০২:৪৮ পি.এম
গায়ানার উপকূলে একটি ফেরি ডুবে অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু ঘটেছে। এতে ৮৩ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
এই মর্মান্তিক ঘটনায় দক্ষিণ আমেরিকার ছোট দেশ গায়ানা শোকের ছায়ায় রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী মার্ক ফিলিপস সোমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে জানান, শনিবার রাতে এমভি বারিমা ফেরিটি উল্টে যাওয়ার পর এখন পর্যন্ত ৬৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন যে, ৮৩ জন এখনও নিখোঁজ আছেন।
আরও পড়ুন: ট্রাম্পের ইরানে ‘দখলের’ ইঙ্গিত, সামরিক অভিযানকে ‘যুদ্ধ’ বললেন না
জর্জটাউন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবরটি জানায়।
ফিলিপস বলেন, ‘এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য মানুষকে খুঁজে বের করা।’
এর আগে, তিনি মৃতের সংখ্যা ১০ জন বলেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি তা বাড়িয়ে ২৭ জন উল্লেখ করেন।
তিনি আরও জানান, ‘আমরা এখনও আশা ছাড়িনি।’
আরও পড়ুন: তেহরান: ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের নীতির পরিবর্তন প্রত্যাশা
পুরোনো ফেরিটি রাজধানী জর্জটাউন থেকে গায়ানার অভ্যন্তরীণ এসেকিবো অঞ্চলের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল, পথে এটি উল্টে যায়।
দুর্ঘটনার পর আরোহীর সংখ্যা নিয়ে অনিশ্চয়তা দূর করে ফিলিপস বলেন, এখন তিনি ‘নিশ্চিত’ যে ফেরিটিতে মোট ১৭৯ জন ছিলেন।
এর আগে, গণপূর্তমন্ত্রী হুয়ান এজহিল জানিয়েছিলেন, ফেরিটির যাত্রী তালিকায় ১৩৩ জনের নাম থাকলেও সেটি সঠিক ছিল না।
উদ্ধার অভিযানে স্থানীয় জেলেরাও সম্পৃক্ত হয়েছেন।
আরও পড়ুন: ইরানের কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ
প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানায়, অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানে সহায়তার জন্য প্রতিবেশী ফরাসি গায়ানা থেকে ১২ জন ডুবুরি, দুইজন চিকিৎসক ও একজন যন্ত্রপ্রকৌশলী পাঠানো হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী ফিলিপস রোববার সাংবাদিকদের অবহিত করছিলেন যে, দুর্ঘটনার পর ফেরিটির দুই নাবিকের মারিজুয়ানা পরীক্ষার ফল পজিটিভ এসেছে। এই ঘটনায় তদন্তও চলমান রয়েছে।
গণপূর্তমন্ত্রী এজহিল পূর্বে বলেছিলেন, ফেরিটি বিকেলের মাঝামাঝি সময়ে যাত্রা শুরু করেছিল। প্রায় আট ঘণ্টা পর বিপদসংকেত পাওয়া যায়।
জাহাজ চলাচল বিষয়ক ওয়েবসাইট ভেসেলফাইন্ডারের তথ্য অনুযায়ী, ফেরিটি ১৯৩৯ সালে নির্মাণ করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন: কুষ্টিয়া-৩ আসনের এমপি আমির হামজা বাড়িতে নেই, মোবাইল নম্বরও বন্ধ: রাশেদ খান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন