ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নোবিপ্রবিতে জাতীয় আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনী ‘বাংলা দর্পণ সিজন-৭’ অনুষ্ঠিত


নোবিপ্রবিতে জাতীয় আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনী ‘বাংলা দর্পণ সিজন-৭’ অনুষ্ঠিত

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) দুই দিনব্যাপী জাতীয় আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনী ‘বাংলা দর্পণ সিজন-৭’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটোগ্রাফি ক্লাবের আয়োজনে ২ ও ৩ আগস্ট বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আলোকচিত্রী, শিক্ষার্থী ও আলোকচিত্রপ্রেমীদের অংশগ্রহণে প্রদর্শনী প্রাঙ্গণ মুখর হয়ে যেন ওঠে। এবারের প্রতিযোগিতায় দেশব্যাপী প্রায় ১ হাজার ১০০টি আলোকচিত্র জমা পড়ে। বিচারকদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে সেখান থেকে ৬৪টি সেরা ছবি প্রদর্শনীর জন্য নির্বাচিত হয়।

নির্বাচিত ছবিগুলোতে বাংলাদেশের প্রকৃতি, সংস্কৃতি, জীবনসংগ্রাম, ঐতিহ্য, সমসাময়িক বাস্তবতা ও মানবিক নানা গল্প ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

আরও পড়ুন: "অসহিষ্ণু বক্তব্য রাজনীতিকে ‘পয়েন্ট অফ নো রিটার্ন’-এ নিয়ে যেতে পারে": সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স

দর্শনার্থীদের জন্য প্রদর্শনীতে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে ‘জুলাই কর্নার’ ও একটি ফটোবুথ স্থাপন করা হয়।

সোমবার (৩ আগস্ট) সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। তিনি বলেন, ফটোগ্রাফি একটি শিল্পমাধ্যম বলছিনা, এটি সমাজ, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও প্রকৃতির নান্দনিক দলিল। একটি ছবির মাধ্যমে মানব জীবনের সংগ্রাম, প্রকৃতির সৌন্দর্য ও সমাজের বাস্তবতা একেবারেই এমনভাবে তুলে ধরা সম্ভব, যা অনেক সময় হাজার শব্দেও প্রকাশ করা যায় না।

তরুণ আলোকচিত্রীদের প্রকৃতিকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ এবং সমাজের ইতিবাচক ও বাস্তব চিত্র ক্যামেরায় বন্দী করার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, এতে ব্যক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনামও বাড়বে। ভবিষ্যতেও ফটোগ্রাফি ক্লাবের এমন সৃজনশীল আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন এবং ফটোগ্রাফি ক্লাবের উপদেষ্টা ও সমাজকর্ম বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সিফাত-ই-মান্নান। প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন আলোকচিত্রী আশরাফুল ইসলাম শিমুল।

আরও পড়ুন: আনোয়ারায় কেইপিজেড ও চায়না ইকোনমিক জোন পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী

দুই দিনব্যাপী এ আয়োজনে নোবিপ্রবির শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই ও আলোকচিত্রপ্রেমীরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

সমাপনী অনুষ্ঠানে জাতীয় আলোকচিত্র প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। আয়োজকরা জানান, ‘বাংলা দর্পণ’ কেবল একটি আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা নয়; এটি নতুন প্রজন্মের আলোকচিত্রীদের সৃজনশীলতা বিকাশ, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের কাজ তুলে ধরার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর পরিসরে এ আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাহাড়িদের জীবনমান উন্নয়নে বাস্তবমুখী প্রকল্পের তাগিদ ভূমি প্রতিমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ পি.এম


পাহাড়িদের জীবনমান উন্নয়নে বাস্তবমুখী প্রকল্পের তাগিদ ভূমি প্রতিমন্ত্রীর

পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বর্তমান সময়ের বাস্তবসম্মত এবং জনকল্যাণমুখী প্রকল্প গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।

তিনি বলেছেন, কৃষি, সুপেয় পানি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নারীবান্ধব অবকাঠামো এবং কর্মসংস্থানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হলে পার্বত্য অঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।

সোমবার, রাজধানী ঢাকার বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্সের সভাকক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের চলমান এবং ‘সবুজ পাতা’য় অন্তর্ভুক্ত প্রকল্পসমূহের পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা উল্লেখ করেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের কৃষকদের চাষাবাদ ও দৈনন্দিন জীবনে পানির সংকট একটি বড় সমস্যা। তিনি উল্লেখ করেন, রাঙামাটির দুর্গম এলাকায় স্বাধীনতা-পরবর্তী সময় থেকে নারীদের ১২০০ ফুট নিচে নেমে খাবার পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে, এই কষ্টের বিষয়টি জানার পর রাঙামাটির মুখ্য নির্বাহীকে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের এ দুর্ভোগ লাঘব সম্ভব হয়েছে।

তিনি অতীতে প্রকল্প গ্রহণ করেও কাজ না করার সমালোচনা করেন এবং বলেন, অহেতুক অতিরিক্ত প্রকল্প না নিয়ে স্থানীয় জনগণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বাস্তবসম্মত প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে।

এ সভায় পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

পার্বত্য অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের জন্য প্রতিমন্ত্রী কৃষি ও ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ, অর্গানিক ফলের বাগান সম্প্রসারণ, কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণ এবং ড্রাই ফ্রুটস প্রসেসিংয়ের উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি তার মতামত করেন যে, এসব উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।

এ ছাড়া, প্রতিমন্ত্রী নারীদের জন্য ওয়াশরুম সুবিধা নিশ্চিত করার কথা বলেন এবং বিদ্যালয়গুলোতে মেয়েদের জন্য সামাজিক ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করার পাশাপাশি মডেল পাড়াকেন্দ্র তৈরির প্রকল্প গ্রহণের উপরও জোর দেন।

আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার প্রসঙ্গে, প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সেন্ট্রাল স্যাটেলাইটের মাধ্যমে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম ও রেকর্ড করা ক্লাস ব্যবহার করার প্রয়োজনীয়তা আছে, যা দুর্গম এলাকায় গণিত, বিজ্ঞান ও ইংরেজি শিক্ষকের অভাব শেষ করতে সক্ষম। তিনি এ ধরনের উদ্যোগ ‘সবুজ পাতা’য় অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান।

ক্রীড়া উন্নয়নের জন্য জেলাভিত্তিক স্টেডিয়াম নির্মাণ এবং উপজেলা পর্যায়ে নতুন খেলার মাঠ বা স্টেডিয়াম তৈরির পরিকল্পনা সম্পর্কেও তিনি আলোচনা করেন।

সভায় চলমান ও প্রস্তাবিত বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। একইসঙ্গে ‘সবুজ পাতা’য় নির্বাচিত ২১টি প্রকল্পের মধ্যে সরকারের বর্তমান ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ১৬টি প্রকল্প পর্যালোচনা করা হয়।

সভায় পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম, যুগ্মসচিব মোহাম্মদ মমিনুর রহমান, অতুল সরকার, কাজী তোফায়েল হোসেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ, পার্বত্য তিন জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তাসহ পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাত্র ১০ মাসে কোরআন হিফজ করে বিস্ময় জাগাল ৯ বছরের আরহাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪৬ পি.এম


মাত্র ১০ মাসে কোরআন হিফজ করে বিস্ময় জাগাল ৯ বছরের আরহাম

পবিত্র কোরআনের ৩০ পারা হিফজ সম্পন্ন করতে সাধারণত যেখানে কয়েক বছর সময় লাগে, সেখানে মাত্র ১০ মাসে এই অসাধারণ কৃতিত্ব অর্জন করেছে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ৯ বছর বয়সী শিশু আরহাম ভূঁইয়া।

আরহাম মিরসরাই উপজেলার ১৩ নম্বর মায়ানী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যম মায়ানী গ্রামের গণি ভূঁইয়া বাড়ির বাসিন্দা। সে হলেন ওহিদুল ইসলাম ভূঁইয়ার একমাত্র সন্তান। স্থানীয় দারুন নাজাত আইডিয়াল মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত অবস্থায় সে এই হিফজ সংগ্রহ সম্পন্ন করে।

মাদ্রাসা সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১ অক্টোবর হিফজ শিক্ষা শুরু করে ২০২৬ সালের ৩০ জুন—মাত্র ১০ মাসের মধ্যে পবিত্র কোরআনের ৩০ পারা মুখস্থ করার সৌভাগ্য অর্জন করে আরহাম। যেখানে অধিকাংশ শিক্ষার্থী প্রতিদিন ১ থেকে ২ পৃষ্ঠা সবক প্রস্তুত করত, সেখানে আরহাম নিয়মিত ৪ থেকে ৭ পৃষ্ঠা পর্যন্ত সবক প্রস্তুত করে শোনাত।

শিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধান, আরহামের অসাধারণ মেধা, একাগ্রতা ও অধ্যবসায়ের কারণে এত অল্প সময়ে এই কৃতিত্ব অর্জন সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।

দারুন নাজাত আইডিয়াল মাদ্রাসার পরিচালক হাফেজ মাওলানা শোয়াইব বলেছেন, “আরহামের এই সাফল্য শুধু তার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, এটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষাব্যবস্থারও একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এখানে হিফজ শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের উত্তম চরিত্র গঠন, শুদ্ধ তিলাওয়াত, ইসলামী আদর্শ ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।”

তিনি আরও জানান, প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়ার লক্ষ্য ছিল একটি আদর্শ প্রজন্ম গড়ে তোলার মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তৈরি করা। সেই লক্ষ্যেই ছেলে ও মেয়েদের জন্য পৃথক ও পর্দানশীন পরিবেশে দ্বীনি ও আধুনিক শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বর্তমানে চতুর্থ থেকে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এখানে অধ্যয়ন করছে। চলতি বছর আরও ১০ থেকে ১২ জন শিক্ষার্থী হিফজ সম্পন্ন করবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।

মাদ্রাসা পরিচালনা পরিষদের সহসভাপতি ডা. গিয়াস উদ্দিন বলেছেন, “আলহামদুলিল্লাহ, সফলতার সঙ্গে আমরা দুই বছর অতিক্রম করে তৃতীয় বছরে পদার্পণ করেছি। অল্প সময়ে প্রতিষ্ঠানের যে অর্জন ও অগ্রগতি হয়েছে, তার জন্য মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। সবার সহযোগিতা ও দোয়া অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জন সম্ভব হবে।”

হাফেজ আরহাম ভূঁইয়া জানিয়েছেন, “আল্লাহ তাআলার অশেষ রহমতে অল্প সময়ে পবিত্র কোরআনের হিফজ সম্পন্ন করতে পেরেছি। ভবিষ্যতে একজন হাক্কানি আলেম হতে চাই এবং সারাজীবন কোরআনের খেদমত করতে চাই। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।”

আরহামের বাবা ওহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেছেন, “ছোটবেলা থেকেই ছেলেকে কোরআনের পথে গড়ে তোলার চেষ্টা করেছি। আল্লাহ আমাদের সেই আশা পূরণ করেছেন। মাদ্রাসার পরিচালক, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমার প্রত্যাশা, ছেলে বড় হয়ে একজন যোগ্য আলেম হবে এবং কোরআন-সুন্নাহর আলো সমাজে ছড়িয়ে দেবে।”

আরহামের শিক্ষক হাফেজ মাওলানা কেফায়েত উল্লাহ বলেছেন, “আরহাম অত্যন্ত মেধাবী, মনোযোগী ও পরিশ্রমী শিক্ষার্থী। শুরু থেকেই সে অন্যদের তুলনায় বেশি সবক প্রস্তুত করত। প্রতিদিন ৪ থেকে ৭ পৃষ্ঠা পর্যন্ত মুখস্থ করে শুনাত। তার নিষ্ঠা, পরিশ্রম ও আল্লাহর রহমতেই মাত্র ১০ মাসে হেফজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান কেন কিনল না ভারত?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪৬ পি.এম


মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান কেন কিনল না ভারত?

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে অত্যাধুনিক পঞ্চম প্রজন্মের এফ-৩৫ স্টিলথ ফাইটার জেট কেনার প্রস্তাব থাকা সত্ত্বেও ভারত সেই পথ থেকে সরে এসেছে। যদিও সম্প্রতি মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভারতের কাছে এই যুদ্ধবিমান বিক্রির ব্যাপারে আগ্রহ দেখানো হয়েছে, নতুন দিল্লি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে তারা বর্তমানে এই যুদ্ধবিমান ক্রয়ের প্রক্রিয়ায় যাচ্ছে না।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি এ বিষয়ে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, বিষয়টি কেবল প্রাথমিক প্রস্তাবের পর্যায়েই ছিল। এটি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কেনাকাটার প্রক্রিয়া বা আলোচনা শুরু হয়নি।

ভারত দাবি করছে যে, দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর 'আত্মনির্ভর ভারত' নীতির বাস্তবায়নে দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পকে অগ্রাধিকার দেওয়াই এই সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসার প্রধান কারণ। বর্তমানে ভারত তার নিজস্ব পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরি প্রকল্প বিশেষ করে 'অ্যাডভান্সড মিডিয়াম কমব্যাট এয়ারক্রাফট' এবং 'তেজস মার্ক-২' কর্মসূচির বিকাশকে ত্বরান্বিত করতে চাইছে।

সম্প্রতি, রাষ্ট্রীয় বিমান প্রস্তুতকারী সংস্থা হিন্দুস্থান অ্যারোনেটিক্স লিমিটেড-এর কাছ থেকে প্রায় ৬২৩.৭০ বিলিয়ন রূপি ব্যয়ে দেশীয় যুদ্ধবিমান কেনার যে বড় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেটিও দেশের অ্যারোস্পেস খাতকে স্বাবলম্বী করার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনারই বাস্তব প্রতিফলন।

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এফ-৩৫ এর মতো বিদেশি ফাইটার জেট ক্রয়ের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় এবং মার্কিন সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণ বড় প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আমেরিকান এই বিমানের অত্যন্ত সংবেদনশীল সফটওয়্যার সোর্স কোড এবং ডেটা-শেয়ারিং ব্যবস্থার ওপর ওয়াশিংটনের একচ্ছত্র আধিপত্য ভারতের পরিচালনগত সার্বভৌমত্ব খর্ব করার ঝুঁকি তৈরি করত।

তাছাড়া, এফ-৩৫ কেনা এবং তা দীর্ঘমেয়াদে রক্ষণাবেক্ষণের বিপুল খরচ ভারতের নিজস্ব প্রতিরক্ষা বাজেটে বড় চাপ সৃষ্টি করত। এতে দেশের নিজস্ব প্রযুক্তি গবেষণা এবং উন্নয়ন প্রকল্পগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হত।

রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক কৌশলগত দিক থেকেও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। রাশিয়ার মতো দীর্ঘকালীন অংশীদার দেশগুলো ভারতে যৌথভাবে প্রযুক্তির হস্তান্তর এবং স্থানীয়ভাবে যুদ্ধবিমান তৈরির বিষয়ে নমনীয়তা দেখালেও আমেরিকার সামরিক চুক্তিতে শর্তাবলী অনেক কঠিন থাকে। তাই, ভারতের বিরোধী দলগুলোও মার্কিন এফ-৩৫ বিমানের অতিরিক্ত ব্যয়ভার নিয়ে সমালোচনা করে আসছে।

অনেকে মনে করছে, তাই বিলিয়ন ডলার খরচ করে মার্কিন স্টিলথ জেট কেনার চেয়ে নিজের তৈরি প্রযুক্তির শক্তি বৃদ্ধি এবং প্রতিরক্ষা খাতে সম্পূর্ণ আত্মনির্ভরশীল হওয়াকেই কৌশলগতভাবে সঠিক পথ হিসেবে মনে করছে নতুন দিল্লি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হারিকেন ও হাঁড়ি-পাতিল নিয়ে ঢাবিতে বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪৮ পি.এম


হারিকেন ও হাঁড়ি-পাতিল নিয়ে ঢাবিতে বিক্ষোভ

দেশব্যাপী চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে হারিকেন ও রান্নার হাঁড়ি-পাতিল হাতে নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) বিক্ষোভ করেছেন জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীরা। সংকটের প্রতীক হিসেবে হারিকেন ও খালি হাঁড়ি-পাতিল হাতে নিয়ে তারা সরকারের জ্বালানি ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে বিভিন্ন স্লোগান দেন। সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি সংলগ্ন রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে জাতীয় ছাত্রশক্তি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভে নেতাকর্মীরা হারিকেন ও রান্নার হাঁড়ি-পাতিল হাতে নিয়ে ‘বাহ আজব তারেক ভাই, খাম্বা আছে কারেন্ট নাই’, ‘চুলা আছে গ্যাস নাই, বাহ আজব তারেক ভাই’ এবং ‘শিক্ষা ঐক্য, মুক্তি মুক্তি’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় তারা গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি বন্ধে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেন। সমাবেশে জাতীয় ছাত্রশক্তি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি তাহমিদ আল মুদ্দাসসির চৌধুরী বলেন, দেশের বিদ্যুৎ খাতে আবারও ২০০২ থেকে ২০০৪ সালের পরিস্থিতি ফিরে এসেছে। তখন যেমন খাম্বা থাকলেও বিদ্যুৎ পাওয়া যেত না, বর্তমানে একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘বিদ্যুৎ খাতে আমরা আবারও ২০০২-২০০৪ সালের যুগে ফিরে গেছি, যেখানে শুধু খাম্বা আছে, কিন্তু ঘরে বিদ্যুৎ নেই। গ্রামে খবর নিয়ে দেখেন, ১২-১৩ ঘণ্টা পর একবার বিদ্যুৎ আসে। তাও এক-দেড় ঘণ্টার বেশি থাকে না।’ বিদ্যুৎ সরবরাহের এই সংকটের পাশাপাশি গ্রাহকদের অতিরিক্ত ও অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তার দাবি, অনেক ক্ষেত্রে আগের তুলনায় তিন গুণের বেশি বিল আসছে। তাহমিদ আল মুদ্দাসসির বলেন, বিদ্যুৎ সংকট শুধু সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকেই ব্যাহত করছে না, এর প্রভাব পড়ছে শিল্প ও উৎপাদন খাতেও। একইসঙ্গে গ্যাস সংকটের কারণে কারখানাগুলোর উৎপাদন সীমিত করতে হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন। গ্যাস সংকটের বিষয়ে তিনি বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় মানুষ দীর্ঘদিন ধরে গ্যাসের সমস্যায় ভুগছেন। রান্নার জন্য অনেকে বাধ্য হয়ে সিলিন্ডার ব্যবহার করছেন। কিন্তু সিলিন্ডারের দামও গত কয়েক মাসে দফায় দফায় বাড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘গ্যাস সংকটের কারণে কারখানাগুলোর উৎপাদন সীমিত করতে হচ্ছে। ঢাকা শহরের আবাসিক এলাকায় কোথাও গ্যাস নেই। মানুষ সিলিন্ডার ব্যবহার করবে, কিন্তু গত চার মাসে দফায় দফায় সিলিন্ডারের দাম বাড়ানো হয়েছে।’ গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট দ্রুত সমাধান না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা সরকারকে হুঁশিয়ার করে দিতে চাই, এভাবে গ্যাস সংকট চলতে থাকলে আমরা তিতাসসহ জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সব প্রতিষ্ঠানে তালা দেব, অবরোধ করব।’ সমাবেশে জাতীয় ছাত্রশক্তি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ সাকিব বলেন, দেশে বর্তমানে কোনো মহামারি, যুদ্ধ, গৃহযুদ্ধ কিংবা বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ চলছে না। তারপরও জনগণকে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও দ্রব্যমূল্যের সংকট মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, দেশে কিংবা পৃথিবীর কোথাও কোনো মহামারি চলছে না। কোথাও যুদ্ধ চলছে না। বাংলাদেশে কোথাও সিভিল ওয়ার চলছে না। গত এক বছরে বাংলাদেশ কোনো বড় দুর্যোগেরও শিকার হয়নি। কিন্তু বিএনপি সরকার গঠন করার পর থেকেই আমরা একটি কৃত্রিম সংকট, কৃত্রিম মহাদুর্যোগ এবং লুটপাটের স্বর্গরাজ্যে বাংলাদেশকে পরিণত হতে দেখছি। সাকিব বলেন, তীব্র গ্যাস সংকট, অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। সরকারের বিভিন্ন নীতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, একদিকে ভিন্নমতের ওপর দমন-পীড়নের অভিযোগ রয়েছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষকে নিত্যদিনের মৌলিক চাহিদা পূরণে সংকটে পড়তে হচ্ছে। তিনি বলেন, তীব্র গ্যাস সংকট, ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিল ও অস্বাভাবিক দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদ জানাই। একদিকে ভিন্নমতের ওপর দমন-নিপীড়ন, অন্যদিকে সাধারণ জনগণের দুর্ভোগ- সিন্ডিকেট সরকারের চরম অযোগ্যতার বহিঃপ্রকাশ। EconomicConditions অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের নামে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বন্ধ করা ছাড়া নিকট অর্থনৈতিক সংকট থেকে বাংলাদেশের পরিত্রাণের বিকল্প নেই। তিনি আরও বলেন, নতুন করে খাম্বা যুগ কিংবা হারিকেনের যুগে আর ফিরতে চাই না। আমরা মুক্তি চাই। নিরাপত্তা চাই। গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও সরকারের সমালোচনা করেন মোহাম্মদ সাকিব। তিনি বলেন, রাজধানীর মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরেও টানা কয়েকদিন ধরে গ্যাস সংকট চলছে। এর পাশাপাশি বিদ্যুতের মূল্য এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়ছে। তিনি বলেন, ‘গত ১৬-১৭ দিন ধরে রাজধানী ঢাকার মতো জায়গায় গ্যাস সংকট চলছে। বিদ্যুতের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি আমরা প্রত্যক্ষ করছি।’ সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘অথচ এই পরিস্থিতিতেও আমরা দেখি, আমাদের পিএম ভাইয়া প্রতিদিন রিলস বানাচ্ছেন। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক।’ সাকিব অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী একদিকে দলীয় ক্যাডারবাহিনী নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছেন, অন্যদিকে জনগুরুত্বপূর্ণ খাত হিসেবে বিবেচিত তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণেও ব্যর্থ হয়েছেন। সমাবেশে জাতীয় ছাত্রশক্তি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আবু সাঈদ বলেন, দেশে আবারও বিদ্যুৎ খাতে সিন্ডিকেটের প্রভাব তৈরি হয়েছে। এর ফলে একদিকে বিদ্যুৎ সরবরাহে সংকট দেখা দিয়েছে, অন্যদিকে গ্রাহকদের অস্বাভাবিক বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের সেই বিদ্যুৎ সিন্ডিকেট আবারও চালু হয়েছে। সারাদেশে বিদ্যুৎ নেই, অথচ অসহনীয় বিদ্যুৎ বিল আমরা পরিশোধ করছি। বিদ্যুৎ খাতে বিপুল অর্থ ব্যয়ের দাবি তুলে তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, এর মধ্যে এর পরিমাণ এক লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।’ গ্যাস সংকটের কারণে রাজধানীর মানুষের দৈনন্দিন জীবনেও ব্যাপক ভোগান্তি তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন আবু সাঈদ। তিনি বলেন, ঢাকায় দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস সংকট চলছে। এর প্রভাব পড়েছে যানবাহন ও জ্বালানি সরবরাহেও। তিনি বলেন, ঢাকায় দীর্ঘ এক মাস ধরে গ্যাস নেই। সিএনজি চলছে না। মানুষের গাড়ি চলছে না। পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। আমাদের গ্যাস কোথায় যাচ্ছে- আমরা জানতে চাই। বিক্ষোভ থেকে জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীরা গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট দ্রুত নিরসন, অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল বন্ধ, জ্বালানির মূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সাধারণ people's ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার দাবি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%