মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৩৭ পি.এম
মহাকাশে নির্ভরতা কমানোর লক্ষ্যে ইউরোপের নতুন পরিকল্পনা আরিয়েন ৬ নিয়ে কাজ শুরু করেছে।
ইউরোপ বর্তমানে অন্য দেশের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নিজেদের তৈরি আরিয়েন ৬ রকেটের উৎক্ষেপণ বৃদ্ধি করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এ বিষয়ে ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা এবং রকেট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান আরিয়েন গ্রুপ একত্রে কাজ করছে।বার্তা সংস্থা এর একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
আরিয়েন গ্রুপের প্রধান নির্বাহী ক্রিস্তফ ব্রুনো জানিয়েছেন, আগামী কয়েক বছরে আরিয়েন ৬-এর উৎক্ষেপণের সংখ্যা বৃদ্ধি করার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বর্তমানে বছরে যতগুলো উৎক্ষেপণ করা হয়, তার চেয়ে অধিক উৎক্ষেপণের সক্ষমতা তৈরির পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা জানায়, আগামী বছরগুলোতে আরিয়েন ৬ এবং ভেগা-সি রকেটের বার্ষিক উৎক্ষেপণের হার বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। এর পেছনে কারণ হলো, ভবিষ্যতে উপগ্রহ উৎক্ষেপণের চাহিদা বৃদ্ধি পেতে পারে, যা উৎক্ষেপণ ব্যবস্থায় চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
আরিয়েন গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান আরিয়ানেস্পেস বর্তমানে ফরাসি গায়ানা থেকে আরিয়েন ৬ রকেটের উৎক্ষেপণ পরিচালনা করছে। প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য হলো, ২০২৭ সাল থেকে প্রতি বছর ৯ থেকে ১০টি আরিয়েন ৬ উৎক্ষেপণ করা।
আরিয়েন গ্রুপ ইতোমধ্যে ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা এবং রকেট তৈরির সঙ্গে যুক্ত প্রায় ৬০০টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে।
তবে, উৎক্ষেপণের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে বড় ধরনের বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে। বিশেষ করে আরিয়েন ৬-এর জন্য প্রয়োজনীয় কঠিন জ্বালানি উৎপাদন বৃদ্ধি করা অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন ব্রুনো।
আরিয়ানে স্পেসের প্রধান নির্বাহী ডেভিড কাভাইয়োলেস মন্তব্য করেন, "মহাকাশ এখন ইউরোপের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি খাত।"
তিনি আরও বলেন, মহাকাশে প্রবেশের জন্য অন্য পক্ষের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল থাকা উচিত নয়।
ইউরোপীয় দেশগুলো ২০১৪ সালে আরিয়েন ৬ তৈরির উদ্যোগ নেয়। এর একটি প্রধান উদ্দেশ্য ছিল মহাকাশে বাড়তে থাকা প্রতিযোগিতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেদের সক্ষমতা তৈরি করা।
তবে, রকেটটির উন্নয়ন ও উৎক্ষেপণ বারবার পিছিয়ে যাওয়ার ফলে ইউরোপকে মার্কিন প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের ওপর নির্ভর করতে হয়েছে।
বিশ্বজুড়ে উপগ্রহের ব্যবহার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। যোগাযোগ, আবহাওয়া, নেভিগেশন, নিরাপত্তা ও বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক কাজে উপগ্রহের প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে। ফলে আগামী বছরগুলোতে উপগ্রহ উৎক্ষেপণের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে ইউরোপ নিজেদের উৎক্ষেপণ সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে চায়। আরিয়েন ৬-এর উৎক্ষেপণ সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে ইউরোপের নিজস্ব রকেট ব্যবহারের সুযোগ বাড়বে এবং মহাকাশে প্রবেশের ক্ষেত্রে অন্য দেশের ওপর নির্ভরতা কমানো সম্ভব হবে।
এ বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা নিয়ে আগামী ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর ফ্রান্সে একটি মহাকাশ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ইউরোপের মহাকাশ খাতে স্বাধীনতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করাই সম্মেলনের অন্যতম লক্ষ্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী তিন দিন দেশের অভ্যন্তরে উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন উজানে মাঝারি থেকে মাঝারি-ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে বলে আবহাওয়া সংস্থাসমূহের তথ্য অনুযায়ী জানিয়েছে পাউবো। এছাড়া গড়াই নদীর পানি বেড়ে সতর্কসীমায় পৌঁছার আভাস রয়েছে। ফলে তিন জেলায় বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) এমন তথ্য জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানির সমতল বেড়েছে। অপরদিকে যমুনা নদীর পানির সমতল স্থিতিশীল রয়েছে, যা আগামী পাঁচ দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। গঙ্গা নদীর পানির সমতল বেড়েছে ও পদ্মা নদীর পানির সমতল স্থিতিশীল রয়েছে। এ ছাড়া গঙ্গা নদীর পানির সমতল আগামী দুদিন বাড়তে পারে ও পরবর্তী তিন দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে।
অপরদিকে পদ্মা নদীর পানির সমতল আগামী পাঁচ দিন বাড়তে পারে এবং আগামী ৭২ ঘণ্টায় গঙ্গা নদী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার কিছু স্থানে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় গড়াই ও মাথাভাঙা নদীসমূহের পানির সমতল বেড়েছে, যা আগামী তিন দিন বাড়তে পারে। এ সময়ে গড়াই নদী ফরিদপুর, রাজবাড়ী ও মাগুরা জেলার কিছু স্থানে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে।
এ ছাড়া উত্তরাঞ্চলীয় তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীসমূহের পানির সমতল বেড়েছে। ধরলা ও দুধকুমার নদীসমূহের পানির সমতল আগামী তিন দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। অপরদিকে তিস্তা নদীর পানির সমতল আগামী তিন দিন হ্রাস পেতে পারে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা-কুশিয়ারা নদীসমূহের পানির সমতল হ্রাস পেয়েছে। সুরমা নদীর পানির সমতল আগামী তিন দিন হ্রাস পেতে পারে। অপরদিকে কুশিয়ারা নদীর পানির সমতল স্থিতিশীল থাকতে পারে আগামী তিন দিন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার পৌরসভার মার্কাজ মসজিদ সংলগ্ন অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত আট দোকানির মাঝে নগদ অর্থের চেক বিতরণ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানিদের হাতে নগদ অর্থের চেক তুলে দেন বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) হাবিবুর রহমান সুমন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মানিক সওদাগর, সমাজসেবক আনুপ কুমার সিংহসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।জানা গেছে, গত ৩০ আগস্ট (রবিবার) রাতে বকশীগঞ্জ বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে বাজারের আটটি দোকান আগুনে পুড়ে যায়। আগুনে দোকানের মালামালসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকদের দাবি, অগ্নিকাণ্ডে তাদের প্রায় দেড় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা পাওয়ায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের কোচ হওয়ার প্রসঙ্গে আশিস নেহরা বলেছেন, ‘আমার ডিভোর্স হয়ে যাবে’।
ভারতের কোচ হিসেবে গৌতম গম্ভীরের অবস্থান বর্তমানে অস্থিতিশীল। বোর্ডের পক্ষ থেকে তার কোচের পদে থাকার ব্যাপারে চলছে গোপন আলোচনা।
ভিভিএস লক্ষ্মণ কোচ হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন। যদিও অতীতে লক্ষ্মণ কোচ হওয়ার প্রস্তাব পেয়ে তা ফিরিয়ে দিয়েছেন। ফলে এবার তিনি কোচ হবেন কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়ে গেছে। এই অবস্থায় সাবেক ক্রিকেটার আশিস নেহরার নামও আলোচনায় এসেছে।
বর্তমানে আইপিএলের গুজরাট টাইটান্স দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন নেহরা। ভারতের কোচ হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে তিনি সম্প্রতি কলকাতার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে সিএবির বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। নেহরা বলেন, ‘আমি কখনো উচ্চাকাঙ্ক্ষা শব্দটা বিশ্বাস করি না। আমার কোনো প্ল্যান নেই।
দেশের কোচ হতে পারা সম্মানের বিষয়, তবে আমি এসব নিয়ে কোনো পরিকল্পনা করছি না। ভবিষ্যতে যা হবে, দেখা যাবে। আমি যেখানে আছি, সেটি নিয়ে আমি খুশি।’
আইপিএলে গুজরাট টাইটান্সকে প্রথমবার কোচিং করে চ্যাম্পিয়ন করেছেন নেহরা। এরপর শুভমান গিলকে নিয়ে দলের সাফল্যও নিশ্চিত করেছেন। এই কারণে তার কোচ হিসেবে গুরুত্ব বেড়েছে।
তবে নেহরা দলের সাফল্যকে ব্যক্তিগত সাফল্য হিসেবে দেখতে চান না। তিনি বলেন, ‘যখন গুজরাট টাইটান্সের কথা আসে, তখন অনেকে বলেন যে আমি কোচিংয়ে ভালো করছি। সাফল্য শুধু আমার একার জন্য আসছে না, আসছে দলের জন্য। সব সময় অধিনায়ক ও কোচকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ভারতীয় দলেও এমনটি হওয়া উচিত।’
শেষে টিম ইন্ডিয়ার কোচ হওয়ার বিষয়টি নিয়ে মজার উত্তরও দেন নেহরা। তিনি বলেন, ‘কোচ হব কি না সেই বিষয়ে উত্তর দেওয়ার জন্য এখনই সঠিক সময় নয়। আমাকে হাইকমিশনারের সঙ্গে কথা বলতে হবে, যেটা আমার স্ত্রী। না বললে ডিভোর্স হয়ে যাবে। সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে বছরে ৮-৯ মাস ভ্রমণ করতে হয়। তাই কোনো কোচই ৩-৪ বছরের বেশি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে থাকতে পারেন না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এশিয়া কাপে দুর্দান্ত শুরুর পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের তরুণ পেসার মারুফা আক্তার। আইসিসির সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে ১৯ ধাপ এগিয়ে ক্যারিয়ার সেরা ১৮তম অবস্থানে উঠে এসেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) নারী ক্রিকেটের সাপ্তাহিক র্যাঙ্কিং হালনাগাদ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। নতুন এই র্যাঙ্কিংয়ে মারুফার পাশাপাশি উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের আরও কয়েকজন ক্রিকেটারের।
নারী এশিয়া কাপে ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মাত্র ৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন মারুফা। পরের ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২১ রানে শিকার করেন ৩ উইকেট। টানা দুই ম্যাচে কার্যকর বোলিংয়ের ফলেই র্যাঙ্কিংয়ে বড় উন্নতি হয়েছে ২১ বছর বয়সী এই পেসারের।
মারুফার বর্তমান রেটিং পয়েন্ট ৬২২। র্যাঙ্কিংয়ের পাশাপাশি এটিও তার ক্যারিয়ার সেরা। এর আগে ২০২৪ সালের মে মাসে ২৩তম স্থানে উঠেছিলেন তিনি। তখন তার রেটিং ছিল ৬০৬।
এদিকে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৪ ওভারে ১ মেডেনসহ ১৪ রান দিয়ে ১ উইকেট নেওয়া অফ স্পিনার সুলতানা খাতুন ৯ ধাপ এগিয়ে ৩৭তম স্থানে উঠেছেন।
তবে র্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়েছেন বাংলাদেশের দুই স্পিনার। লেগ স্পিনার রাবেয়া খাতুন এক ধাপ নেমে ২১তম এবং বাঁহাতি স্পিনার নাহিদা আক্তার চার ধাপ পিছিয়ে ৩২তম স্থানে রয়েছেন।
ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের কেউ এখনো সেরা বিশে জায়গা করে নিতে পারেননি। এক ধাপ এগিয়ে ২১তম স্থানে উঠেছেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩৪ রানের ইনিংস খেলে তিন ধাপ উন্নতি করেছেন সোবহানা মোস্তারি। তিনি উঠে এসেছেন ৩৬তম স্থানে। আর দিলারা আক্তার পাঁচ ধাপ এগিয়ে ৬২তম অবস্থানে রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ