ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চোটের কারণে তিন মাসের জন্য মাঠের বাইরে চেলসি অধিনায়ক রিস জেমস


চোটের কারণে তিন মাসের জন্য মাঠের বাইরে চেলসি অধিনায়ক রিস জেমস

চোটের কারণে তিন মাসের জন্য চেলসির অধিনায়ক ইংল্যান্ডের তারকা রিস জেমস দল থেকে ছিটকে গেছেন। গত শুক্রবার বোর্নমাউথের বিপক্ষে ম্যাচে নামার আগে তিনি অনুশীলনে চোট পান। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা যায় যে, চোটটি গুরুতর, ফলে তাকে চিকি;সকের ছুরি-কেচির নিচে যেতে হয়েছে। কোচ জাবি আলোনসো জানিয়েছেন, সফল অস্ত্রোপচারের পর তাকে তিন মাস মাঠের বাইরে থাকতে হবে।

স্কাই স্পোর্টসের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে, শনিবার এভারটনের বিপক্ষে ম্যাচের আগে প্রাক-ম্যাচ সংবাদ সম্মেলনে চেলসি বস এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জাবি আলোনসো জানিয়েছেন, আজকের ম্যাচের আগে তার দলে অন্য কোনো চোটের সমস্যা নেই।

জেমসের চোট জানুয়ারির দলবদলের পরিকল্পনাকে প্রভাবিত করেছে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে আলোনসো বলেন: ‘না, আমি তা মনে করি না, কারণ আমরা আশা করছি যে সে কয়েক সপ্তাহ আগে ফিরবে, বা কয়েক সপ্তাহ পরে, তাই দেখা যাক, তার ফেরার কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই, তাই এটি দলবদলের পরিকল্পনাকে প্রভাবিত করে না।’

আরও পড়ুন: বায়ার্নের গোলবন্যায় ৬-১ গোলে ভাসল লাইপজিগ

এই দীর্ঘ ছুটির কারণে, তিনি লিভারপুল, ম্যানচেস্টার সিটি, টটেনহ্যাম এবং ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মতো বড় দলগুলোর বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলো মিস করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৌলভীবাজারের পর্যটন শিল্পে শারদীয় দুর্গাপূজায় ৩০ কোটি টাকার বাণিজ্য সম্ভাবনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০৮ পি.এম


মৌলভীবাজারের পর্যটন শিল্পে শারদীয় দুর্গাপূজায় ৩০ কোটি টাকার বাণিজ্য সম্ভাবনা

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা পাহাড়, বিস্তীর্ণ চা-বাগান, স্বচ্ছ জলের লেক এবং সবুজ অরণ্যের আকর্ষণে মৌলভীবাজার জেলা, বিশেষ করে চায়ের রাজধানী শ্রীমঙ্গল, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটিতে পর্যটকদের জন্য প্রস্তুত। টানা পাঁচ দিনের ছুটির কারণে পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে সাজ সাজ রব চলছে। হোটেল ও রিসোর্টে বুকিং বাড়ছে, এবং পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলোতে বাড়তি কর্মব্যস্ততা দেখা যাচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, এবারের পূজার ছুটিতে মৌলভীবাজারের পর্যটন শিল্পে প্রায় ৩০ কোটি টাকার সম্ভাবনাময় বাণিজ্য হতে পারে।

১৯ থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত পূজার ছুটিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকদের আগমন ঘটতে পারে এই অঞ্চলে। বিশেষ করে শ্রীমঙ্গলের চা-বাগান, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবপুর লেক এবং বাইক্কা বিলসহ জেলার জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি ভিড়ের প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে, চা-বাগানের মন্দিরে দুর্গাপূজার আয়োজন এই অঞ্চলের পর্যটনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

পর্যটন সংশ্লিষ্টদের মতে, এই অঞ্চলে পর্যটকদের আগমন কেবল হোটেল ও রিসোর্টের ব্যবসায় সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে রেস্তোরাঁ, পরিবহন, স্থানীয় খাবার, চা-পাতা এবং হস্তশিল্পের বিক্রিসহ নানা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। ফলে, পর্যটকদের বাড়তি উপস্থিতি স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সিলেট বিভাগের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য শ্রীমঙ্গল। পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে সারি সারি চা-বাগান, আনারসের বাগান, বনাঞ্চল এবং লেকের নৈসর্গিক দৃশ্য উপভোগ করতে প্রতিবছর দেশি-বিদেশি পর্যটকরা এখানে আসেন। শ্রীমঙ্গলকে কেন্দ্র করে পর্যটকেরা মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখেন। শ্রীমঙ্গলের উল্লেখযোগ্য আকর্ষণের মধ্যে রয়েছে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, বাইক্কা বিল, মাধবপুর লেক, বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন, চা জাদুঘর, ভাড়াউড়া লেক, জাগছড়া লেক, চা-কন্যা ভাস্কর্য, বধ্যভূমি-৭১, ডিনস্টন সিমেট্রি, হরিণছড়া গলফ মাঠ, খাসিয়া পুঞ্জি এবং মণিপুরি ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর গ্রাম। এছাড়া, কমলগঞ্জের হামহাম জলপ্রপাত এবং ধলই চা-বাগানে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের স্মৃতিসৌধ পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণীয়।

জেলার অন্যান্য দর্শনীয় স্থানের মধ্যে রয়েছে বড়লেখার মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত, হাকালুকি হাওর, হাইল হাওর, রাজনগরের কমলা রানির দিঘি, কাউয়াদিঘি হাওর, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার খোজার মসজিদ ও বর্ষিজোড়া ইকোপার্ক এবং কুলাউড়ার গগনটিলা, কালাপাহাড় ও মূরইছড়া ইকোপার্ক। পূজার ছুটিতে এসব স্থানে পর্যটকদের আনাগোনা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

পর্যটন খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের হিসাব অনুযায়ী, কোনো পর্যটক একদিন রাত্রিযাপন করলে আবাসন, খাবার, যাতায়াত ও বিনোদনসহ বিভিন্ন খাতে গড়ে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা ব্যয় করতে পারেন। ফলে, রাত্রিযাপনকারী পর্যটকের সংখ্যা বাড়লে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যেও তার প্রভাব পড়ে।

সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, পূজার ছুটিতে পর্যটকদের বিপুল সমাগম ঘটলে হোটেল ও রিসোর্টের পাশাপাশি রেস্তোরাঁ, পরিবহন, ক্ষুদ্র ব্যবসা এবং স্থানীয় পণ্য বিক্রির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরাও লাভবান হবেন। তবে, ৩০ কোটি টাকার সম্ভাব্য বাণিজ্যের হিসাবটি সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশাভিত্তিক।

শ্রীমঙ্গল হোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. নূরুল ইসলাম বলেন, ‘আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটি শুরুর আগেই শ্রীমঙ্গলে পর্যটকদের আগমন শুরু হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এবার পর্যটকদের উল্লেখযোগ্য সমাগম হবে বলে আমরা আশা করছি। আগত অতিথিদের নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে নূর ফুডস রেস্টুরেন্টসহ শহরের বেশ কয়েকটি রেস্তোরাঁ ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার প্রস্তুতি রয়েছে।’

গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট অ্যান্ড গলফের জেনারেল ম্যানেজার আরমান খান বলেন, পাহাড়ি অরণ্য ও চা-বাগানের সবুজ সৌন্দর্য উপভোগ করতে পর্যটকেরা বরাবরই শ্রীমঙ্গলে আসেন। পূজার ছুটিতেও এর ব্যতিক্রম হবে না। তিনি বলেন, ‘এবার পূজার ছুটি উপলক্ষে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত আমাদের রিসোর্টে শতভাগ বুকিং রয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত হলে এবং শমশেরনগর বিমানবন্দর পুনরায় চালু হলে এ অঞ্চলের পর্যটন শিল্প নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। এতে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের যাতায়াত সহজ হওয়ার পাশাপাশি ছোট-বড় সব হোটেল, রিসোর্ট এবং স্থানীয় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান উপকৃত হবে।

শ্রীমঙ্গল ট্যুরিস্ট পুলিশের ইনচার্জ মো. কামরুল হোসেন চৌধুরী বলেন, পূজার ছুটিতে মৌলভীবাজারে বিপুলসংখ্যক পর্যটকের আগমন ঘটে। জেলার অধিকাংশ জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র শ্রীমঙ্গল ও আশপাশের এলাকায় থাকায় এখানে পর্যটকদের ভিড় বেশি থাকে। তিনি বলেন, ‘আমাদের ধারণা, এবারের পূজার ছুটিতে প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ হাজার পর্যটকের সমাগম হতে পারে। পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দর্শনার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে ভ্রমণ করতে পারেন, সে জন্য আমাদের টিম সার্বক্ষণিক মাঠে দায়িত্ব পালন করবে।’

শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিয়াউর রহমান বলেন, ‘শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্‌যাপনের লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।’ তিনি বলেন, পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে আগত দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা, যানজট নিরসন, জনসমাগম ব্যবস্থাপনা এবং জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে। ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে সবাই যেন নির্বিঘ্নে পূজার আনন্দ উপভোগ করতে পারেন, সে জন্য প্রশাসন সতর্ক রয়েছে। শ্রীমঙ্গলকে নিরাপদ, সম্প্রীতিপূর্ণ এবং পর্যটকবান্ধব রাখতে তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান চৌধুরী দৈনিক ইনকিলাব’কে বলেন, শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জে পর্যটকদের আগমন ক্রমেই বাড়ছে। পর্যটকদের নিরাপত্তা এবং দুর্গাপূজায় উৎসবমুখর পরিবেশ নিশ্চিত করতে এক মাস আগে থেকেই প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। তিনি বলেন, পর্যটন খাতের উন্নয়ন এবং পর্যটকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির বিষয়টি ইতোমধ্যে জাতীয় সংসদে চারবার উপস্থাপন করেছি। পর্যটকদের যাতায়াত সহজ করতে শায়েস্তাগঞ্জের মিরপুর থেকে মৌলভীবাজার পর্যন্ত সড়ক চার লেনে উন্নীত করার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। নিজের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরে সংসদ সদস্য বলেন, শ্রীমঙ্গল পৌরসভার সীমানা সম্প্রসারণের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। শিগগিরই পুরো শ্রীমঙ্গল শহরকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারিতে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে তিনি বলেন, পূজা উপলক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের জন্য ডিআইজির কাছে অনুরোধ জানিয়েছি। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে সমন্বয় সভা করা হচ্ছে। পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

পর্যটন সংশ্লিষ্টদের মতে, মৌলভীবাজারের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং বৈচিত্র্যময় পর্যটন কেন্দ্র এই জেলাকে দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় ভ্রমণ গন্তব্যে পরিণত করেছে। তবে, পর্যটকের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানজট নিয়ন্ত্রণ, সড়ক যোগাযোগের উন্নয়ন, মানসম্মত আবাসন, নিরাপদ পরিবহন, খাবারের মান এবং ন্যায্য ভাড়া নিশ্চিত করাও জরুরি। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, পরিকল্পিত পর্যটন ব্যবস্থাপনা, উন্নত যোগাযোগ অবকাঠামো, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা এবং পর্যটকবান্ধব সেবা নিশ্চিত করা গেলে মৌলভীবাজারের পর্যটন শিল্প কেবল ছুটিকেন্দ্রিক বাণিজ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং সারা বছর কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পূজার শান্তিপূর্ণ উদযাপনে বিজিবি পাশে থাকবে: কর্নেল তৌহিদ হাসান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০৯ পি.এম


পূজার শান্তিপূর্ণ উদযাপনে বিজিবি পাশে থাকবে: কর্নেল তৌহিদ হাসান

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে হবিগঞ্জের সীমান্তবর্তী চুনারুঘাট মাধবপুর এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করেছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) শ্রীমঙ্গল সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল বি এম তৌহিদ হাসান। ২৩৭টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে, যা সীমান্ত এলাকার ১০৩ কিলোমিটারজুড়ে বিস্তৃত। পূজাকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের অপতৎপরতা ও গুজব প্রতিরোধে বিজিবির টহলও জোরদার করা হয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মনতলা বিওপির আওতাধীন ঘিলাতলী জগন্নাথ দেবের আখড়া পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন বিজিবির এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। এ সময় তিনি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সীমান্ত এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।

পরিদর্শন শেষে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন কর্নেল বি এম তৌহিদ হাসান। তিনি বলেন, "শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।" সীমান্ত এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সীমান্ত এলাকায় পূজাকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপতৎপরতা, বিশৃঙ্খলা কিংবা গুজব ছড়ানোর চেষ্টা হলে তা প্রতিরোধে বিজিবি সতর্ক রয়েছে। পূজার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপনে বিজিবির পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

পরিদর্শনকালে ৫৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানজিলুর রহমানসহ বিজিবির অন্যান্য কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এআই দিয়ে তৈরি বাংলা ওয়েব সিরিজ ‘শান্তি নিবাস’, নির্মাতার ভাবনায় যেমনটা ছিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০৯ পি.এম


এআই দিয়ে তৈরি বাংলা ওয়েব সিরিজ ‘শান্তি নিবাস’, নির্মাতার ভাবনায় যেমনটা ছিল

সৃজনশীল জগতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের ব্যবহার ক্রমবর্ধমান। বিজ্ঞাপনচিত্র এবং চলচ্চিত্র নির্মাণের ক্ষেত্রে নতুন প্রযুক্তির সম্ভাবনা কাজে লাগানোর চেষ্টা চলছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। এই ধারাবাহিকতায়, বাংলাদেশের তরুণ উদ্যোক্তা ও নির্মাতা তানজিল আহমেদ এআইনির্ভর বাংলা ওয়েব সিরিজ নির্মাণ করেছেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত প্রযুক্তি ও সৃজনশীল প্রতিষ্ঠান ব্রান্টা টেক-এর চলচ্চিত্র নির্মাণ শাখা ব্রান্টা ফিল্মস-এর ব্যানারে সিরিজটির নাম ‘শান্তি নিবাস’ রাখা হয়েছে।

সিরিজটি প্রচলিত শুটিং পদ্ধতির পরিবর্তে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তি ও ডিজিটাল নির্মাণকৌশল ব্যবহার করে নির্মিত হয়েছে। নির্মাতাদের উদ্দেশ্য কেবল প্রযুক্তির সক্ষমতা প্রদর্শন করা নয়, বরং ভালোবাসা, বন্ধুত্ব, সামাজিক সম্পর্ক, হাস্যরস এবং মানুষের আবেগকে গল্পের মাধ্যমে তুলে ধরা।

এক ভবনে নানা মানুষের গল্প

‘শান্তি নিবাস’ একটি কাল্পনিক আবাসিক ভবনকে কেন্দ্র করে নির্মিত। একই ছাদের নিচে বসবাসকারী বিভিন্ন মানুষের জীবন, স্বপ্ন, সম্পর্ক, ভুল বোঝাবুঝি এবং আনন্দ-বেদনা নিয়ে সিরিজের গল্প এগিয়েছে। এখানে আকস্মিক পরিচয় থেকে ভালোবাসার জন্ম নেওয়ার ঘটনা এবং প্রতিবেশীদের মজার অভিজ্ঞতা ও পারস্পরিক দায়িত্ববোধের চিত্র রয়েছে।

এছাড়া, তরুণ উদ্যোক্তাদের স্বপ্ন, স্টার্টআপ গড়ে তোলার সংগ্রাম, ব্যর্থতা কাটিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকেন্দ্রিক কনটেন্ট নির্মাতাদের জীবনযাপনও উঠে এসেছে। হাস্যরস ও আবেগের মিশেলে পরিচিত জীবনের নানা দিক তুলে ধরাই নির্মাতাদের উদ্দেশ্য ছিল। দর্শকেরা যেন চরিত্রগুলোর মধ্যে নিজেদের আশপাশের মানুষের প্রতিচ্ছবি খুঁজে পান, সেই চেষ্টাও সিরিজটিতে রয়েছে।

আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা থেকে নিজস্ব উদ্যোগের দিকে এগিয়ে গেছেন তানজিল আহমেদ। প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও সৃজনশীল কাজের প্রতি আগ্রহ থেকেই তিনি Branta Tech প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে তিনি এআইনির্ভর বিজ্ঞাপনচিত্র, ব্র্যান্ড ফিল্ম, ডিজিটাল কনটেন্ট, ব্র্যান্ডিং ও সফটওয়্যার প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছেন।

তানজিলের ভাষ্য অনুযায়ী, এর আগে নেটফ্লিক্সে ফিচার হওয়া একজন পরিচালকের সঙ্গে একটি সহযোগিতামূলক প্রকল্পে কাজ করার অভিজ্ঞতা হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা চলচ্চিত্রের গল্প বলার ধরন, দৃশ্য পরিকল্পনা এবং সৃজনশীল কাজে প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে নতুনভাবে ভাবতে উৎসাহিত করেছে তাঁকে।

এবার তিনি নিজের প্রতিষ্ঠান ও নির্মাতা দল নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ গল্প দর্শকদের সামনে হাজির করতে চেয়েছেন। সেই যাত্রার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে ‘শান্তি নিবাস’ উঠে এসেছে।

এআই দিয়ে সিরিজ নির্মাণে যত চ্যালেঞ্জ

এআই ব্যবহার করে কয়েক সেকেন্ডের ভিডিও তৈরি করা এবং একটি ধারাবাহিক গল্পে চরিত্র, দৃশ্য ও আবেগের সামঞ্জস্য বজায় রাখা এক নয়। ‘শান্তি নিবাস’ নির্মাণ করতে গিয়ে এই পার্থক্যই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছিল তানজিল ও তাঁর দলের জন্য।

চরিত্রের চেহারা এক দৃশ্য থেকে অন্য দৃশ্যে একই রকম রাখা, দৃশ্যের পরিবেশে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং মানুষের স্বাভাবিক অভিব্যক্তি ও আবেগকে বিশ্বাসযোগ্যভাবে ফুটিয়ে তোলার জন্য বারবার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হয়েছে। প্রত্যাশামতো ফল না এলে দৃশ্য সংশোধন ও নতুন করে নির্মাণের পথেও হাঁটতে হয়েছে তাঁদের।

দীর্ঘ পরিকল্পনা, গবেষণা এবং রাত জেগে কাজ করার মধ্য দিয়ে প্রকল্পটি এগিয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতার সঙ্গে লড়াই করে গল্পের বিভিন্ন অংশকে একটি সমন্বিত নির্মাণে রূপ দেওয়াই ছিল তাঁদের অন্যতম লক্ষ্য।

প্রযুক্তির চেয়ে গল্পে গুরুত্ব

নির্মাতাদের মতে, এআই চলচ্চিত্র নির্মাণের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করলেও গল্প, পরিচালনা ও সৃজনশীল চিন্তার বিকল্প হয়ে উঠতে পারে না। একটি দৃশ্য দৃষ্টিনন্দন হলেই তা দর্শকের মনে দাগ কাটবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। এর সঙ্গে প্রয়োজন গল্পের প্রাসঙ্গিকতা, চরিত্রের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং দর্শকের সঙ্গে আবেগের সংযোগ।

এই ভাবনা থেকেই ‘শান্তি নিবাস’-এ প্রযুক্তির ব্যবহারকে গল্প বলার মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। অর্থাৎ, এআই এখানে শুধু দৃশ্য তৈরির উপকরণ নয়; বরং প্রচলিত নির্মাণপদ্ধতির বাইরে গিয়ে গল্প বলার একটি পরীক্ষামূলক উপায়।

ব্রান্টা ফিল্মস-এর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

Branta Tech-এর কার্যক্রমকে চলচ্চিত্র ও বিনোদন জগতে আরও বিস্তৃত করতে Branta Films যাত্রা শুরু করেছে। প্রতিষ্ঠানটির পরিকল্পনায় রয়েছে ওয়েব সিরিজ, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, ব্র্যান্ড ফিল্ম, বিজ্ঞাপনচিত্র এবং ডিজিটাল বিনোদনের নতুন ধরনের প্রকল্প।

তানজিল আহমেদের লক্ষ্য, বাংলাদেশের তরুণদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে এমন একটি নির্মাণপরিবেশ গড়ে তোলা, যেখানে নতুন ধরনের গল্প আন্তর্জাতিক মানের উপস্থাপনার সুযোগ পাবে। ‘শান্তি নিবাস’ সেই লক্ষ্য অর্জনের পথে তাঁর প্রতিষ্ঠানের প্রথম দিকের গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগগুলোর একটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে সৌদিতে মৃত্যুদণ্ডের মুখে যুবক ইউসুফ আল-মানাসিফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১০ পি.এম


বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে সৌদিতে মৃত্যুদণ্ডের মুখে যুবক ইউসুফ আল-মানাসিফ

সৌদি আরবে কিশোর বয়সে বিক্ষোভ ও জানাজায় অংশ নেওয়ার অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকিতে রয়েছেন ইউসুফ আল-মানাসিফ।

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো এমন সময়ের, যখন তার বয়স ছিল ১৫ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে। খবর পাওয়া গেছে, দেশটির সুপ্রিম কোর্ট তার মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে। এর ফলে যেকোনো সময় তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালে ইউসুফকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে শিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের ধর্মীয় স্বাধীনতার দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভে অংশ নেওয়া এবং কয়েকটি জানাজায় উপস্থিত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে। সৌদি কর্তৃপক্ষ ওই জানাজাগুলোকে বিক্ষোভ হিসেবে বিবেচনা করে।

পরে সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত মামলার বিচারের জন্য গঠিত দেশটির বিশেষ ফৌজদারি আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, সর্বোচ্চ আদালতে সাজা বহাল থাকায় মৃত্যুদণ্ড এড়ানোর সুযোগ প্রায় শেষ হয়ে এসেছে।

মানবাধিকার সংস্থা রিপ্রিভের অভিযোগ, গ্রেফতারের পর ইউসুফকে নির্যাতন করা হয় এবং জোর করে মিথ্যা স্বীকারোক্তিতে সই করানো হয়।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, গ্রেফতারের পাঁচ বছর পর ২০২২ সালে প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীর সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পান তিনি।

ইউসুফের পরিবারের সদস্যরা এখনো প্রকাশ্যে এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেননি। মানবাধিকারকর্মীদের আশঙ্কা, মুখ খুললে তারা হয়রানি কিংবা গ্রেফতারের শিকার হতে পারেন।

রিপ্রিভ ও ইউরোপিয়ান সৌদি অর্গানাইজেশন ফর হিউম্যান রাইটসের পরামর্শক দুয়া ধাইনি বলেন, ইউসুফের পরিবারের সদস্যদের এখন অপেক্ষা করা ছাড়া আর কিছু করার নেই।

২০২০ সালে সৌদি আরব অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় সংঘটিত অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ড বাতিলের ঘোষণা দিয়েছিল। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো জানিয়েছে, এরপরও অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় সংঘটিত অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার ঘটনা ঘটেছে।

রিপ্রিভের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালের পর থেকে সৌদি আরবে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে আনা অপরাধের ঘটনা ঘটেছিল তারা শিশু অবস্থায়।

এর সর্বশেষ উদাহরণ হিসেবে চলতি বছরের এপ্রিলে আলি আল-সুবাইতির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা উল্লেখ করেছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। তার সঙ্গে তার চাচা মুস্তাফা আল-সুবাইতিকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। রিপ্রিভের তথ্য অনুযায়ী, আলির বয়স যখন ১২ বছর, তখন সংঘটিত অহিংস ‘সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত’ অপরাধের অভিযোগে তাকে দণ্ডিত করা হয়েছিল।

ইউসুফের মামলা নিয়ে জাতিসংঘের স্বাধীন মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরাও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ১৮ বছরের কম বয়সে সংঘটিত অপরাধের দায়ে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের পরিকল্পিত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর বন্ধ করতে সৌদি আরবের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় সংঘটিত অহিংস অপরাধের জন্য ইউসুফের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলে তা মানবাধিকারের ক্ষেত্রে আরও গুরুতর অবনতি হবে।

দুয়া ধাইনি বলেন, সৌদি কর্তৃপক্ষ নিজেদের ক্ষমতা প্রদর্শন এবং নিয়ম না মানা ব্যক্তিদের হুমকি দেওয়ার হাতিয়ার হিসেবে মৃত্যুদণ্ড ব্যবহার করছে বলে মানবাধিকারকর্মীরা মনে করেন। তার মতে, ইউসুফের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো ১৮ বছরের কম বয়সে সংঘটিত ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ায় তাকে অপ্রাপ্তবয়স্ক হিসেবেই বিবেচনা করা উচিত।

দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সংখ্যা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেড়েছে। ২০২৫ সালে দেশটিতে ৩৫৬ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। তাদের অধিকাংশই বিদেশি নাগরিক, যাদের মাদক-সংক্রান্ত অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%