বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:০২ পি.এম
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মর্যাদাপূর্ণ ইরাসমাস প্লাস (Erasmus+) কর্মসূচির আওতায় ‘জঁ মোনে মডিউল’ (Jean Monnet Module) চালু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও গ্রামীণ পরিকল্পনা ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ আশিক উর রহমানের দাখিলকৃত প্রকল্পের শিরোনাম 'EU Governance, Green Deal and Climate-Resilient Urban Development (EUGREEN-CLIMURBAN)' ইউরোপীয় ইউনিয়নের Erasmus+ কর্মসূচির অধীনে Jean Monnet Module হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য প্রফেসর ড. মোঃ আসলাম হোসেন। তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে উল্লেখ করেন, এ মডিউলের অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীদের ইউরোপীয় ইউনিয়নের জলবায়ু ও উন্নয়ননীতি সম্পর্কে অবহিত করা এবং জলবায়ু পরিবর্তনসংক্রান্ত তাদের চিন্তাভাবনা ও দৃষ্টিভঙ্গিকে আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি করা। তিনি বলেন, এটি বাস্তবায়িত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণায় সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়টি একটি অনন্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তিনি জঁ মোনে মডিউলকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক সংযোগ, গবেষণা সহযোগিতা ও বৈশ্বিক অংশীদারত্ব বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে উল্লেখ করেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। তিনি জানান, এ মডিউলের মাধ্যমে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ইউরোপীয় গবেষক ও শিক্ষাবিদদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে। তিনি বর্তমান সরকারের উচ্চশিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণ ও বৈশ্বিক সংযোগ সুদৃঢ় করতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণের কথা উল্লেখ করেন। তিনি শিক্ষাবিদ ও গবেষকদের তাত্ত্বিক জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি বাস্তব সমস্যা সমাধান এবং নীতিনির্ধারণে পরামর্শক হিসেবে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান বলেন, বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এ মডিউল চালু হওয়া খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় তথা দেশের উচ্চশিক্ষার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক নীতিকাঠামো সম্পর্কে ধারণা অর্জন এবং দীর্ঘমেয়াদি একাডেমিক সক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি হবে। তিনি এ উদ্যোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষক ও গবেষককে ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন মডিউলটির সমন্বয়ক প্রফেসর ড. মোঃ আশিক উর রহমান। তিনি মডিউলের উদ্দেশ্য, একাডেমিক কাঠামো ও তিন বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রথম জঁ মোনে মডিউল চালুর সুযোগ পাওয়া খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক একাডেমিক অর্জন। আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিষয়ে পাঠদান নয়; বরং ইউরোপের নীতি, অভিজ্ঞতা ও উদ্ভাবনী ধারণাকে বাংলাদেশের বাস্তবতার সঙ্গে তুলনামূলকভাবে বিশ্লেষণ করে শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য নতুন জ্ঞান ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করা। তিনি জানান, আমরা এ মডিউলকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি স্থায়ী আন্তঃবিষয়ক একাডেমিক উদ্যোগ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, EUGREEN-CLIMURBAN মডিউলের মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের শাসনব্যবস্থা, ইউরোপিয়ান গ্রিন ডিল, পরিবেশ ও জলবায়ুনীতি, টেকসই নগরায়ণ এবং জলবায়ু-সহনশীল উন্নয়ন বিষয়ে আন্তঃবিষয়ক শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিশেষভাবে ইউরোপীয় অভিজ্ঞতার সঙ্গে বাংলাদেশের নগর পরিকল্পনা, পরিবেশ ব্যবস্থাপনা ও জলবায়ু অভিযোজনের তুলনামূলক বিশ্লেষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
প্রকল্পটির আওতায় তিন বছরে মোট ৪৮০ ঘণ্টার শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের কমপক্ষে ১২০ জন শিক্ষার্থীকে সরাসরি সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতি সেমিস্টারের শুরুতে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। নিয়মিত পাঠদানের পাশাপাশি মডিউলটির আওতায় আন্তর্জাতিক অতিথি বক্তৃতা, বিশেষজ্ঞ সেমিনার, কর্মশালা, উদ্ভাবনী শিক্ষণ পদ্ধতি, সক্ষমতা উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের প্রায়োগিক প্রকল্প, নীতিসংলাপ, গবেষণা, পলিসি ব্রিফ এবং জ্ঞান বিনিময় কার্যক্রম পরিচালিত হবে। নেদারল্যান্ডসের Utrecht University এবং জার্মানির University of Stuttgart-এর শিক্ষকদের একাডেমিক সম্পৃক্ততারও পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে ইউরোপীয় নীতি ও গবেষণার অভিজ্ঞতার সঙ্গে বাংলাদেশের স্থানীয় উন্নয়ন চ্যালেঞ্জের একটি কার্যকর সংযোগ গড়ে তোলা হবে।
প্রফেসর ড. মোঃ আশিক উর রহমানের নেতৃত্বে মডিউলটির একাডেমিক কার্যক্রমে অবদান রাখবেন নগর ও গ্রামীণ পরিকল্পনা ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ জাকির হোসেন, ফরেস্ট্রি এন্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত, ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী এবং অর্থনীতি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ নাসিফ আহসান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তারা নিজ নিজ একাডেমিক ক্ষেত্রের আলোকে মডিউলের সম্ভাব্য কার্যক্রম, কর্মপন্থা ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তাঁরা পাঠ্যক্রম উন্নয়ন, পাঠদান, শিক্ষার্থী গবেষণা, মূল্যায়ন ও অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্কুলের ডিন, ডিসিপ্লিন প্রধান, বিভাগীয় পরিচালক, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, জঁ মোনে মডিউল ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইরাসমাস প্লাস কর্মসূচির একটি বিশেষায়িত উদ্যোগ, যার মাধ্যমে বিশ্বের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ইউরোপীয় ইউনিয়নবিষয়ক শিক্ষা ও গবেষণার উৎকর্ষ সাধন করা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৫ নভেম্বর, ২০২৬ : বার্লিনের একটি হোটেল থেকে বুধবার জার্মানির একজন বিশিষ্ট রাজনীতিকের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
মৃত রাজনীতিকের নাম হুবার্ট আইভাঙ্গার (৫৫)। তিনি দক্ষিণ জার্মানির বাভারিয়া রাজ্যের উপ-প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।
তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনও জানা যায়নি।
জার্মানির রাজধানী বার্লিনের পুলিশ এক বিবৃতিতে জানায়, শহরের মিটে এলাকার একটি হোটেল কক্ষে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে।
পুলিশ ও সরকারি কৌঁসুলিরা তার মৃত্যুর সঠিক কারণ এবং পরিস্থিতি নির্ধারণের পাশাপাশি এ ঘটনায় অন্য কোনো পক্ষের সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না— তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছেন।
জার্মানির দৈনিক পত্রিকা বিল্ডের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আইভাঙ্গার বার্লিনে তার দল ফ্রি ভোটার্সের একটি কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছিলেন।
তবে অসুস্থ বোধ করায় তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারেননি। পরে হোটেলে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
বাভারিয়া রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মার্কুস সোয়েডার তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
তিনি এ ঘটনাকে ‘এক চরম মর্মান্তিক ঘটনা’ বলে অভিহিত করেছেন।
সোয়েডার বলেন, ‘আইভাঙ্গার মৃত্যুতে আমরা সবাই গভীরভাবে শোকাহত। আমরা তার সন্তান ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।’
আইভাঙ্গারের নেতৃত্বাধীন ফ্রি ভোটার্স পার্টি বাভারিয়ার আঞ্চলিক সরকারে সোয়েডারের নেতৃত্বাধীন ক্রিশ্চিয়ান সোশ্যাল ইউনিয়নের (সিএসইউ) জোটসঙ্গী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিল।
২০০৬ সাল থেকে আইভাঙ্গার ফ্রি ভোটার্স পার্টির বাভারিয়া শাখার প্রধান ছিলেন।
তার নেতৃত্বেই ২০১৮ সালে দলটি প্রথমবারের মতো রাজ্য সরকারে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়।
জার্মান সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আইভাঙ্গারের দুই সন্তান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন যে, তরুণ প্রজন্মসহ সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিটে তিনি এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, ‘বিশ্ব মহা পরিবর্তনের দুয়ারে দাঁড়িয়ে আছে, যার মূল অনুষঙ্গ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই।’
তিনি আরো বলেন, আগামী দিনে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে কোথায় হবে, তা নির্ধারণ করবে এআই। তবে, এআই যেন মানুষের নিয়ন্ত্রণে না আসে, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
রাষ্ট্রপতি সতর্ক করে বলেন, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করলে পুরো সভ্যতা সংকটে পড়বে।’ এ সময়, তরুণদের চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রধান সৈনিক হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানান যে, এআইকে ব্যয় কমানোর হাতিয়ার হিসেবে না দেখে বরং নতুন পণ্য সৃষ্টি ও বাজারে নতুন কর্মসংস্থানের মাধ্যম হিসেবে দেখতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে একটি রোগীর শরীরে কাঁচের টুকরো রেখে সেলাই দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের বিরুদ্ধে এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমিনুল ইসলাম "স্যরি" বলেছেন।
জানা গেছে, সাইদার আলী নামে এক ব্যক্তির হাত ভাঙা কাচের আঘাতে গুরুতর আহত হওয়ার পর ৩৫ দিন পর অন্য ক্লিনিকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে দুটি কাচের টুকরো অপসারণ করা হয়। গত ৩০ অক্টোবর কুড়িগ্রামের সেবা ক্লিনিকে এই অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়।
এ ঘটনায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসাসেবা ও দায়িত্বশীলতা নিয়ে সচেতন মহল প্রশ্ন তুলছেন।
উপজেলার মজিদেরপাড় এলাকার খয়রুদ্দিনের ছেলে সাইদার আলী পেশায় একজন অটোরিকশাচালক। তিনি ২৫ সেপ্টেম্বর তার নিজ ঘরের সামনে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চার্জে দেন। চার্জ চলাকালীন তার স্ত্রী ও সন্তান রিকশার বডির সঙ্গে ইলেকট্রিক শকে আটকে যায়। স্ত্রী-সন্তানের প্রাণ বাঁচাতে তিনি ইলেকট্রিক মেইন সুইচ বন্ধ করতে যান।
এ সময় আলমারীর গ্লাসে ধাক্কা লেগে তার বাম হাত মারাত্মকভাবে যখম হয়। পরে স্বজনরা তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ওয়ার্ডবয়রা তার হাতের ক্ষত স্থান না দেখেই সেলাই করে তাকে বিদায় দেন।
সাইদার আলী মাসেরও বেশি সময় ধরে বাম হাতে প্রচণ্ড যন্ত্রণা ও শারীরিক কষ্টে দিনাতিপাত করছিলেন। পরবর্তীতে কোনো উপায় না পেয়ে এবং হাত নষ্ট হয়ে যাওয়ার উপক্রম হলে তিনি কুড়িগ্রামের সেবা ক্লিনিকে ভর্তি হন। সেখানে এক্স-রে করে জানা যায় যে, শরীরের ভেতরে দুটি কাচের টুকরো রেখেই সেলাই করা হয়েছে। প্রায় ৩৫ দিন পর অস্ত্রোপচার করে হাতের ভেতর থেকে সেই কাচের টুকরো দুটি বের করা হয়।
সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. আমিনুল ইসলাম জানান, "ওটা ভুলবশত হয়ে গেছে। স্যরি। আমি এ বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বেসরকারি বিমান সংস্থা নভোএয়ার যাত্রীদের জন্য প্রথমবারের মতো ‘বোর্ডিং পাস প্রিভিলেজ’ প্রোগ্রাম চালু করেছে। এই সুবিধার আওতায়, নভোএয়ারে ভ্রমণকারী যাত্রীরা ব্যবহৃত বোর্ডিং পাস প্রদর্শন করে বিভিন্ন লাইফস্টাইল ও ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান, রেস্টুরেন্ট, হোটেল, বিনোদন পার্ক, হাসপাতাল এবং ইলেকট্রনিকস প্রতিষ্ঠানে ছাড় ও বিশেষ সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।
নভোএয়ার বৃহস্পতিবার একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানায়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, যাত্রার তারিখ থেকে পরবর্তী সাত দিনের মধ্যে ব্যবহৃত বোর্ডিং পাস দেখিয়ে অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে সুবিধা নেওয়া সম্ভব হবে। এই কর্মসূচির অংশীদার হিসেবে দেশের বিভিন্ন জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ও সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
নভোএয়ারের পরিচালক (বিপণন ও বিক্রয়) সোহেল মজিদ মন্তব্য করেন, ‘বোর্ডিং পাস প্রিভিলেজ’ চালুর মাধ্যমে যাত্রীদের জন্য ভ্রমণের বাইরেও বাড়তি সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, ভবিষ্যতে যাত্রীসেবার মান উন্নয়নে নতুন নতুন উদ্যোগ অব্যাহত রাখা হবে।
নভোএয়ার আরও জানায়, এর আগে তারা ‘এসএমআইএলইএস’ ফ্রিকোয়েন্ট ফ্লায়ার প্রোগ্রাম, কো-ব্র্যান্ডেড কার্ড, মোবাইল অ্যাপ এবং ওয়েব চেক-ইন সুবিধা চালু করেছে। বর্তমানে নভোএয়ার ঢাকা থেকে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, সিলেট ও সৈয়দপুর রুটে প্রতিদিন নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ