ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কাপ্তাই হ্রদের পানি কমলে দৃশ্যমান হলো রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতু


কাপ্তাই হ্রদের পানি কমলে দৃশ্যমান হলো রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতু

রাঙামাটির পর্যটনের আইকন ঝুলন্ত সেতুতে প্রাণ ফিরে এসেছে দীর্ঘ বিরতির পর। কাপ্তাই হ্রদের পানি কমে যাওয়ার ফলে ৩৩৫ ফুট দীর্ঘ এই সেতুটি ১ মাস ২ দিন পর পুরোপুরি দৃশ্যমান হয়েছে। পর্যটকদের চলাচলে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ফলে সেতুর চারপাশে চেনা ব্যস্ততা ফিরে এসেছে, যা পর্যটকদের জন্য স্বস্তির বিষয়। সংশ্লিষ্টদের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।

এ মৌসুমে সেতু ডুবে যাওয়ার এটি দ্বিতীয় ঘটনা। গত ১১ সেপ্টেম্বর সেতুটি পানিতে তলিয়ে যায়, এবং নিরাপত্তার কারণে ওই দিনই পর্যটকদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেতু ডুবে যাওয়ার ঘটনা নতুন নয়; প্রতিবছর বর্ষায় হ্রদের পানি বৃদ্ধি পেলে এই প্রধান আকর্ষণ তলিয়ে যায়।

চলতি মৌসুমে প্রথম দফায় ২৯ আগস্ট থেকে ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সেতুটি পানিতে তলিয়ে ছিল। গত বছরের ২৩ অক্টোবর ৮৫ দিন পরে সেতুটি ভেসে উঠেছিল। এর ফলে পর্যটন কার্যক্রম ব্যাহত হয় এবং সংশ্লিষ্টরা লোকসানে পড়েন। সর্বশেষ ১২ অক্টোবর বিকেল থেকে পানি সরতে শুরু করলে সংস্কার কাজ শেষে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। জেলার এই জনপ্রিয় পর্যটন স্থাপনা পুনরায় দৃশ্যমান হওয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ভ্রমণপিপাসু পর্যটকরা উচ্ছ্বসিত হয়ে আসছেন।

আরও পড়ুন: ঝালকাঠিতে সড়কের দুই পাশে ১৬ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

আজ বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে সেতু এলাকায় পর্যটকদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। কেউ সেতুতে সেলফি তুলছেন, আবার কেউ নৌ ভ্রমণ উপভোগ করছেন। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই তরুণ-তরুণী।

ঢাকা থেকে পরিবার নিয়ে আসা তানিয়া আক্তার মন্তব্য করেন, ‘পাহাড়, সবুজ প্রকৃতি আর কাপ্তাই লেকের স্বচ্ছ নীল জলরাশি মন ভালো করে দেয়। বারবার আসতে মন চায়। দারুণ উপভোগ করছি।’

বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে আসা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা জাহিদ হাসান জানান, ‘দেশের অন্য পর্যটন স্পট থেকে রাঙামাটি অনন্য। একদম আলাদা। এখানকার সৌন্দর্য নিজের চোখে না দেখলে বোঝানো যায় না। এ জন্য সুযোগ হলেই ছুটে আসি এখানে। আমাদের ভাগ্য ভালো বলতে হবে, ডুবে থাকা সেতু ভেসে উঠায় ঘুরতে পারলাম, ছবিও তুললাম। অসাধারণ ভালো লাগার একটা অনুভূতি নিয়ে ফিরতে পারব।’

ঝুলন্ত সেতুর নৌ ঘাটের টোল আদায়কারী ফখরুল ইসলাম জানান, ‘একমাসের বেশি সময় ডুবে থাকার পরে সেতু ভেসে উঠেছে। এরই মধ্যে সেতুর সংস্কার কাজ শেষ করে পর্যটকদের জন্য প্রস্তুত করে গতকাল থেকে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। আশা করছি পূজার ছুটি আর পর্যটন মৌসুমে প্রচুর পর্যটক ভ্রমণে আসবেন।’

আরও পড়ুন: পূজামণ্ডপে ঘুরে ঘুরে খোঁজখবর, অনুদান দিলেন আবু তাহের তালুকদার

ঝুলন্ত সেতু টিকিট কাউন্টার ম্যানেজার হাসান আহমেদ সোহেল বলেন, দীর্ঘদিন ভ্রমণ নিষিদ্ধ থাকায় সরকার প্রতিদিন ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত রাজস্ব বঞ্চিত হয়েছে। সেতু বন্ধ থাকলে রাঙামাটির পুরো পর্যটন খাতেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

দৃষ্টিনন্দন এ ঝুলন্ত সেতুটিতে বছরে ১০ লাখের বেশি দেশি-বিদেশি পর্যটক ভ্রমণ করে থাকেন। জনপ্রতি ৩০ টাকা প্রবেশ ফি থেকে বাৎসরিক আয়ের অঙ্কে দাঁড়ায় প্রায় কোটি টাকার অধিক। অথচ প্রতি বর্ষায় পানির নিচে হারিয়ে যায় এই আকর্ষণ, যা একসঙ্গে বিরূপ প্রভাব ফেলে পর্যটন খাতে। তাই বারবার সাময়িকভাবে খুলে দেওয়ার বদলে পানির উচ্চতা বিবেচনায় নিয়ে স্থায়ী সমাধানের দাবি পর্যটন সংশ্লিষ্টদের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘আমরা লড়াই করেছি, স্বৈরাচারের দোসররা পতাকা উড়াচ্ছে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৪ পি.এম


‘আমরা লড়াই করেছি, স্বৈরাচারের দোসররা পতাকা উড়াচ্ছে’

বিগত প্রায় দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে বান্দরবানে আন্দোলন-সংগ্রামের সাথে যুক্ত থাকা, পুলিশের লাঠিচার্জ, গ্রেপ্তার ও বারবার কারাবরণের শিকার হওয়া ত্যাগী নেতাকর্মীরা পটপরিবর্তনের পরেও উপেক্ষিত রয়ে গেছেন বলে বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ে ক্ষোভ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের প্রথম সারিতে সক্রিয় থাকা ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা পাহাড়ের নেতা জাহাঙ্গীর আলম এবং তার স্ত্রী উম্মে কুলসুম লীনা সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে তাদের হতাশা ও আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন।

একটি সামাজিক মাধ্যমের স্ট্যাটাসে উম্মে কুলসুম লীনা লিখেছেন, ‘সতেরো বছর যুদ্ধ করেছি আমরা সামনের সারিতে থেকে, আজ ত্যাগীরাই কোণঠাসা, হতাশায় ডুবে আছে। আমরা করেছি লড়াই, রক্ত দিয়েছি, আর পতাকা ওড়াচ্ছে স্বৈরাচারের দোসররা!’

সম্প্রতি তথ্য উপদেষ্টা ড. জাহেদ উর রহমান বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেলের বিরুদ্ধে সাড়ে চার শতাধিক রাজনৈতিক মামলা এবং তার পরিবারের মানসিক টানাপোড়েন ও বাস্তব যন্ত্রণার কথা তুলে ধরেন।

লীনা তার বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, একজন রাজনীতিবিদের সংগ্রামের বোঝা শুধু তার একার নয়; সেই সংগ্রামের ভার নীরবে বহন করতে হয় তার পরিবারকেও। বারবার মামলা, আদালত এবং কারাগারে স্বজনদের অপেক্ষার ইতিহাস যেন যথাযথ মর্যাদায় মূল্যায়িত হয়—সেই দাবিই জানান তিনি।

গত ১৭ বছরের কঠিন সময়ে বিভিন্ন বিভাগীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের আন্দোলনে জাহাঙ্গীর আলম ও তার সহধর্মিণী উম্মে কুলসুম লীনা সরাসরি সম্মুখসারিতে অবস্থান নিয়েছিলেন।

নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি ও কেন্দ্রীয় কর্মসূচির ব্যানার হাতে পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙা কিংবা সরাসরি পুলিশের বাধার মুখে মিছিলের নেতৃত্ব দিতে তাদের দেখা গেছে।

আন্দোলন দমনপীড়নের অংশ হিসেবে জাহাঙ্গীর আলমকে দফায় দফায় গ্রেপ্তার, হাতকড়া পরে আদালতে হাজির হওয়া এবং জেল-জুলুম সহ্য করতে হয়েছে। পুলিশের লাঠিচার্জ ও মারমুখী অবস্থানের মধ্যেও এই দম্পতিকে রাজপথে অটল থাকতে দেখা যায়।

রাজপথে এই দম্পতির একসঙ্গে সক্রিয় থাকা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ কিংবা নানা মহল থেকে বিদ্রুপ ও কটূক্তি করা হলেও তারা কখনো থেমে যাননি। সামাজিক ও মানসিক প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করেই আন্দোলন-সংগ্রামে একে অপরের পাশে থেকেছেন অটলভাবে।

৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দলের ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাদের যথাযথ মূল্যায়ন না হওয়া এবং সুবিধাবাদীদের ভিড়ে ত্যাগীদের পেছনে পড়ে যাওয়া নিয়ে ক্ষোভ এখন তৃণমূল থেকে শুরু করে সর্বস্তরেই স্পষ্ট।

জাহাঙ্গীর আলম ও উম্মে কুলসুম লীনার মতো যারা সপরিবারে রাজনীতির কঠিন মূল্য দিয়েছেন, তাদের এই আক্ষেপ রাজনীতিতে ত্যাগীদের অবমূল্যায়নের এক বাস্তব চিত্রকেই সামনে তুলে আনছে বলে মনে করছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।

এমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরে অসহায় আব্দুল্লাহ এখন ডিসির কোলে,

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ ওসমান গনি শেরপুর জেলা প্রতিনিধি

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৪০ পি.এম


শেরপুরে অসহায় আব্দুল্লাহ এখন ডিসির কোলে,

গত ১৬ সেপ্টেম্বর বুধবার দুপুরে শেরপুর জেলার সদর উপজেলার ভাতশালা ইউনিয়নের চরসাপমারী গ্রামে তিন সন্তানের জননী রুফিয়া বেগম (৩৫) কে ভাসুরের ছেলে (ভাতিজা) নেশাগ্রস্ত যুবক আরিফ হোসেন নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যা করে।

রুফিয়া বেগম তার বাড়ির উঠানে তার কোলে থাকা ছোট শিশু চার মাস বয়সের আব্দুল্লাহকে চেয়ারে বসে দুধ খাওয়াচ্ছিলেন। আব্দুল্লাহর চাচা আরিফ হোসেন মাদকাসক্ত ছিল। সে কারণে পারিবারিক তুচ্ছ বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে ছোট্ট শিশু আব্দুল্লাহর সামনে তার মাকে গলায় ছুরি চালিয়ে জবাই করে হত্যা করেন চাচা আরিফ হোসেন।

এ ঘটনায় পরে তাকে শেরপুর সদর থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠায়।

এদিকে আব্দুল্লাহ তার মাকে হারিয়ে এবং তার হতদরিদ্র বাবা তাকে নিয়ে অসহায়ত্ব প্রকাশ করছিল। একই সাথে আর্থিক দৈন্যতায়ও ছিলেন আব্দুল্লাহর বাবা রিকশাচালক লাল মিয়া।

এমত অবস্থায় ১৪ অক্টোবর বুধবার শেরপুর জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের গণশুনানিতে আব্দুল্লাহকে নিয়ে আসেন তার বাবা ও চাচি। এ সময় জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহকে কোলে নিয়ে আদর করেন এবং বেশ কিছুক্ষণ খুনসুটি করেন মাতৃহারা আব্দুল্লাহকে নিয়ে। এ সময় আব্দুল্লাহর ভরণপোষণের জন্য আর্থিক সহায়তা এবং কিছু কাপড়-চোপড় কিনে দেন জেলা প্রশাসক।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, চার মাস বয়সের এই শিশু আব্দুল্লাহ তার মায়ের কোলে থাকা অবস্থায় নৃশংসভাবে তার মাকে কুপিয়ে হত্যা করার বিষয়টি খুবই দুঃখজনক এবং মর্মান্তিক। এই অসহায় আব্দুল্লাহর বাবা দরিদ্র রিকশাচালক বিধায় তার ভবিষ্যৎ ভরণ পোষণে আমি সহযোগিতা করে যাব।

এদিকে শিশু আব্দুল্লাহকে জেলা প্রশাসক আর্থিক অনুদান সহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে খুশি আব্দুল্লাহর বাবা লাল মিয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে তাসফি-তুষারের বিরুদ্ধে কি-শো-র গ্যাং ও মাদক কারবারের অভিযোগ, মারধর করে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ছিনতাই!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৬ পি.এম


বরিশালে তাসফি-তুষারের বিরুদ্ধে কি-শো-র গ্যাং ও মাদক কারবারের অভিযোগ, মারধর করে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ছিনতাই!

বরিশাল নগরীর উত্তর আমানতগঞ্জ এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা, মাদক কেনাবেচা, অস্ত্র প্রদর্শন এবং দলবদ্ধভাবে মোটরসাইকেল নিয়ে মহড়া দিয়ে ভয়ভীতি সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে তানজিনা আক্তার তিন্নি, তাসফি, তুষার ও তাকবিরের বিরুদ্ধে। তাঁদের বিরুদ্ধে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে এক ব্যক্তিকে মারধর করে নগদ ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। এ ঘটনায় নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন আবদুর রহিম (৩৪)।

৪০ হাজার টাকা পাওনা নিয়ে বিরোধ, মারধরের অভিযোগ

অভিযোগকারী আবদুর রহিম উত্তর আমানতগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা। তাঁর পিতার নাম আঃ রব সরদার। লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৩ অক্টোবর ২০২৬ রাত সাড়ে ৮টার দিকে বরিশাল নগরীর ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিপিইডি কলেজ মাঠসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগে আবদুর রহিম দাবি করেন, তাঁর এক আত্মীয়ের সঙ্গে ৪০ হাজার টাকা পাওনা নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। পাওনা টাকা চাইতে গেলে ওই আত্মীয়কে মারধর করে বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিষয়টি জানতে পেরে তিনি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বাসার সামনে গেলে তাঁকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন আবদুর রহিম। এ সময় এক ব্যক্তি তাঁর গলা চেপে ধরেন এবং তাঁর পকেটে থাকা নগদ ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন বলে তিনি দাবি করেন।

অভিযোগকারীর ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁকে রক্ষা করতে তাঁর ভাই, বড় মামি ও খালা এগিয়ে এলে তাঁদেরও মারধর করা হয়।

কিশোর গ্যাং ও মাদক কারবারের অভিযোগ

লিখিত অভিযোগে উত্তর আমানতগঞ্জ এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা, মাদক কেনাবেচা, সামান্য বিষয় নিয়ে বিরোধের জেরে অস্ত্র প্রদর্শন এবং দলবদ্ধভাবে মোটরসাইকেল নিয়ে মহড়া দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগকারীর দাবি, তানজিনা আক্তার তিন্নি, তাসফি, তুষার ও তাকবিরের বিরুদ্ধে এসব কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। তাঁদের কর্মকাণ্ডে এলাকার সাধারণ মানুষ এবং বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিরা ভয়ভীতি ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া পলাশপুর ও রসুলপুরসহ আশপাশের এলাকায় তাঁদের চলাচল ও তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিযোগকারী। তাঁর দাবি, এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চললেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তৎপরতা বন্ধ হয়নি।

তবে এসব অভিযোগের সত্যতা, অভিযুক্তদের প্রত্যেকের সুনির্দিষ্ট ভূমিকা এবং মাদক কারবার বা অস্ত্র প্রদর্শনের বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই অভিযোগগুলো তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।

নিরাপত্তা চেয়ে থানায় অভিযোগ

আবদুর রহিম জানিয়েছেন, ঘটনার পর তিনি নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। এ কারণে কোতোয়ালী মডেল থানা, বিএমপি, বরিশালের অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করেছেন।

অভিযোগটি থানায় গ্রহণ করা হয়েছে কি না, এ ঘটনায় কোনো মামলা বা সাধারণ ডায়েরি নথিভুক্ত হয়েছে কি না এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

অভিযুক্তদের বক্তব্য ও পুলিশের প্রতিক্রিয়া

তানজিনা আক্তার তিন্নি, তাসফি, তুষার ও তাকবিরের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য নেওয়া এবং সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া সংগ্রহ করা প্রয়োজন। বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও রিসিভ করেনি অভিযুক্তদের অভিভাবকদের কাছেও যোগাযোগ করে সাড়া পাওয়া যায়নি পরবর্তীতে তাদের বক্তব্য পেলে তুলে ধরা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশাল সদর রোড থেকে জাপা নেতা মহসিন উল ইসলাম হাবুল পুলিশ হেফাজতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার বরিশাল

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৯ পি.এম


বরিশাল সদর রোড থেকে জাপা নেতা মহসিন উল ইসলাম হাবুল পুলিশ হেফাজতে

বরিশালে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কর্মসূচি পালনকালে দলটির যুগ্ম মহাসচিব ও স্থানীয় শীর্ষ নেতা মহসিন উল ইসলাম হাবুলকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার বিকেলে নগরীর ব্যস্ততম সদর রোড এলাকা থেকে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের একটি টিম তাঁকে তুলে নিয়ে যায়।

পুলিশের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, কেন্দ্রীয় কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নগরীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি কিংবা অপ্রীতিকর বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি হতে পারে—এমন গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই তাঁকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বরিশাল কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, "জাতীয় পার্টির নেতা মহসিন উল ইসলাম হাবুল বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা ও সার্বিক পরিস্থিতি বিচার-বিশ্লেষণ করে তাঁর বিষয়ে পরবর্তী আইনগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।"

এদিকে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় শীর্ষ স্তরের এই নেতাকে রাজপথ থেকে হেফাজতে নেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%