১২:২৯ পি.এম
দীর্ঘদিনের সংঘাতে অবসান ঘটিয়ে অবশেষে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি শান্তিচুক্তিতে পৌঁছেছে। বহুল কাঙ্ক্ষিত এই চুক্তির বিষয়বস্তু নিয়ে বর্তমানে কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে বিশদ কিছু নিশ্চিত করেনি। তবে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, আগামী শুক্রবারের আগেই এই শান্তিচুক্তির খসড়া প্রকাশ করা হতে পারে দুই দেশের মধ্যে।
জে ডি ভ্যান্স জানালেন, এই চুক্তির আওতায় ইরান আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে। পাশাপাশি, চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত থাকবে এমন একটি আন্তর্জাতিকভাবে যাচাইযোগ্য অঙ্গীকার, যাতে বলা হয়েছে, ইরান যেন কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। একই সময়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেওয়া হবে সব ধরনের জাহাজ চলাচলের জন্য। চুক্তির আওতায় বর্তমানে দুই দেশের চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৬০ দিনের জন্য বাড়ানো হবে। এই সময়ে দুই দেশ একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে বিস্তারিত আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে।
আরও পড়ুন: এলপি গ্যাসের দাম কয়েক গুণ বাড়ানোর প্রস্তাব, গণশুনানি শুরু
এদিকে, এই চুক্তি নিয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্রতিক্রিয়া এসেছে। তিনি বলেছেন, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া যাবে না। তবে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতির মধ্যে লেবানন, সিরিয়া ও গাজায় ইসরায়েল তাদের নিজস্ব নিরাপত্তা অঞ্চল ধরে রাখতে বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।
অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই সমঝোতা মধ্যপ্রাচ্যের বিদ্যমান উত্তেজনা কমানোর জন্য একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে তাদের দীর্ঘদিনের গভীর অবিশ্বাস ওয়াশিংটনের প্রতি এখনও সম্পূর্ণ রয়ে গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তির সফলতা পরবর্তী কূটনৈতিক পদক্ষেপগুলোর ওপর নির্ভর করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন