বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:৪৯ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে নতুন হামলার পরিকল্পনা করছেন। এই প্রেক্ষাপটে পেন্টাগনের শীর্ষ সামরিক পরিকল্পনাকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল ব্রেট সিলভিয়াকে পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। বুধবার (২৮ অক্টোবর) এক মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।
সিলভিয়া যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের কৌশল, পরিকল্পনা ও নীতিবিষয়ক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সামরিক বাহিনীতে এই পদটি ‘জে৫’ নামে পরিচিত। গত অক্টোবরে তার পূর্বসূরি লেফটেন্যান্ট জেনারেল জোসেফ ম্যাকগিকেও অবসরে যেতে বাধ্য করা হয়েছিল।
সিলভিয়াকে অপসারণের কারণ সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে এখনো কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি।
জয়েন্ট স্টাফের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ৩২ বছর সেবা দেওয়ার জন্য সিলভিয়া এবং তার পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। সাধারণত, ‘জে৫’ বিভাগের প্রধান এবং তার কর্মীরা জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান ও প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সমন্বয় করে সামরিক পরিকল্পনা তৈরি করেন।
ট্রাম্প যখন ইরানে নতুন সামরিক অভিযান চালানোর ইঙ্গিত দিচ্ছেন, তখন সিলভিয়াকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে তার অপসারণের সঙ্গে ইরানবিষয়ক পরিকল্পনার কোনো সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা পরিষ্কার নয়।
ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর আট মাস পর, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আগামী সপ্তাহের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে নতুন হামলা চালানোর বিষয়টিও বিবেচনায় রেখেছেন তিনি। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুই কূটনীতিক জানিয়েছেন, মার্কিন কর্মকর্তারা মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ ও আঞ্চলিক মিত্রকে সম্ভাব্য নতুন সামরিক পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত থাকতে সতর্ক করেছেন। একই সঙ্গে, ইরান পাল্টা হামলা চালাতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় একটি বিমানবাহী রণতরি ও কয়েক হাজার অতিরিক্ত সেনা মধ্যপ্রাচ্যের দিকে রওনা হয়েছে।
জয়েন্ট স্টাফে যোগ দেওয়ার আগে, লেফটেন্যান্ট জেনারেল ব্রেট সিলভিয়া কেনটাকির ফোর্ট ক্যাম্পবেলে ১০১তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৫ সালের মে পর্যন্ত তিনি ওই পদে ছিলেন। এর আগে তিনি জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের কৌশল, পরিকল্পনা ও নীতিবিষয়ক বিভাগের (জে৫) উপপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের দায়িত্বকালে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে প্রায় দুই ডজন জেনারেল, অ্যাডমিরাল ও অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে, অবসরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে অথবা অন্যভাবে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এসব কর্মকর্তাকে সরানোর কারণ সম্পর্কে পেন্টাগন প্রকাশ্যে তেমন কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি।
দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর কয়েকজন বেসামরিক সচিব এবং সামরিক বাহিনীর একাধিক শীর্ষ ইউনিফর্মধারী কর্মকর্তাও রয়েছেন। এ বিষয়ে বুধবার গভীর রাতে মন্তব্য জানতে চাওয়া হলে পেন্টাগন তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া দেয়নি।
গত মাসে, হেগসেথ জানান, সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সংখ্যা ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারির মধ্যে এই লক্ষ্য পূরণ করতে হবে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে ফ্ল্যাগ অফিসার ও জেনারেল পদমর্যাদার প্রায় ৮০০টি পদ রয়েছে।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর, মেরিন কোরের কোয়ান্টিকো ঘাঁটিতে জুনিয়র কর্মকর্তা ও তালিকাভুক্ত সামরিক সদস্যদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমি একে জবাবদিহি বলছি, যা অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।’ তবে সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সংখ্যা কমানোর উদ্যোগের সমালোচনা করেছেন কংগ্রেসের কয়েকজন সদস্য।
তাদের মতে, এটি একধরনের ‘শুদ্ধি অভিযান’। এর ফলে সামরিক বাহিনীর যে ক্ষতি হবে, তা কাটিয়ে উঠতে কয়েক বছর লেগে যেতে পারে। অ্যারিজোনার ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর মার্ক কেলিও এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। নৌবাহিনীর সাবেক এই যুদ্ধবিমানচালক হেগসেথের সমালোচক হিসেবে পরিচিত।
গত মাসে তিনি বলেন, ‘সামরিক নেতৃত্বের প্রতি তার (হেগসেথের) গভীর ক্ষোভ রয়েছে। তিনি সামরিক বাহিনীর এক প্রজন্মের সেরা নেতাদের সরিয়ে দিচ্ছেন। এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পুরো একটি প্রজন্মের সময় লেগে যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বন্দরে পাকিস্তান থেকে সমুদ্রপথে আসা ১০টি কনটেইনার আটক করেছে।
এই কনটেইনারগুলোর মধ্যে ১৫০ মেট্রিক টন কাঁচা তামাকের চালান ছিল। গ্লোবাল লিফ টোব্যাকো কোম্পানি লিমিটেডের বন্ড সুবিধায় আমদানি করা এই তামাক দিয়ে প্রায় ৪৯৪ কোটি টাকা মূল্যের সিগারেট উৎপাদন করা সম্ভব বলে জানায় প্রতিষ্ঠানটি।
কাস্টমস গোয়েন্দা বিভাগ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) এক সংবাদ বিবৃতিতে এসব তথ্য প্রকাশ করেছে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, আটক তামাক দিয়ে আনুমানিক ২১ কোটি ৪৩ লাখ শলাকা প্রিমিয়াম সিগারেট উৎপাদন সম্ভব। এসব সিগারেটের সম্ভাব্য খুচরা বাজারমূল্য প্রায় ৪৯৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। প্রাথমিক পর্যালোচনায় চালানটির আমদানি মূল্যেও উল্লেখযোগ্য অসংগতি দেখা গেছে। একই এইচএস কোডের পণ্য প্রতি কেজি ৫ দশমিক ১০ মার্কিন ডলার দরে শুল্কায়ন করা হলেও, এই চালানে প্রতি কেজি কাঁচা তামাকের ঘোষিত মূল্য ১ দশমিক ৪৫ মার্কিন ডলার হিসেবে দেখানো হয়েছে। পূর্ববর্তী আমদানি মূল্য বিবেচনায়, চালানটির আমদানি পর্যায়ে প্রায় ২১ কোটি ১২ লাখ টাকার রাজস্ব জড়িত রয়েছে।
কাস্টম গোয়েন্দা মনে করছে, বন্ড সুবিধায় আমদানি করা তামাকের প্রকৃত ব্যবহার এবং তা দিয়ে উৎপাদিত পণ্যের হিসাব যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করা না হলে, আমদানি থেকে শুরু করে উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ, সব পর্যায়েই শুল্ক-কর ফাঁকির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্রান্তের শিমুলিয়া ঘাট ও পদ্মা সেতুর সংলগ্ন নদী এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পর পর্যটকবাহী সকল ধরনের নৌযান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে স্থানীয় প্রশাসন। এই সিদ্ধান্তটি দুর্ঘটনা প্রতিরোধ এবং নিরাপত্তা জোরদারের উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে পদ্মা সেতুর ৩, ৪ ও ৫ নম্বর পিলার সংলগ্ন নদীপথ এবং শিমুলিয়া ঘাটের সার্বিক নৌ-নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা ববি মিতু এই ঘোষণা দেন।
পরিদর্শনের সময় পদ্মা সেতুর পিলার ও মাওয়া ঘাট এলাকায় পর্যটকদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বেশ কয়েকটি সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পদ্মা সেতু ও শিমুলিয়া ঘাটে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীর সমাগম ঘটে। বিশেষ করে ইঞ্জিনচালিত ট্রলার ও স্পিডবোটে করে পর্যটকরা সেতুর খুঁটির কাছাকাছি চলে যান, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। নদীপথে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা রোধ, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ঘাট এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসন এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে লৌহজং ইউএনও ফারজানা ববি মিতু জানান, মাওয়া ও শিমুলিয়া ঘাট নদীভিত্তিক পর্যটনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থান। দর্শনার্থী ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সন্ধ্যা ৬টার পর নদীপথে সকল ধরনের ট্রলার ও বিনোদনমূলক নৌযান চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এই বিষয়ে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন এলজিইডির লৌহজং উপজেলা প্রকৌশলী শান্তনু ঘোষ সাগর, বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা নেওয়াজ মোহাম্মদ খান, নৌ-পুলিশের পরিদর্শক মো. মালেক খসরু, ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. দেলোয়ার হোসেন এবং শিমুলিয়া ট্রলার ঘাটের ইজারাদার মো. কাওছারসহ স্থানীয় বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের কিং সৌদ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ১৫১ জন গবেষক ২০২৬ সালের বৈশ্বিক র্যাঙ্কিংয়ে বিশ্বের সর্বাধিক উদ্ধৃত বিজ্ঞানীদের তালিকায় স্থান পেয়েছেন। আগের বছরের তুলনায় এই সংখ্যা প্রায় ৩৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টির গবেষণার বিস্তার ও প্রভাব বৃদ্ধির প্রতিফলন এটি নির্দেশ করে।
এই অর্জনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়টির আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষণার অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে বলে প্রতিভাত হচ্ছে।
স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা এই তালিকা তৈরি করেছেন। শিক্ষাবিষয়ক প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ার তাদের সহযোগিতা করেছে। স্কোপাস ডেটাবেইসের তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি এই র্যাঙ্কিংয়ে বিজ্ঞানীদের গবেষণাকর্মের প্রভাব মূল্যায়ন করা হয়।
মূল্যায়নের আওতায় রয়েছে একক বছরের গবেষণার প্রভাব সংক্রান্ত একটি বিভাগ, যেখানে ২০২৫ সালে গবেষকদের কাজ কতবার উদ্ধৃত হয়েছে, তা বিবেচনা করা হয়েছে।
এ ক্ষেত্রে নিজের গবেষণাকর্ম উদ্ধৃত করার সংখ্যা বাদ দিয়ে অন্যান্য উদ্ধৃতির হিসাব, গবেষণাপত্র প্রকাশে লেখক হিসেবে গবেষকদের ভূমিকা এবং বৈজ্ঞানিক প্রভাব পরিমাপের জন্য তৈরি একটি সমন্বিত সূচক বিবেচনায় নেওয়া হয়। ফলে শুধুমাত্র প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সংখ্যা নয়, বরং গবেষণার প্রকৃত প্রভাবও মূল্যায়নের গুরুত্ব পায়।
এই র্যাঙ্কিংয়ে বিজ্ঞানের ২০টি প্রধান ক্ষেত্র এবং ১৭৪টি উপক্ষেত্র অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করা গবেষকদের একটি বিস্তৃত কাঠামোর আওতায় তুলনা করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়টির বিজ্ঞান অনুষদের ডিন জায়েদ আল-ওথমান এই অর্জনের পেছনে বৈজ্ঞানিক দক্ষতা, বিভিন্ন বিষয়ের গবেষকদের মধ্যে সহযোগিতা, প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়ক গবেষণার অবদানের কথা উল্লেখ করেছেন।
তিনি বলেন, "আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোই বিশ্ববিদ্যালয়টির একমাত্র লক্ষ্য নয়। বরং এমন একটি টেকসই গবেষণার পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ ও সুদূরপ্রসারী প্রভাব সৃষ্টিকারী গবেষণাকর্ম তৈরি হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বিজ্ঞানীদের বিকাশে সহায়তা করা যাবে।"
বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষক ও গবেষকেরাও গবেষণার মান, বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে সহযোগিতা এবং বৈজ্ঞানিক উন্নয়নে ধারাবাহিক প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।
আন্তর্জাতিক এই স্বীকৃতির তালিকায় বিশ্ববিদ্যালয়টির গবেষকদের সংখ্যা বৃদ্ধি বিশ্ব গবেষণাঙ্গনে এর অবস্থান আরও সুদৃঢ় করবে। পাশাপাশি সৌদি আরবের বৃহত্তর ‘ভিশন ২০৩০’ লক্ষ্য বাস্তবায়নেও সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য হলো বৈজ্ঞানিক সক্ষমতা ও উদ্ভাবন বাড়ানো এবং জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির বিকাশ ঘটানো।
সূত্র: আরব নিউজ ও মুসলিম নেটওয়ার্ক টিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ৬ নং কাদিপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের পূর্ব মনসুর এলাকায় আশরাফিয়া এতিমখানা মাদ্রাসা সড়কে মৃত আরমান মিয়ার বাড়ির সামনের সড়কের ছোটো কালভার্টটি এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কালভার্টটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকায় এ সড়কে চলাচলকারী শিক্ষার্থী, পথচারী ও সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর ২০২৬)
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুলাউড়ার উত্তর মাগুরা হয়ে পূর্ব মনসুরে যাওয়ার এ সড়কের কালভার্টটি প্রায় দুই মাস ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এ সময়ে কালভার্টটিতে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। দিন দিন এর অবস্থা খারাপ হওয়ায় সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে চার চাকার যানবাহন চলাচল করতে পারছে না বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন পূর্ব মনসুর আবদুল মহীন চৌধুরী দাওয়াতুল কোরআন মহিলা এতিমখানা মাদ্রাসা ও আশরাফিয়া এতিমখানা মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াত করেন। এ ছাড়া মহাদেবের মন্দিরে বিভিন্ন দূরদূরান্ত থেকে আসা মানুষও এই সড়ক ব্যবহার করেন। ফলে ঝুঁকিপূর্ণ কালভার্টটি স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি শিক্ষার্থী ও দূরদূরান্ত থেকে আসা মানুষের জন্যও উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত কালভার্টটি সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ করা না হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বিশেষ করে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত নিয়ে উদ্বিগ্ন অভিভাবকরাও।
এ অবস্থায় জনসাধারণের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত কালভার্টটি পরিদর্শন করে নতুন করে নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তাঁদের প্রত্যাশা, কর্তৃপক্ষ দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কালভার্টটির স্থায়ী সমাধান করবে এবং শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ