০৫:৫৯ পি.এম
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইরানের হামলায় কতজন মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছেন, সে সম্পর্কের তথ্য গোপন করার অভিযোগ উঠেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তরের বিরুদ্ধে। যদিও এই সম্পর্কে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে এবং হতাহত সৈন্যদের সংখ্যা প্রকাশ করেছে পেন্টাগন।
ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, নতুন করে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ কংগ্রেসের আইন প্রণেতাদের সামনে হাজির হওয়ার আগেই হতাহতের সৈন্যদের খবর জানিয়ে দিয়েছে পেন্টাগন।
প্রতিবেদনে পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পারনেল জানিয়েছেন, গত ৭ জুলাই থেকে এখন পর্যন্ত ইরান যুদ্ধে ৩ সেনা নিহত এবং প্রায় ১০০ সেনা আহত হয়েছেন। আহত সেনাদের মধ্যে অধিকাংশই মাথায় সামান্য আঘাতজনিত সমস্যায় আক্রান্ত। এসব সেনাদের ৯৬ শতাংশ ইতিমধ্যে আবারও দায়িত্বে ফিরে গেছেন।
আরও পড়ুন: ১২৪ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ মামলা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে
গত সপ্তাহে জর্ডান ও ইরাকে দায়িত্ব পালনকালে ওই তিন মার্কিন সেনা নিহত হন। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলার কথাও জানিয়েছে পেন্টাগন।
ইরানি হামলায় সেনাদের হতাহত তথ্য গোপন করার অভিযোগ অস্বীকার করে শন পারনেল জানান, 'পেন্টাগন কোনো তথ্য আড়াল করেনি।'
অন্যদিকে, ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানায়, তারা বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং একটি রাডার স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
এছাড়া, হরমুজ প্রণালিতে একটি তেলবাহী জাহাজ অজ্ঞাত একটি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরবর্তীতে ওই জাহাজ থেকে নাবিকেরা এটি ত্যাগ করে লাইফবোটে আশ্রয় নেন।
আরও পড়ুন: সরকারকে সেলিম উদ্দিনের আহ্বান, গণরায়ের বিরুদ্ধে না গিয়ে জনগণের পক্ষে দাঁড়ান
এদিকে, কুয়েত, বাহরাইন ও জর্ডান জানিয়েছে, তারা হামলার প্রতিহত করতে নিজেদের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সচল করেছে।
যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, ওমান উপকূলের কাছে একটি তেলবাহী জাহাজ অজ্ঞাত একটি প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার একাধিক প্রতিবেদন তারা পেয়েছে। জাহাজটির ক্রুরা নিরাপদে লাইফবোটে আশ্রয় নিয়েছে এবং এখন পর্যন্ত কোনো পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন