ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

সৌদি আরবে চরম আবহাওয়ার সতর্কতা, বজ্রবৃষ্টি ও বন্যার আশঙ্কা


সৌদি আরবে চরম আবহাওয়ার সতর্কতা, বজ্রবৃষ্টি ও বন্যার আশঙ্কা

সৌদি আরব বর্তমানে একটানা প্রবল বজ্রবৃষ্টি, শিলাবৃষ্টি এবং মারাত্মক বন্যার আশঙ্কায় ভীতির মধ্যে রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সৌদি জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র (এনসিএম) দেশের বিভিন্ন স্থানে চরম আবহাওয়ার কঠোর সতর্কতা জারি করেছে, যা আগামী শনিবার পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। আবহাওয়াবিদদের মতে, বৃষ্টির সাথে সাথে ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটারেরও বেশি বেগে তাণ্ডবী হাওয়া বইতে পারে। কিছু স্থানে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় (টর্নেডো) এবং সাগরে জলস্তম্ভ তৈরির আশঙ্কাও রয়েছে।

আবহাওয়া কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, আগামী কয়েকদিন দেশের প্রায় সব প্রান্তে হালকা থেকে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে। ঝোড়ো বাতাসের কারণে মরুভূমির ধূলাবালি উড়ে চারপাশে ছড়িয়ে পড়তে পারে, ফলে রাস্তাঘাটে দৃষ্টিসীমা কমে যাওয়ার কারণে চলাচলে চরম ঝুঁকি সৃষ্টি হবে।

পবিত্র মক্কা নগরী, জাজান, আসির ও আল বাহা অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এসব এলাকায় শনিবার পর্যন্ত মাঝারি থেকে মুষলধারে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। মক্কার পাশাপাশি তায়েফ, আল জুমুম, বাহরাহ ও আদহামের মতো এলাকাগুলোতেও বৃষ্টির প্রভাব বেশি থাকবে।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে রওনা হলো যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরি ‘থিওডোর রুজভেল্ট’

অন্যদিকে, রাজধানী রিয়াদ, মদিনা, তাবুক, শিলা ও নাজরানের বিভিন্ন অংশে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। জেদ্দা ও রাবিগেও বৃহস্পতিবার পর্যন্ত হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

উপকূলীয় এলাকাগুলোতে সমুদ্রের ঢেউ অস্বাভাবিক উঁচু হতে পারে, এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন। আবহাওয়া দপ্তরের মতে, দুর্যোগপূর্ণ এই আবহাওয়া আগামী সপ্তাহের শেষ পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।

এনসিএম সাধারণ জনগণ ও যানবাহন চালকদের অপ্রয়োজনীয়ভাবে বাইরে না বের হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে সবাইকে সরকারি আবহাওয়া বুলেটিন এবং এনসিএমের অফিসিয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সর্বশেষ খবরের দিকে নজর রাখতে বলা হয়েছে।

সূত্র: গালফ নিউজ

আরও পড়ুন: ডেমোক্র্যাটদের নেতৃত্ব নিয়ে বিরোধ, চাক শুমারের চাপে বৃদ্ধি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শায়খ আহমাদুল্লাহর জিজ্ঞাসা— সমাজ বদলানোর দায়িত্ব নেবেন কে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৬ এম


শায়খ আহমাদুল্লাহর জিজ্ঞাসা— সমাজ বদলানোর দায়িত্ব নেবেন কে?

স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার পর এক তরুণের বাঁধভাঙা উল্লাস ও আনন্দ-চিৎকার আমাকে ভিন্ন এক ভাবনায় আক্রান্ত করেছিল। তরুণের সেই উল্লাস আমাকে নতুন এক সমাজ-জিজ্ঞাসার সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছিল। এটি কি জ্ঞান-পিপাসু হিসেবে উচ্চতর গবেষণার মাধ্যমে দেশ, জাতি ও উম্মাহকে সমৃদ্ধ করার সুযোগ পাওয়ার আনন্দ, নাকি উন্নত জীবনের মোহনীয় হাতছানি এবং আজীবন সেখানে স্থায়ী হওয়ার দুয়ার খুলে যাওয়ার আনন্দ?

প্রতি বছর হাজার হাজার মেধাবী তরুণ উচ্চশিক্ষার জন্য উন্নত বিশ্বে পা রাখে এবং সেখানে ক্যারিয়ার গড়ে। উন্নত দেশগুলো বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য সবচেয়ে বেশি ভিসা দেয় স্টুডেন্ট ক্যাটাগরিতে। পর্যটন ভিসার তুলনায় স্টুডেন্ট ভিসা ইস্যুর হার প্রায় দ্বিগুণেরও বেশি। কিছু দেশের স্টুডেন্ট ভিসা ইস্যুর হার ৯৫ শতাংশেরও বেশি!

শিক্ষা ও গবেষণার প্রতি ভালোবাসা থেকে তারা স্টুডেন্ট ভিসাকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে বটে; তবে এর পেছনে একটি গভীর সমীকরণ রয়েছে। ধর্মীয় মূল্যবোধকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাবার কারণে অনেক উন্নত দেশের জনসংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পাচ্ছে। কমতে থাকা জন্মের হার রীতিমতো জাতীয় সংকটে পরিণত হয়েছে। প্রণোদনা দিয়েও তারা জন্মহার বাড়াতে পারছে না।

তাদের প্রয়োজন আমাদের মতো গরিব দেশের মেধাবী তরুণদের। যারা ছাত্র ভিসায় বিদেশে গিয়ে সেখানকার দক্ষ কর্মী হিসেবে গড়ে উঠবে। এজন্য তারা গরিব দেশের মেধাবী তরুণদের ওয়েলকাম জানাতে মুখিয়ে থাকে। অফার করে নানা রকম সুযোগ-সুবিধার। অনেক দেশে পড়াশোনার পর পোস্ট স্টাডি ওয়ার্ক পারমিট বা পারমানেন্ট রেসিডেন্টের পথ খুলে দেওয়া হয়।

জ্ঞান-গবেষণার জন্য দূর দেশে পাড়ি জমানো খারাপ কোনো বিষয় নয়। কিন্তু দেশের আলো-হাওয়ায় বড় হয়ে, জনগণের ট্যাক্সের টাকায় পড়াশোনার ভিত গড়ার পর নিছক একটু ভালো থাকার জন্য উন্নত ও অমুসলিম প্রধান দেশকে সার্ভ করা নিশ্চয়ই একজন মুসলিম তরুণের কাম্য বিষয় হতে পারে না। বাবা-মা যতদিন বেঁচে থাকেন, ততদিন দেশের সাথে এই শ্রেণির মানুষের নিভু নিভু সম্পর্কটা হারিকেনের সলতের মতো টিকে থাকে। বাবা-মার মৃত্যুর পর অনেকে দেশের সমুদয় সম্পদ বিক্রি করে সেই টাকা বৈদেশিক সুখে বিনিয়োগ করে। দেশে তাদের শেষ স্মৃতিচিহ্নটুকুও আর অবশিষ্ট থাকে না।

শিক্ষার্থীদের মাঝে কেন দেশত্যাগের মিছিল চলছে? এর জন্য কি শুধুই তরুণদের ভোগবাদী মানসিকতা দায়ী? শিক্ষার্থীদের কাঠগড়ায় তুলবার আগে সবার প্রথমে নিজেদের ব্যর্থতার দিকে দৃষ্টিপাত করা প্রয়োজন। স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দী পরেও আমরা দুর্নীতিমুক্ত, অপরাধহীন, স্থিতিশীল, বাসযোগ্য ও যোগ্যতার ভিত্তিতে কাজের সুযোগ পাওয়ার মতো একটি দেশ গড়ে তুলতে পারিনি। যে দেশ নিয়ে একজন মেধাবী তরুণ স্বপ্নের বীজ বুনবে।

এখানে মেধার মূল্য নেই, ঘুস ও রেফারেন্স ছাড়া চাকরি হয় না, জীবন সর্বক্ষণ ঝুঁকিপূর্ণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নৈতিক অবক্ষয় ও অস্থিরতার ছড়াছড়ি, দুর্নীতিতে সয়লাব প্রতিটি প্রতিষ্ঠান এবং তরুণদের নিয়ে সর্বদা আতঙ্কে থাকতে হয় পরিবারকে।

এতসব অনিশ্চয়তার মাঝে মেধাবী শিক্ষার্থীকে যেখানে ওয়েলকাম করতে উন্নত দেশগুলো অ্যাম্বাসি খুলে বসে আছে, তার জন্য দেশ নিয়ে স্বপ্ন দেখা কঠিন ব্যাপারই। এরপরও তারুণ্যকে আমি এই কঠিনেরে ভালোবাসার আহ্বান জানাই। কেউ দেশটাকে প্রস্তুত করে দেয়নি বলে আমি কি পরিবর্তনের জন্য সংগ্রাম করব না? নিরুপদ্রব জীবনের জন্য সবাই যদি বিদেশকেই ঠিকানা বানায়, তবে চেইঞ্জ মেকার হবে কে?

প্রকৃতপক্ষে আমাদের তরুণদের সামনে কোনো ভিশন বা আদর্শ নেই, যার জন্য সে নিজের সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করবে। অধিকাংশ পরিবার, এমনকি খোদ রাষ্ট্রও তরুণদের আদর্শবাদী মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সচেষ্ট নয়; বরং ধর্মবিযুক্তির মাধ্যমে তাদের নিছক ভোগবাদী এবং স্বার্থপর করে গড়ে তোলা হচ্ছে।

তাহলে, মেধাবী তরুণদের বিদেশে স্থায়ী হওয়ার মিছিল থামানোর জন্য মেধার যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে গবেষণা খাতে বরাদ্দ বাড়াতে হবে। সেই সাথে প্রাথমিক শিক্ষা থেকেই ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধকে গুরুত্ব দিতে হবে। যেন আগামী প্রজন্ম আদর্শবাদী এবং শেকড়মুখী মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে।

সর্বোপরি তরুণদের ভোগবাদী জীবনের পরিবর্তে চ্যালেঞ্জের জীবন বেছে নেওয়ার কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কারণ, ভোগে নয়, ত্যাগের মাঝেই রয়েছে প্রকৃত সুখের ঠিকানা। একটি দেশ উন্নত হয় মূলত তরুণদের মেধার ওপর ভর করে। সেই মেধা যদি বাইরে চলে যায় এবং বাইরের উন্নয়নে তা ব্যয় হয়, তবে সেই দেশ কোনোভাবেই সাফল্যের স্বর্ণচূড়ায় উঠতে পারে না। তাই মেধা পাচার রোধে আমাদের প্রত্যেককেই নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে।

সূত্র: শায়খ আহমাদুল্লাহর ফেসবুক (মেটা) থেকে নেওয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি, ডলারের পতন দায়ী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৬ এম


বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি, ডলারের পতন দায়ী

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের উল্লেখযোগ্য জয়ের পর মার্কিন ডলারের মূল্য কমেছে। এই পতনের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে একদিনের মধ্যে মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, গত আগস্টের মাঝামাঝি সময়ের পর এটি স্বর্ণের জন্য সবচেয়ে বড় দৈনিক মূল্যবৃদ্ধির ঘটনা।

বুধবার (৪ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম ২.৯ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪,০৪১ ডলার ৬০ সেন্টে পৌঁছেছে। একই সময়ে মার্কিন বাজারে ডিসেম্বর মাসের জন্য গোল্ড ফিউচারের দাম ২.৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স ৪,০৫১ ডলার ৮০ সেন্টে দাঁড়িয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, ডেমোক্র্যাটদের নির্বাচনে জয়ী হওয়ার কারণে ডলারের মান কমে গেছে। যেহেতু বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম ডলারে নির্ধারিত হয়, তাই ডলারের দুর্বলতা অন্য মুদ্রার ক্রেতাদের জন্য সোনা কেনার ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী করে তোলে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের চাহিদা দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রানীতির ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ধারণা পেতে বিনিয়োগকারীরা চলতি সপ্তাহে প্রকাশিত হতে যাওয়া নন-ফার্ম পে-রোলস বা কৃষি খাতের বাইরের কর্মসংস্থান রিপোর্টের দিকে নজর রাখছেন। বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘ফেডারেল রিজার্ভ’ ভবিষ্যতে সুদের হার বাড়াবে নাকি কমাবে—এটি এই কর্মসংস্থান প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের ভবিষ্যৎ গতিপথ।

সূত্র: রয়টার্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
আল-জাজিরার বিশ্লেষণ

কংগ্রেসের উভয় কক্ষে হেরে কি সত্যিই নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ছেন ট্রাম্প?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৬ এম


কংগ্রেসের উভয় কক্ষে হেরে কি সত্যিই নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ছেন ট্রাম্প?

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলে মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেট এবং নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস—উভয় সভার নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান পার্টি হারিয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের এই বিশাল জয়ের পর আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রশ্ন উঠেছে—প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কি তার মেয়াদের শেষ দুই বছরের জন্য এখন শুধুই এক ক্ষমতারসমর্পণকারী বা ‘লেইম ডাক’ নেতা হয়ে পড়েছেন?

নির্বাচনের ফলাফলের পর ট্রাম্প মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। একদিকে তিনি ফলাফলের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন, অন্যদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের নীতি ও ক্ষমতা রক্ষার হুঙ্কারও দিয়েছেন। ট্রাম্পের মতে, ব্যালেটে তার নাম সরাসরি না থাকায় এই পরাজয় ঘটেছে; অন্যথায় রিপাবলিকানরা বিপুল ভোটে জয়ী হতো। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পার্লামেন্টে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর ফলে আইন প্রণয়ন ও নিজস্ব নীতি বাস্তবায়নে ট্রাম্পকে চরম প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে হবে।

মার্কিন রাজনীতিতে সাধারণত বিদায়ী প্রেসিডেন্ট যখন নতুন আইন পাসের প্রভাব হারান, তখন তাকে ‘লেইম ডাক’ বলা হয়। তবে ইতিহাস বলে, কংগ্রেসে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েও মার্কিন প্রেসিডেন্টরা সম্পূর্ণভাবে ক্ষমতাচ্যুত বা নিষ্ক্রিয় হয়ে যান না। আইন প্রণয়নের সুযোগ কমে গেলেও রাষ্ট্রপতির হাতে যে শক্তিশালী ‘নির্বাহী ক্ষমতা’ থাকে, ট্রাম্প তা পুরোদমে ব্যবহার করতে পারেন।

পূর্ব অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, ট্রাম্প ইতোমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়েছেন যে ডেমোক্র্যাটদের পাস করা যেকোনো ‘অযৌক্তিক’ বিলে তিনি সরাসরি ‘ভিটো’ ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন। রাষ্ট্রপতির দেওয়া এই ভিটো বাতিল করতে কংগ্রেসে দুই-তৃতীয়াংশ মেজরিটির প্রয়োজন হয়, যা ডেমোক্র্যাটদের একার পক্ষে অর্জন করা প্রায় অসম্ভব। এছাড়া জরুরি অবস্থা জারি বা বিশেষ নির্বাহী আদেশ জারি করে পার্লামেন্টকে পাশ কাটিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিজ্ঞতা ট্রাম্পের আগেও রয়েছে।

বিশ্লেষকরা আরও বলছেন, অভ্যন্তরীণ নীতিতে কংগ্রেসে বাধা পেলেও ট্রাম্প এখন তার দৃষ্টি দিতে পারেন বৈদেশিক নীতির দিকে। মার্কিন সংবিধানে পররাষ্ট্রনীতির সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টকে ব্যাপক স্বায়ত্তশাসন দেওয়া হয়েছে। এর আগে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং বিল ক্লিনটনও তাদের মেয়াদের শেষ সময়ে কংগ্রেসে বিরোধী শক্তির মুখোমুখি হয়ে পররাষ্ট্রনীতি ও বৈশ্বিক কূটনীতিতে বেশি মনোযোগী হয়েছিলেন।

এভাবে, উভয় কক্ষে ডেমোক্র্যাটদের জয় ট্রাম্পকে রাজনৈতিকভাবে কিছুটা কোণঠাসা করলেও তাকে পুরোপুরি প্রভাবহীন বা নিষ্ক্রিয় প্রেসিডেন্ট বলা ভুল হবে। বরং ভিটো প্রয়োগের তীব্র প্রতিযোগিতা এবং নির্বাহী ক্ষমতার কৌশলী ব্যবহার নিয়ে ওয়াশিংটন এখন আগামী দুই বছরের জন্য এক নতুন রাজনৈতিক অচলাবস্থা ও লড়াইয়ের মুখে পড়তে যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজকের নামাজের সময়সূচি: ৫ নভেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৭ এম


আজকের নামাজের সময়সূচি: ৫ নভেম্বর ২০২৬

নামাজ ইসলামের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত হয়। ইমানের পর নামাজই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল হিসেবে গণ্য হয়। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি ইসলামের নফল সালাতেরও বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।

হাদিসের আলোকে, নামাজ মুমিন ও অমুসলিমের মধ্যে প্রধান পার্থক্য নির্দেশ করে। এটি মানুষকে সকল প্রকার পাপ ও অন্যায় থেকে বিরত রাখে এবং আত্মিকভাবে পরিশুদ্ধ করে। তাই, দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার মধ্যেও যথাসময়ে নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলিমের জন্য একটি অপরিহার্য দায়িত্ব।

আজ বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬ ইংরেজি, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বাংলা, ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি। ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ:

ফজর- ভোর ৪: ৫০ মিনিট

জোহর- দুপুর ১১: ৪৫ মিনিট

আসর- দুপুর ৩: ৪২ মিনিট

মাগরিব- সন্ধ্যা ৫: ২০ মিনিট

এশা- রাত ৬: ৩৭ মিনিট

নামাজ আমাদের জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%