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারের হাতে ৩৬ হাজার টাকার নগদ চেক, দুই বান্ডিল করে ঢেউটিন ও খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম।
এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং অগ্নিকাণ্ডে তাদের ক্ষয়ক্ষতির খোঁজখবর নেন। পরে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের উদ্দেশে তিনি বলেন, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সরকার রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে পরবর্তীতে আরও সহযোগিতা করা হবে।
আরও পড়ুন: ‘বসন্তের কোকিল’ হিসেবে পরিচিত কাজী জাহিদ অভি? পূজামণ্ডপে অনুদান, ক্যানসার আক্রান্ত হাফেজকে সহায়তা নিয়ে প্রশ্ন
এর আগে গত ১ অক্টোবর চন্ডিবের গ্রামে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের বসতঘরে। এতে ১০ থেকে ১২টি ঘরসহ ১৩টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। খবর পেয়ে ভৈরব ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। পরে আশুগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের আরও একটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দেয়।
ত্রাণ ও সহায়তা বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে. এম. মামুনুর রশীদ, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি হাজী মো. শাহিন, সাধারণ সম্পাদক মো. মজিবুর রহমান, পৌর নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফ সারোয়ার বাতেনসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতাকর্মী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
সহায়তা বিতরণ শেষে প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম চন্ডিবের জেলেপাড়ায় নিম্নআয়ের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। পরে তিনি চন্ডিবের হিন্দুপাড়ার পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তাব্যবস্থার খোঁজখবর নেন এবং পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
আরও পড়ুন: স্বাধীনতার পরও পাকা হয়নি সড়ক, দুর্ভোগে পাঁচ গ্রামের মানুষ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন